BNG – CQ Q – Retu Bornon

01
Question 01

আজ জ্যোৎস্না রাতে সবাই গেছে বনে বসন্তের এই মাতাল সমীরণে আজ জ্যোৎস্না রাতে সবাই গেছে বনে যাবো না যে যাবো না যে রইনু পড়ে ঘরের মাঝে।

ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ · 2026

a
মল্লার কী?

b
“রৌদ্র ত্রাসে রহে ছায়া চরণে সরণ” বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

c
উদ্দীপকের সঙ্গে ‘ঋতু বর্ণন’ কবিতার বসন্ত ঋতুর সাদৃশ্য আছে- ব্যাখ্যা করো।

d
উদ্দীপকটি ‘ঋতু বর্ণন’ কবিতার সমগ্র ভাব ধারণ করেনি-মূল্যায়ন করো।

02
Question 02

স্বামী হারানোর পর অনন্যা চৌধুরীকে অদ্ভুত এক বিষণ্ণতা গ্রাস করেছে। ডাক্তারি চিকিৎসা কোনোভাবেই তার মনকে স্বতঃস্ফূর্ত করতে পারছিল না। একদিন অরণ্য তার মাকে বাংলার দার্জিলিং খ্যাত বান্দরবানের চিম্বুক পাহাড়ে বেড়াতে নিয়ে গেল। বিস্তীর্ণ নীলাকাশে ভেসে আসা সাদা মেঘের ভেলা আর চারপাশের গাঢ় সবুজের সাগর অনন্যা চৌধুরীর মনে নতুন প্রাণের সঞ্চার করল। পরদিন সকালে অরণ্য তাকে আবিষ্কার করল রিসোর্টের ব্যালকনিতে। চায়ে চুমুক দিতে দিতে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে অবগাহন করছেন, সামনে আছে গাছের নিচ থেকে কুড়িয়ে আনা এক ঝুড়ি শিউলি ফুল।

ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, চট্টগ্রাম · 2026

a
কখন প্রচণ্ড তপন দেখা দেয়?

b
‘পুষ্প শয্যা ভেদ ভুলি বিচিত্র বসন’- উদ্ধৃতাংশের তাৎপর্য বুঝিয়ে লেখো।

c
উদ্দীপকে যে ঋতুর বর্ণনা দেওয়া হয়েছে তা ‘ঋতু বর্ণন’ কবিতার আলোকে তুলে ধরো।

d
প্রাকৃতিক রূপবৈচিত্র্যের সাথে মানবমনের প্রভাব উদ্দীপক ও ‘ঋতু বর্ণন’ কবিতার আলোকে বিশ্লেষণ করো।

03
Question 03

সারা রাত ধরে ঝিরঝির বৃষ্টি ঝরছে। সকালেও তার বিরাম নেই। সজীব এই বৃষ্টির মধ্যেই ছাতা নিয়ে স্কুলের পথে রওনা হয়। যাওয়ার পথে রাস্তার পাশের ডোবায় দেখে অসংখ্য ব্যাঙ ঘ্যাঙর ঘ্যাঙ শব্দে ডেকে চলেছে অবিরাম। সজীব মুগ্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে ব্যাঙের ডাক শোনে।

সরকারি মাইকেল মধুসূদন (এম.এম) কলেজ, যশোর · 2026

a
‘কস্তুরী’ শব্দের অর্থ কী?

b
“অতি দীর্ঘ সুখ নিশি পলকে পোহাএ”- বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?

c
উদ্দীপকে ‘ঋতু বর্ণন’ কবিতার কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

d
উদ্দীপকে ‘ঋতু বর্ণন’ কবিতার মূলভাবের প্রতিফলন ঘটেছে কী?- এ বিষয়ে তোমার মতামত দাও।

04
Question 04

আজ জোছনা রাতে সবাই গেছে বনে

বসন্তের এই মাতাল সমীরণে।

a
মল্লার কী?

b
“রৌদ্র ত্রাসে রহে ছায়া চরণে সরণ” বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

c
উদ্দীপকের সঙ্গে ‘ঋতু বর্ণন’ কবিতার বসন্ত ঋতুর সাদৃশ্য আছে- ব্যাখ্যা কর।

d
“উদ্দীপকটি ‘ঋতু বর্ণন’ কবিতার সমগ্র ভাব ধারণ করেনি” উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

05
Question 05

আজিকে বাহিরে শুধু ক্রন্দন ছলছল জলধারে,

বেণু-বনে বায়ু নাড়ে এলোকেশ, মন যেন চায় কারে।

a
‘কিংশুক’ শব্দের অর্থ কী?

b
‘ঋতু বর্ণন’ কবিতায় কবি বর্ষাকাল কীভাবে আসার কথা বলেছেন? ব্যাখ্যা কর।

c
উদ্দীপকের সঙ্গে ‘ঋতু বর্ণন’ কবিতাটি কোন দিক দিয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।

d
“উদ্দীপকটি ‘ঋতু বর্ণন’ কবিতার খণ্ডাংশ মাত্র”- বিশ্লেষণ কর।

06
Question 06

এলো ঐ বনান্তে পাগল বসন্ত।

বনে বনে মনে মনে রং সে ছড়ায় রে

চঞ্চল তরুণ দুরন্ত

এলো ঐ বনান্তে পাগল বসন্ত।

…………………………………….

কিশলয় পর্ণে অশান্ত

উড়ে তার অখ্যল প্রান্ত

পলাশ কলিতে তার ফুল ধনু লঘু ভার

ফুলে ফুলে হাসি অফুরন্ত।

a
‘ঋতু বর্ণন’ কবিতায় গ্রীষ্মকালকে কোন নামে অভিহিত করা হয়েছে?

b
নির্ভয়ে বরিষে জল চৌদিকে পূরিত’- এখানে কোন ঋতুর কথা বলা হয়েছে? সংক্ষেপে লেখ।

c
উদ্দীপকে ‘ঋতু বর্ণন’ কবিতার কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে?- ব্যাখ্যা কর।

d
উদ্দীপকটি ‘ঋতু বর্ণন’ কবিতার সমগ্র ভাব ধারণ করেছে কি? উত্তর সপক্ষে তোমার মতামত দাও।

07
Question 07

রোদে রাঙা দুই আঁখি শুকায়েছে কোটরে,

ক্ষুধার আগুন যেন জ্বলে ওঠে জঠরে!

মনে হয় বুঝি তার নিঃশ্বাস মাত্রে

তেড়ে আসে পালাজ্বর পৃথিবীর গাত্রে!

ভয় লাগে হয় বুঝি ত্রিভুবন ভস্ম

ওরে ভাই ভয় নাই পাকে ফল শস্য!

a
কৈলাস কী?

b
দাদুরী শিখীনি রব’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

c
উদ্দীপকের সঙ্গে ‘ঋতু বর্ণন’ কবিতার কোন ঋতুর সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

d
উদ্দীপকে ‘ঋতু বর্ণন’ কবিতার সমগ্র ভাবের প্রতিফলন ঘটেছে কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।

08
Question 08

ওই আসে ওই অতি ভৈরব হরষে

জলসিঙ্কিত ক্ষিতিসৌরভরভসে

ঘনগৌরবে নবযৌবনা বরষা

শ্যামগন্ডীর সরসা।

গুরুগর্জনে নীল অরণ্য শিহরে,

উতলা কলাপী কেকাকলরবে বিহরে।

নিখিলচিত্ত হরষা

ঘনগৌরবে আসিছে মত্ত বরষা।

a
দাদুরী অর্থ কী?

b
‘কুসুমিত কিংশুক সঘন বন লাল’ বলতে কবি কোন ঋতুকে বুঝিয়েছেন? ব্যাখ্যা কর।

c
উদ্দীপকটি ‘ঋতু বর্ণন’ কবিতার কোন দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।

d
“একই ঋতু উদ্দীপকের কবি এবং ‘ঋতু বর্ণন’ কবিতার কবিকে আবেগাপ্লুত করেছে”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

09
Question 09

আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে এই বাংলায়

হয়তো মানুষ নয়- হয়তো বা শঙ্খচিল শালিকের বেশে;

হয়তো ভোরের কাক হয়ে এই কার্তিকের নবান্নের দেশে

কুয়াশার বুকে ভেসে একদিন আসিব এ কাঁঠাল-ছায়ায়।

a
‘ঋতু বর্ণন’ কবিতায় ‘সরণ’ শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?

b
গ্রীষ্মের রৌদ্র সবার মনে ত্রাসের সৃষ্টি করে কেন? ব্যাখ্যা কর।

c
উদ্দীপকের কোন দিকটি ‘ঋতু বর্ণন’ কবিতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।

d
“উদ্দীপকটি ‘ঋতু বর্ণন’ কবিতার সমগ্র ভাব ধারণ করে না” মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

10
Question 10

সুখে আছে যারা, সুখে থাক তারা

সুখের বসন্ত সুখে হোক সারা

দুখিনী নারীর নয়নের নীর

সুখী জনে যেন দেখিতে না পায়।

a
তাম্বুল’ কী?

b
‘মলয়া সমীর হৈলা কামের পদাতি’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

c
উদ্দীপকের সঙ্গে ‘ঋতু বর্ণন’ কবিতার বৈসাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।

d
“উদ্দীপকটি ‘ঋতু বর্ণন’ কবিতার বসন্ত প্রকৃতিকে ধারণ করে না”- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার কর।

11
Question 11

এমন দিনে মানুষ যে অন্যমনষ্ক হয় তার কারণ তার সকল মন তার চোখ আর কানে এসে ভর করে। আমাদের এই চোখ-পোড়ানো আলোর দেশে বর্ষার আকাশ আমাদের চোখে কী যে অপূর্ব স্নিগখ প্রলেপ মাখিয়ে দেয় তা বাঙালি মাত্রেই জানে। আজকের আকাশ দেখে মনে হয়, ছায়ার রঙের কোনো পাখির পালক দিয়ে বর্ষা তাকে আগাগোড়া মুড়িয়ে দিয়েছে, তাই তার স্পর্শ আমাদের চোষের কাছে এত নরম, এত মোলায়েম।

a
চামর কী?

b
“বিচিত্র বসন অঙ্গে চন্দন চর্চিত।”- ব্যাখ্যা কর।

c
উদ্দীপকটি ‘ঋতু বর্ণন’ কবিতার সঙ্গে কোন দিক দিয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ। ব্যাখ্যা কর।

d
উদ্দীপকটি ঋতু বর্ণন’ কবিতার আংশিক ভাব ধারণ করেছে।”- মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

12
Question 12

আজকের দিনটা একেবারে অন্য রকম। ভোর থেকেই সারা আকাশ কালো মেঘের কুণ্ডলীতে ঢাকা। ক্ষণে ক্ষণে কানে বাজছে গুরু গুরু ধ্বনি- যেন মেঘের মুদগঙ্গ বাজছে। একটানা বৃষ্টি’ পড়ছে রিমঝিমিয়ে। আকাশের আজ যেন বাঁধ ভেঙেছে। বৃষ্টির ঝাপটায় চারপাশ যেন ঢেকে আছে কুয়াশার স্বচ্ছ চাদরে। আর প্রাণিরাজ্যে সবচেয়ে আনন্দে মেতেছে বুঝি ব্যাঙের দল। বৃষ্টির রিমঝিম শব্দের সঙ্গে তারা ঐকতান ধরেছে- ঘ্যাঙর ঘ্যাঙর ঘ্যাঙ। সূর্যের দেখা নেই, যেন সয়েওছে বারব্যাঙের এল মধ্যে মাঝে মাঝে আকাশে ঝলসে উঠছে বিদ্যুতের চাবুক।

a
‘শিখিনী’ শব্দের অর্থ কী?

b
‘শীতের তরাসে রবি তুরিতে লুকাএ’- কথাটি বুঝিয়ে লেখ।

c
উদ্দীপকের সঙ্গে ‘ঋতু বর্ণন’ কবিতার কোণ ঋতুর সাদৃশ্য নিরূপণ কর।

d
“উদ্দীপকে ঋতুবর্ণন’ কবিতার একাংশের প্রতিফলন ঘটেছে মাত্র।”- মন্তব্যটির যথার্থতা যাচাই কর।

13
Question 13

বাংলাদেশ ষড়ঋতুর দেশ। ছয়টি ঋতুরই পরিপূর্ণ প্রকাশ বাংলায় পাওয়া যায়। গ্রীষ্মের দাবদাহের পর প্রকৃতিতে স্নিগ্ধতা নিয়ে হাজির হয় বর্ষা। বর্ষার ঝুম বৃষ্টির পর নির্মল আকাশ নিয়ে কাশফুলের সমারোহে প্রকৃতিতে আসে শরৎকাল। শরতের পর আসে হেমন্ত, তখন প্রকৃতি আবার সাজে ভিন্ন রূপে। এরপর রুক্ষতা নিয়ে আসে শীত। তখন প্রকৃতিতে থাকে না সজীবতা। এরপর সব রুক্ষতাকে বিদায় করে আসে বসন্ত। ফুলে, রূপে, রসে গন্ধে চারদিক ম ম করে। তাই তো বসন্ত হলো ঋতুরাজ।

a
‘কস্তুরী’ শব্দের অর্থ কী?

b
‘নিদাঘ সময়ে অতি প্রচন্ড তপন।’- বুঝিয়ে লেখ।

c
উদ্দীপকের সঙ্গে ‘ঋতু বর্ণন’ কবিতা কোন দিক দিয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।

d
উদ্দীপকটি ‘ঋতু বর্ণন’ কবিতার সমগ্র ভাব ধারণ করেছে কি? তোমার উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।

14
Question 14

শীতকাল মানেই কনকনে ঠান্ডা, শুষ্ক ত্বক আর নানা অসুস্থতার ঝুঁকি। শীতের সকালে উঠতে কষ্ট হয়, হাত-পা বরফের মতো ঠান্ডা হয়ে যায়। গরম কাপড় পরা, গরম খাবার খাওয়া প্রয়োজনীয় হলেও এগুলো সবার জন্য পাওয়া সহজ নয়। অনেকে আছে যারা পুরো দীতে একটা শীতবস্ত্র কিনতে পারে না। অনেক উদ্‌বাস্তু রাস্তায় রাত কাটায় বিনা কম্বলে। শীতকাল সবার জন্য পিঠার উৎসব নয়।

a
‘যাবক’ শব্দের অর্থ কী?

b
“দাদুরী শিখীনি রব অতি মন ভাএ।”- ব্যাখ্যা কর।

c
উদ্দীপকটি ‘ঋতু বর্ণন’ কবিতার সঙ্গে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা কর।

d
“উদ্দীপকের শীতকাল আর ‘ঋতু বর্ণন’ কবিতার শীতকালের রূপের ভিন্নতা রয়েছে।”- মন্তব্যটি যাচাই কর।