আমি ছিলাম OEP-NS-এর সবচেয়ে ফাঁকিবাজ ছাত্রী |মেন্টর বলেছিলেন, “জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়েও চান্স পাবি না”—তারপর ২১ দিনে আমি শর্ট সিলেবাস ফুল শেষ করি – Abida Moula (DCU)

এককথায় এইটা একটা জেলখানা। ধৈর্য আর ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পাড়লে তুৃমি শুধরাই বের হবাই –

OEP-NS এর সাথে আমার যাত্রা শুরু ২০২২ সাল থেকে। টাক্স সাবমিট করা, ২৪ ঘন্টার হিসাব দেওয়া, পরীক্ষা দেওয়া, ভিডিও কলে পড়া দিতে দিতেই এসএসসি চলে আসে। সব বিষয়ে A+ পেয়ে উত্তীর্ণ হই।

এরপর OEP-NS এর সাথেই আবার শুরু করি উচ্চ মাধ্যমিকের পড়াশোনা। এইখানে এতো স্ট্রিকলি গাইড করা হইতো যে ৩ মাসের মধ্যেই আমার বাংলা আর ইংরেজি সিলেবাস শেষ। তবে এরপর থেকে আমি পড়ালেখা থেকে দূরে চলে যেতে থাকি। বিভিন্ন ইভেন্টে যাওয়া, ঘোরাঘুরি করার মাঝে আর তাদের সাথে কন্টিনিউ করা হয়নি। তবে মেন্টরের সাথে যোগাযোগ ছিল। আমার মেন্টর সবসময় বলতো যেইভাবে চলতেসি GPA 5 আসবে না। আমি প্রতিদিন বলতাম কাল থেকে পড়া শুরু করবো আর উনি প্রতিদিন নতুন পড়ার রুটিন বানাতো আমার জন্য। কিন্তু ৭ দিনের পর আমি আবার পড়ালেখা ছেড়ে দিতাম ফলস্বরূপ এইচএসসি তে GPA 4 পাই।

এডমিশন ফেইজেও আমি একই কাজ করি। প্রত্যেক ইউনিভার্সিটির পরীক্ষা শেষে মেন্টরকে বলতাম, পরের পরীক্ষা পড়ালেখা করে দিবো। নতুনভাবে গাইডলাইন দিতো, আমি আবার ৭ দিন পর আগের অবস্থায় ফিরে জাইতাম। আমার এই অবস্থা দেখে মেন্টর আমাকে ফ্রিতেই গাইডলাইন দিতো 🤧। তার বিশ্বাস ছিলো আমাকে দিয়ে কিছু হবে না। এইভাবে আমি হয়ে যাই OEP-NS এর সবচেয়ে ফাঁকি বাজ ছাত্রী।

সব পরীক্ষা শেষে শেষবারের মতো আমার মেন্টর আমাকে বলে,” যদি DCU তে চান্স না পাস, সেকেন্ড টাইমও তোর হবে না। যেইভাবে পড়তেসোস জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়েও চান্স পাবি না।” এরপর আমি সিরিয়াস হই। মেন্টরকে শেষ বারের মতো রিকোয়েস্ট করি। তিনি নতুন করে গাইড করা শুরু করেন। আগে যেইখানে আমার মোবাইল ইউজ টাইম ছিলো 12h+, মেন্টরশিপে প্রতিদিন পড়ালেখা করতাম 8h+। পড়াশোনার বাইরে মোবাইল ধরা হইতো না বললেই চলে। ২১ দিনে আমি শর্ট সিলেবাস ফুল শেষ করি ( এইচএসসিতে শর্ট সিলেবাসও শর্ট করে পড়সি)। এরপর DCU এক্সাম দেই। পজিশন আসে 2760

OEP-NS ছাড়াও এডমিশন ফেইজে আমি অনেক ফ্রি + পেইড মেন্টরশিপ নেই। কিন্তু ৮-১০ দিন পর মেন্টররাও গাইডলাইন দেওয়া অফ করে দিতো। শিক্ষার্থীরা ফাঁকিবাজি করলে মেন্টরও আর গাইড করতো না। OEP-NS এর সবচেয়ে ভালো একটা দিক হলো শিক্ষার্থীরা তাদের কোর্স থেকে বের হয়ে আসলেও, মেন্টররা সবসময় খোঁজ রাখেন। এই প্লাটফর্মের মেন্টরদের মধ্যে যেই লেভেলের ধারাবাহিকতা আর ধৈর্য আছে তা অন্য কোথাও পাইনি।

সবশেষে জুনিয়রদের একটা কথাই বলবো, তুমি যদি আমার মতো ফাঁকিবাজ হও OEP-NS তোমার জন্য বেস্ট একটা প্লাটফর্ম। এককথায় এইটা একটা জেলখানা। ধৈর্য আর ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পাড়লে তুৃমি শুধরাই বের হবাই।

“যারা ভাবছো আর পারবে না, তাদের জন্য আমার গল্প” – Success Story of Tajmina Bonna (DCU)

যখন আমি নিজেই বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছিলাম, ঠিক তখনই আল্লাহ তায়ালা ভাইয়ার মাধ্যমে আমাকে আবার পথ দেখিয়েছেন। এত দীর্ঘ পথ, এত বাধা, এতবার হোঁচট খাওয়ার পরও আজ আমি আমার গন্তব্যে পৌঁছাতে পেরেছি। আলহামদুলিল্লাহ। OEP-NS না থাকলে আমার পক্ষে এই পথটা পার হওয়া কখনোই সম্ভব হতো না

OEP-NS-এর সঙ্গে আমার যাত্রা শুরু হয় ইন্টার সেকেন্ড ইয়ার থেকে। সামনে এইচএসসি পরীক্ষা চলে আসছিল, কিন্তু আমার সিলেবাসের ৩০%ও শেষ হয়নি। অবস্থা ছিল একেবারেই নাজেহাল। তখন হঠাৎ এক বান্ধবীর মাধ্যমে OEP-NS-এর কথা জানতে পারি। অফলাইনে ভালোভাবে পড়ার তেমন সুযোগও ছিল না, তাই এখানেই যুক্ত হই।

শুরুর দিকে এত পড়ার চাপ নেওয়া আমার জন্য খুব কঠিন ছিল। তারপরও কোনোভাবে টিকে ছিলাম। ভাইয়ার বকা আর নিয়মিত পড়ার চাপ—দুটোর কম্বিনেশনই ছিল একদম ভিন্ন রকম। এভাবেই এইচএসসি পরীক্ষা দিলাম।

এরপর শুরু হলো ভর্তি প্রস্তুতির যাত্রা। আবারও ভাইয়ার দিকনির্দেশনায় পড়াশোনা শুরু করলাম। কিন্তু বেশিদিন চালিয়ে যেতে পারিনি। পারিবারিক সমস্যা আর দীর্ঘদিনের অসুস্থতার কারণে মাঝপথেই থেমে যেতে হয়। প্রথমবার ভর্তি পরীক্ষাতেও সফল হতে পারিনি।

শেষ পর্যন্ত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগে ভর্তি হই। কিন্তু মনে একটা আফসোস সবসময়ই ছিল। মনে হচ্ছিল, হয়তো আমার সব স্বপ্ন এখানেই শেষ।

ঠিক তখনই ভাইয়া আবার নতুন করে শুরু করার সাহস দিলেন। আবারও স্বপ্ন দেখতে শিখলাম। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত আবারও অসুস্থ হয়ে পড়ি। কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিয়েছিলাম, কিন্তু প্রতিবারই খুব অল্পের জন্য সুযোগ হাতছাড়া হয়।

যখন ভেবেছিলাম সব শেষ, তখন ভাইয়া শুধু একটি কথাই বলেছিলেন—“শেষবার চেষ্টা কর, হয় মর, না হয় বাঁচ।”

সেই কথাটাই আমাকে আবার দাঁড় করিয়েছিল। শেষবারের মতো চেষ্টা করি। আলহামদুলিল্লাহ, শেষ পর্যন্ত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি (DCU)-তে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাই।

যখন আমি নিজেই বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছিলাম, ঠিক তখনই আল্লাহ তায়ালা ভাইয়ার মাধ্যমে আমাকে আবার পথ দেখিয়েছেন। এত দীর্ঘ পথ, এত বাধা, এতবার হোঁচট খাওয়ার পরও আজ আমি আমার গন্তব্যে পৌঁছাতে পেরেছি। আলহামদুলিল্লাহ।

আর এই পুরো যাত্রায় যাদের অবদান সবচেয়ে বেশি, তাদের মধ্যে OEP-NS অন্যতম। কোনো ধরনের অফলাইন কোচিং ছাড়াই এতদূর আসতে পেরেছি। সত্যি বলতে, OEP-NS না থাকলে আমার পক্ষে এই পথটা পার হওয়া কখনোই সম্ভব হতো না।

সবশেষে, আলহামদুলিল্লাহ।

Tajmina Akter Bonna
Dhaka Central University

“আমি যদি OEP-NS-এ না আসতাম, তাহলে হয়তো আজও আমার একাডেমিক সিলেবাসই শেষ হতো না…” – Success Story of Lima

কলেজ জীবনের মাত্র দুই বছরই তোমার এইচএসসি ও ভবিষ্যৎ ভর্তি পরীক্ষার ভিত্তি তৈরি করে। এই সময়ে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো নিয়মিত পড়াশোনা, সঠিক দিকনির্দেশনা এবং ধারাবাহিকতা ধরে রাখা। OEP-NS শুধু পড়ায় না, বরং এমন একটি পরিবেশ তৈরি করে যেখানে পড়াশোনা নিয়মে পরিণত হয়। নিচে আমি OEP-NS-এ যুক্ত হয়ে যে সুবিধাগুলো পেয়েছি, সেগুলো তুলে ধরলাম—

১) কলেজ জীবন খুবই সংক্ষিপ্ত। দেখতে দেখতে দুই বছর শেষ হয়ে যায়। তাই এই সময়টাকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো খুবই জরুরি। স্কুলের মতো কলেজে প্রতিদিন পড়া দিয়ে পড়া নেওয়া হয় না। ফলে অনেকেই শুরুতেই পিছিয়ে পড়ে। কিন্তু OEP-NS-এ প্রতিদিন পড়া দেওয়া হয় এবং মৌখিকভাবে নিয়মিত পড়া নেওয়া হয়, যার ফলে পড়াশোনার ধারাবাহিকতা বজায় থাকে।

২) মৌখিক পরীক্ষাগুলো ভিডিও কলে নেওয়া হয়। তাই দেখে বলার বা ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ থাকে না। এতে নিজের প্রস্তুতি সত্যিকার অর্থেই যাচাই করা যায়।

৩) অনেক মেয়ে শিক্ষার্থীর ভিডিও কলে ক্লাস বা ভাইভা নিয়ে দ্বিধা থাকে। OEP-NS-এ মেয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা মহিলা শিক্ষক রয়েছেন, তাই এ নিয়ে কোনো অস্বস্তি বা সমস্যা হয় না।

৪) OEP-NS-এ একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি ভর্তি প্রস্তুতিও করানো হয়। ফলে এইচএসসি শেষ হওয়ার পর নতুন করে শুরু করতে হয় না এবং পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অনেকটাই এগিয়ে থাকা যায়।

৫) এখানে সময় ব্যবস্থাপনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। নিয়মিত পড়ার কারণে প্রতিটি বইয়ের অধ্যায় নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই শেষ করা সম্ভব হয়। ফলে শেষ মুহূর্তে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয় না।

৬) আমি নিজেও OEP-NS-এর একজন শিক্ষার্থী। ইন্টারমিডিয়েটের দ্বিতীয় বর্ষেই আমার একাডেমিক সিলেবাসের পাশাপাশি ভর্তি প্রস্তুতিও অনেকটাই সম্পন্ন হয়ে গিয়েছিল। অথচ আমার আশেপাশে এমন অনেক শিক্ষার্থী ছিল, যারা তখনও একাডেমিক সিলেবাসই শেষ করতে পারেনি।

আমার ব্যক্তিগত পরামর্শ থাকবে, যদি সত্যিই নিয়মিত পড়াশোনা করতে চাও, নিজের সেরাটা দিতে চাও এবং পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করতে চাও, তাহলে OEP-NS-এর সঙ্গে যুক্ত হতে পারো। ইনশাআল্লাহ, এই সিদ্ধান্তের জন্য ভবিষ্যতে আফসোস করতে হবে না।

— লিমা

“যে অভ্যাসটা আমার পুরো একাডেমিক জীবন বদলে দিয়েছে” & কীভাবে অসম্ভবকে সম্ভব করে—আমার অভিজ্ঞতা” – Success Story of Hajera (JKKNIU)

কেন OEP-NS-এ যুক্ত হবে?

প্রতিটি বিষয় অন্তত ৪–৫ বার রিভিশন করাবে, যদি তুমি শেষ পর্যন্ত OEP-NS-এর সঙ্গে থাকতে পারো। নিয়মিত পড়াশোনার ফলে আগে যে ৩০–৩৫ পৃষ্ঠার একটি অধ্যায় শেষ করতে অনেক সময় লাগত, এখন সেটি প্রায় ১০ দিনেই শেষ করতে পারছি –

অনেক শিক্ষার্থীই মনে করে, শুধু পড়লেই ভালো ফল করা যায়। কিন্তু বাস্তবে ভালো ফলের জন্য সবচেয়ে বেশি দরকার ধারাবাহিকতা, নিয়মিত মূল্যায়ন, সঠিক গাইডলাইন এবং পড়ার প্রতি জবাবদিহিতা। OEP-NS ঠিক এই বিষয়গুলোই নিশ্চিত করে। তাই যারা শুরু থেকে সঠিকভাবে প্রস্তুতি নিতে চাও এবং নিজের সেরাটা দিতে চাও, তাদের জন্য OEP-NS হতে পারে একটি নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম।

১) প্রথমে বইগুলো দেখে মনে হতে পারে, দুই বছরে কি সত্যিই সব শেষ করা সম্ভব?
কিন্তু OEP-NS তোমাকে প্রতিটি বিষয় অন্তত ৪–৫ বার রিভিশন করাবে, যদি তুমি শেষ পর্যন্ত OEP-NS-এর সঙ্গে থাকতে পারো।

২) সব বিষয়েই নিয়মিত MCQ ও CQ পরীক্ষা হয়। ফলে তুমি খুব ভালোভাবে নিজের প্রস্তুতি ও দুর্বলতা যাচাই করে নিতে পারবে।

৩) সব বিষয়ই নিয়মিত পড়ানো হয়, তাই কোনো বিষয় পিছিয়ে পড়ার সুযোগ থাকে না।

৪) নিয়মিত পড়াশোনার ফলে আগে যে ৩০–৩৫ পৃষ্ঠার একটি অধ্যায় শেষ করতে অনেক সময় লাগত, এখন সেটি প্রায় ১০ দিনেই শেষ করতে পারছি।

৫) নিয়মিত লেখার অনুশীলনের কারণে আগের তুলনায় হাতের লেখার গতি অনেক বেড়েছে।

৬) এখন সময় ব্যবস্থাপনা (Time Management) অনেক ভালোভাবে করতে পারছি।

৭) নিয়মিত ভাইভা দেওয়ার ফলে আমাদের কথা বলার জড়তা অনেকটাই কেটে গেছে এবং আত্মবিশ্বাসও বেড়েছে।

— হাজেরা আক্তার
History
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়

Picuture Info : আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতা ২০২৬ এ শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়কে ২- ০ সেটে হারিয়ে সেমিফাইনালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় টেবিল টেনিস (ছাত্রী) দল।

“যে ‘পড়ার চাপ’ একদিন আমার বিরক্তির কারণ ছিল, আজ সেটাই আমাকে Jahangirnagar University-তে পৌঁছে দিয়েছে!” – Success Story of Fatema Mary (JU)

শুধু OEP-NS-এর ৪০% গাইডলাইন অনুসরণ করেই আমি ৪টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিই এবং আলহামদুলিল্লাহ, ২টিতে সুযোগ পাই। বর্তমানে আমি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (JU) Management Studies বিভাগে অধ্যয়ন করছি –

এসএসসি, এইচএসসি, ভর্তি—সবকিছুর যাত্রাই শুরু হয় OEP-NS-এর মাধ্যমে।

এসএসসি নিয়ে এখন বলছি না। এইচএসসি দিয়েই শুরু করি। এইচএসসির শুরু থেকেই আমি পড়াশোনার জন্য OEP-NS-এর সঙ্গে যুক্ত হই।

শুরুর দিকে ওদের দেওয়া পড়ার চাপ আমার খুব বিরক্তিকর লাগত। মনে হতো, মাত্র ইন্টারমিডিয়েট শুরু হলো, এত চাপ নেওয়ার কী আছে! কিন্তু সেই চাপের কারণেই প্রথম দুই মাসেই আমার পড়াশোনা অনেক এগিয়ে গিয়েছিল। যার ফলে কলেজের পরীক্ষাগুলোও ভালো করতে পেরেছিলাম।

তবে সেই চাপ নিতে না পারায় দুই মাস পর আমি OEP-NS ছেড়ে দিই এবং আর যোগ দিইনি। এরপর প্রি-টেস্টের পর যখন দেখলাম আমার পড়াশোনা ঠিকমতো হচ্ছে না, তখন মনে হলো OEP-NS-এর সেই চাপটাই আসলে আমার দরকার। তাই আবার যুক্ত হই এবং এইচএসসি পর্যন্ত OEP-NS-এর সাথেই পড়াশোনা করি। আলহামদুলিল্লাহ, এইচএসসিতে GPA 5.00 অর্জন করি।

এরপর ভর্তি প্রস্তুতির জন্যও OEP-NS-এ যুক্ত হই। OEP-NS যে গাইডলাইনগুলো দিয়েছিল, আমি সত্যি বলতে মাত্র ৪০% অনুসরণ করেছি, বাকি ৬০% অনুসরণ করিনি। আর একটা বিষয় হলো, আমি কিন্তু এসএসসি থেকেই কোনো অফলাইন কোচিং করিনি।

শুধু OEP-NS-এর ৪০% গাইডলাইন অনুসরণ করেই আমি ৪টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিই এবং আলহামদুলিল্লাহ, ২টিতে সুযোগ পাই। বর্তমানে আমি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (JU) Management Studies বিভাগে অধ্যয়ন করছি।

আমার পরামর্শ থাকবে—যারা পড়াশোনায় ধারাবাহিকতা (Consistency) ধরে রাখতে চাও, তারা OEP-NS-এর সঙ্গে থাকো। ইনশাআল্লাহ, ভালো কিছু অবশ্যই হবে।

— Fatema Mary
Management Studies, Jahangirnagar University (JU)