ইন্টার ১ম বর্ষে ফেল করেও ঢাবিতে ৬৪তম! Success Story of Hafija Jannt DU

ইন্টারমিডিয়েট থেকে এডমিশন—পুরো সময় OEP-NS আমার পাশে ছিল। সবাই শুধু সফলতার সময় পাশে থাকে, কিন্তু OEP-NS ব্যর্থতার সময়ও পাশে থাকে এবং আবার নতুন করে স্বপ্ন দেখার সাহস দেয়। এটা আমি অন্য কোথাও দেখিনি।

আমার OEP-NS–এর সাথে যাত্রা শুরু হয় ২০২৪ সালের মার্চ থেকে। ইন্টারমিডিয়েট থেকে এডমিশন—পুরো সময় OEP-NS আমার পাশে ছিল।

আমি ইন্টার ১ম বর্ষের Half Yearly-তে আইসিটি পরীক্ষা খুব খারাপ দিই। এরপর Depression-এ পড়ে যাই, এমনকি বাকি পরীক্ষাগুলোও দিইনি।

এরপর OEP-NS–এর ফ্রি বাংলা পরীক্ষাগুলো দিয়ে আমার বাংলা ১ম পত্রের সিলেবাস শেষ করি এবং আবার ভরসা খুঁজে পাই। পরে নাঈম স্যারের সাথে যোগাযোগ করে জানতে চাই, এমন রুটিন অনুযায়ী আর কোনো পরীক্ষা হয় কি না। তারপর আমি টাস্ক ব্যাচে যুক্ত হই এবং OEP-NS–এর গাইডলাইন ফলো করি। নাঈম ভাইয়ার বলা প্রতিটি কথা মেনে চলি। আলহামদুলিল্লাহ, অবশেষে ১৬তম স্থান অর্জন করি। সেখান থেকেই আমার মনে আবার আশার আলো জ্বলে ওঠে।

এরপর মডেল টেস্টের সময় আমার মা–বাবা অসুস্থ হয়ে যান। পুরো দুই মাস আমি ঠিকমতো পড়তেই পারিনি। তবুও নাঈম স্যার আমাকে হাল ছাড়তে দেননি। বরং চাপ দিয়ে হলেও পড়া আদায় করে নিয়েছেন।

OEP-NS–এর সবচেয়ে বড় Positive দিক হলো—যতবারই তোমার Downfall হোক, OEP-NS তোমাকে আবার দাঁড় করিয়ে দেবে। এই ব্যাপারে আমি ১০০% Surety দিতে পারি।

মডেল টেস্টের পর প্রায় ৫–৬ মাস Social Media থেকে দূরে ছিলাম (মানে, নাঈম স্যার থাকতে দেননি আরকি 😒)। শুধু OEP-NS আর নাঈম ভাইয়ার জন্যই আমি আমার বই কম করে ৮–১০ বার শেষ করেছি। প্রতি মাসেই অন্তত দুইবার করে Revision দিতে হতো।

আলহামদুলিল্লাহ, ইন্টার পরীক্ষায় GPA-5 পাই।

রেজাল্ট প্রকাশের আগেই, ইন্টার পরীক্ষা শেষ হওয়ার মাত্র দুই দিন পর থেকেই OEP-NS–এর গাইডলাইন ফলো করে Admission Journey শুরু করি। আমি নিয়মিত OEP-NS–এর Online ও Offline—দুই ধরনের পরীক্ষাই দিতাম। অনেক সময় পরীক্ষা দিতে দিতে রাত ১টা বেজে যেত। রুটিন এলোমেলো হয়ে যেত, কিন্তু প্রতিবারই আমাকে নতুন করে রুটিন বানিয়ে দেওয়া হতো, আর আমি আবার সেভাবেই শুরু করতাম। নাঈম স্যারের কথা আমি কম-বেশি সবই শুনতাম।

ইন্টারমিডিয়েট থেকে এডমিশন—পুরো সময় OEP-NS আমার পাশে ছিল। সবাই শুধু সফলতার সময় পাশে থাকে, কিন্তু OEP-NS ব্যর্থতার সময়ও পাশে থাকে এবং আবার নতুন করে স্বপ্ন দেখার সাহস দেয়। এটা আমি অন্য কোথাও দেখিনি।

আলহামদুলিল্লাহ, OEP-NS আর নাঈম ভাইয়ার সহযোগিতায়, আল্লাহর ইচ্ছায় আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘গ’ ইউনিটে ৬৪তম হই। ‘খ’ ইউনিটেও মেরিট পাই। JU এবং JnU–তেও সুযোগ হয়েছিল। কিন্তু ভাইয়া আমাকে ঢাবির জন্য অন্য কোথাও চয়েস দিতেই দেননি।

যদি বলি কেন OEP-NS–এ পড়বে?

তাহলে আমার শর্ট উত্তর হবে—

OEP-NS তোমার ভালো সময়, খারাপ সময়—সব সময়ই তোমার পাশে ছায়ার মতো থাকবে।

আর ভাইয়ার কথা যদি ১০০% মেনে চলতে পারো, তাহলে ইনশাআল্লাহ ভালো ফলাফল হবেই, চান্স হবেই।

আমি ভাইয়ার প্রায় প্রতিটি কথা মেনেছি। তাই আমার বই বারবার শেষ হয়েছে, আর আলহামদুলিল্লাহ, চান্সও পেয়েছি। আর যে কথাগুলো শুনিনি… সেগুলোর জন্য বাঁশও খেয়েছি! 🤣

— Hafija Jannat
Management Information Systems
University of Dhaka

SSC থেকে শুরু, GPA-5,Admission,বারবার হতাশা, তারপর Medical. “আমার রেজাল্টের পেছনে GPA-5 ছিল না,ছিল অসংখ্য বকা, শতবার রিভিশন আর একটা মানুষ, যে কখনো আমাকে ছেড়ে যায়নি।” Ashin (Medical)

“আমার রেজাল্টের পেছনে GPA-5 ছিল না… ছিল অসংখ্য বকা, শতবার রিভিশন আর একটা মানুষ, যে কখনো আমাকে ছেড়ে যায়নি।” “একটা সময় মনে হয়েছিল, আমাকে দিয়ে আর কিছুই হবে না…”কিন্তু একজন মানুষ তখনও একই কথা বলছিল— “Back to Hard Work.”কেউ জানে না এর পেছনে কতবার আমি হাল ছেড়ে দিয়েছিলাম…”

OEP-NS এর সাথে আমার যাত্রা শুরু ২০২১ সাল থেকে, তাদের তখনকার রেগুলার স্টুডেন্ট ছিলাম, ডেইলি ক্লাস করতাম, পরীক্ষা দিতাম। পরীক্ষায় কখনো ভালো করতাম কখনো খারাপ। কিন্তু প্রেরণা জোগানোর জন্য সবসময় আমি OEP-NS কে সাথে পেয়েছি। OEP-NS প্রদত্ত ম্যাথ “টাস্ক”আমার জন্য অনেক হেল্পফুল ছিল। সাথে উপমা আপুর বাংলা কবিতা পড়ানোর তো কোনো তুলনাই নাই,এত্ত ভালো বুঝতাম উনার পড়া!আলহামদুলিল্লাহ। তারপর ২০২৩ এ এসএসসি দিলাম।

এইচএসসি’র সমস্ত কিছু কমার্স অরিয়েন্টেড হওয়ার পরও OEP-NS আমাকে সাইন্স রিলেটেড সব প্রোভাইড করেছে। আমি “OEP-NS” অ্যাপের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করতে চাই, ওইখানে পরীক্ষা দিয়ে আমি নিজের অবস্থান জানতে পারতাম, কোথায় কি ল্যাকিংস আছে যতটুকু পারতাম ওইগুলা শুধরায়ে নিতাম । রুটিন অনুযায়ী রেগুলার পড়া দিতাম, আর পরীক্ষা দিতাম। একদিন কোনোকিছু মিস গেলে বকাও শুনতাম যদিও, সাথে থাপ্পড় তো ফ্রী। সেইম জিনিস যে কয়বার রিভিশন দেওয়াইসে আমাকে দিয়ে!বিরক্ত লাগতো মাঝেমাঝে, যদিও আমার ভালোর জন্যই সবকিছু।

এইচএসসি-২৫ ব্যাচের ছিলাম আমি। ইন্টেরিম সরকারের আমলের প্রশ্ন কেমন হবে, কী করতে হবে এসব চিন্তা আসতো মাথায়, ওইজন্য পরীক্ষার আগে গাইডলাইন ফলো করার চেষ্টা করতাম। নামাজ,ঘুম,খাওয়া  সব ঠিক রেখে কীভাবে পরীক্ষার সময় পড়া যায়,ঠান্ডা মাথায় প্রশ্নোত্তর করা যায়, এইসব আমার OEP-NS থেকেই শিখা। ভাইয়া এত পরিমানে সৃজনশীল প্র্যাক্টিস করিয়েছে, বোর্ড পরীক্ষার বাংলায় আমার ১০ মিনিট আগে ৭টা সৃজনশীল লিখা কমপ্লিট হয়,আলহামদুলিল্লাহ।  এইচএসসি’র রেজাল্ট দিলো।আলহামদুলিল্লাহ জিপিএ-৫ পাই। যার ৯০% ক্রেডিটই আমি OEP-NS আর OEP এর CEO নাঈম ভাইয়াকে দিবো।

তারপর এডমিশন টাইমেও OEP-NS এর সাথে পড়া শুরু করলাম, রুটিন মেইনটেইন করে পরীক্ষা দেওয়া ছিল আমার দৈনন্দিন কাজ। কত যে বকা খাইসি!!
*এডমিশন টাইমে সবচেয়ে বেশি ডিপ্রেশন,হতাশা কাজ করে। এই সময়টায় সঠিক গাইডলাইন লাগে,যেটা আমাকে নাঈম ভাইয়া দিয়েছে।  মেডিকেল টার্গেট ছিল,দুর্ভাগ্যক্রমে পাবলিকে আসেনাই।তখনও OEP এর সাপোর্ট পেয়েছি। কথা হচ্ছে কয়েকটা জায়গায় পরীক্ষা দেওয়ার পরও কোথাও আসে নাই। কিন্তু ওই মোমেন্টে নাঈম ভাইয়া বলে,” লাইফে প্যারা নিলেই প্যারা,টেনশন করবিনা,দোয়া করবি,নামাজ পড়বি,কোরআন শুনবি, Then back to hardwork. রেজাল্ট আসুক আর না আসুক।” তারপর “দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ” এর নার্সিং এ চান্স পাই। কিন্তু আমার ড্রিম,আম্মু-আব্বুর ড্রিম ছিল ডাক্তার বানাবে,তাই প্রাইভেট মেডিকেলে অধ্যয়নরত আছি। পাবলিক মেডিকেলে চান্স পাইনাই ঠিক,হয়তো আল্লাহ চায় নাই, হয়তো আমার কোনো ভুল ছিলো, তবে এতটুকু পর্যন্ত যা করেছি,করতে পেরেছি, যেই অবস্থানে আছি সবকিছু আল্লাহর ইচ্ছা, সাথে ভাইয়ার সাপোর্ট।

After all, একাডেমিক লাইফে তোমাকে কী, কী করতে হবে, কী কী ভুল করা যাবেনা এইসব জেনে সঠিক গাইডলাইন পেতে হবে।আর ওইসব মেনে চলতে পারলে,আর আল্লাহ সহায় থাকলে  তোমার একাডেমিক লাইফ ভালো যাবে। তুমি যদি রেগুলারিটি মেইনটেইন করে পড়তে চাও, সঠিক গাইডলাইন পেতে চাও & ভালো কিছু করতে চাও OEP-NS is the best platform for you. যারা তোমার কঠিন সময়ে তোমার পাশে  থাকবে। I will assure you,OEP-NS কখনো কাউকে ছেড়ে যায়না।

– Nishat Tasnim Ashin
     MBBS(1st phase)
     Central Medical College,Cumilla.

আমি ছিলাম OEP-NS-এর সবচেয়ে ফাঁকিবাজ ছাত্রী |মেন্টর বলেছিলেন, “জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়েও চান্স পাবি না”—তারপর ২১ দিনে আমি শর্ট সিলেবাস ফুল শেষ করি – Abida Moula (DCU)

এককথায় এইটা একটা জেলখানা। ধৈর্য আর ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পাড়লে তুৃমি শুধরাই বের হবাই –

OEP-NS এর সাথে আমার যাত্রা শুরু ২০২২ সাল থেকে। টাক্স সাবমিট করা, ২৪ ঘন্টার হিসাব দেওয়া, পরীক্ষা দেওয়া, ভিডিও কলে পড়া দিতে দিতেই এসএসসি চলে আসে। সব বিষয়ে A+ পেয়ে উত্তীর্ণ হই।

এরপর OEP-NS এর সাথেই আবার শুরু করি উচ্চ মাধ্যমিকের পড়াশোনা। এইখানে এতো স্ট্রিকলি গাইড করা হইতো যে ৩ মাসের মধ্যেই আমার বাংলা আর ইংরেজি সিলেবাস শেষ। তবে এরপর থেকে আমি পড়ালেখা থেকে দূরে চলে যেতে থাকি। বিভিন্ন ইভেন্টে যাওয়া, ঘোরাঘুরি করার মাঝে আর তাদের সাথে কন্টিনিউ করা হয়নি। তবে মেন্টরের সাথে যোগাযোগ ছিল। আমার মেন্টর সবসময় বলতো যেইভাবে চলতেসি GPA 5 আসবে না। আমি প্রতিদিন বলতাম কাল থেকে পড়া শুরু করবো আর উনি প্রতিদিন নতুন পড়ার রুটিন বানাতো আমার জন্য। কিন্তু ৭ দিনের পর আমি আবার পড়ালেখা ছেড়ে দিতাম ফলস্বরূপ এইচএসসি তে GPA 4 পাই।

এডমিশন ফেইজেও আমি একই কাজ করি। প্রত্যেক ইউনিভার্সিটির পরীক্ষা শেষে মেন্টরকে বলতাম, পরের পরীক্ষা পড়ালেখা করে দিবো। নতুনভাবে গাইডলাইন দিতো, আমি আবার ৭ দিন পর আগের অবস্থায় ফিরে জাইতাম। আমার এই অবস্থা দেখে মেন্টর আমাকে ফ্রিতেই গাইডলাইন দিতো 🤧। তার বিশ্বাস ছিলো আমাকে দিয়ে কিছু হবে না। এইভাবে আমি হয়ে যাই OEP-NS এর সবচেয়ে ফাঁকি বাজ ছাত্রী।

সব পরীক্ষা শেষে শেষবারের মতো আমার মেন্টর আমাকে বলে,” যদি DCU তে চান্স না পাস, সেকেন্ড টাইমও তোর হবে না। যেইভাবে পড়তেসোস জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়েও চান্স পাবি না।” এরপর আমি সিরিয়াস হই। মেন্টরকে শেষ বারের মতো রিকোয়েস্ট করি। তিনি নতুন করে গাইড করা শুরু করেন। আগে যেইখানে আমার মোবাইল ইউজ টাইম ছিলো 12h+, মেন্টরশিপে প্রতিদিন পড়ালেখা করতাম 8h+। পড়াশোনার বাইরে মোবাইল ধরা হইতো না বললেই চলে। ২১ দিনে আমি শর্ট সিলেবাস ফুল শেষ করি ( এইচএসসিতে শর্ট সিলেবাসও শর্ট করে পড়সি)। এরপর DCU এক্সাম দেই। পজিশন আসে 2760

OEP-NS ছাড়াও এডমিশন ফেইজে আমি অনেক ফ্রি + পেইড মেন্টরশিপ নেই। কিন্তু ৮-১০ দিন পর মেন্টররাও গাইডলাইন দেওয়া অফ করে দিতো। শিক্ষার্থীরা ফাঁকিবাজি করলে মেন্টরও আর গাইড করতো না। OEP-NS এর সবচেয়ে ভালো একটা দিক হলো শিক্ষার্থীরা তাদের কোর্স থেকে বের হয়ে আসলেও, মেন্টররা সবসময় খোঁজ রাখেন। এই প্লাটফর্মের মেন্টরদের মধ্যে যেই লেভেলের ধারাবাহিকতা আর ধৈর্য আছে তা অন্য কোথাও পাইনি।

সবশেষে জুনিয়রদের একটা কথাই বলবো, তুমি যদি আমার মতো ফাঁকিবাজ হও OEP-NS তোমার জন্য বেস্ট একটা প্লাটফর্ম। এককথায় এইটা একটা জেলখানা। ধৈর্য আর ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পাড়লে তুৃমি শুধরাই বের হবাই।

“যারা ভাবছো আর পারবে না, তাদের জন্য আমার গল্প” – Success Story of Tajmina Bonna (DCU)

যখন আমি নিজেই বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছিলাম, ঠিক তখনই আল্লাহ তায়ালা ভাইয়ার মাধ্যমে আমাকে আবার পথ দেখিয়েছেন। এত দীর্ঘ পথ, এত বাধা, এতবার হোঁচট খাওয়ার পরও আজ আমি আমার গন্তব্যে পৌঁছাতে পেরেছি। আলহামদুলিল্লাহ। OEP-NS না থাকলে আমার পক্ষে এই পথটা পার হওয়া কখনোই সম্ভব হতো না

OEP-NS-এর সঙ্গে আমার যাত্রা শুরু হয় ইন্টার সেকেন্ড ইয়ার থেকে। সামনে এইচএসসি পরীক্ষা চলে আসছিল, কিন্তু আমার সিলেবাসের ৩০%ও শেষ হয়নি। অবস্থা ছিল একেবারেই নাজেহাল। তখন হঠাৎ এক বান্ধবীর মাধ্যমে OEP-NS-এর কথা জানতে পারি। অফলাইনে ভালোভাবে পড়ার তেমন সুযোগও ছিল না, তাই এখানেই যুক্ত হই।

শুরুর দিকে এত পড়ার চাপ নেওয়া আমার জন্য খুব কঠিন ছিল। তারপরও কোনোভাবে টিকে ছিলাম। ভাইয়ার বকা আর নিয়মিত পড়ার চাপ—দুটোর কম্বিনেশনই ছিল একদম ভিন্ন রকম। এভাবেই এইচএসসি পরীক্ষা দিলাম।

এরপর শুরু হলো ভর্তি প্রস্তুতির যাত্রা। আবারও ভাইয়ার দিকনির্দেশনায় পড়াশোনা শুরু করলাম। কিন্তু বেশিদিন চালিয়ে যেতে পারিনি। পারিবারিক সমস্যা আর দীর্ঘদিনের অসুস্থতার কারণে মাঝপথেই থেমে যেতে হয়। প্রথমবার ভর্তি পরীক্ষাতেও সফল হতে পারিনি।

শেষ পর্যন্ত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগে ভর্তি হই। কিন্তু মনে একটা আফসোস সবসময়ই ছিল। মনে হচ্ছিল, হয়তো আমার সব স্বপ্ন এখানেই শেষ।

ঠিক তখনই ভাইয়া আবার নতুন করে শুরু করার সাহস দিলেন। আবারও স্বপ্ন দেখতে শিখলাম। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত আবারও অসুস্থ হয়ে পড়ি। কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিয়েছিলাম, কিন্তু প্রতিবারই খুব অল্পের জন্য সুযোগ হাতছাড়া হয়।

যখন ভেবেছিলাম সব শেষ, তখন ভাইয়া শুধু একটি কথাই বলেছিলেন—“শেষবার চেষ্টা কর, হয় মর, না হয় বাঁচ।”

সেই কথাটাই আমাকে আবার দাঁড় করিয়েছিল। শেষবারের মতো চেষ্টা করি। আলহামদুলিল্লাহ, শেষ পর্যন্ত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি (DCU)-তে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাই।

যখন আমি নিজেই বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছিলাম, ঠিক তখনই আল্লাহ তায়ালা ভাইয়ার মাধ্যমে আমাকে আবার পথ দেখিয়েছেন। এত দীর্ঘ পথ, এত বাধা, এতবার হোঁচট খাওয়ার পরও আজ আমি আমার গন্তব্যে পৌঁছাতে পেরেছি। আলহামদুলিল্লাহ।

আর এই পুরো যাত্রায় যাদের অবদান সবচেয়ে বেশি, তাদের মধ্যে OEP-NS অন্যতম। কোনো ধরনের অফলাইন কোচিং ছাড়াই এতদূর আসতে পেরেছি। সত্যি বলতে, OEP-NS না থাকলে আমার পক্ষে এই পথটা পার হওয়া কখনোই সম্ভব হতো না।

সবশেষে, আলহামদুলিল্লাহ।

Tajmina Akter Bonna
Dhaka Central University

“আমি যদি OEP-NS-এ না আসতাম, তাহলে হয়তো আজও আমার একাডেমিক সিলেবাসই শেষ হতো না…” – Success Story of Lima

কলেজ জীবনের মাত্র দুই বছরই তোমার এইচএসসি ও ভবিষ্যৎ ভর্তি পরীক্ষার ভিত্তি তৈরি করে। এই সময়ে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো নিয়মিত পড়াশোনা, সঠিক দিকনির্দেশনা এবং ধারাবাহিকতা ধরে রাখা। OEP-NS শুধু পড়ায় না, বরং এমন একটি পরিবেশ তৈরি করে যেখানে পড়াশোনা নিয়মে পরিণত হয়। নিচে আমি OEP-NS-এ যুক্ত হয়ে যে সুবিধাগুলো পেয়েছি, সেগুলো তুলে ধরলাম—

১) কলেজ জীবন খুবই সংক্ষিপ্ত। দেখতে দেখতে দুই বছর শেষ হয়ে যায়। তাই এই সময়টাকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো খুবই জরুরি। স্কুলের মতো কলেজে প্রতিদিন পড়া দিয়ে পড়া নেওয়া হয় না। ফলে অনেকেই শুরুতেই পিছিয়ে পড়ে। কিন্তু OEP-NS-এ প্রতিদিন পড়া দেওয়া হয় এবং মৌখিকভাবে নিয়মিত পড়া নেওয়া হয়, যার ফলে পড়াশোনার ধারাবাহিকতা বজায় থাকে।

২) মৌখিক পরীক্ষাগুলো ভিডিও কলে নেওয়া হয়। তাই দেখে বলার বা ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ থাকে না। এতে নিজের প্রস্তুতি সত্যিকার অর্থেই যাচাই করা যায়।

৩) অনেক মেয়ে শিক্ষার্থীর ভিডিও কলে ক্লাস বা ভাইভা নিয়ে দ্বিধা থাকে। OEP-NS-এ মেয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা মহিলা শিক্ষক রয়েছেন, তাই এ নিয়ে কোনো অস্বস্তি বা সমস্যা হয় না।

৪) OEP-NS-এ একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি ভর্তি প্রস্তুতিও করানো হয়। ফলে এইচএসসি শেষ হওয়ার পর নতুন করে শুরু করতে হয় না এবং পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অনেকটাই এগিয়ে থাকা যায়।

৫) এখানে সময় ব্যবস্থাপনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। নিয়মিত পড়ার কারণে প্রতিটি বইয়ের অধ্যায় নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই শেষ করা সম্ভব হয়। ফলে শেষ মুহূর্তে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয় না।

৬) আমি নিজেও OEP-NS-এর একজন শিক্ষার্থী। ইন্টারমিডিয়েটের দ্বিতীয় বর্ষেই আমার একাডেমিক সিলেবাসের পাশাপাশি ভর্তি প্রস্তুতিও অনেকটাই সম্পন্ন হয়ে গিয়েছিল। অথচ আমার আশেপাশে এমন অনেক শিক্ষার্থী ছিল, যারা তখনও একাডেমিক সিলেবাসই শেষ করতে পারেনি।

আমার ব্যক্তিগত পরামর্শ থাকবে, যদি সত্যিই নিয়মিত পড়াশোনা করতে চাও, নিজের সেরাটা দিতে চাও এবং পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করতে চাও, তাহলে OEP-NS-এর সঙ্গে যুক্ত হতে পারো। ইনশাআল্লাহ, এই সিদ্ধান্তের জন্য ভবিষ্যতে আফসোস করতে হবে না।

— লিমা

“যে অভ্যাসটা আমার পুরো একাডেমিক জীবন বদলে দিয়েছে” & কীভাবে অসম্ভবকে সম্ভব করে—আমার অভিজ্ঞতা” – Success Story of Hajera (JKKNIU)

কেন OEP-NS-এ যুক্ত হবে?

প্রতিটি বিষয় অন্তত ৪–৫ বার রিভিশন করাবে, যদি তুমি শেষ পর্যন্ত OEP-NS-এর সঙ্গে থাকতে পারো। নিয়মিত পড়াশোনার ফলে আগে যে ৩০–৩৫ পৃষ্ঠার একটি অধ্যায় শেষ করতে অনেক সময় লাগত, এখন সেটি প্রায় ১০ দিনেই শেষ করতে পারছি –

অনেক শিক্ষার্থীই মনে করে, শুধু পড়লেই ভালো ফল করা যায়। কিন্তু বাস্তবে ভালো ফলের জন্য সবচেয়ে বেশি দরকার ধারাবাহিকতা, নিয়মিত মূল্যায়ন, সঠিক গাইডলাইন এবং পড়ার প্রতি জবাবদিহিতা। OEP-NS ঠিক এই বিষয়গুলোই নিশ্চিত করে। তাই যারা শুরু থেকে সঠিকভাবে প্রস্তুতি নিতে চাও এবং নিজের সেরাটা দিতে চাও, তাদের জন্য OEP-NS হতে পারে একটি নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম।

১) প্রথমে বইগুলো দেখে মনে হতে পারে, দুই বছরে কি সত্যিই সব শেষ করা সম্ভব?
কিন্তু OEP-NS তোমাকে প্রতিটি বিষয় অন্তত ৪–৫ বার রিভিশন করাবে, যদি তুমি শেষ পর্যন্ত OEP-NS-এর সঙ্গে থাকতে পারো।

২) সব বিষয়েই নিয়মিত MCQ ও CQ পরীক্ষা হয়। ফলে তুমি খুব ভালোভাবে নিজের প্রস্তুতি ও দুর্বলতা যাচাই করে নিতে পারবে।

৩) সব বিষয়ই নিয়মিত পড়ানো হয়, তাই কোনো বিষয় পিছিয়ে পড়ার সুযোগ থাকে না।

৪) নিয়মিত পড়াশোনার ফলে আগে যে ৩০–৩৫ পৃষ্ঠার একটি অধ্যায় শেষ করতে অনেক সময় লাগত, এখন সেটি প্রায় ১০ দিনেই শেষ করতে পারছি।

৫) নিয়মিত লেখার অনুশীলনের কারণে আগের তুলনায় হাতের লেখার গতি অনেক বেড়েছে।

৬) এখন সময় ব্যবস্থাপনা (Time Management) অনেক ভালোভাবে করতে পারছি।

৭) নিয়মিত ভাইভা দেওয়ার ফলে আমাদের কথা বলার জড়তা অনেকটাই কেটে গেছে এবং আত্মবিশ্বাসও বেড়েছে।

— হাজেরা আক্তার
History
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়

Picuture Info : আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতা ২০২৬ এ শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়কে ২- ০ সেটে হারিয়ে সেমিফাইনালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় টেবিল টেনিস (ছাত্রী) দল।

“যে ‘পড়ার চাপ’ একদিন আমার বিরক্তির কারণ ছিল, আজ সেটাই আমাকে Jahangirnagar University-তে পৌঁছে দিয়েছে!” – Success Story of Fatema Mary (JU)

শুধু OEP-NS-এর ৪০% গাইডলাইন অনুসরণ করেই আমি ৪টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিই এবং আলহামদুলিল্লাহ, ২টিতে সুযোগ পাই। বর্তমানে আমি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (JU) Management Studies বিভাগে অধ্যয়ন করছি –

এসএসসি, এইচএসসি, ভর্তি—সবকিছুর যাত্রাই শুরু হয় OEP-NS-এর মাধ্যমে।

এসএসসি নিয়ে এখন বলছি না। এইচএসসি দিয়েই শুরু করি। এইচএসসির শুরু থেকেই আমি পড়াশোনার জন্য OEP-NS-এর সঙ্গে যুক্ত হই।

শুরুর দিকে ওদের দেওয়া পড়ার চাপ আমার খুব বিরক্তিকর লাগত। মনে হতো, মাত্র ইন্টারমিডিয়েট শুরু হলো, এত চাপ নেওয়ার কী আছে! কিন্তু সেই চাপের কারণেই প্রথম দুই মাসেই আমার পড়াশোনা অনেক এগিয়ে গিয়েছিল। যার ফলে কলেজের পরীক্ষাগুলোও ভালো করতে পেরেছিলাম।

তবে সেই চাপ নিতে না পারায় দুই মাস পর আমি OEP-NS ছেড়ে দিই এবং আর যোগ দিইনি। এরপর প্রি-টেস্টের পর যখন দেখলাম আমার পড়াশোনা ঠিকমতো হচ্ছে না, তখন মনে হলো OEP-NS-এর সেই চাপটাই আসলে আমার দরকার। তাই আবার যুক্ত হই এবং এইচএসসি পর্যন্ত OEP-NS-এর সাথেই পড়াশোনা করি। আলহামদুলিল্লাহ, এইচএসসিতে GPA 5.00 অর্জন করি।

এরপর ভর্তি প্রস্তুতির জন্যও OEP-NS-এ যুক্ত হই। OEP-NS যে গাইডলাইনগুলো দিয়েছিল, আমি সত্যি বলতে মাত্র ৪০% অনুসরণ করেছি, বাকি ৬০% অনুসরণ করিনি। আর একটা বিষয় হলো, আমি কিন্তু এসএসসি থেকেই কোনো অফলাইন কোচিং করিনি।

শুধু OEP-NS-এর ৪০% গাইডলাইন অনুসরণ করেই আমি ৪টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিই এবং আলহামদুলিল্লাহ, ২টিতে সুযোগ পাই। বর্তমানে আমি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (JU) Management Studies বিভাগে অধ্যয়ন করছি।

আমার পরামর্শ থাকবে—যারা পড়াশোনায় ধারাবাহিকতা (Consistency) ধরে রাখতে চাও, তারা OEP-NS-এর সঙ্গে থাকো। ইনশাআল্লাহ, ভালো কিছু অবশ্যই হবে।

— Fatema Mary
Management Studies, Jahangirnagar University (JU)