SSC থেকে শুরু, GPA-5,Admission,বারবার হতাশা, তারপর Medical. “আমার রেজাল্টের পেছনে GPA-5 ছিল না,ছিল অসংখ্য বকা, শতবার রিভিশন আর একটা মানুষ, যে কখনো আমাকে ছেড়ে যায়নি।” Ashin (Medical)

“আমার রেজাল্টের পেছনে GPA-5 ছিল না… ছিল অসংখ্য বকা, শতবার রিভিশন আর একটা মানুষ, যে কখনো আমাকে ছেড়ে যায়নি।” “একটা সময় মনে হয়েছিল, আমাকে দিয়ে আর কিছুই হবে না…”কিন্তু একজন মানুষ তখনও একই কথা বলছিল— “Back to Hard Work.”কেউ জানে না এর পেছনে কতবার আমি হাল ছেড়ে দিয়েছিলাম…”

OEP-NS এর সাথে আমার যাত্রা শুরু ২০২১ সাল থেকে, তাদের তখনকার রেগুলার স্টুডেন্ট ছিলাম, ডেইলি ক্লাস করতাম, পরীক্ষা দিতাম। পরীক্ষায় কখনো ভালো করতাম কখনো খারাপ। কিন্তু প্রেরণা জোগানোর জন্য সবসময় আমি OEP-NS কে সাথে পেয়েছি। OEP-NS প্রদত্ত ম্যাথ “টাস্ক”আমার জন্য অনেক হেল্পফুল ছিল। সাথে উপমা আপুর বাংলা কবিতা পড়ানোর তো কোনো তুলনাই নাই,এত্ত ভালো বুঝতাম উনার পড়া!আলহামদুলিল্লাহ। তারপর ২০২৩ এ এসএসসি দিলাম।

এইচএসসি’র সমস্ত কিছু কমার্স অরিয়েন্টেড হওয়ার পরও OEP-NS আমাকে সাইন্স রিলেটেড সব প্রোভাইড করেছে। আমি “OEP-NS” অ্যাপের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করতে চাই, ওইখানে পরীক্ষা দিয়ে আমি নিজের অবস্থান জানতে পারতাম, কোথায় কি ল্যাকিংস আছে যতটুকু পারতাম ওইগুলা শুধরায়ে নিতাম । রুটিন অনুযায়ী রেগুলার পড়া দিতাম, আর পরীক্ষা দিতাম। একদিন কোনোকিছু মিস গেলে বকাও শুনতাম যদিও, সাথে থাপ্পড় তো ফ্রী। সেইম জিনিস যে কয়বার রিভিশন দেওয়াইসে আমাকে দিয়ে!বিরক্ত লাগতো মাঝেমাঝে, যদিও আমার ভালোর জন্যই সবকিছু।

এইচএসসি-২৫ ব্যাচের ছিলাম আমি। ইন্টেরিম সরকারের আমলের প্রশ্ন কেমন হবে, কী করতে হবে এসব চিন্তা আসতো মাথায়, ওইজন্য পরীক্ষার আগে গাইডলাইন ফলো করার চেষ্টা করতাম। নামাজ,ঘুম,খাওয়া  সব ঠিক রেখে কীভাবে পরীক্ষার সময় পড়া যায়,ঠান্ডা মাথায় প্রশ্নোত্তর করা যায়, এইসব আমার OEP-NS থেকেই শিখা। ভাইয়া এত পরিমানে সৃজনশীল প্র্যাক্টিস করিয়েছে, বোর্ড পরীক্ষার বাংলায় আমার ১০ মিনিট আগে ৭টা সৃজনশীল লিখা কমপ্লিট হয়,আলহামদুলিল্লাহ।  এইচএসসি’র রেজাল্ট দিলো।আলহামদুলিল্লাহ জিপিএ-৫ পাই। যার ৯০% ক্রেডিটই আমি OEP-NS আর OEP এর CEO নাঈম ভাইয়াকে দিবো।

তারপর এডমিশন টাইমেও OEP-NS এর সাথে পড়া শুরু করলাম, রুটিন মেইনটেইন করে পরীক্ষা দেওয়া ছিল আমার দৈনন্দিন কাজ। কত যে বকা খাইসি!!
*এডমিশন টাইমে সবচেয়ে বেশি ডিপ্রেশন,হতাশা কাজ করে। এই সময়টায় সঠিক গাইডলাইন লাগে,যেটা আমাকে নাঈম ভাইয়া দিয়েছে।  মেডিকেল টার্গেট ছিল,দুর্ভাগ্যক্রমে পাবলিকে আসেনাই।তখনও OEP এর সাপোর্ট পেয়েছি। কথা হচ্ছে কয়েকটা জায়গায় পরীক্ষা দেওয়ার পরও কোথাও আসে নাই। কিন্তু ওই মোমেন্টে নাঈম ভাইয়া বলে,” লাইফে প্যারা নিলেই প্যারা,টেনশন করবিনা,দোয়া করবি,নামাজ পড়বি,কোরআন শুনবি, Then back to hardwork. রেজাল্ট আসুক আর না আসুক।” তারপর “দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ” এর নার্সিং এ চান্স পাই। কিন্তু আমার ড্রিম,আম্মু-আব্বুর ড্রিম ছিল ডাক্তার বানাবে,তাই প্রাইভেট মেডিকেলে অধ্যয়নরত আছি। পাবলিক মেডিকেলে চান্স পাইনাই ঠিক,হয়তো আল্লাহ চায় নাই, হয়তো আমার কোনো ভুল ছিলো, তবে এতটুকু পর্যন্ত যা করেছি,করতে পেরেছি, যেই অবস্থানে আছি সবকিছু আল্লাহর ইচ্ছা, সাথে ভাইয়ার সাপোর্ট।

After all, একাডেমিক লাইফে তোমাকে কী, কী করতে হবে, কী কী ভুল করা যাবেনা এইসব জেনে সঠিক গাইডলাইন পেতে হবে।আর ওইসব মেনে চলতে পারলে,আর আল্লাহ সহায় থাকলে  তোমার একাডেমিক লাইফ ভালো যাবে। তুমি যদি রেগুলারিটি মেইনটেইন করে পড়তে চাও, সঠিক গাইডলাইন পেতে চাও & ভালো কিছু করতে চাও OEP-NS is the best platform for you. যারা তোমার কঠিন সময়ে তোমার পাশে  থাকবে। I will assure you,OEP-NS কখনো কাউকে ছেড়ে যায়না।

– Nishat Tasnim Ashin
     MBBS(1st phase)
     Central Medical College,Cumilla.