Psychology 1st – A B S – CH 4

01

জৈবিক প্রেষণা কাকে বলে?[রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2026]

উত্তর

প্রাণীর জৈবিক অস্তিত্ব থেকে যেসব প্রেষণার উদ্ভব হয় তাকে শারীরবৃত্তীয় প্রেষনা বা জৈবিক প্রেষণা বলে।

02

পরিবার আবেগ নিয়ন্ত্রণে কোন ধরনের ভূমিকা রাখে?[রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2026]

উত্তর

পরিবার থেকেই মানুষ সামাজিকীকরণের শিক্ষা লাভ করে, তাই তার আবেগের নিয়ন্ত্রণে পরিবারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ছোট শিশু তার পরিবারে বড় হয়। পরিবারই শিশুকে সামাজিকীকরণের মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয় শেখায়। শিশু তার বাবা-মা ও ভাই-বোন থেকে সব আচার-আচরণ শেখে। শিষ্টাচার, শ্রদ্ধাবোধ, সামাজিকতা, সৌজন্যবোধ, বড়দের মান্য করা ইত্যাদি শিক্ষা দেয় পরিবার। তাই বলতে গেলে পরিবারই শিশুর আবেগজনিত আচরণ নিয়ন্ত্রণে মূখ্য ভূমিকা পালন করে।

03

 প্রেষণা চক্রের প্রথম ধাপ কোনটি?[ঢাকা কলেজ · 2026]

উত্তর

প্রেষণা চক্রের প্রথম ধাপ অভাববোধ।

04

মুখভঙ্গি কীভাবে আবেগের প্রকাশ ঘটায়?[ঢাকা কলেজ · 2026]

উত্তর

আবেগকালীন সময়ে মুখের বিভিন্ন পেশির পরিবর্তন সাধিত হয়। এসময় চক্ষু, নাসিকা, ওষ্ঠ ও কপালসহ মুখমণ্ডলের পরিবর্তন হয়। মুখমণ্ডলের অভিব্যক্তি দেখে ব্যক্তির সুখ, আনন্দ, দুঃখ, ভয়ভীতি ইত্যাদি আবেগ সম্বন্ধে অনুমান করতে পারি। একম্যান (১৯৭৩) পাঁচটি দেশের শিক্ষিত জনসমষ্টির ওপর মুখমণ্ডলের বিভিন্ন ধরনের ছবি দেখান (যেমন— সুখ, বিরাগ, বিস্ময়, দুঃখ, ক্রোধ এবং ভীতি সম্বন্ধীয়) গবেষণার ফলাফলে দেখা যায় যে, এসব মুখমণ্ডলের ছবির প্রতি বিভিন্ন দেশের লোকের প্রতিক্রিয়া প্রায় একই রকম ছিল।

05

আবেগ কী?[হলিক্রস কলেজ · 2026]

উত্তর

কোনো উদ্দীপকের প্রতি প্রতিক্রিয়া করতে গিয়ে প্রাণীর মধ্যে যে আলোড়িত বা উত্তেজিত অবস্থার সৃষ্টি হয়, যা তার অভিজ্ঞতা, আচরণ এবং শারীরিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে প্রকাশ পায় তাকে আবেগ বলা হয়।

06

ভয় ও দুঃখ নামক আবেগের বহিঃপ্রকাশ শিশুরা কীভাবে করে?[হলিক্রস কলেজ · 2026]

উত্তর

শিশুর ভয় ও দুঃখ নামক আবেগের বহিঃপ্রকাশ সাধারণত কান্না, চিৎকার বা কুঁকড়ে যাওয়ার মাধ্যমে করে থাকে।
ভয়ের ক্ষেত্রে শিশুরা সাধারণত চিৎকার করে, বড়দের জড়িয়ে ধরে বা পালানোর চেষ্টা করে। অন্যদিকে, দুঃখের বহিঃপ্রকাশ ঘটে কান্নার মাধ্যমে, মুখ ভার করে থাকা বা খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দেওয়ার মাধ্যমে। শিশুদের আবেগ যেহেতু তীব্র ও অনিয়ন্ত্রিত, তাই তাদের এই বহিঃপ্রকাশগুলো খুব স্পষ্ট ও তাৎক্ষণিক হয়।

07

আবেগ কী?[ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, কুমিল্লা সেনানিবাস · 2026]

উত্তর

কোনো উদ্দীপকের প্রতি প্রত্রিক্রিয়া করতে গিয়ে প্রাণীর মধ্যে যে আলোড়ন সৃষ্টি হয় তা অভিজ্ঞতা আচরণ এবং শারীরিক পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রকাশ পাওয়াই আবেগ।

08

যুথচারিতাকে জৈবিক প্রেষণা বলা হয় না কেন? ব্যাখ্যা করো।[ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, কুমিল্লা সেনানিবাস · 2026]

উত্তর

যুথচারিতার কোনো জৈবিক ভিত্তি নেই বিধায় এটি জৈবিক প্রেষণা নয়।
সঙ্গপ্রিয় প্রাণীদের দলবদ্ধ হয়ে থাকার ইচ্ছাকে যুথচারিতা বলে। এটি একটি অর্জিত প্রেষণা এবং সমাজে বাস করার ফলে আমরা এটি অর্জন করি। এর কোনো জৈবিক ভিত্তি নেই এবং সকল শ্রেণির প্রাণীতে প্রেষণাটি বর্তমান নেই। ছোট্ট শিশুকে তার বাবা-মা আদর করে। ধীরে ধীরে সে খেলার সাথী, বন্ধু এবং অন্যান্যদের সঙ্গ কামনা করে। তাই যুথচারিতা একটি সামাজিক প্রেষণা, জৈবিক প্রেষণা নয়।

09

প্রেষণা কী?[বিএএফ শাহীন কলেজ, ঢাকা · 2026]

উত্তর

প্রেষণা হলো এমন আকাঙ্ক্ষা, প্রয়োজন এবং আগ্রহসমূহ, যা প্রাণীকে কর্মে উদ্দীপ্ত বা সক্রিয় করে তোলে এবং একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পরিচালিত করে ।

10

 যূথচারিতা একটি শক্তিশালী সামাজিক প্রেষণা কেন?[বিএএফ শাহীন কলেজ, ঢাকা · 2026]

উত্তর

যূথচারিতা সামাজিক প্রেষণা। কারণ যে সকল প্রাণী সঙ্গপ্রিয় ] তারা দলবদ্ধ হয়ে বাস করে। এরূপ দলবদ্ধ হয়ে থাকার ইচ্ছাকে যূথচারিতা বলে। যূথচারিতা একটি অর্জিত প্রেষণা এবং সমাজে বাস করার ফলে আমরা এটা অর্জন করি। অনেকে যূথচারিতাকে সহজাত প্রেষণা হিসেবে গণ্য করার পক্ষপাতী। কিন্তু প্রকৃত পক্ষে যূথচারিতা কোনো সহজাত প্রবৃত্তি নয়। ছোট্ট শিশুকে তার বাবা-মা আদর করে সে তাদের সাথে মিশে আনন্দ পায়। ধীরে ধীরে সে খেলার সাথী এবং বন্ধুদের সাথে থাকতে পছন্দ করে। পরবর্তীতে সে তার আশে পাশের লোকদের সঙ্গ কামনা করে। তাই যূথচারিতা জন্মগত না হলেও একটি শক্তিশালী সামাজিক প্রেষণা।

11

আবেগ কী?[আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা · 2026]

উত্তর

উদ্দীপকের সাহায্যে প্রাণীর মধ্যে যে আলোড়নের সৃষ্টি হয় যা তার অভিজ্ঞতা, আচরণ এবং শারীরিক পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রকাশ পায় তাকে আবেগ বলে।

12

প্রেষিত আচরণ নির্বাচনমূলক- ব্যাখ্যা করো।[আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা · 2026]

উত্তর

প্রাণী কেমন আচরণ করবে তা নির্ভর করছে তার প্রেষণার ধরনের ওপর। তাই বলা হয় প্রেষিত আচরণ হলো নির্বাচনমূলক।

অভাববোধ প্রাণীকে তার অভাব পূরণ করতে তাড়িত করে। প্রাণী যে বিষয় বা বস্তুর অভাববোধ করে সে তা অর্জন করার জন্য তাড়না অনুভব করে। যেমন- ক্রন্দনরত ক্ষুধার্ত শিশুকে বিভিন্ন ধরনের খেলনা দিয়ে কান্না থামানো যায় না। একমাত্র খাদ্য শিশুর কান্নাকে থামিয়ে দেয়। চৈত্র মাসের খরতাপে তৃষ্ণার্তকে সুস্বাদু খাবার পরিতৃপ্তি দিতে পারে না, যা পারে তা হলো এক গ্লাস ঠান্ডা পানীয়।

13

প্রেষণা কাকে বলে?[মাইলস্টোন কলেজ, ঢাকা · 2026]

উত্তর

আকাঙ্ক্ষা বা চাহিদার ভিত্তিতে মানুষ বা প্রাণীকে কোনো নির্দিষ্ট কর্মে নিয়োজিত ও লক্ষ্য অর্জনে পরিচালিত করার প্রক্রিয়াকে প্রেষণা বলে।

14

“আবেগের ফলে গঠনমূলক পরিবর্তন ঘটে”- ব্যাখ্যা করো।[মাইলস্টোন কলেজ, ঢাকা · 2026]

উত্তর

আবেগের গঠনমূলক ও ধ্বংসাত্মক দুটি দিক রয়েছে। ধ্বংসাত্মক রূপের উপস্থিতির কারণে আবেগের ভারসাম্য নষ্ট হয়। আবেগকালীন নেতিবাচক পরিবর্তনের জন্য ব্যক্তির শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি সাধন হয়। আবেগের নেতিবাচক পরিবর্তন মানুষকে কিংকর্তব্যবিমূঢ় করে ফেলে। তাই আবেগের ধ্বংসাত্মক পরিবর্তন সর্বদা ক্ষতিকারক।

15

প্রেষণা কী?[আইডিয়াল কলেজ, ধানমন্ডি, ঢাকা · 2026]

উত্তর

কাযা কিছু মানুষ বা প্রাণীকে কোনো অভাববোধের চাপ ও তাড়নার পরিস্থিতি বা পরিবেশ উপযোগী প্রতিক্রিয়ায় সক্রিয় করে লক্ষ্য অর্জনের প্রেরণা যোগায় তাই প্রেষণা।

16

প্রেষিত আচরণ ভারসাম্য সংস্থাপক কেন?[আইডিয়াল কলেজ, ধানমন্ডি, ঢাকা · 2026]

উত্তর

বিভিন্ন ধরনের আচরণ বা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শরীরের অভ্যন্তরীণ ভারসাম্য রক্ষা করা হয় বলে, প্রেষিত আচরণ ভারসাম্য সংস্থাপক। প্রতিটি প্রাণী দেহের অভ্যন্তরীণ যন্ত্রমণ্ডলীর মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা প্রয়োজন। এই ভারসাম্য নষ্ট হলে প্রাণী অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়। শরীরে যখন খাদ্যের অভাব দেখা দেয়, তখন আমরা খাবার গ্রহণ করে ভারসাম্য বজায় রাখি। পিপাসা লাগলে আমরা পানি পান করি। স্বাভাবিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে আমাদের শরীর ঘেমে যায় এবং তাপমাত্রা কমে গেলে আমাদের শরীরে কম্পন সৃষ্টি হয়। তাই অভ্যন্তরীণ ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য শরীরের প্রত্যেকটি উপাদানই নির্দিষ্ট মাত্রায় থাকা প্রয়োজন। প্রেষিত আচরণের মাধ্যমেই মূলত এই ভারসাম্য রক্ষা করা হয় বলে একে ভারসাম্য সংস্থাপক বলা হয়।

17

প্রেষণা কী?[ইস্পাহানি পাবলিক স্কুল ও কলেজ, চট্টগ্রাম · 2026]

উত্তর

যা কিছু মানুষ বা প্রাণীকে কোনো অভাববোধের চাপ ও তাড়নার পরিস্থিতি বা পরিবেশ উপযোগী প্রতিক্রিয়ায় সক্রিয় করে লক্ষ্য অর্জনের প্রেরণা যোগায় তাই প্রেষণা (Motivation)।

18

আবেগ নিয়ন্ত্রণের কৌশল হিসেবে পরিবারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ কেন?[ইস্পাহানি পাবলিক স্কুল ও কলেজ, চট্টগ্রাম · 2026]

উত্তর

পরিবার থেকেই মানুষ সামাজিকীকরণের ‘শিক্ষা লাভ করে, তাই তার আবেগের নিয়ন্ত্রণে পরিবারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ছোট শিশু তার পরিবারে বড় হয়। পরিবারই শিশুকে সামাজিকীকরণের মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয় শেখায়। শিশু তার বাবা-মা ও ভাই-বোন থেকে সব আচার-আচরণ শেখে। শিষ্টাচার, শ্রদ্ধাবোধ, সামাজিকতা, সৌজন্যবোধ, বড়দের মান্য করা ইত্যাদি শিক্ষা দেয় পরিবার। তাই বলতে গেলে পরিবারই শিশুর আবেগজনিত আচরণ নিয়ন্ত্রণে মূখ্য ভূমিকা পালন করে।

19

প্রেষণা কী?[বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজ · 2026]

উত্তর

যে শক্তি মানুষ বা প্রাণীকে কোনো কাজের প্রেরণা যোগায় বা উদ্দীপিত করে বা চালিত করে তাই প্রেষণা।

20

প্রেষণা চক্র ব্যাখ্যা করো।[বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজ · 2026]

উত্তর

মানুষ ও প্রাণীর জীবনে অভাববোধ, তাড়না, করণ আচরণ, উদ্দেশ্য সাধন ও বিশ্রাম প্রক্রিয়া যে ক্রমান্বয়ে চক্রাকারে চলতে থাকে তাকে প্রেষণা চক্র বলে। প্রেষণা শুরু হয় অভাববোধ থেকে। অর্থাৎ প্রথমে শরীরাভ্যন্তরে অভাববোধ দেখা দেয়। ফলে অভাববোধ থেকে উদ্ভূত অস্বস্তিকর অবস্থা প্রাণীকে অভাব মেটাবার জন্য তাড়িত বা প্রবৃত্ত করে। অতঃপর প্রাণী উদ্দেশ্য সাধনের জন্য বিভিন্ন ধরনের আচরণ করে এবং পরিশেষে তার উদ্দেশ্য সাধন হলে সে বিশ্রাম গ্রহণ করে। পরে আবার একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতে থাকে। মানুষ ও প্রাণীর জীবনে চক্রাকারে আবর্তিত হওয়া এই ঘটনাকে ‘প্রেষণা চক্র’ বলে।

21

প্রেষণা কী?[রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2025]

উত্তর

প্রেষণা হলো এমন আকাঙ্ক্ষা, প্রয়োজন এবং আগ্রহসমূহ, যা প্রাণীকে কর্মে উদ্দীপ্ত বা সক্রিয় করে তোলে এবং একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পরিচালিত করে।

22

প্রেষিত আচরণ ভারসাম্য সংস্থাপক কেন?[রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2025]

উত্তর

প্রেষিত আচরণকে ভারসাম্য সংস্থাপক বলা হয়। এর কারণ নিম্নে ব্যাখ্যা করা হলো-
বিভিন্ন জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ার দ্বারা শরীরের অভ্যন্তরে কিছু কিছু উপাদানের ঘাটতি দেখা দেয়। প্রেষিত আচরণের দ্বারা উদ্দেশ্য লাভের মাধ্যমে ঐ ঘাটতি পূরণ হয়ে যায়। শারীরতত্ত্ববিদ ক্যানন (১৯৩২) এর মতে, শরীরের নিজস্ব এমন কতকগুলো প্রক্রিয়া রয়েছে যেগুলো শরীরের একটি স্থিতি বজায় রাখতে চেষ্টা করে। শরীরের অভ্যন্তরীণ উপাদানসমূহের ভারসাম্য বজায় রাখার এ প্রক্রিয়াকেই বলা হয় অভ্যন্তরীণ ভারসাম্য। যেমন- শরীরে যদি পানির অভাব দেখা দেয় তবে পানি পান করার মাধ্যমে সেই অভাব দূর হয়।

23

আবেগ কী?[রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2025]

উত্তর

কোনো উদ্দীপকের প্রতি প্রতিক্রিয়া করতে গিয়ে প্রাণীর মধ্যে যে আলোড়িত বা উত্তেজিত অবস্থার সৃষ্টি হয়, যার গতিবেগ স্বাভাবিক আচরণের গতিবেগ অপেক্ষা কম বেশি তীব্র হয়, তাই আবেগ।

24

যুথচারিতাকে কেন সামাজিক প্রেষণা বলা হয়?[রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2025]

উত্তর

যূথচারিতা সামাজিক প্রেষণা। কারণ যে সকল প্রাণী সঙ্গপ্রিয় তারা দলবদ্ধ হয়ে বাস করে। এরূপ দলবদ্ধ হয়ে থাকার ইচ্ছাকে যূথচারিতা বলে। যূথচারিতা একটি অর্জিত প্রেষণা এবং সমাজে বাস করার ফলে আমরা এটা অর্জন করি। অনেকে যূথচারিতাকে সহজাত প্রেষণা হিসেবে গণ্য করার পক্ষপাতী। কিন্তু প্রকৃত পক্ষে যূথচারিতা কোনো সহজাত প্রবৃত্তি নয়। ছোট্ট শিশুকে তার বাবা-মা আদর করে সে তাদের সাথে মিশে আনন্দ পায়। ধীরে ধীরে সে খেলার সাথী এবং বন্ধুদের সাথে থাকতে পছন্দ করে। পরবর্তীতে সে তার আশে পাশের লোকদের সঙ্গ কামনা করে। তাই যূথচারিতা জন্মগত না হলেও একটি শক্তিশালী সামাজিক প্রেষণা।

25

প্রেষণা কী?[হলিক্রস কলেজ · 2025]

উত্তর

প্রেষণা হলো এমন আকাঙ্ক্ষা, প্রয়োজন এবং আগ্রহসমূহ, যা প্রাণীকে কর্মে উদ্দীপ্ত বা সক্রিয় করে তোলে এবং একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পরিচালিত করে।

26

যূথচারিতা জৈবিক প্রেষণা নয় কেন?[হলিক্রস কলেজ · 2025]

উত্তর

যূথচারিতা সামাজিক প্রেষণা। কারণ যে সকল প্রাণী সঙ্গপ্রিয় তারা দলবদ্ধ হয়ে বাস করে। ‘এরূপ দলবদ্ধ হয়ে থাকার ইচ্ছাকে যূথচারিতা বলে। যূথচারিতা একটি অর্জিত প্রেষণা এবং সমাজে বাস করার ফলে আমরা এটা অর্জন করি। অনেকে যূথচারিতাকে সহজাত প্রেষণা হিসেবে গণ্য করার পক্ষপাতী। কিন্তু প্রকৃত পক্ষে যূথচারিতা কোনো সহজাত প্রবৃত্তি নয়। ছোট্ট শিশুকে তার বাবা-মা আদর করে সে তাদের সাথে মিশে আনন্দ পায়। ধীরে ধীরে সে খেলার সাথী এবং বন্ধুদের সাথে থাকতে পছন্দ করে। পরবর্তীতে সে তার আশে পাশের লোকদের সঙ্গ কামনা করে। তাই যূথচারিতা জন্মগত না হলেও একটি শক্তিশালী সামাজিক প্রেষণা।

27

প্রেষণার সংজ্ঞা দাও।[আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা · 2025]

উত্তর

প্রেষণা হলো এমন আকাঙ্ক্ষা, প্রয়োজন এবং আগ্রহসমূহ, যা প্রাণীকে কর্মে উদ্দীপ্ত বা সক্রিয় করে তোলে এবং একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পরিচালিত করে।

28

আবেগ কীভাবে অনুভূতির থেকে আলাদা?[আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা · 2025]

উত্তর

আবেগ ও অনুভূতি সম্পর্কযুক্ত এবং আবেগ অনুভূতি থেকে উদ্ধৃত হয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও আবেগ ও অনুভূতির মধ্যে পার্থক্য আছে। আবেগের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, আবেগ হলো ব্যক্তির একটি উত্তেজিত বা আলোড়িত অবস্থা যা তার অভিজ্ঞতা, আচরণ ও শারীরিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে প্রকাশ পায়। অন্যদিকে যে মানসিক অবস্থা সুখ-দুঃখ এবং কতকগুলো আবেগের অভিজ্ঞতাবোধের নির্দেশ করে তাকে অনুভূতি বলে।

29

পরিণমন কী?[বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ · 2025]

উত্তর

পরিণমন হচ্ছে শারীরিক বৃদ্ধি। পরিণমনের সাথে সাথে শিক্ষণের হারও বাড়তে থাকে।

30

তৃষ্ণা জৈবিক প্রেষণা কেন?[বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ · 2025]

উত্তর

তৃষ্ণা হলো এক ধরনের তাড়না যা তরল পদার্থের অভাববোধ থেকে সৃষ্টি হয়। সকল প্রাণীর জন্য এটি একটি মৌলিক তাড়না। পানি শরীরের একটি বিশেষ উপাদান। শরীরে জলীয় বস্তুর অভাবই তৃষ্ণার কারণ। প্রাণীর জৈবিক অস্তিত্ব থেকে এই প্রেষণার উদ্ভব হয়। তাই তৃষ্ণাকে শারীরবৃত্তীয় প্রেষণা বা জৈবিক প্রেষণা বলা যায়।

31

আবেগ কী?[ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, কুমিল্লা সেনানিবাস · 2025]

উত্তর

কোনো উদ্দীপকের প্রতি প্রতিক্রিয়া করতে গিয়ে প্রাণীর মধ্যে যে আলোড়িত বা উত্তেজিত অবস্থার সৃষ্টি হয়, যার গতিবেগ স্বাভাবিক আচরণের গতিবেগ অপেক্ষা কম বেশি তীব্র হয়, তাই আবেগ।

32

অভাববোধকে প্রেষণা চক্রের প্রথম ধাপ বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।[ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, কুমিল্লা সেনানিবাস · 2025]

উত্তর

প্রতিটি প্রাণীর জীবনেই এবং সকল প্রেষণার ক্ষেত্রেই প্রথমে শরীরাভ্যন্তরে অভাববোধ দেখা দেয়। ফলে অভাববোধ থেকে উৎপন্ন অস্বস্তিকর অবস্থা প্রাণীকে অভাব মেটাবার জন্য তাড়িত বা প্রবৃত্ত করে। অতঃপর প্রাণী উদ্দেশ্য সাধনের জন্য বিভিন্ন ধরনের আচরণ করে এবং পরিশেষে তার উদ্দেশ্য সফল হলে সে বিশ্রাম গ্রহণ করে। পরে আবার একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে। এভাবে পর্যায়ক্রমে প্রতিটি মানুষ ও প্রাণীর জীবনে উপরোক্ত ঘটনাসমূহ চক্রাকারে আবর্তিত হতে থাকে। এ চক্রই প্রেষণা চক্র নামে পরিচিত। আর এ চক্রের সূত্রপাত অভাববোধ থেকে শুরু হয় তাই অভাববোধকে প্রেষণা চক্রের প্রথম ধাপ বলা হয়।

33

প্রেষণা কী?[সরকারি আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া · 2025]

উত্তর

প্রেষণা হলো এমন আকাঙ্ক্ষা, প্রয়োজন এবং আগ্রহসমূহ, যা প্রাণীকে কর্মে উদ্দীপ্ত বা সক্রিয় করে তোলে এবং একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পরিচালিত করে।

34

প্রেষিত আচরণ ভারসাম্য সংস্থাপক কেন?[সরকারি আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া · 2025]

উত্তর

প্রেষিত আচরণকে ভারসাম্য সংস্থাপক বলা হয়। এর কারণ-বিভিন্ন জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ার দ্বারা শরীরের অভ্যন্তরে কিছু কিছু উপাদানের ঘাটতি দেখা দেয়। প্রেষিত আচরণের দ্বারা উদ্দেশ্য লাভের মাধ্যমে ঐ ঘাটতি পূরণ হয়ে যায়। শারীরতত্ত্ববিদ ক্যানন (১৯৩২) এর মতে, শরীরের নিজস্ব এমন কতর্কগুলো প্রক্রিয়া রয়েছে যেগুলো শরীরের একটি স্থিতি বজায় রাখতে চেষ্টা করে। শরীরের অভ্যন্তরীণ উপাদানসমূহের ভারসাম্য বজায় রাখার এ প্রক্রিয়াকেই বলা হয় অভ্যন্তরীণ ভারসাম্য। যেমন- শরীরে যদি পানির অভাব দেখা দেয় তবে পানি পান করার মাধ্যমে সেই অভাব দূর হয়।

35

ক্রাইডারের মতে প্রেষণার সংজ্ঞা দাও।[চট্টগ্রাম কলেজ · 2025]

উত্তর

ক্রাইডারের মতে- “প্রেষণা হলো আকাঙ্খা প্রয়োজন এবং আগ্রহ যা একটি প্রাণীকে কর্মে উদ্বুদ্ধ বা সক্রিয় করে তোলে এবং একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুর দিকে পরিচালিত করে তাকে প্রেষণা হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা যায়।”

36

‘প্রেষিত আচরণ ভারসাম্য সংস্থাপক’- ব্যাখ্যা কর।[চট্টগ্রাম কলেজ · 2025]

উত্তর

প্রেষিত আচরণকে ভারসাম্য সংস্থাপক বলা হয়। কারণ বিভিন্ন জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ার দ্বারা শরীরের অভ্যন্তরে কিছু কিছু উপাদানের ঘাটতি দেখা দেয়। প্রেষিত আচরণের দ্বারা উদ্দেশ্য লাভের মাধ্যমে ঐ ঘাটতি পূরণ হয়ে যায়। শারীরতত্ত্ববিদ ক্যানন (১৯৩২) এর মতে, শরীরের নিজস্ব এমন কতকগুলো প্রক্রিয়া রয়েছে যেগুলো শরীরের একটি স্থিতি বজায় রাখতে চেষ্টা করে। শরীরের অভ্যন্তরীণ উপাদানসমূহের ভারসাম্য বজায় রাখার এ প্রক্রিয়াকেই বলা হয় অভ্যন্তরীণ ভারসাম্য। যেমন- শরীরে যদি পানির অভাব দেখা দেয় তবে পানি পান করার মাধ্যমে সেই অভাব দূর হয়।

37

আবেগের ইংরেজি Emotion এর উৎপত্তি কোন শব্দ থেকে?[চট্টগ্রাম কলেজ · 2025]

উত্তর

আবেগের ইংরেজি Emotion এর উৎপত্তি ল্যাটিন Emovere শব্দ থেকে, যার অর্থ বাইরে পরিচালিত করা।

38

আবেদ ও অনুভূতি কিভাবে আলাদা?[চট্টগ্রাম কলেজ · 2025]

উত্তর

আবেগ ও অনুভূতি সম্পর্কযুক্ত এবং আবেগ অনুভূতি থেকে উদ্ভূত হয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও আবেগ ও অনুভূতির মধ্যে পার্থক্য আছে। আবেগের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, আবেগ হলো ব্যক্তির একটি উত্তেজিত বা আলোড়িত অবস্থা যা তার অভিজ্ঞতা, আচরণ ও শারীরিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে প্রকাশ পায়। অন্যদিকে যে মানসিক অবস্থা *সুখ-দুঃখ এবং কতকগুলো আবেগের অভিজ্ঞতাবোধের নির্দেশ করে তাকে অনুভূতি বলে।
মনোবিজ্ঞানী স্পেন্সার ও মিল সকল প্রকার চেতনার অবস্থা প্রসঙ্গে অনুভূতি কথাটি ব্যবহার করেন। অনুভূতি হলো মৌলিক অভিজ্ঞতা এবং খুব মৃদু দুর্বল মানসিক অবস্থা। এই অনুভূতি যখন প্রবল আকারে প্রকাশ পায় এবং আমাদের দৈহিক যন্ত্রমুলীয় ক্রিয়াকে প্রভাবিত করে তখন তাকে আবেগ বলা হয়।

39

প্রেষণা চক্রের প্রথম ধাপ কোনটি?[ইস্পাহানি পাবলিক স্কুল ও কলেজ, চট্টগ্রাম · 2025]

উত্তর

প্রেষণা চক্রের প্রথম ধাপ অভাববোধ।

40

মুখভঙ্গি কীভাবে আবেগের প্রকাশ ঘটায়?[ইস্পাহানি পাবলিক স্কুল ও কলেজ, চট্টগ্রাম · 2025]

উত্তর

আবেগকালীন সময়ে মুখের বিভিন্ন পেশির পরিবর্তন সাধিত হয়। এসময় চক্ষু, নাসিকা, ওষ্ঠ ও কপালসহ মুখমণ্ডলের পরিবর্তন হয়। মুখমণ্ডলের অভিব্যক্তি দেখে ব্যক্তির সুখ, আনন্দ, দুঃখ, ভয়ভীতি ইত্যাদি আবেগ সম্বন্ধে অনুমান করতে পারি। একম্যান (১৯৭৩) পাঁচটি দেশের শিক্ষিত জনসমষ্টির ওপর মুখমণ্ডলের বিভিন্ন ধরনের ছবি দেখান (যেমন- সুখ, বিরাগ, বিস্ময়, দুঃখ, ক্রোধ এবং ভীতি সম্বন্ধীয়) গবেষণার ফলাফলে দেখা যায় যে, এসব মুখমণ্ডলের ছবির ‘প্রতি বিভিন্ন দেশের লোকের প্রতিক্রিয়া প্রায় একই রকম ছিল।

41

জৈবিক প্রেষণা কাকে বলে?[ইস্পাহানি পাবলিক স্কুল ও কলেজ, চট্টগ্রাম · 2025]

উত্তর

প্রাণীর জৈবিক অস্তিত্ব থেকে যেসব প্রেষণার উদ্ভব হয় তাকে শারীরবৃত্তীয় বা জৈবিক প্রেষণা বলে।

42

প্রেষিত আচরণ ভারসাম্য সংস্থাপক কেন?[ইস্পাহানি পাবলিক স্কুল ও কলেজ, চট্টগ্রাম · 2025]

উত্তর

প্রেষিত আচরণকে ভারসাম্য সংস্থাপক বলা হয়। এর কারণ-বিভিন্ন জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ার দ্বারা শরীরের অভ্যন্তরে কিছু কিছু উপাদানের ঘাটতি দেখা দেয়। প্রেষিত আচরণের দ্বারা উদ্দেশ্য লাভের মাধ্যমে ঐ ঘাটতি পূরণ হয়ে যায়। শারীরতত্ত্ববিদ ক্যানন (১৯৩২) এর মতে, শরীরের নিজস্ব এমন কতকগুলো প্রক্রিয়া রয়েছে যেগুলো শরীরের একটি স্থিতি বজায় রাখতে চেষ্টা করে। শরীরের অভ্যন্তরীণ উপাদানসমূহের ভারসাম্য বজায় রাখার এ প্রক্রিয়াকেই বলা হয় অভ্যন্তরীণ ভারসাম্য। যেমন- শরীরে যদি পানির অভাব দেখা দেয় তবে পানি পান করার মাধ্যমে সেই অভাব দূর হয়।

43

প্রেষণা কী?[ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রংপুর · 2025]

উত্তর

প্রেষণা হলো এমন আকাঙ্ক্ষা, প্রয়োজন এবং আগ্রহসমূহ, যা প্রাণীকে কর্মে উদ্দীপ্ত বা সক্রিয় করে তোলে এবং একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পরিচালিত করে।

44

আবেগ ও অনুভূতি এক নয় কেন?[ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রংপুর · 2025]

উত্তর

আবেগ ও অনুভূতি সম্পর্কযুক্ত এবং আবেগ অনুভূতি থেকে উদ্ভূত হয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও আবেগ ও অনুভূতির মধ্যে পার্থক্য আছে। আবেগের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, আবেগ হলো ব্যক্তির একটি উত্তেজিত বা আলোড়িত অবস্থা যা তার অভিজ্ঞতা, আচরণ ও শারীরিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে প্রকাশ পায়। অন্যদিকে যে মানসিক অবস্থা সুখ-দুঃখ এবং কতকগুলো আবেগের অভিজ্ঞতাবোধের নির্দেশ করে তাকে অনুভূতি বলে।
মনোবিজ্ঞানী স্পেন্সার ও মিল সকল প্রকার চেতনার অবস্থা প্রসঙ্গে অনুভূতি কথাটি ব্যবহার করেন। অনুভূতি হলো মৌলিক অভিজ্ঞতা এবং খুব মৃদু দুর্বল মানসিক অবস্থা। এই অনুভূতি যখন প্রবল আকারে প্রকাশ পায় এবং আমাদের দৈহিক যন্ত্রমুলীয় ক্রিয়াকে প্রভাবিত করে তখন তাকে আবেগ বলা হয়।

45

জৈবিক প্রেষণা কাকে বলে?[শহিদ বীর উত্তম লে. আনোয়ার গার্লস কলেজ, ঢাকা · 2025]

উত্তর

প্রাণীর জৈবিক অস্তিত্ব থেকে যেসব প্রেষণার উদ্ভব হয়, তাকে শারীরবৃত্তীয় বা জৈবিক প্রেষণা বলে।

46

যূথচারিতা কেন সহজাত প্রেষণা নয়? ব্যাখ্যা কর।[শহিদ বীর উত্তম লে. আনোয়ার গার্লস কলেজ, ঢাকা · 2025]

উত্তর

যুথচারিতা সামাজিক প্রেষণা। কারণ যে সকল প্রাণী সঙ্গপ্রিয় তারা দলবদ্ধ হয়ে বাস করে। এরূপ দলবদ্ধ হয়ে থাকার ইচ্ছাকে যুথচারিতা বলে। যুথচারিতা একটি অর্জিত প্রেষণা এবং সমাজে বাস করার ফলে আমরা এটা অর্জন করি। অনেকে যূথচারিতাকে সহজাত প্রেষণা হিসেবে গণ্য করার পক্ষপাতী। কিন্তু প্রকৃত পক্ষে যূথচারিতা কোনো সহজাত প্রবৃত্তি নয়। ছোট্ট শিশুকে তার বাবা-মা আদর করে সে তাদের সাথে মিশে আনন্দ পায়। ধীরে ধীরে সে খেলার সাথী এবং বন্ধুদের সাথে থাকতে পছন্দ করে। পরবর্তীতে সে তার আশে পাশের লোকদের সঙ্গ কামনা করে। তাই যূথচারিতা জন্মগত না হলেও একটি শক্তিশালী সামাজিক প্রেষণা।

47

কৃতি প্রেষণা কাকে বলে?[শহিদ বীর উত্তম লে. আনোয়ার গার্লস কলেজ, ঢাকা · 2025]

উত্তর

স্বীয় সুপ্তশক্তি কর্ম সম্পাদনে উচ্চমানের পরিচয় দিতে তাগিদ দেয়, যা তার উপর কেউ চাপিয়ে দেয় না, বরং নিজেই ঠিক করে নেয় এবং তা অর্জনের জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালায়। এমন উচ্চমানের তাগিদই হলো কৃতি প্রেষণা।

48

আবেগ ও অনুভূতির ২টি পার্থক্য লেখ।[শহিদ বীর উত্তম লে. আনোয়ার গার্লস কলেজ, ঢাকা · 2025]

উত্তর

আবেগ ও অনুভূতির ২টি পার্থক্য-
১. আবেগ হচ্ছে কতকগুলি শারীরিক পরিবর্তন এবং আত্মনিষ্ঠ অভিজ্ঞতার সামগ্রিক রূপ কিন্তু অনুভূতি শুরু আবেগের আত্মনিষ্ঠ দিক বা অভিজ্ঞতাকে নির্দেশ করে।
২. আবেগের দৈহিক প্রকাশ বিশেষভাবে লক্ষ করার বিষয়। পক্ষান্তরে অনুভূতির বাহ্যিক প্রকাশ পরিলক্ষিত হয় না।

49

প্রেষণা কী?[Dhaka · 2025]

উত্তর

ক্রাইডার ও তার সহযোগীগণের মতে- “আকাঙ্ক্ষা, প্রয়োজন এবং আগ্রহ যা একটি প্রাণীকে কর্মে উদ্বুদ্ধ বা সক্রিয় করে তোলে এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুর দিকে পরিচালিত করে তাকে প্রেষণা হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা যায়।”

50

প্রেষিত আচরণকে ভারসাম্য সংস্থাপক বলা হয় কেন?[Dhaka · 2025]

উত্তর

প্রেষিত আচরণ ভারসাম্য সংস্থাপক। আমাদের শরীরের অভ্যন্তরে যখন কোন বিঘ্ন ঘটে বা কোন কিছুর অভাব ঘটে তখন বিভিন্ন আচরণ বা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভারসাম্য রক্ষা করা হয়। প্রতি প্রাণী দেহের অভ্যন্তরীণ যন্ত্র মন্ডলীর মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা প্রয়োজন। এই ভারসাম্য বিনষ্ট হলে প্রাণী অসুস্থ হয়ে পড়ে। স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়। যেমন- আমাদের শরীরে যখন খাদ্যের অভাব দেখা দেয় তখন আমরা খাবার খেয়ে শারীরিক ভারসাম্য বজায় রাখি! তাই যে কোনো প্রেষিত আচরণ আমাদের শরীরের ভারসাম্য রক্ষা করে অর্থাৎ প্রেষিত আচরণ ভারসাম্য সংস্থাপক।

51

মাতৃত্ব কোন ধরনের প্রেষণা?[Chittagong · 2025]

উত্তর

মাতৃত্ব জৈবিক প্রেষণা।

52

প্রেষিত আচরণ কীভবে দেহে ভারসাম্য সৃষ্টি করে?[Chittagong · 2025]

উত্তর

প্রেষিত আচরণ ভারসাম্য সংস্থাপক। আমাদের শরীরের অভ্যন্তরে যখন কোনো বিঘ্ন ঘটে বা কোনো কিছুর অভাব ঘটে তখন বিভিন্ন আচরণ বা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভারসাম্য রক্ষা করা হয়। প্রতি প্রাণী দেহের অভ্যন্তরীণ যন্ত্র মণ্ডলীর মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা প্রয়োজন। এই ভারসাম্য বিনষ্ট হলে প্রাণী অসুস্থ হয়ে পড়ে। স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়। যেমন- আমাদের শরীরে যখন খাদ্যের অভাব দেখা দেয় তখন আমরা খাবার খেয়ে শারীরিক ভারসাম্য বজায় রাখি। তাই যে কোনো প্রেষিত আচরণ আমাদের শরীরের ভারসাম্য রক্ষা করে অর্থাৎ -প্রেষিত আচরণ ভারসাম্য সংস্থাপক।

53

আবেগ কী?[Chittagong · 2025]

উত্তর

কোনো উদ্দীপকের প্রতি প্রতিক্রিয়া করতে গিয়ে প্রাণীর মধ্যে যে আলোড়িত বা উত্তেজিত অবস্থার সৃষ্টি হয় যার গতিবেগ স্বাভাবিক আচরণের গতিবেগ অপেক্ষা কম বেশি তীব্র হয়, তাই হলো আবেগ।

54

মুখভঙ্গির পরবর্তনকে আবেগের শারীরিক পরিবর্তন বলা হয় কেন?[Chittagong · 2025]

উত্তর

আবেগকালীন সময়ে নানা রকম শারীরিক পরিবর্তন ঘটে থাকে যার মধ্যে অন্যতম একটি হলো মুখভঙ্গির পরিবর্তন।

আবেগকালীন সময়ে মুখের বিভিন্ন পেশির পরিবর্তন সাধিত হয়। মুখমণ্ডলের অভিব্যক্তি দেখে ব্যক্তির সুখ, আনন্দ, দুঃখ, ভয়-ভীতি ইত্যাদি আবেগ সম্বন্ধে’ অনুমান করা যায় একম্যান (১৯৭৩) পাঁচটি দেশের শিক্ষিত জনসমষ্টির ওপর মুখমণ্ডলের বিভিন্ন ধরনের ছবি দেখান (যেমন- সুখ, বিরাগ, বিস্ময়, দুঃখ, ক্রোধ এবং ভীতি সম্বন্ধীয়)। গবেষণার ফলাফলে দেখা যায় এসব মুখমণ্ডলের ছবির প্রতি বিভিন্ন দেশের লোকের প্রতিক্রিয়া প্রায় একই রকম ছিল। তাই মুখভঙ্গির পরিবর্তনকে আবেগের শারীরিক পরিবর্তন বলা হয়।

55

প্রেষণা কী ?[হলিক্রস কলেজ · 2024]

উত্তর

প্রেষণা হলো এমন আকাঙ্ক্ষা, প্রয়োজন এবং আগ্রহসমূহ, যা প্রাণীকে কর্মে উদ্দীপ্ত বা সক্রিয় করে তোলে এবং একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পরিচালিত করে ।

56

যূথচারিতা কেন সামাজিক প্রেষণা ?[হলিক্রস কলেজ · 2024]

উত্তর

যূথচারিতা সামাজিক প্রেষণা। কারণ যে সকল প্রাণী সঙ্গপ্রিয় তারা দলবদ্ধ হয়ে বাস করে। এরূপ দলবদ্ধ হয়ে থাকার ইচ্ছাকে যূথচারিতা বলে। যূথচারিতা একটি অর্জিত প্রেষণা এবং সমাজে বাস করার ফলে আমরা এটা অর্জন করি। অনেকে যূথচারিতাকে সহজাত প্রেষণা হিসেবে গণ্য করার পক্ষপাতী। কিন্তু প্রকৃত পক্ষে যূথচারিতা কোনো সহজাত প্রবৃত্তি নয়। ছোট্ট শিশুকে তার বাবা-মা আদর করে সে তাদের সাথে মিশে আনন্দ পায়। ধীরে ধীরে সে খেলার সাথী এবং বন্ধুদের সাথে থাকতে পছন্দ করে। পরবর্তীতে সে তার আশে পাশের লোকদের সঙ্গ কামনা করে। তাই যূথচারিতা জন্মগত না হলেও একটি শক্তিশালী সামাজিক প্রেষণা । 

57

প্রেষণা কী ?[সরকারি আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া · 2024]

উত্তর

প্রেষণা হলো এমন আকাঙ্ক্ষা, প্রয়োজন এবং আগ্রহসমূহ, যা প্রাণীকে কর্মে উদ্দীপ্ত বা সক্রিয় করে তোলে এবং একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পরিচালিত করে।

58

প্রেষণা চক্রটি বর্ণনা কর ।[সরকারি আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া · 2024]

উত্তর

মানুষ ও প্রাণীর জীবনে অভাববোধ, তাড়না, করণ আচরণ, উদ্দেশ্য সাধন ও বিশ্রাম প্রক্রিয়া যে ক্রমান্বয়ে চক্রাকারে চলতে থাকে তাকে প্রেষণা চক্র বলে ।

প্রেষণা শুরু হয় অভাববোধ থেকে। অর্থাৎ প্রথমে শরীরাভ্যন্তরে অভাববোধ দেখা দেয়। ফলে অভাববোধ থেকে উদ্ভূত অস্বস্তিকর অবস্থা প্রাণীকে অভাব মেটাবার জন্য তাড়িত বা প্রবৃত্ত করে । অতঃপর প্রাণী উদ্দেশ্য সাধনের জন্য বিভিন্ন ধরনের আচরণ করে এবং পরিশেষে তার উদ্দেশ্য সাধন হলে সে বিশ্রাম গ্রহণ করে। পরে আবার একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতে থাকে। মানুষ ও প্রাণীর জীবনে চক্রাকারে আবর্তিত হওয়া এই ঘটনাকে ‘প্রেষণা চক্র’ বলে ।

59

প্রেষণা চক্রের দ্বিতীয় উপাদান কোনটি ?[ঢাকা সিটি কলেজ · 2024]

উত্তর

প্রেষণা চক্রের দ্বিতীয় উপাদানটি হলো- তাড়না।

60

প্রেষিত আচরণ উদ্দেশ্যমূলক কেন ?[ঢাকা সিটি কলেজ · 2024]

উত্তর

প্রেষিত আচরণের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো উদ্দেশ্যমূলক আচরণ করা।

আকাঙ্ক্ষা বা চাহিদাবোধের ভিত্তিতে মানুষ বা প্রাণীর মধ্যে অভ্যন্তরীণ ভারসাম্যহীন অবস্থা ও একটি অভ্যন্তরীণ অস্বস্তিকর তাড়নার সৃষ্টি হয়। এটি মানুষ বা প্রাণীকে তার অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য উদ্দেশ্যমূলক আচরণে উদ্বুদ্ধ করে প্রেষিত আচরণের সূত্রপাত ঘটায়। প্রাণীর সামনে একটি উদ্দেশ্য থাকে এবং উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য সে বিভিন্ন আচরণ করে। অর্থাৎ প্রেষিত আচরণ সর্বদাই গন্তব্যস্থলাভিমুখী এবং উদ্দেশ্যমূলক।

61

করণ আচরণ কাকে বলে ?[রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024]

উত্তর

অস্থিরতা লাঘব করার জন্য প্রাণী কতকগুলো আচরণ করে, তাকে করণ আচরণ বলে ।

62

যুথচারিতা একটি সামাজিক প্রেষণা-ব্যাখ্যা করো।[রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024]

উত্তর

যুথচারিতা একটি অর্জিত প্রেষণা এবং সমাজে বসবাস করার ফলে আমরা এ প্রেষণা অর্জন করি। এ জন্য যুথচারিতাকে সামাজিক প্রেষণা বলা হয়।

যুথচারিতার কোনো জৈবিক ভিত্তি নেই এবং সব শ্রেণির প্রাণীতে এ প্রেষণাটি বর্তমান নেই। ছোট শিশুকে তার বাবা-মা আদর করে, সে তাদের সাথে মিশে আনন্দ পায়। ধীরে ধীরে সে খেলার সাথি এবং বন্ধুদের সাথে থাকতে পছন্দ করে। পরবর্তী সময়ে সে তার আশপাশের লোকদের সঙ্গ কামনা করে । যুথচারিতা জন্মগত না হলেও একটি শক্তিশালী সামাজিক প্রেষণা ।

63

প্রেষণা কাকে বলে?[ঢাকা কলেজ · 2024]

উত্তর

আকাঙ্ক্ষা বা চাহিদাবোধের ভিত্তিতে মানুষ বা প্রাণীকে কোনো নির্দিষ্ট কর্মে নিয়োজিত ও লক্ষ্য অর্জনে পরিচালিত করার প্রক্রিয়াকে প্রেষণা বলে ৷

64

প্রেষণা জীবনব্যাপী প্রক্রিয়া কেন? ব্যাখ্যা করো।[ঢাকা কলেজ · 2024]

উত্তর

মানুষ ও প্রাণীর জীবনে প্রেষণা বিভিন্ন স্তরে চক্রাকারে আবর্তিত হয় বলে একটি একটি জীবনব্যাপী প্রক্রিয়া। 

প্রেষণা শুরু হয় অভাববোধ থেকে। অর্থাৎ প্রথমে শরীরাভ্যন্তরে অভাববোধ দেখা দেয়। ফলে অভাববোধ থেকে উদ্ভূত অস্বস্তিকর অবস্থা প্রাণীকে অভাব মেটাবার জন্য তাড়িত বা প্রবৃত্ত করে। অতঃপর প্রাণী উদ্দেশ্য সাধনের জন্য বিভিন্ন ধরনের আচরণ করে এবং পরিশেষে তার উদ্দেশ্য সাধন হলে সে বিশ্রাম গ্রহণ করে। পরে আবার একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতে থাকে। মানুষ ও প্রাণীর জীবনে চক্রাকারে আবর্তিত হওয়া এই ঘটনাকে ‘প্রেষণা চক্র’ বলে ।

65

আবেগ কী?[ঢাকা কলেজ · 2024]

উত্তর

উদ্দীপকের সাহায্যে প্রাণীর মধ্যে যে আলোড়নের সৃষ্টি হয় যা তার অভিজ্ঞতা, আচরণ এবং শারীরিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে প্রকাশ পায় তাই আবেগ।

66

মিশ্র আবেগ কী? ব্যাখ্যা করো।[ঢাকা কলেজ · 2024]

উত্তর

আবেগের ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো ‘Emotion’। এ শব্দটি ল্যাটিন শব্দ ‘Emovere’ থেকে এসেছে। যার অর্থ বাইরে পরিচালিত করা।

আমরা প্রায়শই আবেগ দ্বারা উত্তেজিত হয়ে পড়ি এবং বিভিন্ন আচরণের মধ্য দিয়ে তার বাহ্যিক প্রকাশ ঘটাই। আবার একই সাথে আমরা একাধিক আবেগ অনুভব করি বা করতে পারি। যা মিশ্র আবেগ নামে পরিচিত। আমাদের মনোযোগ এবং চিন্তাভাবনার পরিবর্তনের কারণে আমরা বিভিন্ন প্রকার আবেগ উপলব্ধি করতে পারি এবং সেই বিষয় অনুযায়ী আচরণ করতে পারি। এরকম বিভিন্ন প্রকার আবেগ উপলব্ধি ও আচরণ করাই মিশ্র আবেগ।

67

প্রেষণা চক্রের স্তরগুলো কী কী ?[আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা · 2024]

উত্তর

প্রেষণা চক্রের স্তরগুলো হলো- অভাববোধ, তাড়না, করণ আচরণ ও উদ্দেশ্য সাধন ।

68

প্রেষিত আচরণ নির্বাচনমূলক কেন ?[আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা · 2024]

উত্তর

প্রাণীর আচরণ প্রেষণার ধরনের ওপর নির্ভর করে বলে প্রেষিত আচরণ নির্বাচনমূলক হয়ে থাকে ।

অভাববোধ প্রাণীকে তার অভাব পূরণ করতে তাড়িত করে। প্রাণী যে বিষয় বা বস্তুর অভাববোধ করে সে তা অর্জন করার জন্য তাড়না অনুভব করে। যেমন— ক্রন্দনরত, ক্ষুধার্ত শিশুকে খেলনা দিয়ে কান্না থামানো যায় না বরং খাদ্য দিলে তার কান্না থামে। একইভাবে তৃষ্ণার্ত ব্যক্তিকে সুস্বাদু খাবার দিয়ে তৃষ্ণা মেটানো যায় না। তার জন্য প্রয়োজন হয় পানযোগ্য ঠাণ্ডা পানি। এভাবে প্রাণীর আচরণ কেমন হবে তা মূলত প্রেষণার ধরনের ওপর নির্ভর করে। তাই প্রেষিত আচরণ স্বাভাবিকভাবেই নির্বাচনমূলক হয়ে থাকে।

69

প্রেষণার সংজ্ঞা দাও ।[আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল · 2024]

উত্তর

আকাঙ্ক্ষা বা চাহিদাবোধের ভিত্তিতে মানুষ বা প্রাণীকে কোনো নির্দিষ্ট কর্মে নিয়োজিত ও লক্ষ্য অর্জনে পরিচালিত করার প্রক্রিয়াকে প্রেষণা বলে।

70

প্রেষিত আচরণ ভারসাম্য সংস্থাপক কেন ?[আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল · 2024]

উত্তর

অভ্যন্তরীণ ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য শরীরের প্রত্যেকটি উপাদানই নির্দিষ্ট মাত্রায় থাকা দরকার। প্রেষিত আচরণের মাধ্যমে এই ভারসাম্য রক্ষা করা হয় । তাই প্রেষিত আচরণকে ভারসাম্য সংস্থাপক বলা হয় ।

আমাদের শরীরের অভ্যন্তরে যখন কোনো বিঘ্ন ঘটে বা কোনো কিছুর অভাব ঘটে তখন বিভিন্ন আচরণ বা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভারসাম্য রক্ষা করা হয়। আমাদের শরীরে যখন পানির অভাব দেখা দেয় তখন আমরা পিপাসার্ত হই। পানি পান করে আমরা এ ভারসাম্য রক্ষা করি। প্রতিটি প্রাণীদেহের অভ্যন্তরীণ যন্ত্রমণ্ডলীর মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা প্রয়োজন । এই ভারসাম্য বিনষ্ট হলে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়।

71

প্রেষণা কী?[Dhaka · 2023]

উত্তর

প্রেষণা হলো এমন আকাঙ্ক্ষা, প্রয়োজন এবং আগ্রহসমূহ, যা প্রাণীকে কর্মে উদ্দীপ্ত বা সক্রিয় করে তোলে এবং একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পরিচালিত করে ।

72

 আবেগের ভারসাম্যতা প্রয়োজন কেন?[Dhaka · 2023]

উত্তর

আবেগ মানুষের সহজাত ধর্ম। মানুষের আচরণে উত্তেজনা, অস্থিরতা, চঞ্চলতা, তীব্রতার যে তারতম্য ঘটে তার মূলে রয়েছে আবেগ। আবেগকালীন আচরণ স্বাভাবিক অবস্থার আচরণ অপেক্ষা অধিকতর বেগ সম্পন্ন হয়। আবেগে মানুষ অতিরিক্ত হাসে বা কান্না করে, বেশি অস্থির হয়। আবার আবেগের অতিশয্যে ব্যক্তি কখনো কখনো আত্ম নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। এ অবস্থায় ব্যক্তির বিচার বিবেচনা ও বুদ্ধির গতিপথ রুদ্ধ করে দেয়। তাই আপন আচরণের ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে আবেগের ভারসাম্যতা জরুরি।

73

আবেগ কী?[Dhaka · 2023]

উত্তর

কোনো উদ্দীপকের প্রতি প্রতিক্রিয়া করতে গিয়ে প্রাণীর মধ্যে যে আলোড়িত বা উত্তেজিত অবস্থার সৃষ্টি হয়, যার গতিবেগ স্বাভাবিক আচরণের গতিবেগ অপেক্ষা কম বেশি তীব্র হয়, তাই আবেগ।

74

অনুভূতি এবং আবেগ এক নয় কেন?[Dhaka · 2023]

উত্তর

আবেগ ও অনুভূতি সম্পর্কযুক্ত এবং আবেগ অনুভূতি থেকে উদ্ভূত হয় । কিন্তু তা সত্ত্বেও আবেগ ও অনুভূতির মধ্যে পার্থক্য আছে। আবেগের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, আবেগ হলো ব্যক্তির একটি উত্তেজিত বা আলোড়িত অবস্থা যা তার অভিজ্ঞতা, আচরণ ও শারীরিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে প্রকাশ পায়। অন্যদিকে যে মানসিক অবস্থা সুখ-দুঃখ এবং কতকগুলো আবেগের অভিজ্ঞতাবোধের নির্দেশ করে তাকে অনুভূতি বলে। মনোবিজ্ঞানী স্পেন্সার ও মিল সকল প্রকার চেতনার অবস্থা প্রসঙ্গে অনুভূতি কথাটি ব্যবহার করেন। অনুভূতি হলো মৌলিক অভিজ্ঞতা এবং খুব মৃদু দুর্বল মানসিক অবস্থা। এই অনুভূতি যখন প্রবল আকারে প্রকাশ পায় এবং আমাদের দৈহিক যন্ত্রমুলীয় ক্রিয়াকে প্রভাবিত করে তখন তাকে আবেগ বলা হয় ।

75

প্রেষণা কী?[Rajshahi · 2023]

উত্তর

প্রেষণা হলো এমন আকাঙ্ক্ষা, প্রয়োজন এবং আগ্রহসমূহ, যা প্রাণীকে কর্মে উদ্দীপ্ত বা সক্রিয় করে তোলে এবং একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পরিচালিত করে ।

76

 যূথচারিতা একটি শক্তিশালী সামাজিক প্রেষণা কেন?[Rajshahi · 2023]

উত্তর

যূথচারিতা সামাজিক প্রেষণা। কারণ যে সকল প্রাণী সঙ্গপ্রিয় ] তারা দলবদ্ধ হয়ে বাস করে। এরূপ দলবদ্ধ হয়ে থাকার ইচ্ছাকে যূথচারিতা বলে। যূথচারিতা একটি অর্জিত প্রেষণা এবং সমাজে বাস করার ফলে আমরা এটা অর্জন করি। অনেকে যূথচারিতাকে সহজাত প্রেষণা হিসেবে গণ্য করার পক্ষপাতী। কিন্তু প্রকৃত পক্ষে যূথচারিতা 1 কোনো সহজাত প্রবৃত্তি নয়। ছোট্ট শিশুকে তার বাবা-মা আদর করে সে তাদের সাথে মিশে আনন্দ পায়। ধীরে ধীরে সে খেলার সাথী এবং বন্ধুদের সাথে থাকতে পছন্দ করে। পরবর্তীতে সে তার আশে পাশের লোকদের সঙ্গ কামনা করে। তাই যূথচারিতা জন্মগত না হলেও একটি শক্তিশালী সামাজিক প্রেষণা।

77

আবেগ কী?[Dhaka · 2022]

উত্তর

কোনো উদ্দীপকের প্রতি প্রতিক্রিয়া করতে গিয়ে প্রাণীর মধ্যে যে আলোড়িত বা উত্তেজিত অবস্থার সৃষ্টি হয়, যার গতিবেগ স্বাভাবিক আচরণের গতিবেগ অপেক্ষা কম বেশি তীব্র হয়, তাই আবেগ।

78

 যূথচারিতা জৈবিক প্রেষণা নয় কেন?[Dhaka · 2022]

উত্তর

যে সকল প্রাণী সঙ্গপ্রিয় তারা দলবদ্ধ হয়ে বাস করে। এরূপ দলবদ্ধ হয়ে থাকার ইচ্ছাকে যূথচারিতা বলে। যূথচারিতা একটি অর্জিত প্রেষণা এবং সমাজে বাস করার ফলে আমরা এটা অর্জন করি। অনেকে যূথচারিতাকে সহজাত প্রেষণা হিসেবে পণ্য করার পক্ষপাতী। কিন্তু প্রকৃত পক্ষে যূথচারিতা কোনো সহজাত প্রবৃত্তি নয়। ছোট্ট শিশুকে তার বাবা-মা আদর করে সে তাদের সাথে মিশে আনন্দ পায়। ধীরে ধীরে সে খেলার সাথী এবং বন্ধুদের সাথে থাকতে পছন্দ করে। পরবর্তীতে সে তার আশে পাশের লোকদের সঙ্গ কামনা করে। তাই যূথচারিতা জৈবিক প্রেষণা না হলেও একটি শক্তিশালী সামাজিক প্রেষণা । 

79

প্রেষণা চক্রের দ্বিতীয় উপাদান কোনটি?[Dhaka · 2022]

উত্তর

প্রেষণা চক্রের দ্বিতীয় উপাদান হলো তাড়না ।

80

প্রেষিত আচরণ ভারসাম্য সংস্থাপক কেন?[Dhaka · 2022]

উত্তর

প্রেষিত আচরণকে ভারসাম্য সংস্থাপক বলা হয়। এর কারণ নিম্নে ব্যাখ্যা করা হলো-

বিভিন্ন জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ার দ্বারা শরীরের অভ্যন্তরে কিছু কিছু উপাদানের ঘাটতি দেখা দেয়। প্রেষিত আচরণের দ্বারা উদ্দেশ্য লাভের মাধ্যমে ঐ ঘাটতি পূরণ হয়ে যায়। শারীরতত্ত্ববিদ ক্যানন (১৯৩২) এর মতে, শরীরের নিজস্ব এমন কতকগুলো প্রক্রিয়া রয়েছে যেগুলো শরীরের একটি স্থিতি বজায় রাখতে চেষ্টা করে। শরীরের অভ্যন্তরীণ উপাদানসমূহের ভারসাম্য বজায় রাখার এ প্রক্রিয়াকেই বলা হয় অভ্যন্তরীণ ভারসাম্য। যেমন— শরীরে যদি পানির অভাব দেখা দেয় তবে পানি পান করার মাধ্যমে সেই অভাব দূর হয় ।

81

প্রেষণা চক্রের দ্বিতীয় ধাপ কোনটি?[Rajshahi · 2022]

উত্তর

প্রেষণা চক্রের দ্বিতীয় ধাপ হলো তাড়না।

82

প্রেষিত আচরণ ভারসাম্য সংস্থাপক কেন?[Rajshahi · 2022]

উত্তর

প্রেষিত আচরণকে ভারসাম্য সংস্থাপক বলা হয়। এর কারণ নিম্নে ব্যাখ্যা করা হলো-

বিভিন্ন জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ার দ্বারা শরীরের অভ্যন্তরে কিছু কিছু উপাদানের ঘাটতি দেখা দেয়। প্রেষিত আচরণের দ্বারা উদ্দেশ্য লাভের মাধ্যমে ঐ ঘাটতি পূরণ হয়ে যায়। শারীরতত্ত্ববিদ ক্যানন (১৯৩২) এর মতে, শরীরের নিজস্ব এমন কতকগুলো প্রক্রিয়া রয়েছে যেগুলো শরীরের একটি স্থিতি বজায় রাখতে চেষ্টা করে। শরীরের অভ্যন্তরীণ উপাদানসমূহের ভারসাম্য বজায় রাখার এ প্রক্রিয়াকেই বলা হয় অভ্যন্তরীণ ভারসাম্য। যেমন- শরীরে যদি পানির অভাব দেখা দেয় তবে পানি পান করার মাধ্যমে সেই অভাব দূর হয়।

83

 প্রেষণা চক্রের প্রথম ধাপ কোনটি?[Dhaka · 2019]

উত্তর

প্রেষণা চক্রের প্রথম ধাপ অভাববোধ।

84

মুখভঙ্গি কীভাবে আবেগের প্রকাশ ঘটায়?[Dhaka · 2019]

উত্তর

আবেগকালীন সময়ে মুখের বিভিন্ন পেশির পরিবর্তন সাধিত হয়। এসময় চক্ষু, নাসিকা, ওষ্ঠ ও কপালসহ মুখমণ্ডলের পরিবর্তন হয়। মুখমণ্ডলের অভিব্যক্তি দেখে ব্যক্তির সুখ, আনন্দ, দুঃখ, ভয়ভীতি ইত্যাদি আবেগ সম্বন্ধে অনুমান করতে পারি। একম্যান (১৯৭৩) পাঁচটি দেশের শিক্ষিত জনসমষ্টির ওপর মুখমণ্ডলের বিভিন্ন ধরনের ছবি দেখান (যেমন— সুখ, বিরাগ, বিস্ময়, দুঃখ, ক্রোধ এবং ভীতি সম্বন্ধীয়) গবেষণার ফলাফলে দেখা যায় যে, এসব মুখমণ্ডলের ছবির প্রতি বিভিন্ন দেশের লোকের প্রতিক্রিয়া প্রায় একই রকম ছিল।

85

জৈবিক প্রেষণা কাকে বলে?[Rajshahi · 2019]

উত্তর

প্রাণীর জৈবিক অস্তিত্ব থেকে যেসব প্রেষণার উদ্ভব হয় তাকে শারীরবৃত্তীয় বা জৈবিক প্রেষণা বলে

86

প্রেষিত আচরণ ভারসাম্য সংস্থাপক কেন?[Rajshahi · 2019]

উত্তর

প্রেষিত আচরণকে ভারসাম্য সংস্থাপক বলা হয়। এর কারণ নিম্নে ব্যাখ্যা করা হলো-

বিভিন্ন জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ার দ্বারা শরীরের অভ্যন্তরে কিছু কিছু উপাদানের ঘাটতি দেখা দেয়। প্রেষিত আচরণের দ্বারা উদ্দেশ্য লাভের মাধ্যমে ঐ ঘাটতি পূরণ হয়ে যায়। শারীরতত্ত্ববিদ ক্যানন (১৯৩২) এর মতে, শরীরের নিজস্ব এমন কতকগুলো প্রক্রিয়া রয়েছে যেগুলো শরীরের একটি স্থিতি বজায় রাখতে চেষ্টা করে। শরীরের অভ্যন্তরীণ উপাদানসমূহের ভারসাম্য বজায় রাখার এ প্রক্রিয়াকেই বলা হয় অভ্যন্তরীণ ভারসাম্য। যেমন— শরীরে যদি পানির অভাব দেখা দেয় তবে পানি পান করার মাধ্যমে সেই অভাব দূর হয় ।

87

প্রেষণাচক্রের প্রথম ধাপ কোনটি ?[Dhaka · 2018]

উত্তর

প্রেষণা চক্রের প্রথম ধাপ অভাববোধ ।

88

প্রেষিত আচরণ উদ্দেশ্যমূলক কেন ?[Dhaka · 2018]

উত্তর

প্রেষিত আচরণ উদ্দেশ্যমূলক। কারণ উদ্দেশ্যমূলক আচরণের পরিণতি হিসেবে প্রাণী কোনো উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য বস্তু লাভ করে এবং তা উপভোগ করে। প্রাণী ক্ষুধার্ত কর্মতৎপর হয় এবং খাদ্য খেলে এই কর্মতৎপরতা কমে আসে। অর্থাৎ প্রাণীর সামনে একটি উদ্দেশ্য থাকে এবং উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য সে বিভিন্ন আচরণ করে। বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ নির্বাচনের অনেক পূর্বে গণসংযোগ শুরু করেন এবং বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন। তাই বলা যায়, প্রেষিত, আচরণ সর্বদাই গন্তব্যস্থলাভিমুখী এবং উদ্দেশ্যমূলক ।

89

প্রেষণা কী ?[Rajshahi · 2018]

উত্তর

প্রেষণা হলো এমন আকাঙ্ক্ষা, প্রয়োজন এবং আগ্রহসমূহ, যা প্রাণীকে কর্মে উদ্দীপ্ত বা সক্রিয় করে তোলে এবং একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পরিচালিত করে।

90

যূথচারিতা কেন সামাজিক প্রেষণা ?[Rajshahi · 2018]

উত্তর

যূথচারিতা সামাজিক প্রেষণা। কারণ যে সকল প্রাণী সঙ্গপ্রিয় তারা দলবদ্ধ হয়ে বাস করে। এরূপ দলবদ্ধ হয়ে থাকার ইচ্ছাকে যূথচারিতা বলে। যূথচারিতা একটি অর্জিত প্রেষণা এবং সমাজে বাং করার ফলে আমরা এটা অর্জন করি। অনেকে যূথচারিতাকে সহজাত প্রেষণা হিসেবে গণ্য করার পক্ষপাতী। কিন্তু প্রকৃত পক্ষে যূথচারিতা কোনো সহজাত প্রবৃত্তি নয়। ছোট্ট শিশুকে তার বাবা-মা আদর করে সে তাদের সাথে মিশে আনন্দ পায়। ধীরে ধীরে সে খেলার সাথী এবং বন্ধুদের সাথে থাকতে পছন্দ করে। পরবর্তীতে সে তার আশে পাশের লোকদের সঙ্গ কামনা করে। তাই যূথচারিতা জন্মগত না হলেও একটি শক্তিশালী সামাজিক প্রেষণা।

91

আবেগ কী ?[Dhaka · 2017]

উত্তর

কোনো উদ্দীপকের প্রতি প্রতিক্রিয়া করতে গিয়ে প্রাণীর মধ্যে যে আলোড়িত বা উত্তেজিত অবস্থার সৃষ্টি হয়, যার গতিবেগ স্বাভাবিক আচরণের গতিবেগ অপেক্ষা কম বেশি তীব্র হয়, তাই আবেগ ।

92

পরিপক্বতা আবেগ নিয়ন্ত্রণে কোন ধরনের ভূমিকা রাখে ?[Dhaka · 2017]

উত্তর

শারীরিক বৃদ্ধি বা পরিপক্কতার সাথে শিক্ষণের সম্পর্ক রয়েছে। বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে ব্যক্তি জটিল বিষয় আয়ত্ত করতে পারে। অনেকটা পরিবর্তন এনে ফেলেছে। ছেলে মেয়েরা অভিজ্ঞতার মাধ্যমে বুঝতে পারে যে চারপাশের অন্যরা তাদের আবেগের বহিঃপ্রকাশ কীভাবে দেখছে। ‘সামাজিকভাবে তারা বুঝতে শেখে সে মেজাজ দেখানো, রাগ বা হৈ হুল্লোড় করা নিতান্তই ছেলেমি। তাই তারা আবেগ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে রাগ বা ক্রোধ সংযতভাবে প্রকাশ করতে চেষ্টা করে। উপরোক্ত উপায়ে পরিপক্বতা আবেগ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।

93

প্রেষণা কী ?[Barisal · 2017]

উত্তর

যে আকাঙ্ক্ষা, প্রয়োজন এবং আগ্রহ একটি প্রাণীকে কর্মে উদ্বুদ্ধ বা সক্রিয় করে তোলে এবং একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুর দিকে পরিচালিত করে তাকেই প্রষণা বলে।

94

আবেগ নিয়ন্ত্রণের কৌশল হিসেবে পরিবারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ কেন ?[Barisal · 2017]

উত্তর

পরিবার হচ্ছে শিশুর প্রথম আশ্রয়স্থল। পরিবারে বাবা-মা, ভাইবোনদের সাথে পারস্পরিক ক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যক্তির মধ্যে আবেগ নিয়ন্ত্রণের ভিত্তি রচিত হয়। সমাজ সমর্থিত আচরণ আয়ত্তে মা-বাবা সন্তানদের উদ্বুদ্ধ করে থাকেন। মায়ের স্নেহ, পিতার ভালোবাসা এবং ভাই-বোনদের আদর এবং নির্দেশনা ভালো আচরণ করতে আগ্রহী করে এবং উগ্র আচরণ থেকে বিরত রাখ। পরিবার থেকে ব্যক্তি ভদ্রতা, নম্রতা, নৈতিকতা, শ্রদ্ধাবোধ শিখে থাকে। এসব গুণাবলি তাকে আবেগ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে ।