BNG – CQ Q – Shahettey Khelaa

01
Question 01

ঘটনা-১: নাবিলের লেখাপড়ার পাশাপাশি ক্রিকেট খেলার প্রতি প্রবল আগ্রহ। এই খেলায় সে অতুলনীয় আনন্দ পায়। খেলাধুলা করায় তার মন ও শরীর প্রফুল্ল থাকে। এর ফলে লেখাপড়ায় বেশি মনোযোগ দিতে পারে। অল্প সময়ে পড়া আয়ত্ত করতে পারে।
ঘটনা-২: বাল্যকাল হতে আমাদের শিক্ষার সাথে আনন্দ নেই। কেবল যা কিছু নিতান্ত আবশ্যক, তাই কণ্ঠস্থ করতেছি। প্রকৃতপক্ষে এটি করে কোনোমতে কাজ চলে মাত্র, কিন্তু মনের বিকাশ লাভ হয় না।

রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ · 2026

a
মর্ত্যবাসীর পক্ষে কোথায় গমন করাটা নিন্দনীয়?

b
‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধে লেখকদের যথার্থ সামাজিক জীব বলা হয়েছে কেন?

c
ঘটনা-১-এর সঙ্গে ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের সাদৃশ্যপূর্ণ বিষয়টি আলোচনা করো।

d
“প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপকদ্বয়ের ভাবার্থ ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের মূল বিষয়কে নির্দেশ করে” মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।

02
Question 02

‘কাবুলিওয়ালা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ছোটোগল্প। গল্পটি কেবল কাবুল দেশের কাবুলিওয়ালা রহমতের জীবনকাহিনি নয় বরং এটি একজন পিতার অসীম ভালোবাসা ও আবেগের প্রতিচ্ছবি। আফগান ‘এ ফল বিক্রেতা কলকাতায় ফল বিক্রির সুবাদে লেখকের মেয়ে মিনির সাথে নিবিড় সখ্য গড়ে তোলেন। মিনির মধ্যে তিনি কাবুলে ফেলে আসা তার মেয়ের ছবি খুঁজে ফেরেন। গল্পের শেষে মিনির বারা তার মেয়ের বিয়ের খরচ থেকে কিছু টাকা বাঁচিয়ে রহমতকে দিয়ে তার নিজের দেশে গিয়ে মেয়ের সাথে দেখা করার সুযোগ করে দেন। গল্পটিতে ফুটে উঠেছে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ শক্তি ভালোবাসা ও মানবিকতা-যা জাতি-ধর্ম ও ভৌগোলিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে।

ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, চট্টগ্রাম · 2026

a
স্কুলঘরে আমরা কাব্যের কী দেখতে পাই না?

b
মানুষের দেহমনের সকল প্রকার ক্রিয়ার মধ্যে ক্রীড়া কেন শ্রেষ্ঠ? বুঝিয়ে লেখো।

c
‘শিক্ষার উদ্দেশ্য মানুষের মনকে জাগানো’- ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের এ বিষয়টি উদ্দীপকে কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

d
বিশ্বমানবের সাথে নিত্যনতুন সম্বন্ধ পাতানোই কবিমনের নিত্য-নৈমিত্তিক কর্ম- উদ্দীপক ও ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

03
Question 03

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পদ্মানদীর মাঝি’ উপন্যাসটির মূলে জেলে-জীবনের কথকতাই মুখ্য বিষয়। কিন্তু তিনি জেলে সম্প্রদায়কে তুষ্ট করার জন্য এ উপন্যাস রচনা করেননি। পরবর্তীকালে এটি বাংলা সাহিত্যে একটি শ্রেষ্ঠ উপন্যাসের মর্যাদায় অভিষিক্ত হয়েছে। এরকম একাধিক উপন্যাস, গল্প রচনা করে তিনি নিজেও সাহিত্যিক হিসেবে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছেন। সাহিত্য রচনাই ছিল তাঁর একমাত্র আনন্দ, অন্য কোনো উদ্দেশ্যে তিনি সাহিত্য রচনা করেননি। আর তাই মাত্র আটচল্লিশ বছর বয়সে যক্ষ্মা রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রচণ্ড অর্থাভাবে বিনা চিকিৎসাতেই তাঁর মৃত্যু হয়।

ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ · 2026

a
‘গীতিকবিতা’ কী?

b
“বৈশ্য লেখকের পক্ষেই শূদ্র পাঠকের মনোরঞ্জন করা সংগত।”-কেন? ব্যাখ্যা করো।

c
উদ্দীপকে উল্লিখিত মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মনোভাব ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের সাথে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো।

d
উদ্দীপকের বিষয়বস্তু ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের মূলভাবকে সম্পূর্ণরূপে ধারণ করে না, কেন? বিশ্লেষণ করো।

04
Question 04

স্কুল মাঠে একদল শিশু আপন মনে খেলায় ব্যস্ত। মাঠের পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন পাড়ার সকলের বেলুমামা। তিনি শিশুদের ডেকে বললেন, “তোমরা এমন দৌড়-ঝাঁপ করতে গিয়ে হাত-পা ভাঙবে, ব্যথা পাবে। তার চেয়ে এসো সবাই বসে পড়ালেখা করি- জ্ঞান বাড়বে, দিব্যাবুদ্ধি বাড়বে।” একটি শিশু বলল, “মজাটা কমবে।” সাথে সাথে সব শিশু হেসে উঠল। একে একে সবাই ছুটে পালাল খেলার মাঠে- মনের আনন্দে শুরু করল খেলা।

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2026

a
প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম কী?

b
“সাহিত্যের উদ্দেশ্য আনন্দদান করা, শিক্ষা দান করা নয়।”-ব্যাখ্যা করো।

c
উদ্দীপকের বেলুমামা ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের কোন চরিত্রের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।

d
“”সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধে বর্ণিত সাহিত্যের উদ্দেশ্য এবং উদ্দীপকের শিশুদের খেলার উদ্দেশ্য অভিন্ন।”- এই বিষয়ে যুক্তিসহ তোমার মতামত দাও।

05
Question 05

জীবনানন্দ দাশ বাংলার ‘রূপসী বাংলা’র কবি নামে খ্যাত। আত্মগত আনন্দ ও ভাবনার নিবিষ্টতায় কবি নির্মাণ করেছেন তাঁর কাব্যভুবন। বাংলার আকাশ-বাতাস, বাংলার হাওয়া-জল, বৃক্ষ-লতাপতা, পাখি-ফুল, বাংলার নদী-নালা-সাগর এমন নিবিড়ভাবে আর কোনো কবি ধরতে পারেননি। তার কবিতায় মানুষের চেয়ে প্রকৃতির প্রাবল্য। তাঁর কাব্যভাষা বিস্ময়কর। তাঁর সমকালে অনেক বোদ্ধা সমালোচক তাঁর কবিতাকে কেটেকুটে পোস্টমর্টেম করে তাঁর কবিতার সীমাবদ্ধতার সমালোচনা করেছেন। সেই সমালোচকরা হারিয়ে গেছেন অথচ জীবনানন্দ দিনকে দিন পাঠকের কাছে সমাদৃত হচ্ছেন।

সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ, চট্টগ্রাম · 2026

a
রোঁদ্যা কে?

b
“কাব্যজগতে যার নাম আনন্দ, তারই নাম বেদনা।”- ব্যাখ্যা করো।

c
উদ্দীপকের সমালোচক ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের কার নিকটতম প্রতিনিধি? ব্যাখ্যা করো।

d
“উদ্দীপকের মূলভাবটি যেন ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধেরই অনুরণন” উদ্দীপক ও ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের আলোকে মূল্যায়ন করো।

06
Question 06

নাসির একজন জনপ্রিয় লেখক হতে চান। পাঠকের চাহিদা বুঝে তিনি লেখালেখি চালিয়ে যান। এতে তিনি সাময়িক সফলতাও অর্জন করেন। কিন্তু কালের বিবর্তনে তার নামটি ধীরে ধীরে হারিয়ে যায়।

আনন্দ মোহন কলেজ, ময়মনসিংহ · 2026

a
লেখকেরা কার কাছে হাততালির প্রত্যাশা রাখেন?

b
“সাহিত্যের উদ্দেশ্য সকলকে আনন্দ দেওয়া, কারও মনোরঞ্জন করা নয়।”- ব্যাখ্যা করো।

c
উদ্দীপকের সঙ্গে ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের সাদৃশ্য কোথায়? আলোচনা করো।

d
“কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে সাহিত্যচর্চা করলে হিতে বিপরীত হতে পারে।”- উদ্দীপক ও ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

07
Question 07

জ্ঞানের কথা জানা হয়ে গেলে আর জানতে ইচ্ছে করে না- তা জেনে মনে আনন্দও জন্মে না। সূর্য পূর্বাকাশে ওঠে- এই তথ্য আমাদের মন টানে না। কিন্তু সূর্যোদয়ে যে সৌন্দর্য ও দেখার আনন্দ তা সৃষ্টিকাল থেকে আজও বিদ্যমান। এই সৌন্দর্য ও আনন্দানুভূতি পাঠক হৃদয়ে জাগিয়ে তোলাই সাহিত্যের কাজ। পাঠ ও অনুধাবনের মাধ্যমে রসিক পাঠকের হৃদয়ে তা সঞ্চারিত হয়। রস গ্রহণে অসমর্থ লোকই সাহিত্যের সৌন্দর্য ও আনন্দানুভূতির পরিবর্তে আত্মহিত ও সন্তুষ্টি খোঁজে। সাহিত্যে নির্মিত সৌন্দর্য-অনুভূতি যদি লোকহিত সাধন করে, তাতে সাহিত্যের কুললক্ষণ নষ্ট হয় না। শুধু লোকহিত ও সন্তুষ্টির প্রচেষ্টা সাহিত্যকে কুলত্যাগী করে, সাহিত্যিক শিক্ষকে রূপান্তরিত হন।

[পাঠ্যবইয়ের অনুশীলনীর সৃজনশীল প্রশ্ন]

a
‘রামায়ণ’ কে রচনা করেছেন?

b
‘অতি সস্তা খেলনা’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

c
‘সাহিত্যের স্বধর্মচ্যুত’ হওয়ার বিষয়টি উপরের অনুচ্ছেদে কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে, বুঝিয়ে দাও।

d
‘শিক্ষা ও সাহিত্যের উদ্দেশ্য ভিন্নধর্মী’- বক্তব্যটি উপরের অনুচ্ছেদে কতখানি প্রতিফলিত হয়েছে বলে তুমি মনে কর- উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।

08
Question 08

মানুষের একটি চিরন্তন আকাঙ্ক্ষা হচ্ছে নিজের অনুভূতি ও উপলব্ধি অন্যের কাছে প্রকাশ করা। জয়নুল আবেদীনের মতো ছবি এঁকে, কিংবা রবীন্দ্রনাথের মতো কবিতা-গান লিখে নিজ হৃদয়ানুভূতি ও রূপচেতনা সে অন্য মনে ছড়িয়ে দিতে চায়। এভাবে সে জগতের সকল মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করতে চায়। চায় লক্ষ হৃদয়ের মধ্যে বেঁচে থাকতে। এ এ কাজ তখনই সফল হয়, যখন রঙে, ঢঙে, আকারে-প্রকারে, ভাষায়-সুবে, ছন্দে, ইঙ্গিতে নিখুঁত রূপ বা অনুভূতি অন্য মনে প্রতিফলিত ও সঞ্চারিত করা যায়। এ কাজ যে পারে, শিল্পরাজ্যের সেই রাজা। ধর্মের জাতপাত, বর্ণভেদ সেখানে একাকার।

a
রোদ্যার একটি শ্রেষ্ঠ ভাস্কর্যের নাম লেখ।

b
‘মানুষের দেহমনের সকল প্রকার ক্রিয়ার মধ্যে ক্রীড়া শ্রেষ্ঠ।’- কেন? ব্যাখ্যা কর।

c
প্রবন্দে বর্ণিত ব্রাহ্মণশূদ্রের মানবাধিকার উপরের অনুচ্ছেদের কোন বস্তুবো প্রতীয়মান হয়? আলোচনা কর।

d
উপরের অনুচ্ছেদের ‘লক্ষ’ হৃদয়ের মধ্যে বেঁচে থাকার আকাঙ্ক্ষা’ বাক্যাংশ অবলম্বনে ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্দে বর্ণিত ‘বিশ্বমানবের সঙ্গে সম্বন্ধ পাতানোরই নামান্তর’ প্রসঙ্গে তোমার মতামত উপস্থাপন কর।

09
Question 09

স্কুল মাঠে একদল শিশু আপন মনে খেলায় ব্যস্ত। মাঠের পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন পাড়ার সকলের বেলুমামা। তিনি শিশুদের ডেকে বললেন, “তোমরা এমন দৌড়-ঝাঁপ করতে গিয়ে হাত-পা ভাঙবে, ব্যথা পাবে। তার চেয়ে এসো সবাই বসে পড়ালেখা করি- আন বাড়বে, দিব্যাবুদ্ধি বাড়বে।” একটি শিশু বলল, “মজাটা কমবে।” সাথে সাথে সব শিশু হেসে উঠল। একে একে সবাই ছুটে পালাল খেলার মাঠে- মনের আনন্দে শুরু করল খেলা।

[এইচএসসি পরীক্ষা ‘১২]

a
এ পৃথিবীতে ব্রাহ্মণশূদ্রের প্রভেদ নেই কোথায়?

b
“যে খেলার ভিতর আনন্দ নেই কিন্তু উপরি পাওনার আশা আছে, তার নাম খেলা নয়, জুয়াখেলা।”- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

c
উদ্দীপকের বেলুমামা ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের কোন চরিত্রের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।

d
সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধে বর্ণিত সাহিত্যের উদ্দেশ্য এবং উদ্দীপকের শিশুদের খেলার উদ্দেশ্য অভিন্ন। এই বিষয়ে যুক্তিসহ তোমার মতামত দাও।

10
Question 10

খুব জ্ঞানমার্গের বই লেখেন আরিফ আল মাসুদ। তাকে জ্ঞানের একটি আন্ত ভান্ডার বললে অত্যুক্তি হবে না। ২০১১ সালের বইমেলায় তিনি ‘ঈশ্বরবিষয়ক বিচিন্তা’ নামক বই প্রকাশ করেন। কাটতি ভালো ছিল না। ২০১২ সালের ‘পুরোহিতের ধামে’ বইটিও পাঠক সমাদৃত হয়নি। এদিকে তাঁর বন্ধু কল্লোল রহমানের গীতিকবিতার বই ‘সখা হে এলে না’ বইটি বেশ জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করে।

[হলি ক্রস কলেজ, ঢাকা]

a
সাহিত্য নামক অমৃতে যে আমাদের অরুচি জন্মেছে’ তার জন্য লেখক কাকে দায়ী করেছেন?

b
“কাব্যের ঝুমঝুমি, বিজ্ঞানের চুষিকাঠি, দর্শনের বেলুন, ইতিহাসের ন্যাকড়ার পুতুল” কথাগুলো দিয়ে প্রাবন্ধিক কী বোঝাতে চেয়েছেন? ব্যাখ্যা কর।

c
উদ্দীপকের সঙ্গে ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের বিষয়গত সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।

d
“উদ্দীপকটিতে ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের সারার্থ প্রতিফলিত।”- মন্তব্যটির যথার্থতা প্রমাণ কর।

11
Question 11

নিজেকে প্রকাশ করার আগ্রহ মানুষের চিরকালের। হৃদয়ের ভিতরকার অনুভূতিগুলো নানা উদ্দীপনায়, অনুকরণগুলো নানা মাধ্যমে সাজিয়ে সুন্দর করে প্রকাশ করার এই ব্যাপারটি পরিচিতি পেয়েছে শিল্পকলা নামে। মানুষ কথায়, সংগীতে, চিত্রে, ভাস্কর্যে নানা মাত্রায় তার মহৎ ভাবনাগুলোকে হৃদয়ের মধ্যে মিশিয়ে প্রকাশ করে। সুখ-দুঃখ, বিরহ-মিলন, দ্রোহ, সংক্ষোভ, নানা মাত্রিক হৃদয়ানুভূতির এই স্বতঃস্ফূর্ত প্রকাশে সে নিজে যেমন অসীম আনন্দ পায়, আবার অন্যকেও আনন্দ দেয়।

[ঢাকা কমার্স কলেজ; ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজ]

a
প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম কী?

b
মনোরঞ্জন আর আনন্দের মধ্যে পার্থক্য কতটুকু?

c
অনুচ্ছেদের বক্তব্যটি ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের সঙ্গে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।

d
“পৃথিবীর শিল্পী মাত্রেই শিল্পের খেলা খেলে থাকেন”- বক্তব্যটি উদ্দীপকটিতে কতখানি প্রতিফলিত হয়েছে? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

12
Question 12

এখন আমাদের বাঙলা সাহিত্যে স্থায়ী প্রভাব বিস্তার করিতে হইলে সর্বপ্রথম আমাদের লেখার জড়তা দূর করিয়া তাহাতে ঝর্ণার মতো ঢেউভরা চপলতা ও সহজ মুক্তি আনিতে হইবে। যে সাহিত্য জড়, যাহার প্রাণ নাই, সে নির্জীব-সাহিত্য দিয়া আমাদের কোনো উপকার হইবে না। আর তাহা স্থায়ী সাহিত্যও হইতে পারে না।

a
বিশ্ববিখ্যাত ফরাসি ভাস্কর রোঁদ্যার প্রকৃত নাম কী?

b
সাহিত্যকে লেখক কেন খেলার সঙ্গে তুলনা করেছেন? ব্যাখ্যা কর।

c
উদ্দীপকে ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের কোন দিকটি প্রকাশ পেয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

d
“উদ্দীপকের বিষয়টি ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের খন্ডাংশমাত্র” মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

13
Question 13

কাজী মোতাহের হোসেনের মতে, “মানুষের প্রচেষ্টায় মানুষের জন্যই যে সাহিত্য রচিত হয় তাহা যদি মানবহিত এবং মানবসভাতার ক্রমোন্নতির দিকনির্দেশ না করে তবে বড়ই আক্ষেপের কথা।” সুতরাং বিষয়টি পরিষ্কার যে, মানুষ ভালো হবে, মানুষ ভালো করবে এটাই স্বাভাবিক দাবি। সুতরাং মানুষের সাহিত্য মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করবে এটাও স্বাভাবিক।

a
‘সাহিতো খেলা’ প্রবন্ধে ‘ইতর’ শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?

b
“শিল্পী মাত্রেই এই শিল্পের খেলা খেলে থাকেন” ব্যাখ্যা কর।

c
উদ্দীপকের সঙ্গে ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা কর।

d
“সাদৃশ্য থাকলেও উদ্দীপকের বিষয়টি ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের পুরো বিষয়কে নির্দেশ করে না।” মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

14
Question 14

করিম সাহেবের সৃষ্ট সাহিত্যজগৎ এখন সংকীর্ণতার গাঢ় ছায়ায় আচ্ছন্ন হয়ে গেছে। তাঁর সৃষ্টিকর্ম এখন আর বিশ্বমানবের মনের সকো নিতানতুন সম্বন্ধ পাতানোর উদারতা দেখায় না। তাঁর সাহিত্যের রঙ্গমঞ্চে এক নির্দিষ্ট শ্রেণির মানুষের জীবনালেখ্য মধ্যস্থ হয়। যাঁরা নিজেদের মনন্তুষ্টির বিনিময়ে করিম সাহেবকে মেকি প্রশংসাপূর্ণ পারিশ্রমিক দেন। আর এতেই খুশি হয়ে তিনি সাহিত্যের মর্মবাণীকে অগ্রাহ্য করে ঐ বিশেষ শ্রেণির মনোরঞ্জনের জন্য তাঁর অমূল্য সৃজনশক্তিকে নিয়োগ করেন।

a
উপরি পাওয়া’ বলতে কী বোঝায়?

b
“সাহিত্যের উদ্দেশ্য আনন্দদান করা, শিক্ষা দান করা নয়।”- ব্যাখ্যা কর।

c
উদ্দীপকের করিম সাহেবের সাথে ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের বৈসাদৃশ্য কোথায়? আলোচনা কর।

d
“উদ্দীপকের করিম সাহেবের সৃষ্ট সাহিত্য ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধ অনুসারে উৎকৃষ্ট সাহিত্যজগৎ থেকে ছিটকে পড়েছে।” মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

15
Question 15

সাহিত্য হচ্ছে সৃজনশীল মনের তরঙ্গায়িত কথামালার লিখিত গাঁথুনি। মনের উল্লাসে সাহিত্যিকরা সাহিত্য রচনা করে গেছেন। আর সাহিতোর পরশে যার মন দোলায়িত হয় তিনি আপনাআপনিই সাহিত্য পড়বেন। মূলত সাহিত্য হচ্ছে একধরনের মনের খেলা। বাস্তব জীবনের বাস্তব খেলা। এ খেলায় শুধু সাহিত্যে নিবেদিতপ্রাণ খেলোয়াড়ই পরশ নিবেন। কিন্তু বর্তমানে এর উল্টোটাই দেখা যায়। যার মধ্যে সাহিত্য ভাবনার ছিটেফোঁটাও নেই, তাকেও সাহিত্য গেলানো হয়। ফলে স্বভাবতই সাহিত্যের মতো উন্নত বিষয়ের প্রতি তার অরুচি ও বিতৃষ্ণা জন্মে।

a
পুতুল গড়া কার খেলা?

b
‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের আলোকে জীবাত্মা ও পরমাত্মার মধ্যকার সম্পর্ক ব্যাখ্যা কর।

c
উদ্দীপকের সঙ্গে ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের কোন অংশের সাদৃশ্য বিদ্যমান? ব্যাখ্যা কর।

d
উদ্দীপকে ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের বিশেষ দুটি দিকের প্রতিফলন ঘটেছে, পুরো অংশ নয়। মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

16
Question 16

আকবর হাসান একজন সরকারি চাকরিজীবী। অফিসের কাজের পাশাপাশি বাড়িতে তিনি আরেকটা কাজ নিয়মিত করেন, তা হলো লেখালেখি। সাহিত্যপাগল আকবর হাসান কবিতা ও ছোটগল্প লেখেন। তার লেখা কোনো কবিতা বা ছোটগল্প এখন পর্যন্ত কোথাও প্রকাশিত হয়নি। তার পরিবার, অফিস, বন্ধুবান্ধব কারও কাছ থেকে তিনি প্রশংসা পাননি। সবাই তার লেখাকে অত্যন্ত সাধারণ মানের উল্লেখ করে লেখালেখি করতে নিষেধ করেন। কিন্তু আকবর হাসান এতে বিন্দুমাত্র কর্ণপাত না করে নিজ আনন্দে লিখে চলেছেন।

a
প্রমথ চৌধুরীর পৈতৃক নিবাস কোথায়?

b
স্কুলঘরে আমরা কাব্যের রূপ দেখতে পাইনে”- প্রমথ চৌধুরী কেন এই অভিযোগ করেছেন? ব্যাখ্যা কর।

c
উদ্দীপকের আকবর হাসানের মধ্যে ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধে বর্ণিত সাহিত্যিকের কোন গুণ বিদ্যমান? ব্যাখ্যা কর।

d
“সাহিত্যিকের মনের আনন্দই সাহিত্য রচনার প্রধান উপাদান- উদ্দীপক ও ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের এটিই মূল সুর।” মন্তব্যটির যথার্থতা নির্ণয় কর।

17
Question 17

একাদশ শ্রেণির ছাত্র শিহাব। সে পাঠ্যবইয়ের বাইরে অন্যান্য বই প্রচুর পরিমাণে পড়ে। কবিতার বইয়ের প্রতি তার প্রচন্ড আগ্রহ। বিখ্যাত-অখ্যাত সব কবির বই-ই সে পড়ে। কবিতা শিহাবের সবচেয়ে প্রিয় হলেও পাঠ্যবইয়ের কবিতা তার একদমই ভালো লাগে না। অথচ একই কবিদের বই যখন সে একা একা পড়ে তখন অনেক ভালো লাগে।

a
কোন স্থানের বক্তৃতার উদ্দেশ্য অতি মহৎ?

b
“পাঠকসমাজ যে খেলনা আজ আদর করে, কাল সেটিকে ভেঙে ফেলে” ব্যাখ্যা কর।

c
উদ্দীপকে ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের কোন দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে?- ব্যাখ্যা কর।

d
“উদ্দীপক ও ‘সাহিত্যে খেলা’ উভয়ের মূল বিষয়বস্তু সাহিত্য আনন্দদানের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়েছে, শিক্ষা দানের জন্য নয়।”- মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

18
Question 18

বর্তমানে নব্য কবি-লেখকদের হিড়িক পড়ে গেছে বাজারে। যেহেতু কবিসাহিত্যিকরা মানুষের কাছে শ্রদ্ধা ও সম্মানের পাত্র, তাঁদের সুনাম জগৎজোড়া, তাই অনেকেই এই সুযোগ হাতছাড়া করতে চান না। সাহিত্যকে না বুঝে সাহিত্যের মর্মে প্রবেশ না করে কিছু একটা লিখেই নামের আগে গর্বিতভাবে কবিসাহিত্যিক যোগ করে থাকেন। তার পরে সাহিত্যচর্চার বদলে দু-একটা বই বগলে করে কবিসাহিত্যিক পদবির প্রচার ঘটাতেই তারা ব্যস্ত হয়ে পড়েন। অথচ সাহিত্যের যারা সত্যিকারের সাধক, প্রকৃত বিজয়মাল্য তাদের গলায়ই শোভা পায়, বেশধারী সাহিত্যিকদের গলায় নয়।

a
প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত পত্রিকার নাম কী?

b
“কারও মনোরঞ্জন করা সাহিত্যের কাজ নয়।”- ব্যাখ্যা কর।

c
উদ্দীপকের সঙ্গে ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।

d
“সাহিত্যের যারা সত্যিকারের সাধক, প্রকৃত বিজয়মাল্য তাদের গলায়ই শোভা পায়, বেশধারী সাহিত্যিকদের গলায় নয়।” উদ্দীপকের এ মন্তব্যটি ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের মূলভাবেরই নামান্তর- মূল্যায়ন কর।

19
Question 19

মাজেদ মাহতাব একজন নামকরা চিত্রশিল্পী। তাঁর পুরো শিল্পকর্মকে দুভাগে ভাগ করা যায়- সহজবোধ্য ও দুর্বোধ্য। তাঁর অনেক সৃজনশীল কাজ রয়েছে যেগুলো শিল্পমানে কালোত্তীর্ণ। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তিনি কয়েকবার তাঁর শিল্পকর্মের প্রদর্শনী করেছেন এবং বোদ্ধা মহলের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। অন্যদিকে, তাঁর কিছু চিত্রকর্ম রয়েছে সহজ, সুন্দর ও সাধারণের উপযোগী। চিত্রকলা একটি উঁচুমানের শিল্পকলা যাতে সাধারণের প্রবেশাধিকার নেই। চিত্রকলার সাথে সাধারণের সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত করতেই তিনি দু ধারায় কাজ করেন। তাঁর কোনো অর্থমোহ নেই।

a
মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?

b
প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।

c
উদ্দীপকের মাজেদ মাহতাবের চিন্তাধারার সঙ্গে সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের কার সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

d
“উদ্দীপকের মাজেদ সাহেবের কর্মকান্ড ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের লেখকের সমধর্মী।” মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

20
Question 20

করিম আহমেদ একজন বড় মাপের শিল্পী। তাই খেলাচ্ছলে ছবি আঁকা, পুতুল গড়াই তাঁর কাজ। তিনি সামান্য একটু মাটিকে ব্যবহার করে আঙুল দিয়ে টিপে যে পুতুল তৈরি করেন, তা-ই উৎকৃষ্ট শিল্পকর্মে পরিণত হয়। করিম আহমেদের মতো বড় শিল্পীরা প্রায়ই শিল্পরাজ্যের এ খেলা খেলে থাকেন। কিন্তু ছোট মাপের শিল্পীরা এক করতে গিয়ে আরেক করে ফেলেন। করিম আহমেদের মতো বড় মাপের শিল্পীর সঙ্গে ছোট মাপের শিল্পীর এই পার্থক্য।

a
রোদ্যা কে?

b
“যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।”- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

c
উদ্দীপকে উল্লিখিত ছোট মাপের শিল্পীদের সঙ্গে ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের সাদৃশ্য বর্ণনা কর।

d
শিল্প মাত্রই আনন্দদান করে, তাই পৃথিবীর বড় মাপের শিল্পীগণ এ খেলায় অংশগ্রহণ করেন।”- উদ্দীপক ও প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।

21
Question 21

পিরোজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে প্রতিদিন বিকেলে ছেলেরা খেলাধুলা করে। এই গ্রামে ধনীদরিদ্র সকলের সন্তান এই মাঠে খেলা করে আনন্দ উপভোগ করে। তাদের মধ্যে মাঝে মাঝে সামান্য একটু ঝগড়া হলেও পরক্ষণেই তা মিটে যায়, কারণ খেলাধুলার যে আনন্দ তা ঝগড়ার বিষাদকে নিঃশেষ করে দেয়। একই গ্রামের শিক্ষিত যুবক করিম শেখ বিকেল বেলায় অবসর সময়ে ছেলেদের খেলা দেখে প্রায়ই আনন্দ উপভোগ করে থাকেন।

a
সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?

b
প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।

c
উদ্দীপকের মাঠের খেলার সঙ্গে ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।

d
“উদ্দীপকের করিম শেখের খেলা দেখা এবং ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধে সাহিত্য রচনা উভয় ক্ষেত্রেই আনন্দই 8 প্রধান।”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।