BNG – CQ Q – Podda

01
Question 01

রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ নদী-তীরবর্তী এলাকা। প্রতি বর্ষা মৌসুমে আশেপাশের অনেক এলাকা নদীভাঙনের শিকার হয়। এলাকার দুটি স্কুল, একটি কলেজসহ জনপদের অসংখ্য বাড়ি ও বসতি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। ভাঙনের শিকার মানুষগুলো আবার গোয়ালন্দের নদীতীরে বন্যাপ্লাবিত জমিতে বাদাম, আলু, ধান, পাট, লাগিয়ে প্রচুর ফসল ঘরে তুলতে সক্ষম হয়। সর্বস্বান্ত মানুষ যেন নতুন অনুপ্রেরণায় বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখে।

ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ · 2026

a
‘জওয়ান’ কোন ভাষার শব্দ?

b
“কেঁপেছে তোমাকে দেখে দুরন্ত হার্মাদ।” উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।।

c
উদ্দীপকের গোয়ালন্দ নদী তীরবর্তী ভাঙনের চিত্র ‘পদ্মা’ কবিতার সাথে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো।

d
“সর্বস্বান্ত মানুষ যেন নতুন অনুপ্রেরণায় বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখে” বাক্যে ‘পদ্মা’ কবিতার মর্মার্থই যেন ফুটে উঠেছে- বিশ্লেষণ করো।

02
Question 02

বর্ষার ভরা যৌবনে প্রমত্তা পদ্মা যেন এক রুদ্রমূর্তি ধারণ করে। পদ্মার প্রবল স্রোতে নিমিষেই বিলীন হয়ে যায় জনপদ, ফসলি জমি আর মানুষের বেঁচে থাকার স্বপ্ন। চারিদিকে কান্নার রোল আর ধ্বংসের চিহ্ন রেখে সে এগিয়ে চলে। বর্ষার শেষে নদী যখন শান্ত রূপ ধারণ করে, তখন পলিতে জেগে ওঠে উর্বর চর। সোনালি ফসলের সম্ভারে কৃষকের মুখে হাসি ফোটে। জেলেরা পায় জীবনধারণের রসদ। নদীর এই মমতাময়ী রূপই আবার নতুন করে বাঁচার প্রেরণা জোগায়।

জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, সিলেট · 2026

a
মুসলিম রেনেসাঁর কবি বলা হয় কাকে?

b
‘মুক্তির স্বর্ণদ্বার’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

c
উদ্দীপকে পদ্মার ধ্বংসাত্মক রূপ ‘পদ্মা’ কবিতার কোন দিকটির প্রতিফলন ঘটায়? আলোচনা করো।

d
“ধ্বংসের মাঝেই সৃষ্টির সম্ভাবনা লুকিয়ে থাকে।” উদ্দীপক ‘পদ্মা’ কবিতার আলোকে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

03
Question 03

প্রমত্তা পদ্মার সর্বগ্রাসী রূপ নিয়ে বিখ্যাত শিল্পী আবদুল আলীমের ‘সর্বনাশা পদ্মা নদী’ নামে বহুল প্রচলিত একটি গান রয়েছে। নদীতীরবর্তী মানুষের হাহাকার ভরা দীর্ঘশ্বাস গানটিতে ফুটে উঠেছে। গানের একটি অংশে বলা হয়েছে-

“পদ্মারে তোর। তুফান দেইখা

পরান কাঁপে ডরে

ফেইলা আমায় মারিস না তোর

সর্বনাশা ঝড়ে।”

[পাঠ্যবইয়ের অনুশীলনীর সৃজনশীল প্রশ্ন]

a
জীবন-মৃত্যুর দ্বন্দ্বে নিঃসংশয় কারা?

b
মৃত জড়তার বুকে খুলেছে মুক্তির স্বর্ণদ্বার” বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

c
উদ্দীপকটির সাথে ‘পদ্মা’ কবিতার কোন দিকটির সামঞ্জস্য লক্ষ করা যায়? ব্যাখ্যা কর।

d
“উদ্দীপকটি ‘পদ্মা’ কবিতার আংশিক রূপায়ণ মাত্র”- উক্তিটির যৌক্তিকতা মূল্যায়ন কর।

04
Question 04

তার কুলজোড়া জল, বুকভরা ঢেউ, প্রাণভরা উচ্ছ্বাস। স্বপ্নের ছন্দে সে বহিয়া যায়।

ভোরের হাওয়ায় তার তন্দ্রা ভাঙ্গে, দিনের সূর্য তাকে তাতায়; রাতের চাঁদ ও তারারা তাকে নিয়া ঘুম পাড়াইতে বসে, কিন্তু পারে না…. তিতাস শাহী মেজাজে চলে। তার সাপের বক্রতা নাই, কৃপণের মতো কুটিলতা নাই। কৃষ্ণপক্ষের ভাঁটায় তার বুকের খানিকটা শুষিয়া নেয়, কিন্তু কাঙাল করে না। শুক্লপক্ষের জোয়ারের উদ্দীপনা তাকে ফোলায়, কিন্তু উদ্বেল করে না।

a
‘পদ্মা’ কবিতায় প্রতিটি পঙ্ক্তিতে কত মাত্রা রয়েছে?

b
“জেগেছে তবু পরিপূর্ণ আহ্বান”- ব্যাখ্যা কর।

c
উদ্দীপকের সঙ্গে ‘পদ্মা’ কবিতার বৈসাদৃশ্য আলোচনা কর।

d
“উদ্দীপকে উল্লিখিত নদীর যেসব বৈশিষ্ট্য রয়েছে সেসব ছাড়াও ‘পদ্মা’ কবিতার পদ্মা নদীর আরও বৈচিত্র্যময় রূপ রয়েছে।”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

05
Question 05

এই পদ্মা, এই মেঘনা, এই যমুনা, সুরমা নদী তটে

আমার রাখাল মন গান গেয়ে যায়

এ আমার দেশ, এ আমার প্রেম।

আনন্দ বেদনায় মিলন ও বিরহ সংকটে

কত আনন্দ-বেদনায় মিলন ও বিরহ সংকটে।

এই মধুমতি ধানসিঁড়ি নদীর তীরে

নিজেকে হারিয়ে যেন পাই ফিরে ফিরে।

এক নীল ঢেউ কবিতার প্রচ্ছদ পটে

a
‘সমুদ্রের স্বাদ’ কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?

b
মানুষের জীবনে পদ্মার প্রভাব ব্যাখ্যা কর।

c
উদ্দীপকটি ‘পদ্মা’ কবিতার সঙ্গে কোন দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।

d
নদীর সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের বিচারে উদ্দীপক ও কবিতার মূলভাব কি একসূত্রে গাঁথা? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

06
Question 06

“বিস্তার পাহাড়িয়া নদী ঢেউয়ে মারে বাড়ি।

এমন তরঙ্গ নদী কেমনে দিবার পারি।

চর পইড়া যাওরে নদী দুইচার দন্ডের লাগি।

পার হইয়া যাইবাম মোরা এই ভিক্ষা মাগি”

a
‘পদ্মা’ কবিতায় কীসের স্বাদ পাওয়ার কথা বলা হয়েছে?

b
জলদস্যু- দুরন্ত হার্মাদ কাকে দেখে কেঁপেছে? ব্যাখ্যা কর।

c
উদ্দীপকের নদীর সঙ্গে ‘পদ্মা’ কবিতার পদ্মার সাদৃশ্য কিসে?

d
“উদ্দীপকের বিষয়টি আলোচ্য কবিতার আংশিক রূপের প্রকাশ মাত্র”- মন্তব্যটি বিচার কর।

07
Question 07

হে সিন্ধু, হে বন্ধু মোর

সর্বগ্রাসী। গ্রাসিতেছ মৃত্যু-ক্ষুধা নিয়া

ধরণীরে তিলে তিলে

হে অস্থির। স্থির নাহি হতে দিলে

a
তরঙ্গভঙ্গ হয় কার?

b
নির্ভীক জওয়ান কাদের বলা হয়েছে? কেন?

c
উদ্দীপকের সিন্ধুর সঙ্গে ‘পদ্মা’ কবিতার পদ্মার সাদৃশ্য কিসে?

d
উদ্দীপকের সিন্ধুর মধ্যে কি ‘পদ্মা’ কবিতার পদ্মার সব বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে- তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।

08
Question 08

মৌলবি দাদি নদী দেখেননি। এবার নদীই এসেছে তাঁর কাছে দর্শন দিতে। দু’মাইল দূরে ছিল যে পদ্মা, ভাঙতে ভাঙতে সে এখন মীরহাবেলীর কাছাকাছি এসে গেছে। সরীসৃপের মতো বুকে হেঁটে ক্রমেই এগিইয়ে আসছে। দুশো বছরের পুরাতন জরাজীর্ণ হাবেলী পদ্মার শোঁ-শোঁ আওয়াজ শুনে কাঁপছে থরথর করে।… দাদি তার ঘোলাটে বুড়ো চোখ মেলে তাকান খিড়কির পর্দা ফাঁক করে। ভয় ও বিস্ময়ের ছাপ চোখে-মুখে।

a
জীবনের পথে পথে কী কুড়ানোর কথা বলা হয়েছে?

b
পদ্মা’ কবিতায় কবি পদ্মার কয়টি রূপের কথা তুলে ধরেছেন? ব্যাখ্যা কর।

c
উদ্দীপকের সঙ্গে ‘পদ্মা’ কবিতার কিসের মিল রয়েছে?

d
“উদ্দীপকটি আলোচ্য কবিতার খন্ডাংশমাত্র।”- বিচার কর।

09
Question 09

কোনো কোনো দিন যখন জলের তোড়ে

পাড় ভেঙে ঢুকে পড়ে ক্ষেতের উজানে

ফাটলে, দলিত ঘাস ফসলের শোভা ঠোঁটে

আবার সে ফিরে যায় কাদায় অক্ষর এঁকে দিয়ে;

a
কঠিন শ্রমের ফল কী?

b
‘পদ্মা’ কবিতায় কবির কোন চেতনা প্রকাশ পেয়েছে?

c
উদ্দীপকে ‘পদ্মা’ কবিতার কোন বিষয়টি প্রকাশ ঘটেছে?

d
“উদ্দীপকটি ‘পদ্মা’ কবিতার সামগ্রিক ভাব প্রকাশ করেন না।” মন্তব্যটি বিচার কর।

10
Question 10

আমি জন্মেছি বাংলায়, আমি বাংলায় কথা বলি,

আমি বাংলার আলপথ দিয়ে হাজার বছর চলি।

চলি পলিমাটি কোমলে আমার চলার চিহ্ন ফেলে।

তেরোশত নদী শুধায় আমাকে, ‘কোথা থেকে তুমি এলে?’

a
কবি ফররুখ আহমদের প্রথম কাব্য কোনটি?

b
অনেক ঘূর্ণিতে ঘুরে কে পেয়েছে সমুদ্রের স্বাদ? ব্যাখ্যা কর।

c
উদ্দীপকে ‘পদ্মা’ কবিতার কোন বিষয়টির মিল রয়েছে?

d
“উদ্দীপকটি আলোচ্য কবিতার খন্ডাংশ প্রকাশ করেছে।”- বিশ্লেষণ কর।

11
Question 11

বাংলা আমার আমি বাংলার
বাংলা আমার জন্মভূমি
গঙ্গা ও যমুনা পদ্মা ও মেঘনা
বহিছে যাহার চরণ চুমি।

a
কত সালে ‘সাত সাগরের মাঝি’ প্রকাশিত হয়?

b
‘কেঁপেছে তোমাকে দেখে জলদস্যু- দুরন্ত হার্মাদ’ ব্যাখ্যা কর।

c
উদ্দীপকটি ‘পদ্মা’ কবিতার সঙ্গে কোন দিক দিয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ?

d
উদ্দীপকটি ‘পদ্মা’ কবিতার সমগ্র ভাব ধারণ করে কি? তোমার মতের সপক্ষে যুক্তি দাও।

12
Question 12

পদ্মা যমুনা সুরমা মেঘনা

গঙ্গা কর্ণফুলী,

তোমাদের বুকে আমি নিরবধি

গণমানবের তুলি!

কত বিচিত্র জীবনের রং

চারদিকে করে খেলা,

মুগ্ধ মরণ বাঁকে বাঁকে ঘুরে

কাটায় মারণ বেলা!

a
কার গতি সুতীব্র?

b
সংগ্রামী মানুষ কীভাবে প্রচুর শস্যদানা পেয়েছে?

c
উদ্দীপকটি ‘পদ্মা’ কবিতার সঙ্গে কোন দিক দিয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।

d
“উদ্দীপকের কবিতাংশে ‘পদ্মা’ কবিতার আংশিক ভাবের প্রতিফলন ঘটেছে মাত্র।”- যথার্থতা বিচার কর।

13
Question 13

সত্য কথা, ময়ূরাক্ষীর এই খরস্রোতই বিশেষত্ব। বারো মাসের মধ্যে সাত-আট মাস ময়ূরাক্ষী মরুভূমি, এক মাইল দেড় মাইল প্রশর বালুকারাশি ধু-ধু করে। কিন্তু বর্ষার প্রারম্ভে সে রাক্ষসীর মত ভয়ঙ্করী। দুই পার্শ্বে চার-পাঁচ মাইল গাঢ় পিঙ্গলবর্ণ জলস্রোতে পরিব্যাপ্ত করিয়া বিপুল স্রোতে সে তখন ছুটিয়া চলে। আবার কখনও কখনও আসে ‘হড়পা’ বান, ছয়-সাত হাত উচ্চ জলস্রোত সম্মুখের বাড়ি-ঘর ক্ষেত-খামার গ্রামের পর গ্রাম নিঃশেষে ধুইয়া মুছিয়া দিয়া সমস্ত দেশটাকে প্লাবিত করিয়া দিয়া যায়। কিন্তু সে সচরাচর হয় না। বিশ বৎসর পূর্বে একবার হইয়াছিল।

a
ঘূর্ণি’ অর্থ কী?

b
‘পদ্মা’ কবিতায় পদ্মার কী কী বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে?

c
উদ্দীপকের ‘ময়ূরাক্ষী’ পদ্মার কোন বৈশিষ্ট্যের ধারক? ব্যাখ্যা কর।

d
“উদ্দীপকটি ‘পদ্মা’ কবিতার আংশিক ভাব প্রকাশক।”- মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।