01
অবকাঠামো কাকে বলে?[রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2026]
উত্তর
অর্থনৈতিক অবকাঠামো বলতে সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, অর্থনীতির খাতসমূহের গঠন ও আকৃতি ও উন্নয়ন এবং মানুষে মানুষে অর্থনৈতিক সম্পর্কের ধরনকে বোঝায়।
02
কোন যুগকে ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়? ব্যাখ্যা করো।[রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2026]
উত্তর
মুসলিম যুগে বাংলার অর্থনৈতিক অবস্থা সমৃদ্ধ ছিল বলে এ যুগকে স্বর্ণযুগ বলে।
বাংলার ইতিহাসে ১২০০ সাল থেকে শুরু করে ১৭৫৭ সাল পর্যন্ত মুসলিম যুগ স্থায়ী ছিল। এ সময় বাংলা ছিল খাদ্য ও শিল্পে পরিপূর্ণ। বিভিন্ন পর্যটক, বণিক ও বিখ্যাত পরিব্রাজকদের আনাগোনা হতো এখানে। তাদের লেখায় তৎকালীন অর্থনীতির প্রাচুর্যের প্রমাণ পাওয়া যায়। তখন খুব সস্তায় দ্রব্যসামগ্রী পাওয়া যেত। এ যুগে ১ টাকায় ৮ মণ চাল পাওয়া যেত। এজন্য মুসলিম যুগ বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ নামে পরিচিতি লাভ করে।
03
রণতরীসহ, পালতোলা যাত্রীবাহী বিভিন্ন ধরনের নৌকা কোন শাসনামলে তৈরি হয়েছিল?[আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল · 2026]
উত্তর
রণতরীসহ, পালতোলা যাত্রীবাহী বিভিন্ন ধরনের নৌকা মুসলিম শাসনামলে তৈরি হয়েছিল।
04
পূর্ব-পাকিস্তান ও পশ্চিম-পাকিস্তানের অর্থনৈতিক বৈষম্য ও শোষণের তুলনা করো।[আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল · 2026]
উত্তর
স্বাধীনতার পূর্ববর্তী সময়ে পূর্ব-পাকিস্তান পশ্চিম পাকিস্তান দ্বারা “অর্থনৈতিক বৈষম্য ও শোষণের শিকার হয়।
পূর্ব পাকিস্তানের জনসংখ্যা বেশি হলেও মাথাপিছু আয় ছিল কম। অন্যদিকে, শিল্প অবকাঠামো ও সরকারি বিনিয়োগ বেশি হওয়ায় পশ্চিম পাকিস্তানের আয় বেশি ছিল। পাট রপ্তানির মাধ্যমে পূর্ব-পাকিস্তান থেকে প্রচুর পরিমাণে রপ্তানি আয় আসত। কিন্তু এ রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ ব্যয় করা হতো পশ্চিম পাকিস্তানের উন্নয়নে।
05
অর্থনৈতিক কাঠামো কী?[ঢাকা কলেজ · 2026]
উত্তর
অর্থনীতির খাতসমূহের গঠন ও আকৃতি, অর্থব্যবস্থার গতিধারা এবং অর্থনৈতিক সম্পর্কের ধরন অর্থনৈতিক কাঠামো।
06
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রাথমিক খাতের প্রাধান্য রয়েছে’ বলতে তুমি কী বোঝ?[ঢাকা কলেজ · 2026]
উত্তর
বাংলাদেশ কৃষিনির্ভর উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার কৃষি খাতকে প্রাথমিক খাত বলা হয়।
বাংলাদেশের প্রায় ৭০% লোক প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। আগের চেয়ে কৃষির উৎপাদন অনেক বেড়েছে। জাতীয় আয়ের প্রধান উৎস, প্রধান পেশা, শিল্পের কাঁচামাল ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ক্ষেত্রে এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কৃষি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। তাই বলা যায়, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রাথমিক খাতের প্রাধান্য রয়েছে।
07
গ্রামীণ খাত কী?[ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ · 2026]
উত্তর
গ্রামীণ জনগণের অর্থনৈতিক কার্যাবলির সমষ্টি হলো গ্রামীণ খাত।
08
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো-ব্যাখ্যা করো।[ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ · 2026]
উত্তর
অর্থনৈতিক অবকাঠামোই অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি।
কিছু উপাদানের ওপর ভিত্তি করে দেশের সার্বিক উন্নয়ন প্রক্রিয়া গতিশীল হয়। এসব উপাদানকে সমষ্টিগতভাবে অর্থনৈতিক অবকাঠামো বলা হয়। অর্থনৈতিক অবকাঠামোগুলো ব্যবহার করেই উৎপাদন, বণ্টন ভোগ প্রভৃতি কর্মকাণ্ড পরিচালিত ও গতিশীল হয়। শক্তিশালী অবকাঠামো ব্যতীত কোনো দেশের দ্রুত উন্নয়ন সাধন সম্ভব নয়। তাই দেশের উন্নয়ন সাধনের জন্য কতিপয় মৌলিক উপাদান বা ভিত্তি প্রয়োজন।
09
সামাজিক পরিবেশ কী?[নটরডেম কলেজ · 2026]
উত্তর
মানুষের দ্বারা সৃষ্ট ও নিয়ন্ত্রিত পরিবেশই হলো সামাজিক পরিবেশ।
10
বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশ কীভাবে অর্থনৈতিক উন্নয়নের অনুকূল?[নটরডেম কলেজ · 2026]
উত্তর
বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশ নানাভাবে অর্থনৈতিক উন্নয়নের অনুকূল।
বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের মূল উপাদান হলো ভূ-প্রকৃতি, মৃত্তিকা, নদ-নদী, জলবায়ু, খনিজ সম্পদ, তাপমাত্রা প্রভৃতি। এদেশের বেশির ভাগ এলাকা উর্বর পলি গঠিত সমভূমি অঞ্চল। তাই এখানে ধান, পাট, ইক্ষু ও অন্যান্য কৃষিজাত ফসল প্রচুর পরিমাণে উৎপন্ন হয়। আবার এদেশ নদীমাতৃক হওয়ায় ভূমির উর্বরতা বৃদ্ধি প্রাপ্ত হয়। পাশাপাশি পণ্যসামগ্রীর পরিবহণ ও সহজতর হয়েছে; যা সার্বিকভাবে অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়ক হয়েছে। সুতরাং, প্রাকৃতিক পরিবেশ বিভিন্নভাবে এদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অনুকূল ভূমিকা পালন করেছে।
11
অর্থনৈতিক অবকাঠামো কাকে বলে?[আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা · 2026]
উত্তর
যেসব সুযোগ-সুবিধা ও প্রতিষ্ঠান একটি দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে গতিশীল রাখতে সাহায্য করে, সেগুলোই অর্থনৈতিক অবকাঠামো।
12
কী কী শিল্পের জন্য মুসলিম যুগ বিখ্যাত ছিল?[আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা · 2026]
উত্তর
মুসলিম যুগে বাংলার বস্ত্রশিল্প, বিশেষত মসলিন শিল্প, এবং জাহাজ নির্মাণ শিল্প বিখ্যাত ছিল।
মুসলিম শাসনামলে বাংলা শিল্প ও বাণিজ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল। এসময়ে ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে উন্নতমানের মসলিন কাপড় তৈরি হতো। মসলিন কাপড় বিশ্বজুড়ে সমাদৃত ছিল এবং বাংলার অর্থনীতিতে বিশাল অবদান রাখত। এছাড়াও, এই যুগে লবণশিল্প, চিনিশিল্প, এবং বিভিন্ন কারুশিল্পের বিকাশ ঘটেছিল। এই শিল্পগুলো আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।
13
বাংলাদেশের অবস্থান লেখো।[হলিক্রস কলেজ · 2026]
উত্তর
বাংলাদেশ এশিয়ার মহাদেশের দক্ষিণ অংশে অবস্থিত একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। ভৌগোলিকভাবে এটি ২০৩৪ উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬৩৮ উত্তর অক্ষরেখা এবং ৮৮০১ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা থেকে ৯২৪১ পূর্ব দ্রাঘিমারেখার মধ্যে অবস্থিত। দেশটির তিন দিকে ভারত, দক্ষিণ-পূর্বে মিয়ানমার এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত।
14
নদ-নদী কীভাবে বাংলাদেশের অর্থনীতি প্রভাব বিস্তার করে?[হলিক্রস কলেজ · 2026]
উত্তর
বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক দেশ, তাই এদেশের অর্থনীতি অনেকাংশেই নদ-নদীর ওপর নির্ভরশীল। এর প্রভাবগুলো হলো:
- কৃষিকাজ: নদীর পলিমাটি জমিকে উর্বর করে, যা প্রধান ফসল উৎপাদনে সহায়ক। এছাড়া সেচ কাজে নদীর পানি অপরিহার্য।
- পরিবহন ও বাণিজ্য: পণ্য পরিবহনের জন্য জলপথ সবচেয়ে সাশ্রয়ী। দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যবসার বড় অংশ নদীপথেই সম্পন্ন হয়।
- বিদ্যুৎ উৎপাদন: কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মতো প্রকল্পের মাধ্যমে নদী থেকে নবায়নযোগ্য শক্তি পাওয়া যায়।
- মৎস্য সম্পদ: নদী আমাদের আমিষের বড় উৎস এবং অনেক মানুষের জীবিকার প্রধান মাধ্যম।
15
অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?[শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজ · 2026]
উত্তর
অর্থনৈতিক কাঠামো হলো সমাজের অর্থনৈতিক কার্যকলাপসমূহের সামাগ্রিক পরিমাণ, তাদের বিভিন্ন খাতওয়ারি বিভক্তি ও মানুষের অর্থনৈতিক সম্পর্কের ধরন।
16
কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে ‘স্বর্ণযুগ’ বলা হয়? কেন?[শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজ · 2026]
উত্তর
প্রাচীন বাংলায় মুসলমান যুগকে স্বর্ণযুগ বলা হয়। কারণ মুসলমান যুগে বাংলা শিল্পে ও বাণিজ্যে বেশ সমৃদ্ধ ছিল। এ যুগে আধুনিক মুদ্রা ব্যবস্থার প্রবর্তন হয়। কৃষি ও বাণিজ্যের প্রভূত উন্নয়ন এ সময় ঘটে। এখানে বস্ত্র, চিনি, লৌহ, বারুদ ও কামান, বরফ, লবণ, কাগজ ইত্যাদি উৎপাদন হতো। এ যুগের মানুষ নিজেদের গুণেই যাবতীয় শান্তি ও সমৃদ্ধি অর্জন করেছে। এর মূলে রয়েছে তাদের কৃষি কাজের প্রতি অনুরাগ। তাই এ যুগ বাংলার ইতিহাসে ‘স্বর্ণযুগ’ নামে অভিহিত।
17
সামাজিক পরিবেশ কী?[ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2026]
উত্তর
মানুষের সামাজিক কার্যাবলির সমষ্টিগত ফলাফল যা মানুষের দ্বারা সৃষ্ট ও নিয়ন্ত্রিত, তাই হলো সামাজিক পরিবেশ।
18
প্রাকৃতিক পরিবেশ কী উৎপাদনের সাথে সম্পর্কিত?[ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2026]
উত্তর
প্রাকৃতিক পরিবেশ কৃষি উৎপাদনের সাথে সম্পর্কিত। প্রাকৃতিক পরিবেশের উপাদানগুলো কৃষি উৎপাদনের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। প্রাকৃতিক পরিবেশের কারণেই বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। তাই বলা যায়, প্রাকৃতিক পরিবেশ কৃষি উৎপাদনের সাথেই সম্পর্কিত।
19
প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?[রাজশাহী কলেজ · 2026]
উত্তর
ভৌগোলিক অবস্থান, ভূ-প্রকৃতি, জলবায়ু, নদ-নদী, খনিজ, বনজ ও প্রাণিজ সম্পদের প্রভাবে সৃষ্ট পারিপার্শ্বিক অবস্থাকে প্রাকৃতিক পরিবেশ বলে।
20
বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ ব্যাখ্যা করো।[রাজশাহী কলেজ · 2026]
উত্তর
ক্রমোন্নয়নশীল অর্থনীতির দেশ হওয়ায় বাংলাদেশকে একটি উন্নয়নশীল দেশ বলা হয়।
A যে দেশের অর্থনৈতিক অবকাঠামো ক্রমোন্নতির দিকে ধাবমান, সেই দেশকে উন্নয়নশীল দেশ বলে। বর্তমানে বাংলাদেশ উন্নত দেশের মতো কৃষির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে শিল্পের উৎপাদন বাড়াচ্ছে। এছাড়াও প্রবৃদ্ধির হার ৭% এর ওপরে। অর্থাৎ, একটি দেশকে উন্নয়নশীল বলতে হলে যেসব বৈশিষ্ট্য থাকা প্রয়োজন তার সবগুলো বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিদ্যমান। তাই বলা যায়, বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ।
21
অর্থনৈতিক সংকট সূচক কী?[চট্টগ্রাম কলেজ · 2026]
উত্তর
অর্থনৈতিক সংকট সূচক হলো একটি পরিসংখ্যানগত পরিমাপক যা কোনো দেশের অর্থনীতির অস্থিতিশীলতা, মন্দা, বেকারত্ব বা মুদ্রাস্ফীতির মতো নেতিবাচক প্রভাবগুলোর গভীরতা বা মাত্রা নির্দেশ করে।
22
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো ব্যাখ্যা কর।[চট্টগ্রাম কলেজ · 2026]
উত্তর
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো। অর্থনৈতিক অবকাঠামো হলো পরিবহণ ও যোগাযোগ, বিদ্যুৎ সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থা, শিক্ষা, চিকিৎসা প্রভৃতি। যেগুলো ছাড়া অর্থনৈতিক উন্নয়নের কথা কল্পনাও করা যায় না। তাই বলা যায়, অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো।
23
মুসলিম যুগের শাসনকাল লেখ।[বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজ · 2026]
উত্তর
বাংলায় মুসলিম যুগের শাসনকাল ১২০৪ থেকে ১৭৫৭ সাল পর্যন্ত।
24
ব্রিটিশ শাসনের কুফল থাকলেও কিছু সুফলও বিদ্যমান- ব্যাখ্যা কর।[বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজ · 2026]
উত্তর
বৃটিশ শাসনের মূল উদ্দেশ্য শোষণ ও বঞ্চনা হলেও পরোক্ষভাবে তাদের কিছু উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এদেশের আধুনিকায়নে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছিল।
দীর্ঘ ২০০ বছরের শাসনামলে ব্রিটিশরা এদেশে রেলওয়ের মতো উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, ইংরেজি শিক্ষা, আধুনিক বিচারব্যবস্থা এবং প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলে। এছাড়া সতীদাহ প্রথা বিলোপ ও বিধবা বিবাহ প্রচলনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক সংস্কারগুলোও তাদের হাত ধরেই হয়েছিল, যা এ দেশের অগ্রগতির পথ প্রশস্ত করে।
25
অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?[দিনাজপুর সরকারি কলেজ · 2026]
উত্তর
যেসব খাত উপখাতের ওপর ভিত্তি করে একটি দেশের অর্থনীতির কাঠামো গড়ে ওঠে তাকে অর্থনৈতিক কাঠামো বা অবকাঠামো বলে।
26
মানবসম্পদ হলো অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি ব্যাখ্যা কর।[দিনাজপুর সরকারি কলেজ · 2026]
উত্তর
শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও স্বাস্থ্যসেবার মাধ্যমে দক্ষ ও কর্মক্ষম জনশক্তির রূপান্তরই হলো মানব সম্পদ।
ভূমি, মূলধন বা প্রাকৃতিক সম্পদ নিজে নিজে উৎপাদন করতে পারে না; মানুষের শ্রম ও মেধা প্রয়োগ করেই এগুলোকে ব্যবহারযোগ্য সম্পদে পরিণত করা হয়। একটি দেশের প্রকৃত উন্নয়ন প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য্যের ওপর নয়, বরং সেই সম্পদকে কাজে লাগাতে সক্ষম দক্ষ জনশক্তির ওপর নির্ভর করে। তাই মানব সম্পদকে অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি বলা হয়।
27
পলাশীর যুদ্ধ কত সালে হয়?[Dhaka · 2019]
উত্তর
পলাশীর যুদ্ধ ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন সংঘটিত হয়।
28
মুসলিম যুগকে কেন ‘স্বর্ণযুগ” বলা হয়? ব্যাখ্যা কর।[Dhaka · 2019]
উত্তর
বাংলার ইতিহাসে মুসলিম যুগকে ‘স্বর্ণযুগ’ বলা হয়। কারণ মুসলমান যুগে বাংলা শিক্ষা ও বাণিজ্যে বেশ সমৃদ্ধ ছিল। এ যুগে আধুনিক মুদ্রা ব্যবস্থার পরিবর্তন হয়। এ সময়ে মহাজনি ব্যবসার বিকাশ ঘটে। এখানে বস্ত্র, চিনি, লৌহ, বারুদ, কামান, বরফ, লবণ, কাগজ ইত্যাদি উৎপাদন হতো। এ যুগের লোকগুলো নিজেদের গুণেই শান্তি ও সমৃদ্ধি অর্জন করেছে। তাই বাংলার ইতিহাসে মুসলিম যুগকে ‘স্বর্ণযুগ” বলা হয়।
29
উন্নয়নশীল দেশ বলতে কী বোঝ?[Rajshahi · 2019]
উত্তর
যে দেশ ক্রমাগত উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখেছে তাকে উন্নয়নশীল দেশ বলে।
30
অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের মধ্যে ২টি পার্থক্য লেখ।[Rajshahi · 2019]
উত্তর
অনুন্নত দেশের অর্থনীতি ব্যাপকভাবে কৃষিনির্ভর পক্ষান্তরে উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতি অনেক কিছুর সাথে জড়িত। অনুন্নত দেশের উৎপাদন ও আয় খুবই কম পক্ষান্তরে উন্নয়নশীল দেশের আয় অনুন্নত দেশের তুলনায় বেশি ও ক্রমাগত বৃদ্ধি পেতে থাকে।
31
অর্থনৈতিক কাঠামো কী?[Comilla · 2019]
উত্তর
যে কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে একটি দেশের অর্থনীতি পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয় তাই হলো ওই দেশের অর্থনৈতিক কাঠামো।
32
বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশ কীভাবে অর্থনৈতিক উন্নয়নের অনুকূল ?[Comilla · 2019]
উত্তর
বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশ এর অর্থনৈতিক উন্নয়নের অনুকূলে। বাংলাদেশ প্রাকৃতিকভাবে অনেক প্রাকৃতিক সম্পদে পূর্ণ একটি দেশ। তাছাড়া ভৌগোলিকভাবে দেশটির অবস্থান এমন একটি জায়গায়, -যেখান হতে দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব। বাংলাদেশে অসংখ্য নদী, যা ব্যবহার করে বৈদেশিক বাণিজ্যে বাংলাদেশ স্বাবলম্বী হতে পারে। এছাড়া এর অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন খনিজ ব্যবহার করে বাংলাদেশ তার অর্থনৈতিক উন্নয়ন করতে পারে বলে আমি মনে করি।
33
সামাজিক পরিবেশ কী?[Jessore · 2019]
উত্তর
মানুষের সামাজিক কার্যাবলির সমষ্টিগত ফলাফল যা মানুষের দ্বারা সৃষ্ট ও নিয়ন্ত্রিত, তাই হলো সামাজিক পরিবেশ।
34
প্রাকৃতিক পরিবেশ কী উৎপাদনের সাথে সম্পর্কিত?[Jessore · 2019]
উত্তর
প্রাকৃতিক পরিবেশ কৃষি উৎপাদনের সাথে সম্পর্কিত। প্রাকৃতিক পরিবেশের উপাদানগুলো কৃষি উৎপাদনের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। প্রাকৃতিক পরিবেশের কারণেই বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। তাই বলা যায়, প্রাকৃতিক পরিবেশ কৃষি উৎপাদনের সাথেই সম্পর্কিত।
35
অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?[Chittagong · 2019]
উত্তর
অর্থনৈতিক কাঠামো হলো সমাজের অর্থনৈতিক কার্যকলাপসমূহের সামাগ্রিক পরিমাণ, তাদের বিভিন্ন খাতওয়ারি বিভক্তি ও মানুষের অর্থনৈতিক সম্পর্কের ধরন।
36
কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে ‘স্বর্ণযুগ’ বলা হয়? কেন?[Chittagong · 2019]
উত্তর
প্রাচীন বাংলায় মুসলমান যুগকে স্বর্ণযুগ বলা হয়। কারণ মুসলমান যুগে বাংলা শিল্পে ও বাণিজ্যে বেশ সমৃদ্ধ ছিল। এ যুগে আধুনিক মুদ্রা ব্যবস্থার প্রবর্তন হয়। কৃষি ও বাণিজ্যের প্রভূত উন্নয়ন এ সময় ঘটে। এখানে বস্ত্র, চিনি, লৌহ, বারুদ ও কামান, বরফ, লবণ, কাগজ ইত্যাদি উৎপাদন হতো। এ যুগের মানুষ নিজেদের গুণেই যাবতীয় শান্তি ও সমৃদ্ধি অর্জন করেছে। এর মূলে রয়েছে তাদের কৃষি কাজের প্রতি অনুরাগ। তাই এ যুগ বাংলার ইতিহাসে ‘স্বর্ণযুগ’ নামে অভিহিত।
37
প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?[Barisal · 2019]
উত্তর
একটি দেশের ভৌগোলিক অবস্থান, ভূ-প্রকৃতি, মাটি, জলবায়ু ইত্যাদি প্রাকৃতিক সম্পদের প্রভাবে সৃষ্ট পারিপার্শ্বিক অবস্থাই প্রাকৃতিক পরিবেশ।
38
অবকাঠামোর দুটি বৈশিষ্ট্য লেখ।[Barisal · 2019]
উত্তর
কোনো দেশের অর্থনীতির গতিধারা কোন দিকে অগ্রসর হচ্ছে তা নির্ভর করে অবকাঠামোর ওপর। বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান দুটি অবকাঠামো হলো—
১. কৃষিপ্রধান অর্থনীতি ও
২. স্বল্প মাথাপিছু আয়।
39
প্রাচীন বাংলার রপ্তানি পণ্যসমূহ কী কী?[Sylhet · 2019]
উত্তর
প্রাচীন বাংলার রপ্তানি পণ্যগুলো হলো- সুতি বস্ত্র, রেশমি বস্ত্ৰ, চিনি, লবণ, গুড়, মসলা ইত্যাদি।
40
“আগামী দিনে পাটই হতে পারে বাংলাদেশের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় খাত।”- ব্যাখ্যা কর।[Sylhet · 2019]
উত্তর
জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর অপরিশোধিত বর্জ্য (কৃত্রিম আঁশ ও বিভিন্ন সিনথেটিক দ্রব্য) পরিবেশ দূষণের কারণে বিশ্বব্যাপী পরিবেশ সচেতনতা সৃষ্টি হওয়ায় পরিবেশবান্ধব পাট ও পাটজাত পণ্যের প্রতি পুনরায় বিশ্ব সমাজের আগ্রহ ও চাহিদা বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। বাংলাদেশে পাট শিল্পের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল ও যথেষ্ট সম্ভাবনাময়। তাই বলা যায়, “আগামী দিনে পাটই হতে পারে বাংলাদেশের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় খাত।’
41
প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?[Dinajpur · 2019]
উত্তর
প্রকৃতির বিভিন্ন উপাদান যেমন— মাটি, পানি, বাতাস, তাপ, আলো, গাছপালা, সাগর-মহাসাগর, নদী, পশুপাখি ইত্যাদি নিয়ে যে পরিবেশ গঠিত হয়, তাই হলো প্রাকৃতিক পরিবেশ।
42
অর্থনৈতিক উন্নয়নে অর্থনৈতিক অবকাঠামো গুরুত্বপূর্ণ কেন?[Dinajpur · 2019]
উত্তর
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো। অর্থনৈতিক অবকাঠামো হলো পরিবহন ও যোগাযোগ বিদ্যুৎ সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থা, শিক্ষা, চিকিৎসা, বাঁধ, সেতু প্রভৃতি। এসব ব্যতীত অর্থনৈতিক উন্নয়ন কল্পনাও করা যায় না। এসব অবকাঠামো দেশের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করে, দামস্তর নির্ধারণ ও স্থিতিশীল করে। তাই অর্থনৈতিক উন্নয়নে অর্থনৈতিক অবকাঠামো গুরুত্বপূর্ণ।
43
গ্রামীণ খাত কী? [Dhaka · 2018]
উত্তর
বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে যেসব অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সংঘটিত হয় এবং পরিচালিত হয় সে খাতকে গ্রামীণ খাত বলে।
44
বিশ্বায়নের ফলে সৃষ্ট সুবিধাসমূহ কীরূপ? [Dhaka · 2018]
উত্তর
বিশ্বায়নের ফলে সৃষ্ট সুবিধাসমূহ নিম্নরূপ-
১. বিশ্বায়ন নতুন অর্থনৈতিক পরিকল্পনা গ্রহণে সাহায্য করে।
২. বিশ্বায়ন মুক্তবাজার অর্থনীতির ক্ষেত্রে সহযোগিতা করে।
৩. বিশ্বায়ন বাজার সম্প্রসারণে সহায়তা করে।
৪. বিশ্বায়নের কারণে মূলধন ও পুঁজির অবাধ প্রবাহ সম্ভব হয়।
৫. তথ্যপ্রযুক্তির অবাধ প্রবাহের ক্ষেত্রে বিশ্বায়ন ভূমিকা পালন করে।
45
পরিবেশ বলতে কী বোঝ? [Rajshahi · 2018]
উত্তর
যে পারিপার্শ্বিক অবস্থা উন্নয়নের ধারাকে প্রভাবিত করে তাই পরিবেশ।
46
বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান দুটি বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর। [Rajshahi · 2018]
উত্তর
বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান দুটি বৈশিষ্ট্য হলো—
১. কৃষির ওপর অধিক নির্ভরশীলতা : কৃষির ওপর অধিক নির্ভরশীলতা বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য । দেশের মোট শ্রমশক্তির ৪৫.১ শতাংশ কৃষিকাজে নিয়োজিত । এছাড়া এদেশের শতকরা প্রায় ৭৫ জনই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল।
২. অনুন্নত শিল্প : বাংলাদেশ শিল্পের ক্ষেত্রে অত্যন্ত অনগ্রসর। উদ্যোক্তার অভাব, মূলধনের অভাব, দক্ষ কারিগরের অভাব ইত্যাদি কারণে এখানে পর্যাপ্ত পরিমাণ শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি। সুষ্ঠু শিল্পনীতির অভাবেও এখানে শিল্পোন্নয়নের তেমন বিকাশ ঘটেনি।
47
প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?[Dhaka · 2017]
উত্তর
প্রাকৃতিক পরিবেশ বলতে একটি দেশের ভৌগোলিক অবস্থানসহ তার ভূ-প্রকৃতি, মাটি, জলবায়ু, নদ-নদী, খনিজ, বনজ, প্রাণিজ প্রভৃতি প্রাকৃতিক সম্পদের সম্মিলিত প্রভাবে সৃষ্ট পারিপার্শ্বিক অবস্থাকে বোঝায়।
48
‘বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ’- ব্যাখ্যা করো।[Dhaka · 2017]
উত্তর
বাংলাদেশের অর্থনীতি ক্রমোন্নয়নশীল বলে এদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। যে দেশের অর্থনৈতিক অবকাঠামো ক্রমোন্নতির দিকে ধাবমান, সেই দেশকে উন্নয়নশীল দেশ বলে। বর্তমানে বাংলাদেশ উন্নত দেশের মতো কৃষির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে শিল্পের উৎপাদন বাড়াচ্ছে। তাছাড়া, গত তিন বছরে গড়ে প্রবৃদ্ধি ৬% এর ওপরে ছিল। তাই বলা যায়, বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ।
49
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান উল্লেখ করো।[Rajshahi · 2017]
উত্তর
বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ পূর্বাংশে অবস্থিত। এদেশ ২০০৩৪ হতে ২৬০৩৮ উত্তর অক্ষাংশে এবং ৮৮°০১ হতে ৯২°০৪১ পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত।
50
বাংলাদেশের অর্থনীতি উন্নত নয়।’- ব্যাখ্যা করো।[Rajshahi · 2017]
উত্তর
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্তর একরকম নয়। অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির দিক দিয়ে পৃথিবীর দেশগুলোকে উন্নত, উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশে ভাগ করা হয়। উন্নত দেশের জনগণের মাথাপিছু আয় ও জীবনযাত্রার মান খুব উঁচু। এসব দেশে পরিবহণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান ইত্যাদির পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা বিদ্যমান। সেসব দিক দিয়ে বিবেচনা করলে বাংলাদেশের অর্থনীতি উন্নত নয়।
বাংলাদেশের অর্থনীতি কোন স্তরের তা জানতে আমাদের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্যগুলো জানা প্রয়োজন। যেমন- কৃষি খাতের প্রাধান্য, অপ্রসারিত শিল্পখাত, জনসংখ্যাধিক্য, বেকারত্ব, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা প্রভৃতি বিদ্যমান। এই প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে কোনোক্রমেই উন্নত দেশের পর্যায়ে ফেলা যায় না। তবে উল্লিখিত অর্থনৈতিক বৈশিষ্ট্যগুলোর দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশ বলা যায়।
51
বাংলাদেশের আয়তন কত বর্গকিলোমিটার?[Chittagong · 2017]
উত্তর
বাংলাদেশের আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিলোমিটার।
52
বাংলাদেশে অর্থনীতি কৃষিনির্ভর কেন?[Chittagong · 2017]
উত্তর
বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৭৫ শতাংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল; শ্রমশক্তির প্রায় ৪৫.১ শতাংশ কৃষিখাতে নিয়োজিত।
কৃষি এদেশের মানুষের খাদ্য এবং শিল্পের কাঁচামালের যোগান দেয়। কৃষি গরিব মানুষের বাসস্থানের উপকরণ যোগায় এবং গ্রামাঞ্চলে জ্বালানির উৎস হিসেবে কাজ করে। অপ্রচলিত পণ্য হিসেবে কৃষিজাত পণ্য রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়। এসব কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতি কৃষিনির্ভর।
53
বাংলাদেশ ও মায়ানমারের সীমানার দৈর্ঘ্য কত কি.মি.?[Sylhet · 2017]
উত্তর
বাংলাদেশ ও মায়ানমারের সীমার দৈর্ঘ্য ২৮০ কিলোমিটার।
54
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ব্যাখ্যা করো।[Sylhet · 2017]
উত্তর
বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব অংশে অবস্থিত।
বাংলাদেশ উত্তরে ২০°৩৪′ থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষাংশ এবং পূর্বে ৮৮°০১′ থেকে ৯২°৪১′ দ্রাঘিমাংশে বিস্তৃত। এদেশের মাঝখান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে। তাছাড়া বাংলাদেশের তিন দিকে ভারত, দক্ষিণ-পূর্ব দিকে মায়ানমার এবং দক্ষিণ দিকে বঙ্গোপসাগার অবস্থিত। এদেশের মোট আয়তন ১৪৭৫৭০ বর্গকিলোমিটার।
55
পরিবেশ কী?
উত্তর
একটি সমাজ বা দেশের ভৌগোলিক অবস্থান, মাটি, জলবায়ু নদনদী, বনজ, প্রাণিজ প্রভৃতি সম্পদের সম্মিলিত প্রভাবে সৃষ্ট অবস্থাকে পরিবেশ বলে।
56
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ব্যাখ্যা কর।
উত্তর
বাংলাদেশের অবস্থান দক্ষিণ এশিয়ায়। এর তিন দিকে ঘিরে রয়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয়, আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম রাজ্য। দক্ষিণ-পূর্ব দিকে আছে মিয়ানমার এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর। বাংলাদেশের অবস্থান ২০°৩৪′ উত্তর থেকে ২৫°৩৮′ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১′ পূর্ব থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমার মধ্যে। বাংলাদেশের ভৌগোলিক আয়তন ৫৫.৫৯৮ বর্গমাইল বা ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিলোমিটার। বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল এবং অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল।
57
বিশ্বায়ন কাকে বলে?
উত্তর
পুঁজিসহ উৎপাদনের সকল উপকরণ এর আন্তর্জাতিকীকরণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মানুষের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনের দ্বারা একটি বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠা করাকে বিশ্বায়ন বলে।
58
সংস্কৃতির ক্ষেত্রে বিশ্বায়নের প্রভাব ব্যাখ্যা কর।
উত্তর
সংস্কৃতির ক্ষেত্রে বিশ্বায়নের প্রভাব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বায়নের ফলে বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতির বিকাশ ঘটছে। বিশ্বায়নের ফলে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যাপক সম্প্রসারণ ঘটায় তথ্যের অবাধ প্রবাহ সম্ভব হচ্ছে। উপগ্রহ সম্প্রসারণ প্রযুক্তি, টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা ও কম্পিউটার প্রযুক্তির সমন্বয়েয় বিশ্বজুড়ে এক ব্যাপক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। এক দেশের সংস্কৃতির সাথে অন্য দেশের সংস্কৃতির সম্মিলন ঘটছে। এভাবেই পারস্পরিক তথ্য আদান- প্রদানের মাধ্যমে প্রত্যেক দেশের সংস্কৃতি বিকশিত হচ্ছে বিশ্বায়নের প্রভাবে।
59
প্রাকৃতিক পরিবেশ কী?
উত্তর
একটি দেশের ভৌগোলিক অবস্থান, ভূ-প্রকৃতি, মাটি; জলবায়ু, নদনদী এবং খনিজ, বনজ, প্রাণিজ প্রভৃতি প্রাকৃতিক সম্পদের সম্মিলিত প্রভাবে সৃষ্ট পারিপার্শ্বিক অবস্থাকে প্রাকৃতিক পরিবেশ বলে।
60
মূলধনের স্বল্পতাই কি অর্থনেতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ- ব্যাখ্যা কর।
উত্তর
হ্যাঁ, মূলধনের স্বল্পতাই অর্থনৈতিক পশ্চাৎপতার প্রধান কারণ। মূলধনের স্বল্পতাই অর্থনৈতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ। মূলধনের স্বল্পতার কারণেই একটি দেশ অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকে। বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি উন্নয়নশীল কৃষিপ্রধান দেশ। মূলধনের স্বল্পতার কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতি অনেক পিছিয়ে রয়েছে। কোনো দেশের জনগণের মাথাপিছু আয় কম হলে মূলধন গঠনের হারও কম হয়। মূলধনের অভাবে নতুন নতুন শিল্প কারখানা স্থাপন, প্রাকৃতিক সম্পদ ও জনশক্তির সুষ্ঠু ব্যবহারও সম্ভব হয় না। ফলে দেশটি অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যেতে পারে না। তাই বলা যায়, মূলধনের স্বল্পতাই অর্থনৈতিক পশ্চাৎপদতার প্রধান কারণ।
61
অর্থনৈতিক অবকাঠামো কী?
উত্তর
একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য যেসব অর্থনৈতিক উপাদান অপরিহার্য সেগুলোই হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো।
62
কোন যুগকে বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়?
উত্তর
…
63
কত সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?
উত্তর
১৭৫৭ সালে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
64
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো- বুঝিয়ে লেখ।।
উত্তর
অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো। অর্থনৈতিক অবকাঠামো হলো পরিবহন ও যোগাযোগ, বিদ্যুৎ সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থা, শিক্ষা, চিকিৎসা প্রভৃতি। যেগুলো ছাড়া অর্থনৈতিক উন্নয়নের কথা কল্পনাও করা যায় না। তাই বলা যায়, অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক অবকাঠামো।
