কলেজ জীবনের মাত্র দুই বছরই তোমার এইচএসসি ও ভবিষ্যৎ ভর্তি পরীক্ষার ভিত্তি তৈরি করে। এই সময়ে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো নিয়মিত পড়াশোনা, সঠিক দিকনির্দেশনা এবং ধারাবাহিকতা ধরে রাখা। OEP-NS শুধু পড়ায় না, বরং এমন একটি পরিবেশ তৈরি করে যেখানে পড়াশোনা নিয়মে পরিণত হয়। নিচে আমি OEP-NS-এ যুক্ত হয়ে যে সুবিধাগুলো পেয়েছি, সেগুলো তুলে ধরলাম—
১) কলেজ জীবন খুবই সংক্ষিপ্ত। দেখতে দেখতে দুই বছর শেষ হয়ে যায়। তাই এই সময়টাকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো খুবই জরুরি। স্কুলের মতো কলেজে প্রতিদিন পড়া দিয়ে পড়া নেওয়া হয় না। ফলে অনেকেই শুরুতেই পিছিয়ে পড়ে। কিন্তু OEP-NS-এ প্রতিদিন পড়া দেওয়া হয় এবং মৌখিকভাবে নিয়মিত পড়া নেওয়া হয়, যার ফলে পড়াশোনার ধারাবাহিকতা বজায় থাকে।
২) মৌখিক পরীক্ষাগুলো ভিডিও কলে নেওয়া হয়। তাই দেখে বলার বা ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ থাকে না। এতে নিজের প্রস্তুতি সত্যিকার অর্থেই যাচাই করা যায়।
৩) অনেক মেয়ে শিক্ষার্থীর ভিডিও কলে ক্লাস বা ভাইভা নিয়ে দ্বিধা থাকে। OEP-NS-এ মেয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা মহিলা শিক্ষক রয়েছেন, তাই এ নিয়ে কোনো অস্বস্তি বা সমস্যা হয় না।
৪) OEP-NS-এ একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি ভর্তি প্রস্তুতিও করানো হয়। ফলে এইচএসসি শেষ হওয়ার পর নতুন করে শুরু করতে হয় না এবং পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অনেকটাই এগিয়ে থাকা যায়।
৫) এখানে সময় ব্যবস্থাপনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। নিয়মিত পড়ার কারণে প্রতিটি বইয়ের অধ্যায় নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই শেষ করা সম্ভব হয়। ফলে শেষ মুহূর্তে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয় না।
৬) আমি নিজেও OEP-NS-এর একজন শিক্ষার্থী। ইন্টারমিডিয়েটের দ্বিতীয় বর্ষেই আমার একাডেমিক সিলেবাসের পাশাপাশি ভর্তি প্রস্তুতিও অনেকটাই সম্পন্ন হয়ে গিয়েছিল। অথচ আমার আশেপাশে এমন অনেক শিক্ষার্থী ছিল, যারা তখনও একাডেমিক সিলেবাসই শেষ করতে পারেনি।
আমার ব্যক্তিগত পরামর্শ থাকবে, যদি সত্যিই নিয়মিত পড়াশোনা করতে চাও, নিজের সেরাটা দিতে চাও এবং পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করতে চাও, তাহলে OEP-NS-এর সঙ্গে যুক্ত হতে পারো। ইনশাআল্লাহ, এই সিদ্ধান্তের জন্য ভবিষ্যতে আফসোস করতে হবে না।
— লিমা

