ইন্টারমিডিয়েট থেকে এডমিশন—পুরো সময় OEP-NS আমার পাশে ছিল। সবাই শুধু সফলতার সময় পাশে থাকে, কিন্তু OEP-NS ব্যর্থতার সময়ও পাশে থাকে এবং আবার নতুন করে স্বপ্ন দেখার সাহস দেয়। এটা আমি অন্য কোথাও দেখিনি।
আমার OEP-NS–এর সাথে যাত্রা শুরু হয় ২০২৪ সালের মার্চ থেকে। ইন্টারমিডিয়েট থেকে এডমিশন—পুরো সময় OEP-NS আমার পাশে ছিল।
আমি ইন্টার ১ম বর্ষের Half Yearly-তে আইসিটি পরীক্ষা খুব খারাপ দিই। এরপর Depression-এ পড়ে যাই, এমনকি বাকি পরীক্ষাগুলোও দিইনি।
এরপর OEP-NS–এর ফ্রি বাংলা পরীক্ষাগুলো দিয়ে আমার বাংলা ১ম পত্রের সিলেবাস শেষ করি এবং আবার ভরসা খুঁজে পাই। পরে নাঈম স্যারের সাথে যোগাযোগ করে জানতে চাই, এমন রুটিন অনুযায়ী আর কোনো পরীক্ষা হয় কি না। তারপর আমি টাস্ক ব্যাচে যুক্ত হই এবং OEP-NS–এর গাইডলাইন ফলো করি। নাঈম ভাইয়ার বলা প্রতিটি কথা মেনে চলি। আলহামদুলিল্লাহ, অবশেষে ১৬তম স্থান অর্জন করি। সেখান থেকেই আমার মনে আবার আশার আলো জ্বলে ওঠে।
এরপর মডেল টেস্টের সময় আমার মা–বাবা অসুস্থ হয়ে যান। পুরো দুই মাস আমি ঠিকমতো পড়তেই পারিনি। তবুও নাঈম স্যার আমাকে হাল ছাড়তে দেননি। বরং চাপ দিয়ে হলেও পড়া আদায় করে নিয়েছেন।
OEP-NS–এর সবচেয়ে বড় Positive দিক হলো—যতবারই তোমার Downfall হোক, OEP-NS তোমাকে আবার দাঁড় করিয়ে দেবে। এই ব্যাপারে আমি ১০০% Surety দিতে পারি।
মডেল টেস্টের পর প্রায় ৫–৬ মাস Social Media থেকে দূরে ছিলাম (মানে, নাঈম স্যার থাকতে দেননি আরকি 😒)। শুধু OEP-NS আর নাঈম ভাইয়ার জন্যই আমি আমার বই কম করে ৮–১০ বার শেষ করেছি। প্রতি মাসেই অন্তত দুইবার করে Revision দিতে হতো।
আলহামদুলিল্লাহ, ইন্টার পরীক্ষায় GPA-5 পাই।
রেজাল্ট প্রকাশের আগেই, ইন্টার পরীক্ষা শেষ হওয়ার মাত্র দুই দিন পর থেকেই OEP-NS–এর গাইডলাইন ফলো করে Admission Journey শুরু করি। আমি নিয়মিত OEP-NS–এর Online ও Offline—দুই ধরনের পরীক্ষাই দিতাম। অনেক সময় পরীক্ষা দিতে দিতে রাত ১টা বেজে যেত। রুটিন এলোমেলো হয়ে যেত, কিন্তু প্রতিবারই আমাকে নতুন করে রুটিন বানিয়ে দেওয়া হতো, আর আমি আবার সেভাবেই শুরু করতাম। নাঈম স্যারের কথা আমি কম-বেশি সবই শুনতাম।
ইন্টারমিডিয়েট থেকে এডমিশন—পুরো সময় OEP-NS আমার পাশে ছিল। সবাই শুধু সফলতার সময় পাশে থাকে, কিন্তু OEP-NS ব্যর্থতার সময়ও পাশে থাকে এবং আবার নতুন করে স্বপ্ন দেখার সাহস দেয়। এটা আমি অন্য কোথাও দেখিনি।
আলহামদুলিল্লাহ, OEP-NS আর নাঈম ভাইয়ার সহযোগিতায়, আল্লাহর ইচ্ছায় আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘গ’ ইউনিটে ৬৪তম হই। ‘খ’ ইউনিটেও মেরিট পাই। JU এবং JnU–তেও সুযোগ হয়েছিল। কিন্তু ভাইয়া আমাকে ঢাবির জন্য অন্য কোথাও চয়েস দিতেই দেননি।
যদি বলি কেন OEP-NS–এ পড়বে?
তাহলে আমার শর্ট উত্তর হবে—
OEP-NS তোমার ভালো সময়, খারাপ সময়—সব সময়ই তোমার পাশে ছায়ার মতো থাকবে।
আর ভাইয়ার কথা যদি ১০০% মেনে চলতে পারো, তাহলে ইনশাআল্লাহ ভালো ফলাফল হবেই, চান্স হবেই।
আমি ভাইয়ার প্রায় প্রতিটি কথা মেনেছি। তাই আমার বই বারবার শেষ হয়েছে, আর আলহামদুলিল্লাহ, চান্সও পেয়েছি। আর যে কথাগুলো শুনিনি… সেগুলোর জন্য বাঁশও খেয়েছি! 🤣
— Hafija Jannat
Management Information Systems
University of Dhaka

