01 বাংলা কত তারিখে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জন্মগ্রহণ করেন? [ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ · 2026]
উত্তর ১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ শে বৈশাখ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘জন্মগ্রহণ করেন।
02 বাঁকা জল বলতে কী বোঝানো হয়েছে? [ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ · 2026]
উত্তর ‘সোনার তরী’ কবিতায় ‘বাঁকা জল’ বলতে অনন্ত কালস্রোতকে বোঝানো হয়েছে।
‘সোনার তরী’ একটি রূপক কবিতা। এখানে কৃষক প্রতীকী অর্থে কবি নিজে, মাঝি মহাকালের প্রতীক, সোনার ধান ব্যক্তিমানুষের কর্মের প্রতীক। কবিতায় সাধারণ অর্থে ‘বাঁকা জল’ ঘূর্ণায়মান স্রোতের উদ্দামতা নির্দেশ করেছে, যা দ্বীপসদৃশ ধানখেতের চারপাশে খেলা করছে। কিন্তু অন্তর্নিহিত ভাবনায় ‘বাঁকা জল’ মূলত কালস্রোতের প্রতীক।
03 ‘সোনার তরী’ কবিতায় ‘তরুছায়ামসী-মাখা’ অর্থ কী? [রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ · 2026]
উত্তর ‘সোনার তরী’ কবিতায় ‘তরুছায়ামসী-মাখা’ অর্থ গাছের ছায়ার কালো রঙে মাখানো।
04 ‘যাহা ছিল নিয়ে গেল সোনার তরী’ কেন তা বুঝিয়ে দাও। [রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ · 2026]
উত্তর প্রশ্নোক্ত চরণটিতে কৃষকের সমগ্র অর্জন হিসেবে সোনার ধান মহাকালের তরীতে সমর্পণ এবং সেখানে তাঁর স্থান না পাওয়ার বেদনাবোধ, প্রকাশিত হয়েছে।
আলোচ্য কবিতায় কবি তাঁর উপলব্ধিজাত এক গভীর জীবনদর্শনকে তুলে ধরেছেন। মহাকাল মানুষের কর্মফলকে ধারণ করে, ব্যক্তিমানুষ সেখানে স্থান পায় না। আর তাই মহাকালরূপ মাঝি কৃষকের উৎপাদিত সমস্ত ফসল নিয়ে যায়; কিন্তু কৃষককে গ্রহণ করে না। ফলে অপূর্ণতার বেদনা নিয়ে কৃষককে অপেক্ষা করতে হয় মহাকালের স্রোতে বিলীন হওয়ার জন্য। প্রশ্নোক্ত চরণটির মধ্য দিয়ে কৃষকের কর্মফলরূপী সোনার ধান মহাকালের তরীতে সমর্পণ এবং অপূর্ণতার বেদনাবোধের দিকটি ফুটে উঠেছে।
05 ‘সোনার তরী’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত? [সরকারি আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া · 2026]
উত্তর ‘সোনার তরী’ কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।
06 “ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই- ছোটো সে তরী”- বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো। [সরকারি আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া · 2026]
উত্তর “ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই- ছোট সে তরী” বলতে মহাকালরূপী ছোট সোনার তরণিতে সোনার ফসলরূপী মহৎ সৃষ্টিকর্মের স্থান হওয়া এবং ব্যক্তিসত্তার স্থান বা ঠাঁই না হওয়া বোঝানো হয়েছে।
‘সোনার তরী’ কবিতায় একজন কৃষকের রূপকে কবি নিজের জীবনের চিত্র এঁকেছেন। একজন কৃষক তার অক্লান্ত শ্রমের ফসল রাশি রাশি সোনার ধান কেটে নানা আশঙ্কা নিয়ে বর্ষার জলবেষ্টিত ছোট খেতে একাকী অপেক্ষা করছে। এমন সময় অপ্রত্যাশিতভাবে ভরা পালে তরি বেয়ে আসা এক মাঝি তাকে উপেক্ষা করে নির্বিকারভাবে অজানা দেশের দিকে চলে যেতে থাকে। তখন কৃষক তাকে কাতরভাবে অনুরোধ করে বলে সে যেন কূলে তরি ভিড়িয়ে তার সোনার ধানটুকু নিয়ে যায়। অথচ ছোট সেই তরিতে কৃষকের স্থান সংকুলান হয় না।
07 ‘সোনার তরী’ কবিতায় উল্লিখিত মাঝি কীসের প্রতীক? [সরকারি মাইকেল মধুসূদন (এম.এম) কলেজ, যশোর · 2026]
উত্তর ‘সোনার তরী’ কবিতায় উল্লিখিত মাঝি নির্মোহ মহাকালের প্রতীক।
08 ‘চারিদিকে বাঁকা জল করিছে খেলা’- কথাটির মাধ্যমে কবি কী বুঝিয়েছেন? [সরকারি মাইকেল মধুসূদন (এম.এম) কলেজ, যশোর · 2026]
উত্তর ‘চারিদিকে বাঁকা জল’ বলতে কবি নদীর সেই জলকে বুঝিয়েছেন যা বক্র বা বাঁকানো পথে বয়ে চলে। এখানে বাঁকা জল হয়ে উঠেছে অনন্ত কালস্রোতের প্রতীক।
‘সোনার তরী’ কবিতায় উৎপন্ন সোনার ধানের সম্ভার নিয়ে কৃষক দ্বীপের মতো ছোট একটি ধানখেতে অপেক্ষারত। যার চারপাশে ঘূর্ণায়মান স্রোতের উদ্দামতা। নদীর বাঁকা জলস্রোতে বেষ্টিত ছোট খেতটুকু যেকোনো সময় বিলীন হয়ে যেতে পারে। এখানে বাঁকা জল কেবল প্রকৃতির সৌন্দর্যের প্রকাশ নয় বরং এটি জীবনের গতিময়তার দিককেও ইঙ্গিত করে। নদী যেমন বাঁকা পথে প্রবাহিত হয় তেমনই জীবনের পথও সব সময় সরল হয় না। জীবনকে নানা বাঁক ও প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে চলতে হয়।
09 ‘সোনার তরী’ কবিতায় উল্লিখিত মাঝি কীসের প্রতীক? [রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2025]
উত্তর • ‘সোনার তরী’ কবিতায় উল্লিখিত মাঝি নির্মোহ মহাকালের প্রতীক।
10 “ওগো, তুমি কোথা যাও কোন বিদেশে?” কবি ‘বিদেশ’ শব্দ দিয়ে কী বোঝাতে চেয়েছেন? [রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2025]
উত্তর • ওগো তুমি কোথা যাও কোন বিদেশে? এখানে ‘বিদেশ’ বলতে কবি মহাকালের প্রতীক অচেনা মাঝির গন্তব্য কোথায়, কৃষক প্রতীকে তা জানতে চাওয়াকে বোঝানো হয়েছে।
• ‘সোনার তরী’ একটি রূপক কবিতা। এখানে কবির জীবনদর্শন নিবিড়ভাবে মিশে আছে। এখানে ‘বিদেশ’ বলতে কবি চিরায়ত শিল্পলোককে বুঝিয়েছেন। প্রশ্নোক্ত উক্তির মাধ্যমে নিরাসক্ত মাঝির দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চেয়েছেন। এখানে মাঝি হলো মহাকালের প্রতীক। মহাকালের স্রোতে সোনার তরি নিয়ে বেয়ে আসা মাঝির দৃষ্টি চিরায়ত শিল্পলোক যা শাশ্বত, চিরন্তন ও চিরকাল ব্যাপী স্থায়ী। পার্থিব জগতের প্রতি সে নিরাসক্ত।
11 ‘শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন ধরনের রচনা? [ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ · 2025]
উত্তর ‘শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত একটি উপন্যাস।
12 “ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই ছোট সে তরী।”- ব্যাখ্যা কর। [ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ · 2025]
উত্তর • “ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই, ছোট সে তরী” বলতে মহাকালরূপী ছোট সোনার তরণিতে সোনার ফসলরূপী মহৎ সৃষ্টিকর্মের স্থান হওয়া এবং ব্যক্তিসত্তার স্থান বা ঠাঁই না হওয়া বোঝানো হয়েছে।
• ‘সোনার তরী’ কবিতায় একজন কৃষকের রূপকে কবি নিজের জীবনের চিত্র এঁকেছেন। একজন কৃষক তার অক্লান্ত শ্রমের ফসল রাশি রাশি সোনার ধান কেটে নানা আশঙ্কা নিয়ে বর্ষার জলবেষ্টিত ছোট খেতে একাকী অপেক্ষা করছে। এমন সময় অপ্রত্যাশিতভাবে ভরা পালে তরি বেয়ে আসা এক মাঝি তাকে উপেক্ষা করে নির্বিকারভাবে অজানা দেশের দিকে চলে যেতে থাকে। তখন কৃষক তাকে কাতরভাবে অনুরোধ করে বলে সে যেন কূলে তরি ভিড়িয়ে তার সোনার ধানটুকু নিয়ে যায়। অথচ ছোট সেই তরিতে কৃষকের স্থান সংকুলান হয় না।
13 ‘সোনার তরী’ কবিতার অধিকাংশ পঙ্ক্তি কত মাত্রার পূর্ণ পর্বে বিন্যস্ত? [ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2025] উত্তর ‘সোনার তরী’ কবিতার অধিকাংশ পঙ্ক্তি ৮ + ৫ মাত্রার পূর্ণ পর্বে বিন্যস্ত।
14 “চারি দিকে বাঁকা জল করিছে খেলা”- চরণটির তাৎপর্য কী? [ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2025]
উত্তর • ‘সোনার তরী’ কবিতায় “চারদিকে বাঁকা জল করিছে খেলা” বলতে অনন্ত কালস্রোতের অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে।
• ‘সোনার তরী’ একটি রূপক কবিতা। এখানে কৃষক প্রতীকী অর্থে কবি নিজে, মাঝি মহাকালের প্রতীক, সোনার ধান ব্যক্তিমানুষের কর্মের প্রতীক। কবিতায় সাধারণ অর্থে ‘বাঁকা জল’ ঘূর্ণায়মান স্রোতের উদ্দামতা নির্দেশ করেছে, যা দ্বীপসদৃশ ধানখেতের চারপাশে খেলা করছে। কিন্তু অন্তর্নিহিত ভাবনায় “চারদিকে বাঁকা জল করিছে খেলা” বলতে মূলত কালস্রোতের অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে।
15 ঢেউগুলি নিরুপায় কোথায় ভাঙে? [আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা · 2025]
উত্তর • ঢেউগুলি নিরুপায় হয়ে দুই ধারে ভাঙে।
16 “শূন্য নদীর তীরে রহিনু পড়ি”- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর। [আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা · 2025]
উত্তর • ‘শূন্য নদীর তীরে রহিনু পড়ি।’- কৃষকের এই অভিব্যক্তির মাধ্যমে মহাকালের অনিবার্য শূন্যতায় বিলীন হওয়ার জন্য কৃষকের একলা অপেক্ষায় থাকার বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে।
• ‘সোনার তরী’ কবিতায় মহাকালের প্রতীক তরণিতে সোনার ফসলরূপ কর্মের ঠাঁই হয় কিন্তু কৃষকের স্থান হয় না। কৃষকরূপী কবির ব্যক্তিসত্তাকে অনিবার্যভাবে মহাকালের নিষ্ঠুর কালগ্রাসের শিকার হতে হয়। সময়ের প্রবহমানতা কবির সৃষ্টিকর্ম বা কৃষকের সোনার ধান নিয়ে তরি চলে যায় অজানা দেশে। জগতে কর্মের স্থান হয় কিন্তু কর্মীর স্থান হয় না। এই অতৃপ্তির বেদনা নিয়ে কর্মীপুরুষ কৃষক মহাকালের শূন্যতায় বিলীন হওয়ার জন্য শূন্য নদীর তীরে পড়ে থাকে।
17 রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রকাশিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোনটি? [ঢাকা কমার্স কলেজ · 2025]
উত্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘বনফুল’।
18 মাঝি চলে যাওয়ার সময় কোনো দিকে তাকায়নি কেন? ব্যাখ্যা কর। [ঢাকা কমার্স কলেজ · 2025]
উত্তর • মহাকালের প্রতীক মাঝি নিরাসক্ত বলেই কৃষকের সোনার ধান তার নৌকায় তুলে নিয়ে যাওয়ার সময় কোনো দিকে তাকায়নি।
• ‘সোনার তরী’ কবিতায় মাঝি মহাকালের প্রতীক। মহাকালের কাজ হলো নিজের গতিতে এগিয়ে চলা। সে তার আপন ছন্দে চলে। যুগে যুগে কত মানুষ, কত সভ্যতা মহাকালের গর্ভে হারিয়ে গেল তার ইয়ত্তা নেই। মহাকালের কাজ কেবল নিজের ছন্দে ও গতিতে এগিয়ে চলা। মূলত মহাকালের প্রতীক এই মাঝি নিরাসক্ত বলেই তার সুনির্দিষ্ট দৃষ্টিপাত নেই।
19 ‘থরে বিথরে’ শব্দগুচ্ছের অর্থ কী? [বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ · 2025]
উত্তর • ‘থরে বিথরে’ অর্থ- স্তরে স্তরে, সুবিন্যস্ত রূপে।
20 “যাহা ছিল নিয়ে গেল সোনার তরী”- কথাটির মাধ্যমে কবি কী বুঝিয়েছেন? [বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ · 2025]
উত্তর • “যাহা ছিল নিয়ে গেল সোনার তরী”- বলতে মহাকালের কাছে ব্যক্তিমানুষ মূল্যহীন, সেখানে কেবলই ব্যক্তির সৃষ্টিকর্মের ঠাঁই হয়-এই দিকটি বোঝানো হয়েছে।
• ‘সোনার তরী’ কবিতায় দ্বীপসদৃশ একটি ধানখেতের চারপাশে ক্ষুরধার বর্ষার নদীর স্রোত হিংস্র হয়ে খেলা করছে। সেই ধানখেতে রাশি রাশি সোনার ধান নিয়ে তরিতে স্থান পাওয়ার অপেক্ষা করছেন এক কৃষক। পাল তোলা নৌকা নিয়ে এক মাঝি কৃষকের সোনার ফসল নিয়ে যায় কিন্তু কৃষককে নেয় না। মাঝির সোনার তরী এখানে মহাকাল, যে মানুষের মহৎ কর্মকে গ্রহণ করে কিন্তু মানুষকে ফেলে যায়। প্রশ্নোক্ত কথাটিতে এ কথাই বোঝানো হয়েছে।
21 ‘গরজে’ শব্দের অর্থ কী? [আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল · 2025]
উত্তর • ‘গরজে’ শব্দের অর্থ গর্জন করে।
22 ‘বারেক ভিড়াও তরী কূলেতে এসে।’- বলতে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন? [আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল · 2025]
উত্তর • ‘বারেক ভিড়াও তরী কূলেতে এসে।’- বলতে কবি অপরিচিত মাঝিকে তার তরি কূলে ভেড়ানোর অনুরোধ করেছেন।
• ‘সোনার তরী’ একটি রূপক কবিতা। এখানে কৃষক প্রতীকী অর্থে কবি নিজে, মাঝি মহাকালের প্রতীক, সোনার ধান ব্যক্তিমানুষের সৎ ও কল্যাণকর কাজের প্রতীক। তেমনই ‘বাঁকা জল’ কালস্রোতের প্রতীক। এ কবিতায় কৃষক চারপাশে করাল স্রোতের মাঝে দাঁড়িয়ে একজন মাঝিকে তরি বেয়ে আসতে দেখে ভাবে হয়তো তার পরিচিত। তারপর কাছাকাছি এসে ওই মাঝি কোনোদিকে না তাকিয়ে হিংস্র জলস্রোত অবলীলায় পাড়ি দিয়ে ভরা পালে তরি বেয়ে সামনে এগিয়ে চলে। নির্বিকার মাঝিকে কৃষক প্রশ্ন করে- সে কোথায়, কোন বিদেশে যাচ্ছে? নিঃসঙ্গ কৃষক তাকে কূলে এসে তার তরিতে কৃষকের সোনার ধান তুলে নিয়ে যেতে বলে। তারপর সে যেখানে খুশি চলে যেতে পারে। এ প্রসঙ্গেই কবি প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন।
23 শূন্য নদীর তীরে কে পড়ে রইলেন? [বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ · 2025]
উত্তর শূন্য নদীর তীরে পড়ে রইলেন কৃষক বা কবি।
24 “ওগো, তুমি কোথা যাও কোন বিদেশে?”- কৃষক কেন এরূপ বলেছেন? [বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ · 2025]
উত্তর • ওগো তুমি কোথা যাও কোন বিদেশে? এখানে ‘বিদেশ’ বলতে কবি মহাকালের প্রতীক অচেনা মাঝির গন্তব্য কোথায়, কৃষক প্রতীকে তা জানতে চাওয়াকে বোঝানো হয়েছে।
• ‘সোনার তরী’ একটি রূপক কবিতা। এখানে কবির জীবনদর্শন নিবিড়ভাবে মিশে আছে। এখানে ‘বিদেশ’ বলতে কবি চিরায়ত শিল্পলোককে বুঝিয়েছেন। প্রশ্নোক্ত উক্তির মাধ্যমে নিরাসক্ত মাঝির দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চেয়েছেন। এখানে মাঝি হলো মহাকালের প্রতীক। মহাকালের স্রোতে সোনার তরি নিয়ে বেয়ে আসা মাঝির দৃষ্টি চিরায়ত শিল্পলোক যা শাশ্বত, চিরন্তন ও চিরকাল ব্যাপী স্থায়ী। পার্থিব জগতের প্রতি সে নিরাসক্ত।
25 নিরুপায় ঢেউগুলি কোথায় ভাঙে? [সিলেট সরকারি কলেজ · 2025]
উত্তর নিরুপায় ঢেউগুলি নদীর দু-ধারে ভাঙে।
26 “যাহা লয়ে ছিনু ভুলে” বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা কর। [সিলেট সরকারি কলেজ · 2025]
উত্তর • ‘যাহা লয়ে ছিনু ভুলে’ বলতে যে সোনার ফসলে তথা সম্পদে নিজেকে নিমজ্জিত করে কবি সবকিছু ভুলে পৃথিবীতে বিরাজ করছিলেন সেটিকেই বোঝানো হয়েছে।
• পৃথিবীতে মানুষ চিরস্থায়ী নয়। সময় ও স্রোতের মতো কালের প্রবাহে মানুষ একসময় পৃথিবী থেকে হারিয়ে যায়। কিন্তু মানুষের মহৎ কর্মগুলো অমর হয়ে থাকে পৃথিবীর বুকে। যে ধনসম্পদ ও ব্যক্তিগত অর্জনে নিমজ্জিত হয়ে মানুষ পৃথিবীতে যাপন করে, সেই সম্পদ ও অর্জন রেখে মানুষ একসময় মহাকালের স্রোতে হারিয়ে যায়। মানুষ যা নিয়ে পৃথিবীতে সবকিছু ভুলে বিচরণ করে একসময় মানুষ কালের গর্ভে হারিয়ে যায়। মহাকালের স্রোতে জীবন-যৌবন ভেসে যায়, কিন্তু বেঁচে থাকে মানুষের সৃষ্ট সোনার ফসল তথা মহৎকর্মসমূহ। তাই কবি একথা বলেছেন।
27 ‘সোনার তরী’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত? [Dhaka · 2025]
উত্তর ‘সোনার তরী’ কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।
28 ‘চারি দিকে বাঁকা জল’- এর মাধ্যমে কবি কী বলতে চেয়েছেন?[Dhaka · 2025]
উত্তর ‘চারিদিকে বাঁকা জল’ বলতে কবি নদীর সেই জলকে বুঝিয়েছেন যা বক্র বা বাঁকানো পথে বয়ে চলে। এখানে বাঁকা জল হয়ে উঠেছে অনন্ত কালস্রোতের প্রতীক। ‘সোনার তরী’ কবিতায় উৎপন্ন সোনার ধানের সম্ভার নিয়ে কৃষক দ্বীপের মতো ছোট একটি ধানখেতে অপেক্ষারত। যার চার পাশে ঘূর্ণায়মান স্রোতের উদ্দামতা। নদীর বাঁকা জলস্রোতে বেষ্টিত ছোট খেতটুকু যেকোনো সময় বিলীন হয়ে যেতে পারে। এখানে বাঁকা জল কেবল প্রকৃতির সৌন্দর্যের প্রকাশ নয় বরং এটি জীবনের গতিময়তার দিককেও ইঙ্গিত করে। নদী যেমন বাঁকা পথে প্রবাহিত হয় তেমনই জীবনের পথও সব সময় সরল হয় না। জীবনকে নানা বাঁক ও প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে চলতে হয়।
29 ‘সোনার তরী’ কবিতায় উল্লিখিত মাঝি কীসের প্রতীক? [Chittagong · 2025]
উত্তর ‘সোনার তরী’ কবিতায় উল্লেখিত মাঝি নির্মোহ মহাকালের প্রতীক।
30 “বারেক ভিড়াও তরী কূলেতে এসে।”- পঙ্ক্তিতে যে আকুলতা প্রকাশ পেয়েছে, তা ব্যাখ্যা কর। [Chittagong · 2025]
উত্তর “বারেক ভিড়াও তরী কূলেতে এসে”- পঙ্ক্তিতে যে আকুলতা প্রকাশ পেয়েছে তা হচ্ছে চিরায়ত শিল্পলোকে কবির ঠাঁই পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা।
“বারেক ভিড়াও তরী কূলেতে এসে”- পঙ্ক্তিতে কবির অনুনয়ের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। কবি প্রার্থনা করছেন যেন জীবনযাত্রার তরি একবার তাঁর কূলের কাছে এসে ভেড়ে। এখানে কবির জীবনতরি বা যাত্রার কথা বলা হয়েছে, যেখানে কবি শেষবারের মতো জীবনের নির্ভরতা বা শান্তি খুঁজে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করছেন।
31 ‘খরপরশা’ শব্দের অর্থ কী? [Sylhet · 2025]
উত্তর ‘খরপরশা’ শব্দের অর্থ ধারালো বর্শা।
32 “সকলি দিলাম তুলে থরে-বিথরে।”- ব্যাখ্যা কর। [Sylhet · 2025]
উত্তর “সকলি দিলাম তুলে থরে-বিথরে”- কথাটি দ্বারা কৃষকের রাশি রাশি সোনার ধান সোনার তরিতে তুলে দেওয়াকে বোঝানো হয়েছে।
‘সোনার তরী’ একটি রূপক কবিতা। এই কবিতার কৃষক প্রতীকী অর্থে কবি নিজে। আর তার উৎপাদিত সোনার ধান হলো কবির কল্যাণময় কর্ম। মাঝি এখানে মহাকালের প্রতীক। কৃষক তার উৎপাদিত ধান নিয়ে দ্বীপসদৃশ ধানখেতে অপেক্ষারত। মহাকালের প্রতীক মাঝি তরি নিয়ে এলে কৃষক তার সমস্ত ফসল ওই তরিতে স্তরে স্তরে সাজিয়ে দেয়। এই বিষয়টি বোঝানোর জন্যই প্রশ্নোক্ত কথাটি বলা হয়েছে।
33 রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম কী? [Dinajpur · 2025]
উত্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম ‘বনফুল’।
34 “আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি।”- বলতে কী বোঝানো হয়েছে? [Dinajpur · 2025]
উত্তর “আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি।”- পঙ্ক্তিটির মাধ্যমে কৃষকের কর্মফল সোনার ধানে মহাকালের তরি পরিপূর্ণ হয়ে ওঠাকে বোঝানো হয়েছে।
‘সোনার তরী’ রূপক কবিতায় কৃষকরূপী শিল্পস্রষ্টা কবি তাঁর সৃষ্টিকর্ম সোনার ধান নিয়ে মহাকালরূপী তরির জন্য অপেক্ষায় থাকে। একসময় অচেনা এক মাঝি তরি বেয়ে এগিয়ে আসে। কৃষকের অনুরোধে মাঝি সেই তরিতে সোনার ধান তুলে নেয়। ধানরূপী তাঁর সমস্ত কর্মের সমারোহে তরিতে তাঁর স্থান হয় না। অর্থাৎ তরিরূপী মহাকাল শুধু ফসল অর্থাৎ মানুষের কর্মকে গ্রহণ করে, ব্যক্তিমানুষকে নয়। এ কথাটিই প্রশ্নোক্ত পঙ্ক্তিটিতে বোঝানো হয়েছে।
35 রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন গ্রন্থের জন্য ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার পান? [কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ · 2024]
উত্তর ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি প্রথম অ-ইউরোপীয় এবং প্রথম এশীয় হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী হন।
36 ‘কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা।’-কেন? [কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ · 2024]
উত্তর কুলে একা বসে আছি নাহি ভরসা কথাটি ধারা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার অমরত্বের বিষয়টি নিয়ে অনিশ্চিত থাকার বিষয়টি বুঝিয়েছেন। সোনার তরী কবিতায় কবির লেখনি গুলো পাঠকের কাছে নৌকার মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ায় সফল হয়েছেন কিন্তু পাশাপাশি তিনি তার লেখনির মাধ্যমে মানুষের মনে জায়গা করে নিতে চেয়েছিলেন। এজন্য তিনি অপেক্ষা করছিলেন যে মানুষ সে মাঝে সে যেতে পারবে কিনা এটা নিয়ে তিনি ভরসা পাননি এজন্য উক্তিটি করেছেন।
37 বাংলা কবিতার ইতিহাসে ‘সোনার তরী’ তেমনি আশ্চর্যসুন্দর এক কী কবিতা? [ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রংপুর · 2024]
উত্তর চিরায়ত আবেদনবাহী।
38 ‘একখানি ছোট খেত, আমি একেলা।’ উক্তিটি বুঝিয়ে লেখ। [ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রংপুর · 2024]
উত্তর আক্ষরিক অর্থ— কৃষক মাঝির নৌকায় সকল সোনার ধান তুলে দিয়ে দেখল, তার আর সেখানে স্থান সংকুলান হচ্ছে না! আলঙ্কারিক অর্থ— মহাকালের পরিপ্রেক্ষিতে এই সংসারে আমাদের সকল কৃতকর্ম ঈশ্বর (বিচারের জন্য) গ্রহণ করেন, কিন্তু আমাদের এই নশ্বর পঞ্চ ভৌতিক দেহের (ধ্বংস অবশ্যম্ভাবী) সেখানে ঠাঁই হয় না!
39 সোনার তরী’ কবিতায় উল্লেখিত মাঝি কীসের প্রতীক? [আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল · 2024]
উত্তর মহাকাল
40 এখন আমারে লহো করুণা করে-কথাটির তাৎপর্য কী? [আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল · 2024]
উত্তর এখন আমারে লহ করুণা করে কথাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ফসল বা সৃষ্টির স্রষ্টা নৌকায় স্থান পাওয়ার কথা বলেছেন। এখানে নৌকা হচ্ছে মহাকালের নৌকা । ফসল বা সৃষ্টির সম্ভার তুলনা হয়েছে নৌকায়। এখন ফসল বা সৃষ্টির স্রষ্টা স্থান পেতে চায় ওই মহাকালের নৌকায় অর্থাৎ লেখক তার লেখনি মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন এখন তিনি মানুষের হৃদয়ে পেতে চান।
41 ছোটো তরী কীসে ভরে গিয়েছে? [রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024]
উত্তর ধানে।
42 ‘চারিদিকে বাঁকা জল করিছে খেলা’ ব্যাখ্যা কর। [রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024]
উত্তর ‘সোনার তরী’ কবিতায় ‘চারিদিকে বাঁকা জল’ চরণাংশে আপাতদৃষ্টিতে বর্ষার দুর্যোগময় পরিবেশের অন্তরালে অনন্ত কালস্রোেতকে বোঝানো হয়েছে। ‘সোনার তরী’ কবিতায় আমরা দেখতে পাই, চারপাশের প্রবল স্রোতের মধ্যে জেগে থাকা দ্বীপের মতো ছোটো একটি ধানক্ষেতে সোনার ধান নিয়ে অপেক্ষারত নিঃসঙ্গ কৃষক। আকাশের ঘন মেঘ আর ভারী বর্ষণে পাশের নদীটি হয়ে উঠেছে হিংস্র। চারপাশে ঘূর্ণায়মান বাঁকা জল কৃষকের মনে সৃষ্টি করেছে ঘনঘোর আশঙ্কা। কবিতাটিতে আপাত চিত্রের অন্তরালে বর্ণিত দার্শনিক প্রতীক হিসেবে দাড়িয়ে আছে।
43 শ্রাবণগগন ঘিরে কী ঘুরে? [হলিক্রস কলেজ · 2024]
উত্তর শ্রাবণগগন ঘিরে ঘন মেঘ ঘুরে ফেরে।
44 ‘আর আছে— আর নাই, দিয়েছি ভরে।।’— অন্তর্নিহিত কারণ ব্যাখ্যা করো। [হলিক্রস কলেজ · 2024]
উত্তর প্রশ্নোক্ত পক্তিটি দ্বারা বোঝানো হয়েছে যে, ছোটো জমিতে উৎপন্ন ফসলের সবটাই অর্থাৎ কবির সমগ্র সৃষ্টি তুলে দেওয়া হয়েছে মহাকালের স্রোতে ভেসে আসা সোনার তরী রূপী চিরায়ত শিল্পলোকে মহাকাল মানুষের কর্মফলকে ধারণ করে, ব্যক্তিমানুষ সেখানে স্থান পায় না আর তাই মহাকালরূপী মাঝি কৃষকের উৎপাদিত সমস্ত ফসল নিয়ে যায়, কিন্তু কৃষককে গ্রহণ করে না। মহাকালের স্রোতে ভেসে আসা সোনার তরী কৃষকের ছোটো জমিতে উৎপন্ন সব ফসল তরীতে সাজিয়ে নিয়ে যায়। আর কৃষকও যা ছিল সব দিয়ে দেয় মাঝিরূপী মহাকালকে। প্রশ্নোক্ত পক্তিটিতে এই সত্যতাই ফুটে উঠেছে।
45 ‘সোনার তরী’ কবিতার অধিকাংশ পক্তি কত মাত্রার পূর্ণ পর্বে বিন্যস্ত?[ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ · 2024]
উত্তর ‘সোনার তরী’ কবিতার অধিকাংশ পক্তি ৮ + ৫ মাত্রার পূর্ণ পর্বে বিন্যস্ত ।
46 “চারিদিকে বাঁকা জল করিছে খেলা” – চরণটির তাৎপর্য কী? [ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ · 2024]
উত্তর “চারিদিকে বাঁকা জল করিছে খেলা” – চরণটিতে প্রকৃতিতে সৃষ্টি হওয়া সংকটের ইঙ্গিত রয়েছে।
একটি ধানক্ষেত। দ্বীসদৃশ ক্ষেতটিকে ঘিরে ক্ষুরধার বর্ষায় নদীস্রোত হিংস্র হয়ে উঠেছে। চারদিকে বাকা জলের ঘূর্ণায়মান স্রোতের উদ্দাম আর তীব্রতা দেখে একাকী কৃষক ভীত। মনে হচ্ছে স্রোতের সংঘাতে ছোট ক্ষেতটি মুহূর্তেই বিলীন হয়ে যাবে। বস্তুত এখানে নদীর বাকা জলস্রোতে পরিবেষ্টিত ছোট জমিটুকুর আশু বিলীয়মান হওয়ার ইঙ্গিত রয়েছে। ‘সোনার তরী’ কবিতায় ব্যবহৃত এই বাকা জল অনন্ত কালস্রোতের প্রতীক।
47 বাংলা কত তারিখে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জন্মগ্রহণ করেন? [সিলেট এমসি কলেজ · 2024]
উত্তর বাংলা ২৫ বৈশাখে (১২৬৮) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জন্মগ্রহণ করেন ।
48 বাঁকাজল’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে? [সিলেট এমসি কলেজ · 2024]
উত্তর সোনার তরী’ কবিতায় ‘বাঁকা জল’ বলতে অনন্ত কালস্রোতকে বোঝানো হয়েছে। • ‘সোনার তরী’ একটি রূপক কবিতা। এখানে কৃষক প্রতীকী অর্থে কবি নিজে, মাঝি মহাকালের প্রতীক, সোনার ধান ব্যক্তিমানুষের কর্মের প্রতীক। কবিতায় সাধারণ অর্থে ‘বাঁকা জল’ ঘূর্ণায়মান স্রোতের উদ্দামতা নির্দেশ করেছে, যা দ্বীপসদৃশ ধানখেতের চারপাশে খেলা করছে। কিন্তু অন্তর্নিহিত ভাবনায় ‘বাঁকা জল’ মূলত কালস্রোতের প্রতীক ।
49 সোনার তরী’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত? [Dinajpur · 2024]
উত্তর ‘সোনার তরী’ কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।
50 “চারদিকে বাঁকা জল করিছে খেলা।”- ব্যাখ্যা কর। [Dinajpur · 2024]
উত্তর ‘সোনার তরী’ কবিতায় “চারদিকে বাঁকা জল করিছে খেলা” বলতে অনন্ত কালস্রোতের অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে।
‘সোনার তরী’ একটি রূপক কবিতা। এখানে কৃষক প্রতীকী অর্থে কবি নিজে, মাঝি মহাকালের প্রতীক, সোনার ধান ব্যক্তিমানুষের কর্মের প্রতীক। কবিতায় সাধারণ অর্থে ‘বাঁকা জল’ ঘূর্ণায়মান স্রোতের উদ্দামতা নির্দেশ করেছে, যা দ্বীপসদৃশ ধানখেতের চারপাশে খেলা করছে। কিন্তু অন্তর্নিহিত ভাবনায় “চারদিকে বাঁকা জল করিছে খেলা” বলতে মূলত কালস্রোতের অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে।
51 রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা? [Dhaka · 2023]
উত্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় এর প্রতিষ্ঠাতা।
52 “কুলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা” – কবির এমন অনুভূতির কারণ কী? [Dhaka · 2023]
উত্তর এ জগতে মানুষ মূলত একা। জগৎসংসারে সকল কর্ম ও সম্পদের মোহে অন্ধ হয়ে মানুষ বিভোর হয়ে থাকে। কিন্তু মানুষ মূলত মহাকালের দিকে ধাবমান। মৃত্যুর অমোঘ নিয়তি মানুষকে বরণ করে নিতেই হবে। এ থেকে পরিত্রাণের কোন উপায় নেই। অর্জিত সমস্ত সম্পদ নিয়ে মানুষকে প্রস্তুত থাকতে হয় মিলিয়ে যাবার। তাই তার কোন নির্ভরযোগ্য সময় থাকে না। ‘কুলে একা বসে আছি নাহি ভরসা’ – বলতে এটাই বোঝানো হয়েছে।
53 ‘সোনার তরী’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত? [Jessore · 2023]
উত্তর ‘সোনার তরী’ কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।
54 “আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি ” – বলতে কী বুঝানো হয়েছে? [Jessore · 2023]
উত্তর প্রশ্নোক্ত উদ্ভিটির মধ্য দিয়ে কৃষকের কর্মফল সোনার ধানে মহাকালের তরী পরিপূর্ণ হওয়ার কথা বলা হয়েছে। ‘সোনার তরী’ একটি রূপক কবিতা। এ কবিতায় কৃষকরূপী শিল্পস্রষ্টা কবি তাঁর সৃষ্টিকর্ম সোনার ধান নিয়ে মহাকালরূপী তরীর প্রতীক্ষায় ছিলেন । তরী আসার পর ধানরূপী তাঁর সমস্ত কর্ম সেখানে তুলে দেন। এ সময় তিনি উপলব্ধি করেন তাঁরই কর্মের ভারে পূর্ণ তরীতে তাঁকে নিয়ে যাওয়ার মতো স্থান অবশিষ্ট নেই। অর্থাৎ তরীরূপী মহাকাল শুধু ফসল অর্থাৎ মানুষের কর্মকেই গ্রহণ করবে, ব্যক্তি মানুষকে নয়। প্রশ্নোক্ত উক্তিটির মধ্য দিয়ে এ বিষয়টিই তাৎপর্যময় হয়ে উঠেছে।
55 ‘সোনার ধান’ কীসের প্রতীক? [Mymensingh · 2023]
উত্তর ‘সোনার তরী’ কবিতায় সোনার ধান হলো ব্যক্তিমানুষের কর্মের প্রতীক
56 সোনার তরী’ কবিতায় করিব যে জীবনদর্শনের ইঙ্গিত করা হয়েছে তা আলোচনা কর । [Mymensingh · 2023]
উত্তর ‘সোনার তরী’ কবিতায় কবির যে জীবনদর্শনের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে তা হলো- মহাকালের স্রোতে মানুষ ভেসে যায়, মানুষের সৃষ্টি টিকে থাকে । ‘সোনার তরী’ কবিতায় একটি জীবনদর্শন অন্তলীন হয়ে আছে। তা হলো মহাকাল ব্যক্তির কর্মকে গ্রহণ করলেও ব্যক্তিকে গ্রহণ করে না এ কবিতায় চারপাশের প্রবল স্রোতের মধ্যে সোনার ধান নিয়ে অপেক্ষায় থাকা এক কৃষক মাঝিকে নৌকা ভিড়িয়ে তার সোনার ধান তুলে নিতে মিনতি করে। মাঝি ঐ ধান নৌকায় তুলে নিয়ে চলে যায়। ছোট নৌকায় কৃষকের স্থান হয় না। কৃষক শূন্য নদীর তীরে মহাকাল ব্যক্তির কর্মকেই গ্রহণ করে, ব্যক্তিকে নয়।
57 চারিদিকে বাঁকা জল কী করছে? [Rajshahi · 2023] উত্তর চারিদিকে বাঁকা জল খেলা করছে।
58 “ যাহা ছিল নিয়ে গেল সোনার তরী”—ব্যাখ্যা কর । [Rajshahi · 2023]
উত্তর আলোচ্য কথাটির মাধ্যমে কবি মহাকালের বুকে মানুষের ঠাঁই হয় না, কেবল তার সৃষ্টিকর্মকেই মহাকাল গ্রহণ করে_ একথা বুঝিয়েছেন।’সোনার তরী’ কবিতায় কবি এক গভীর জীবনদর্শন ব্যক্ত করেছেন। এ কবিতায় সোনার তরী মূলত মহাকাল বা প্রবহমান সময় আর সোনার ধান মূলত সৃষ্টিকর্ম। সোনার তরীতে ঠাঁই পায় সোনার ধান কিন্তু স্রষ্টার ঠাঁই হয় না সেই তরীতে। ব্যক্তির মহৎ কর্মকে মহাকাল গ্রহণ করে, ফলে ব্যক্তি হতাশা নিয়ে জীবন তীরে দাঁড়িয়ে থাকে।
59 কত বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়? [Sylhet · 2023]
উত্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয় পনের বছর বয়সে।
60 “ সকলি দিলাম তুলে থরে বিথরে”-ব্যাখ্যা কর। [Sylhet · 2023]
উত্তর এখানে কৃষকরূপী শিল্পীর সারা জীবনের সমস্ত শিল্পকর্ম মহাকালের জন্য রেখে যাওয়ার কথা তুলে ধরা হয়েছে।
61 ‘সোনার তরী’ কবিতায় কোন ঋতুর কথা বলা হয়েছে? [Dinajpur · 2023]
উত্তর ‘সোনার তরী’ কবিতায় বর্ষা ঋতুর কথা বলা হয়েছে।
62 ‘দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে।’—চরণটি বুঝিয়ে লেখ। [Dinajpur · 2023]
উত্তর সোনার তরী কবিতায় যখন মাঝি তার ফসল নিয়ে নদীর বাঁকা জলস্রোতে দাঁড়িয়ে ছিল, এমন সময় হঠাৎ গান গেয়ে তরী বেয়ে তার দিকে কেউ একজন এগিয়ে আসে। অপ্রত্যাশিত সেই মাঝি হিংস্র জলস্রোত অবলীলায় পাড়ি দিয়ে ছোট নৌকা বেয়ে এগিয়ে আসে। ভরাপালে সে তরী বেয়ে চলে। কোনো দিকে ফিরে তাকায় না। তার নৌকার দু’ধারে ঢেউগুলি নিরুপায় ভেঙে পড়ছে। তাকে দেখে নিঃসঙ্গ কৃষক আসার আনন্দে উদ্বেলিত হয়ে ওঠে, তার মনে হয় মাঝিটি যেন তার চেনা। কিন্তু কাছে এসে মাঝি থামে না, নির্বিকারভাবে সে অজানা দেশের দিকে চলে যেতে থাকে। আলোচ্য লাইনটি দিয়ে মাঝির অসহায়ত্ব প্রকাশ করা হয়েছে।
63 ‘সোনার তরী’ কবিতায় কোন মাসের উল্লেখ রয়েছে? [Chittagong · 2023]
উত্তর ‘সোনার তরী’ কবিতায় শ্রাবণ মাসের উল্লেখ রয়েছে।
64 ‘চারিদিকে বাঁকা জল করিছে খেলা।’- ব্যাখ্যা করো। [Chittagong · 2023]
উত্তর ‘চারি দিকে বাঁকা জল করিছে খেলা।’- চরণটির মধ্য দিয়ে বর্ষার জলস্রোতবেষ্টিত ছোটো জমিটুকুর বিলীন হওয়ার আশঙ্কাজনক পরিস্থিতি ব্যক্ত হয়েছে।
‘সোনার তরী’ কবিতায় কবি নানা রূপক এবং দৃশ্যের অবতারণা ঘটিয়েছেন। উদ্ধৃত অংশের মধ্য দিয়ে তেমনই অসাধারণ একটি দৃশ্যকল্প তৈরি হয়েছে। কবিতায় ধানখেতটি ছোটো দ্বীপের মতো কল্পিত। তার চারপাশে ঘূর্ণায়মান স্রোতের উদ্দামতা নদীর ‘বাঁকা জলস্রোত’ পরিবেষ্টিত ছোট্ট জমিটুকুর আশু বিলীন হওয়ার ইঙ্গিত রয়েছে এ অংশে। এখানে বাঁকা জল কালস্রোতের প্রতীক।
65 রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম কী? [Dhaka · 2022]
উত্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম ‘বনফুল’।
66 “ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই ছোট সে তরী” বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা কর। [Dhaka · 2022]
উত্তর প্রশ্নোক্ত চরণটিতে মহাকালের প্রতীক সোনার তরীতে মানুষের কর্মের স্থান হলেও সেখানে ব্যক্তিমানুষের যে স্থান হয় না, সে বিষয়টিই ফুটে উঠেছে।
ব্যক্তিমানুষের মৃত্যু অনিবার্য; তাকে রোধ করা সম্ভব নয়। কিন্তু ব্যক্তির কর্মফল বা অর্জনকে মৃত্যু স্পর্শ করতে পারে না। আর তাই সোনার তরীতে কেবল কৃষকের সোনার ধানই ঠাঁই পায়, কিন্তু ব্যক্তিকৃষককে অপূর্ণতার বেদনা নিয়ে অপেক্ষা করতে হয় অনিবার্যভাবে মহাকালের স্রোতে বিলীন হওয়ার জন্য। মানুষ তার কর্মকে রেখে যায়, মানুষের স্থান হয় না এ নশ্বর পৃথিবীতে। প্রশ্নোক্ত চরণটিতে ঠাঁই নাই কথাটির মাধ্যমে জীবনের এই অমোঘ সত্যটিকেই তুলে ধরা হয়েছে।
67 ‘সোনার তরী’ কবিতায় কবি ক্ষণিক হেসে কী নিয়ে যেতে বলেছেন? [Mymensingh · 2022]
উত্তর ‘সোনার তরী’ কবিতায় কবি ক্ষণিক হেসে সোনার ধান নিয়ে যেতে বলেছেন।
68 ‘ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই-ছোটো সে তরী আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি’- ব্যাখ্যা কর। [Mymensingh · 2022]
উত্তর ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই, ছোট সে তরী” বলতে মহাকালরূপী ছোট সোনার তরণিতে সোনার ফসলরূপী মহৎ সৃষ্টিকর্মের স্থান হওয়া এবং ব্যক্তিসত্তার স্থান বা ঠাঁই না হওয়া বোঝানো হয়েছে । ব্যক্তি মানুষের মৃত্যুঅনিবার্য, তাকে রোধ করা সম্ভব নয়। কিন্তু কর্মফল বা অর্জনকে মৃত্যু স্পর্শ করতে পারেনা। আর তাই সোনার তরীতে কেবল কৃষকের সোনার ধান ঠাঁই পায়, কিন্তু ব্যক্তিকৃষককে অপূর্ণতার বেদনা নিয়ে অপেক্ষা করতে হয় অনিবার্যভাবে মহাকালের স্রোতে বিলীন হওয়ার জন্য।মানুষ তার কর্মকে রেখে যায়, মানুষের স্থান হয় না এ নশ্বর পৃথিবীতে।প্রশ্নোক্ত চরণটিতে ঠাই নাই কথাটির মাধ্যমে এই অমেঘ সত্যটিকেই তুলে ধরা হয়েছ।
69 ‘সোনার তরী’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত? [Rajshahi · 2022]
উত্তর ‘সোনার তরী’ কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।
70 ‘ভরা নদী ক্ষুরধারা’ বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন? [Rajshahi · 2022]
উত্তর ভরা নদী ক্ষুরধারা’ বলতে কবি ঝঞ্ঝা-বিক্ষুব্ধ পরিবেশকেই বুঝিয়েছেন। ‘ক্ষুরধারা’ হলো ক্ষুরের মতো ধারালো যে প্রবাহ বা স্রোত। ‘সোনার তরী’ কবিতায় ভরা বর্ষায় নদীর আগ্রাসী স্রোতকে কবি ক্ষুরধারা বলেছেন । এই ঘূর্ণায়মান স্রোত ছোটো ধানখেতটির চারপাশে ভয়ংকররূপে বিরাজমান বস্তুত, পৃথিবীতে মানুষকে নানা প্রতিকূলতার মধ্যে কাজ করে যেতে হয় আলোচ্য কবিতাটিতে প্রশ্নোক্ত কথাটি দ্বারা কবি সেই সব প্রতিকূলতাকেই বুঝিয়েছেন ।
71 রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘বনফুল’ প্রকাশিত হয় কত সালে? [Dinajpur · 2022]
উত্তর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘বনফুল’ প্রকাশিত হয় ১৮৮০ সালে।
72 “চারিদিকে বাঁকা জল করিছে খেলা।”-এখানে ‘বাঁকা জল’ দ্বারা কী বুঝানো হয়েছে? [Dinajpur · 2022]
উত্তর ‘চারিদিকে বাঁকা জল করিছে খেলা’- চরণটির মধ্য দিয়ে বর্ষার জলস্রোতবেষ্টিত ছোটো জমিটুকুর বিলীন হওয়ার আশঙ্কাজনক পরিস্থিতি ব্যক্ত হয়েছে।
‘সোনার তরী’ কবিতায় কবি নানা রূপক এবং দৃশ্যের অবতারণা ঘটিয়েছেন । উদ্ধৃত অংশের মধ্য দিয়ে তেমনই অসাধারণ একটি দৃশ্যকল্প তৈরি হয়েছে । কবিতায় ধানখেতটি ছোটো দ্বীপের মতো কল্পিত। তার চারপাশে ঘূর্ণায়মান স্রোতের উদ্দামতা। নদীর ‘বাঁকা জলস্রোত’ পরিবেষ্টিত ছোট্ট জমিটুকুর আশু বিলীন হওয়ার ইঙ্গিত রয়েছে এ অংশে । এখানে বাঁকা জল কালস্রোতের প্রতীক।
73‘সোনার তরী’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত? [Sylhet · 2022]
উত্তর ‘সোনার তরী’ কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।
74 “চারি দিকে বাঁকা জল”- চরণটিতে কিসের ইঙ্গিত রয়েছে? ব্যাখ্যা কর। [Sylhet · 2022]
উত্তর ‘চারিদিকে বাঁকা জল করিছে খেলা’- চরণটির মধ্য দিয়ে বর্ষার জলস্রোতবেষ্টিত ছোটো জমিটুকুর বিলীন হওয়ার আশঙ্কাজনক পরিস্থিতি ব্যক্ত হয়েছে। ‘সোনার তরী’ কবিতায় কবি নানা রূপক এবং দৃশ্যের অবতারণা ঘটিয়েছেন । উদ্ধৃত অংশের মধ্য দিয়ে তেমনই অসাধারণ একটি দৃশ্যকল্প তৈরি হয়েছে । কবিতায় ধানখেতটি ছোটো দ্বীপের মতো কল্পিত। তার চারপাশে ঘূর্ণায়মান স্রোতের উদ্দামতা। নদীর ‘বাঁকা জলস্রোত’ পরিবেষ্টিত ছোট্ট জমিটুকুর আশু বিলীন হওয়ার ইঙ্গিত রয়েছে এ অংশে । এখানে বাঁকা জল কালস্রোতের প্রতীক।
75 ‘আমি একেলা’- এখানে ‘আমি’ কে? [Barisal · 2022]
উত্তর ‘আমি একেলা’- এখানে ‘আমি’ হলো কৃষক কিংবা শিল্পস্রষ্টা কৰি।
76 “ভরা নদী ক্ষুরধারা খরপরশা”- বাক্যটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে? বর্ণনা কর। [Barisal · 2022]
উত্তর ভরা নদী ক্ষুরধারা খরপরশা’ বলতে কবি বুঝিয়েছেন বর্ষার ভরা নদীতে বয়ে চলা স্রোত ক্ষুর ও বর্শার মতোই ধারালো।
বর্ষাকালে নদীর স্রোত ভয়ংকর রূপ ধারণ করে। ‘সোনার তরী’ কবিতায় ভরা বর্ষায় নদীর আগ্রাসী এই স্রোতকে কবি ক্ষুরধারা খরপরশা বলেছেন। এই ঘূর্ণায়মান স্রোত ছোটো ধানখেতটির চারপাশে ভয়ংকররূপে বিরাজমান।।আলোচ্য বাক্যটি দ্বারা কবি সেই সব প্রাকৃতিক প্রতিকূলতাকেই বুঝিয়েছেন ।
77 ‘সোনার তরী’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত? [Chittagong · 2022]
উত্তর ‘সোনার তরী’ কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত ।
78 ‘শূন্য নদীর তীরে রহিনু পড়ি।’- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর। [Chittagong · 2022]
উত্তর প্রশ্নোক্ত চরণটির মধ্য দিয়ে মহাকালের কাছে ব্যক্তিমানুষের চিরন্তন অসহায়ত্বের দিকটি উন্মোচিত হয়েছে। আলোচ্য কবিতায় কবি এক নিঃসঙ্গ কৃষকের রূপকে জীবনের এক গভীর সত্যকে তুলে ধরেছেন। মহাকাল কৃষকের কর্মফলের প্রতীক সোনার ধানকে গ্রহণ করলেও তাঁকে গ্রহণ করে না। ফলে অপূর্ণতার বেদনা নিয়ে তাঁকে অপেক্ষা করতে হয় মহাকালের শূন্যতায় বিলীন হওয়ার জন্য । প্রশ্নোক্ত চরণটিতে শূন্য নদীর তীরে কৃষকের পড়ে থাকার চিত্র উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে কবি এ বিষয়টিকেই উপস্থাপন করেছেন।
