01 মর্ত্যবাসীর পক্ষে কোথায় গমন করাটা নিন্দনীয়?[রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ · 2026]
উত্তর মর্ত্যবাসীর পক্ষে রসাতলে গমন করাটা নিন্দনীয়।
02 ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধে লেখকদের যথার্থ সামাজিক জীব বলা হয়েছে কেন?[রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ · 2026]
উত্তর বিশ্বমানবের মনের সঙ্গে নিত্যনতুন সম্পর্ক পাতানোই কবিমনের নিত্যনৈমিত্তিক কর্ম হওয়ায় লেখকেরা যথার্থ সামাজিক জীব।
লেখকদের কোনো কথাই গোপন থাকে না। তাদের একান্ত গোপন কথাটিও গীতিকবিতায় স্থান পায়। বিশ্বমানবের মনের সঙ্গে নিত্যনতুন যোগসূত্র স্থাপন করাই লেখকদের কাজ। এজন্য তারা দশের কাছে হাততালি প্রত্যাশা করেন, না পেলে মনঃক্ষুণ্ণ হন। তাই ‘সাহিত্যের খেলা’র প্রবন্ধে লেখকদের যথাযথ সামাজিক জীব বলা হয়েছে।
03 স্কুলঘরে আমরা কাব্যের কী দেখতে পাই না?[ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, চট্টগ্রাম · 2026]
উত্তর স্কুলঘরে আমরা কাব্যের রূপ দেখতে পাই না।
04 মানুষের দেহমনের সকল প্রকার ক্রিয়ার মধ্যে ক্রীড়া কেন শ্রেষ্ঠ? বুঝিয়ে লেখো।[ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, চট্টগ্রাম · 2026]
উত্তর মানুষের দেহমনের সকল প্রকার ক্রিয়ার মধ্যে ক্রীড়া শ্রেষ্ঠ কারণ এটি সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যহীন ও আনন্দদানের জন্যই সংঘটিত হয়।
‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধে লেখক বলেছেন, খেলা শুধু আনন্দ দেয়, যা শ্রেণি বা ‘ভেদাভেদ ছাড়াই সবার জন্য সমান। এটি মানুষের মন ও দেহকে সতেজ রাখে এবং জীবনের চাপ থেকে মুক্তি দেয়। খেলায় কোনো স্বার্থ বা উপকারের আকাঙ্ক্ষা নেই, যা একে অন্য সব কার্যকলাপ থেকে আলাদা করে এবং শ্রেষ্ঠত্ব প্রদান করে।
05 গীতিকবিতা’ কী?[ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ · 2026]
উত্তর ‘গীতিকবিতা’ হলো আত্মভাবপ্রধান কবিতাবিশেষ।
06 “বৈশ্য লেখকের পক্ষেই শূদ্র পাঠকের মনোরঞ্জন করা সংগত।”-কেন? ব্যাখ্যা করো।[ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ · 2026]
উত্তর আলোচ্য উক্তিটির মধ্য দিয়ে বোঝানো হয়েছে যে, নিম্নশ্রেণির লেখকের পক্ষেই নিম্নশ্রেণির পাঠকের মনোরঞ্জন করা সম্ভব।
সাহিত্যের উদ্দেশ্য কারও মনোরঞ্জন করা নয়। কারও মনোরঞ্জনের উদ্দেশ্যে রচিত সাহিত্য প্রকৃত সাহিত্য হতে পারে না। কোনো উচ্চশ্রেণির লেখক কারও মনোরঞ্জনের উদ্দেশ্যে সাহিত্য সৃষ্টি করেন না। যারা নিম্নমানের লেখক তারাই কেবল নিম্নশ্রেণির পাঠকের মনোরঞ্জন করে জনপ্রিয় হতে চায়। আলোচ্য উক্তিটির মাধ্যমে লেখক দশের মনোরঞ্জনকারী সাহিত্যিকদের নিম্নশ্রেণির সাহিত্যিক হিসেবে উপস্থাপন করেছেন।
07 প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম কী?[ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2026]
উত্তর প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম বীরবল।
08 “সাহিত্যের উদ্দেশ্য আনন্দদান করা, শিক্ষা দান করা নয়।”-ব্যাখ্যা করো।[ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2026]
উত্তর “সাহিত্যের উদ্দেশ্য আনন্দদান করা, শিক্ষা দান করা নয়।” উক্তিটি দ্বারা লেখক সাহিত্যের মূল উদ্দেশ্য নির্দেশ করেছেন।
‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধে লেখক দেখিয়েছেন যে, ভারতীয় সাহিত্যের আদি কবি বাল্মীকি রামায়ণ রচনা করেছিলেন, আদিতে মুনি-ঋষিদের জন্য অথচ জনসাধারণ আজও তার শ্রবণে-পঠনে আনন্দ উপভোগ করে। তার একমাত্র কারণ সেই ‘রামায়ণ’ কাব্য হিসেবে অমর এবং আনন্দের ধর্মই তাই যে তা সংক্রামক। একথা বলা বাহুল্য যে, বড়ো বড়ো মুনি-ঋষিদের কিঞ্চিৎ শিক্ষা দেওয়ার উদ্দেশ্য বাল্মীকির ছিল না। তার প্রমাণও ‘রামায়ণ’ শ্রবণকারী মুনি-ঋষিদের আনন্দে আত্মহারা হওয়ার মাধ্যমে পাওয়া যায়। লেখক এজন্যই বলেছেন, সাহিত্যের উদ্দেশ্য আনন্দদান করা, শিক্ষাদান করা নয়।
09 রোঁদ্যা কে?[সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ, চট্টগ্রাম · 2026]
উত্তর রোঁদ্যা একজন বিশ্ববিখ্যাত ফরাসি ভাস্কর।
10 “কাব্যজগতে যার নাম আনন্দ, তারই নাম বেদনা।”- ব্যাখ্যা করো।[সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ, চট্টগ্রাম · 2026]
উত্তর “কাব্যজগতে যার নাম আনন্দ, তারই নাম বেদনা”- কারণ গভীর অনুভূতির তীব্রতা পাঠককে আনন্দ দিলেও তা প্রায়শই বেদনাবোধ জাগিয়ে তোলে।
সাহিত্য রচিত হয় সাহিত্যিকের নিজের মনের আনন্দ থেকে এবং এই আনন্দ পাঠকমনেও সঞ্চারিত হয়। কিন্তু পাঠক সমাজের কাছে নির্দিষ্ট সাহিত্যকর্মের কদর দীর্ঘদিন যাবৎ থাকে না। কেননা পাঠকসমাজের মনে আনন্দ লাভের পরই বেদনাবোধ সঞ্চারিত হয়, যা মানুষের স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্য। তবে প্রাবন্ধিকের মতে, এতে সাহিত্যকদের ঘাবড়ানোর কোনো কারণ নেই। কেননা আনন্দ ও বেদনা একে অপরেরই পরিপূরক।
11 লেখকেরা কার কাছে হাততালির প্রত্যাশা রাখেন?[আনন্দ মোহন কলেজ, ময়মনসিংহ · 2026]
উত্তর লেখকেরা দশের কাছে হাততালির প্রত্যাশা রাখেন।
12 “সাহিত্যের উদ্দেশ্য সকলকে আনন্দ দেওয়া, কারও মনোরঞ্জন করা নয়।”- ব্যাখ্যা করো।[আনন্দ মোহন কলেজ, ময়মনসিংহ · 2026]
উত্তর “সাহিত্যের উদ্দেশ্য সকলকে আনন্দ দেওয়া, কারও মনোরঞ্জন করা নয়”- সাহিত্যের স্বরূপ বোঝানোর জন্য প্রাবন্ধিক প্রশ্নোক্ত উক্তিটি করেছেন।
এ পৃথিবীতে খেলার ময়দানই একমাত্র জায়গা, যেখানে ব্রাহ্মণ-শূদ্রের প্রভেদ নেই। অনুরূপভাবে সাহিত্যও এমন একটি ক্ষেত্র, যা চর্চার ক্ষেত্রে তেমন কোনো বাধা নেই। তবে তা যদি সমাজের নির্দিষ্ট কোনো শ্রেণির মনোরঞ্জনের উদ্দেশ্যে লিখিত হয়, তখন সাহিত্য হয়ে পড়ে স্বধর্মচ্যুত। কেননা একটি নির্দিষ্ট শ্রেণির কাছে একই রকম সাহিত্যের কদর দীর্ঘদিনব্যাপী থাকে না। তাছাড়া সাহিত্যের মুখ্য উদ্দেশ্যই হচ্ছে মানুষের মনকে জাগানো। মূলত প্রাবন্ধিক সাহিত্যের স্বরূপ বোঝানোর জন্য প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটির অবতারণা করেছেন।
13 ‘রামায়ণ’ কে রচনা করেছেন?
উত্তর ‘রামায়ণ’ বিখ্যাত ঋষি ও কবি বাল্মীকি রচনা করেছেন।
14 ‘অতি সস্তা খেলনা’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর ➤ পাঠকের মনস্কৃষ্টির জন্য যে সাহিত্য রচিত হয় ‘অতি সস্তা খেলনা’ বলতে তা-ই বোঝানো হয়েছে।
➤ বর্তমান যুগে পাঠক হচ্ছে জনসাধারণ, তাই তাদের মনোরঞ্জনের জন্য খেলনা গড়তে হবে, তা না হলে রাজারে কাটবে না। কিন্তু খেলনা গড়ে পাঠকের মনস্কৃষ্টি হলেও লেখকের মনস্কৃষ্টি হতে পারে না। কারণ পাঠকসমাজ যে খেলনা আজ আদর করে, কাল তা ভেঙে ফেলে। এজন্য শুধু পাঠকের মনোরঞ্জনের জন্য সৃষ্ট/রচিত সাহিত্যকে ‘অতি সস্তা খেলনা’ বলা হয়েছে।
সারকথা: শুধু পাঠকের মনোরঞ্জনের জন্য সৃষ্ট/রচিত সাহিত্যকে ‘অতি সস্তা খেলনা’ বলা হয়েছে।
15 রোদ্যার একটি শ্রেষ্ঠ ভাস্কর্যের নাম লেখ।
উত্তর রোদ্যার একটি শ্রেষ্ঠ ভাস্কর্যের নাম ‘নরকের দুয়ার’।
16 ‘মানুষের দেহমনের সকল প্রকার ক্রিয়ার মধ্যে ক্রীড়া শ্রেষ্ঠ।’- কেন? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর ➤ ক্রীড়া উদ্দেশ্যহীন বলে মানুষের দেহ-মনের সকল প্রকার ক্রিয়ার মধ্যে ক্রীড়া শ্রেষ্ঠ।
➤ ক্রীড়া হচ্ছে সম্পূর্ণ আনন্দের ব্যাপার। মানুষ যখন খেলা করে, তখন সে একমাত্র আনন্দ ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্য বা ফলের আকাঙ্ক্ষা রাখে না। যে খেলার মধ্যে আনন্দ নেই কিন্তু উপরি কোনো আশা আছে, সেটাকে লেখক খেলা নয়, জুয়াখেলা বলেছেন। যেহেতু খেলার আনন্দ নিরর্থক অর্থগত নয়, সেই কারণে সেটা কারও নিজস্ব হতে পারে না। এই আনন্দে সবার সমান অধিকার।
সারকথা: খেলা উদ্দেশ্যহীন বলে মানুষের দেহ-মনের সকল ক্রিয়ার মধ্যে ক্রীড়া শ্রেষ্ঠ। মানুষ যখন। খেলা করে, তখন সে একমাত্র আনন্দ ছাড়া অন্য কোনো ফলের আশা রাখে না।
17 এ পৃথিবীতে ব্রাহ্মণশূদ্রের প্রভেদ নেই কোথায়?
উত্তর এ পৃথিবীতে ব্রাহ্মণশূদ্রের প্রভেদ নেই খেলার ময়দানে।
18 “যে খেলার ভিতর আনন্দ নেই কিন্তু উপরি পাওনার আশা আছে, তার নাম খেলা নয়, জুয়াখেলা।”- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর ➤ “যে খেলার ভিতর আনন্দ নেই কিন্তু উপরি পাওনার আশা আছে, তার নাম খেলা নয়, জুয়াখেলা।”- এ কথা বলতে বৈষয়িক উদ্দেশ্য সাধনে রচিত সাহিত্যকে বোঝানো হয়েছে।
➤ খেলাধুলা ও সাহিত্য দুটোরই আনন্দ ভিন্ন অন্য কোনো উদ্দেশ্য নেই। তবে খেলার মধ্যে অনেকের কাছে অর্থলাভের চিন্তা প্রধান হয়ে দাঁড়ায়। তখন সেটাকে আর খেলা বলা হয় না, বলা হয় জুয়াখেলা। সাহিত্যও তেমনই অর্থলাভ বা মনোরঞ্জনের বিষয় নয়। যদি সেখানে কোনো উদ্দেশ্য কাজ করে তাহলে সাহিত্য হয়ে যাবে জুয়াখেলার মতো। ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক এই কথাটিই জুয়াখেলার উদাহরণ দিয়ে সুন্দরভাবে বুঝিয়েছেন।
সারকথা: নিছক আনন্দলাভের জন্য যে খেলা করা হয় তা-ই। প্রকৃত খেলা। অর্থলাভের উদ্দেশ্য থাকলে তা খেলা না হয়ে জুয়াখেলা হয়।
19 সাহিত্য নামক অমৃতে যে আমাদের অরুচি জন্মেছে’ তার জন্য লেখক কাকে দায়ী করেছেন?
উত্তর ‘সাহিত্য নামক অমৃতে যে আমাদের অরুচি জন্মেছে’ তার জন্য লেখক এ যুগের স্কুল ও তার মাস্টারকে দায়ী করেছেন।
20 “কাব্যের ঝুমঝুমি, বিজ্ঞানের চুষিকাঠি, দর্শনের বেলুন, ইতিহাসের ন্যাকড়ার পুতুল” কথাগুলো দিয়ে প্রাবন্ধিক কী বোঝাতে চেয়েছেন? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর ➤ “কাব্যের ঝুমঝুমি, বিজ্ঞানের চুষিকাঠি, দর্শনের বেলুন, ইতিহাসের ন্যাকড়ার পুতুল” কথাগুলো দিয়ে প্রমথ চৌধুরী বোঝাতে চেয়েছেন- সাহিত্যের বাজার আজ এসব জিনিসে ছেয়ে গেছে।
➤ সাহিত্যের উদ্দেশ্য সবাইকে আনন্দদান করা, কারও মনোরঞ্জন করা নয়। তাই সাহিত্য যদি সমাজের মনোরঞ্জন করতে যায় তবে যে তা স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে তার প্রমাণও বাংলাদেশে আজ কম নয়। কারণ পাঠকসমাজ যে খেলনা আজ আদর করে, কাল সেটিকে ভেঙে ফেলে। সেটা প্রাচাই হোক আর পাশ্চাত্যই হোক, কাশীরই হোক আর জার্মানিরই হোক- দুদিন ধরে তা কারও মনোরঞ্জন করতে পারে না। তারপরও ওইসব জিনিসে যে আজ সাহিত্যের বাজার ছেয়ে গেছে সেই কথা বোঝাতেই লেখক প্রশ্নোক্ত কথাগুলো বলেছেন।
সারকথা: ‘কাব্যের ঝুমঝুমি, বিজ্ঞানের চুম্বিকাঠি, দর্শনের বেলুন, ইতিহাসের ন্যাকড়ার পুতুল’ এগুলোয় সাহিত্যের বাজার ছেয়ে গেছে।
21 প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম কী?
উত্তর প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম বীরবল।
22 মনোরঞ্জন আর আনন্দের মধ্যে পার্থক্য কতটুকু?
উত্তর ➤ মনোরঞ্জন আর আনন্দের মধ্যে আকাশ-পাতাল প্রভেদ।
➤ খেলাধুলায় যেমন নিছক আনন্দই প্রধান, সাহিত্যেও তাই। খেলাধুলায় যেমন আনন্দ ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্য নেই, সাহিত্যের উদ্দেশ্যও তেমনই- একমাত্র আনন্দদান করা। আনন্দ এক অনির্বচনীয় প্রাপ্তি, অন্তরাত্মার স্বতঃস্ফূর্ত বিকাশেই তা অর্জিত হয়ে থাকে। পক্ষান্তরে মনোরঞ্জন বিশেষ প্রণোদিত ও আরোপিত। মনোরঞ্জন করার মধ্যে কোনো একটা কৃত্রিম প্রয়াস বা বিশেষ উদ্দেশ্য থাকে।
সারকথা: মনোরঞ্জন আর আনন্দের মধ্যে আকাশ-পাতাল প্রভেদ। আনন্দ এক অনির্বচনীয় প্রাপ্তি, অন্তরাত্মার স্বতঃস্ফূর্ত বিকাশেই তা অর্জিত হয়ে থাকে। পক্ষান্তরে মনোরঞ্জন বিশেষ প্রণোদিত ও আরোপিত
23 বিশ্ববিখ্যাত ফরাসি ভাস্কর রোঁদ্যার প্রকৃত নাম কী?
উত্তর বিশ্বখ্যাত ফরাসি ভাস্কর রোঁদ্যার প্রকৃত নাম ফ্রাঁসোয়া অগুস্ত রোঁদ্যা।
24 সাহিত্যকে লেখক কেন খেলার সঙ্গে তুলনা করেছেন? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর ➤ খেলা মানুষকে নির্মল আনন্দ দেয়, সাহিতাও মানুষকে নির্মল আনন্দ দান করে। এজন্য লেখক সাইত্যকে খেলার সাথে তুলনা করেছেন।
➤ মানুষ যখন খেলা করে তখন সে আনন্দ ছাড়া অন্য কোনোকিছুর আকাঙ্ক্ষা করে না। মানুষের সকল প্রকার ক্রিয়ার মধ্যে খেলা বা ক্রীড়াই শ্রেষ্ঠ, কারণ এখানে আনন্দ ছাড়া অন্য কিছু নেই। সাহিত্যও তেমনি হওয়া উচত বলে মনে করেন ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের লেখক। এজন্য তিনি সাহিত্যকে খেলার সাথে তুলনা করেছেন।
সারকথা: খেলাধুলা মানুষকে নির্মল আনন্দ দান করে। সেখানে নিছক আনন্দ ছাড়া অন্য ফললাভের আকাঙ্ক্ষা থাকে না। সাহিতাও তেমনই আনান্দ দান ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্যে রচিত হওয়া উচিত নয়। এজন্য লেখক সাহিত্যকে খেলার সাথে তুলনা করেছেন।
25 ‘সাহিতো খেলা’ প্রবন্ধে ‘ইতর’ শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
উত্তর ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধে ‘ইতর’ শব্দটি নগণ্য অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
26 “শিল্পী মাত্রেই এই শিল্পের খেলা খেলে থাকেন” ব্যাখ্যা কর।
উত্তর ➤ “শিল্পী মাত্রেই এই শিল্পের খেলা খেলে থাকেন”- কথাটি দ্বারা শিল্পীদের শৈল্পিক সাবলীলতা প্রকাশ পায়।
➤ যিনি সৃষ্টি করার ক্ষমতা রাখেন, তিনিই শিল্পী। আর শিল্পীর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের প্রধান দিক হচ্ছে শিল্প সৃষ্টি করা। সৃজনশীলতার ক্ষমতাপ্রাপ্ত বলে শিল্পীরা যা-ই করেন, তা-ই প্রকাশ পায় শিল্প হিসেবে। কিন্তু যারা শিল্পী নন, তাদের হাতে ওই কাজ আনাড়ি হাতের শিল্প হয়ে ওঠে। এটাই শিল্পীর সঙ্গে সাধারণ মানুষের তফাত।
সারকথা: সৃজনশীল ক্ষমতা। যার আছে, তিনিই শিল্পী। আর শিল্পীদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের প্রধান দিক হচ্ছে শিল্প এ সৃষ্টি করা। এটা একধরনের শৈল্পিক খেলা।
27 উপরি পাওয়া’ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর উপরি পাওয়া’ বলতে বোঝায় বাড়তি আয় উপার্জন।
28 “সাহিত্যের উদ্দেশ্য আনন্দদান করা, শিক্ষা দান করা নয়।”- ব্যাখ্যা কর।
উত্তর ➤ “সাহিত্যের উদ্দেশ্য আনন্দদান করা, শিক্ষা দান করা নয়।” উক্তিটি দ্বারা লেখক সাহিত্যের মূল উদ্দেশ্য নির্দেশ করেছেন।
➤ ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধে লেখক দেখিয়েছেন যে, ভারতীয় সাহিত্যের আদি কবি বাল্মীকি রামায়ণ রচনা করেছিলেন, আদিতে মুনি-ঋষিদের জন্য অথচ জনসাধারণ আজও তার শ্রবণে-পঠনে আনন্দ উপভোগ করে। তার একমাত্র কারণ সেই ‘রামায়ণ’ কাব্য হিসেবে অমর এবং আনন্দের ধর্মই তাই যে তা সংক্রামক। একথা বলা বাহুলা যে, বড় বড় মুনি-ঋষিদের কিঞ্চিৎ শিক্ষা দেওয়ার উদ্দেশ্য বাল্মীকির ছিল না। তার প্রমাণও ‘রামায়ণ’ শ্রবণকারী মুনি-ঋষিদের আনন্দে আত্মহারা হওয়ার মাধ্যমে পাওয়া যায়। লেখক এজন্যই বলেছেন, সাহিত্যের উদ্দেশ্য আনন্দদান করা, শিক্ষাদান করা নয়।
সারকথা: সাহিত্যের মূল উদ্দেশ্য- মানুষকে আনন্দ দান করা, কাউকে শিক্ষা দান করা নয়।
29 পুতুল গড়া কার খেলা?
উত্তর পুতুল গড়া ফরাসি ভাস্কর রোদ্যার খেলা।
30 ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের আলোকে জীবাত্মা ও পরমাত্মার মধ্যকার সম্পর্ক ব্যাখ্যা কর।
উত্তর ➤ ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধে প্রাণীর দেহে অবস্থানকারী আত্মাকে জীবাত্মা এবং পরম ব্রহ্মা, ঈশ্বর বা সৃষ্টিকর্তার আত্মাকে পরমাত্মা বলা হয়।
➤ ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধে জীবাত্মা ও পরমাত্মার মধ্যকার সম্পর্ক অকাট্য। মূলত সাহিত্যলীলার বিষয়টি বোঝানোর লক্ষ্যেই লেখক তাঁর ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধে জীবাত্মা ও পরমাত্মার প্রসঙ্গ টেনেছেন। ঈশ্বর যেমন লীলার জন্য এই জগৎ সৃষ্টি করেছেন, তেমনই কবির সৃষ্টিও এই বিশ্ব সৃষ্টির অনুরূপ। সেই সৃষ্টির মূল হচ্ছে অন্তরাত্মার স্ফূর্তি এবং আনন্দ হলো তার ফল। অর্থাৎ সাহিত্য সৃষ্টি জীবায়ার লীলামাত্র এবং সেই লীলা বিশ্বলীলার অন্তর্ভুক্ত। এটা থেকেও সুস্পষ্ট যে, জীবাত্মা ও পরমাত্মার মধ্যকার সম্পর্ক অকাট্য, অবিচ্ছেদ্য।
সারকথা: প্রাণীর দেহে অবস্থানকারী আত্মাকে জীবাত্মা এবং পরম ব্রহ্মা, ঈশ্বর বা সৃষ্টিকর্তার আত্মাকে পরমাত্মা বলা হয়। জীবাত্মা ও পরমাত্মার মধ্যকার সম্পর্ক অকাটা, অবিচ্ছেদ্য।
31 প্রমথ চৌধুরীর পৈতৃক নিবাস কোথায়?
উত্তর প্রমথ চৌধুরীর পৈতৃক নিবাস পাবনা জেলার হরিপুর গ্রামে।
32 স্কুলঘরে আমরা কাব্যের রূপ দেখতে পাইনে”- প্রমথ চৌধুরী কেন এই অভিযোগ করেছেন? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর ➤ স্কুলমাস্টারদের কবিতা পড়ানোর রীতিকে ভুল হিসেবে উল্লেখ করে প্রাবন্ধিক এ মন্তব্যটি করেছেন।
➤ কবিতার রসাস্বাদনের উপায় হলো তা পড়া ও বোঝা। কিন্তু কবিতাকে যদি তত্ত্ব, টীকা-ভাষ্যের আড়ালে ঢেকে দেওয়া হয় তাহলে রসাস্বাদন তো দূরের কথা, তা থেকে পালিয়ে বাঁচতে চাইবে সাধারণ পাঠক। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, বর্তমান স্কুলমাস্টাররা এ কাজটাই করছেন। কবিতা পড়াতে ও বোঝাতে গিয়ে তারা কবিতার তত্ত্ব, শব্দ, ছন্দ, টীকা ইত্যাদি নিয়ে এতই বিস্তৃত আলোচনা করছেন যে, মূল কবিতার স্বাদই শিক্ষার্থীরা নিতে পারছে না। প্রাবন্ধিক তাই স্কুলমাস্টারদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে কথাটি বলেছেন।
সারকথা: কাব্য পড়ার ও বোঝার বিষয়। কিন্তু তা না করে এটাকে ব্যবচ্ছেদ করলে শুধু অরুচিই বাড়বে। বর্তমান স্কুলমাস্টাররা এ কাজই করছেন।
33 কোন স্থানের বক্তৃতার উদ্দেশ্য অতি মহৎ?
উত্তর টাউন হলের বক্তৃতার উদ্দেশ্য অতি মহৎ।
34 “পাঠকসমাজ যে খেলনা আজ আদর করে, কাল সেটিকে ভেঙে ফেলে” ব্যাখ্যা কর।
উত্তর ➤ “পাঠকসমাজ যে খেলনা আজ আদর করে, কাল সেটিকে ভেঙ্গে ফেলে”- লেখক এখানে পাঠকের মনোরঞ্জনের জন্য সৃষ্ট সাহিত্যকে বুঝিয়েছেন।
➤ খেলনা মানুষের মনোরঞ্জনের বস্তু। সুন্দর লাগলে মানুষ খেলনা কেনে, আবার সেটির কার্যকারিতা ফুরিয়ে গেলে ভেঙে ফেলে। ঠিক একইভাবে পাঠকের মনোরঞ্জনের জন্য সৃষ্ট সাহিত্য খেলনার মতোই। পাঠক এতে সাময়িক আনন্দ পেলেও কিছুদিন পর তা ভুলে যায়। ওই সাহিত্যের প্রতি তার আর কোনো আকর্ষণ থাকে না। খেলনা যেমন ভেঙে ফেলে তেমনই ওই ধরনের মনোরঞ্জনমূলক সাহিত্যকে পাঠক আঁস্তাকুড়ে নিক্ষেপ করে। এই চরম সত্যটিই লেখক এ উক্তিটির মাধ্যমে বুঝিয়েছেন।
সারকথা: খেলনার প্রতি মানুষের আকর্ষণ যেমন সাময়িক, মনোরঞ্জনমূলক সাহিত্যের প্রতিও তেমনই।
35 প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত পত্রিকার নাম কী?
উত্তর প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদিত পত্রিকার নাম ‘সবুজপত্র’।
36 “কারও মনোরঞ্জন করা সাহিত্যের কাজ নয়।”- ব্যাখ্যা কর।
উত্তর ➤ “কারও মনোরঞ্জন করা সাহিত্যের কাজ নয়।”- কথাটি দ্বারা সাহিত্যের গাম্ভীর্যকে বোঝানো হয়েছে।
➤ সাহিত্য রচিত হয় সাহিত্যিকের নিজের মনের আনন্দ থেকে। এই আনন্দ পাঠকমনেও সঞ্চারিত হয়। পাঠকও সাহিত্য পড়ে আনন্দই লাভ করবে। তৃষিত মনই সাহিত্য গ্রহণ করবে আনন্দের জন্য। কিন্তু সাহিত্যিক নিজের আনন্দকে বিসর্জন দিয়ে মানুষের মনোরঞ্জনের জন্য সাহিত্য রচনা করলে তা উত্তম সাহিত্য হবে না। কারণ সাহিত্য মানুষকে আনন্দদান করে, মনোরঞ্জন করে না। এ কারণেই লেখক প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন।
সারকথা: সাহিত্য হলো মনের আনন্দের আকর। কিন্তু মানুষকে আকৃষ্ট করার জন্য সন্তা সাহিত্য মূলত সাহিত্য নয়। কারণ সাহিত্য মানুষের মনোরঞ্জনের দায়িত্ব নেয়নি।
37 মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?
উত্তর মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কৌপিন পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন।
38 প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।
উত্তর ➤ প্রমথ চৌধুরী ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধে মানের নিম্নতা প্রকাশের জন্য দু জাতীয় লেখক-পাঠকের কথা উল্লেখ করেছেন।
➤ প্রমথ চৌধুরী ‘বৈশ্য লেখক’ ও ‘শূদ্র পাঠক’ বলতে বিশেষ শ্রেণির লেখক ও পাঠকদের প্রতি ইঙ্গিত করেছেন। বৈশ্য ও শূদ্র হিন্দু সমাজের দুটি অনভিজাত বর্ণবিশেষ। বৈশ্যরা ব্যাবসা-বাণিজ্য করত। কোনো লেখক যদি সাহিত্যকর্মের মধ্য দিয়ে কার্য উদ্ধার করতে চান তাহলে তাকে লিখতে হবে উদ্দেশ্যপ্রবণ লেখা। আর এই লেখা হবে নিম্নমানের। এই জাতীয় লেখকগণ ‘সৃষ্টি’ করেন না, তারা ‘উৎপাদন’ করেন। এই জাতীয় লেখকদের তিনি ‘বৈশ্য লেখক’ বলেছেন। আবার বৈশ্য লেখকের পাঠক স্বাভাবিকভাবেই আরও নিম্নমানের হবে। তাই তাদের তিনি ‘শূদ্র পাঠক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
সারকথা: ব্যাবসার উদ্দেশ্য নিয়ে যারা বই লেখেন তাদেরকে প্রমথ চৌধুরী ‘বৈশ্য লেখক’ বলেছেন এবং ‘শূদ্র পাঠক’ বলেছেন তার চেয়েও নিম্নমানের পাঠককে।
39 রোদ্যা কে?
উত্তর ফ্রাঁসোয়া অগুস্ত রোদ্যা জগদবিখ্যাত ফরাসি ভাস্কর।
40 “যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।”- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
উত্তর ➤ “যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।”- উক্তিটিতে লেখক পৃথিবীর বড় মাপের শিল্পীদের প্রশংসাকীর্তন করেছেন।
➤ দক্ষতা ও নৈপুণ্য একজন শিল্পীর শিল্প নির্মাণের যথার্থ উপায়। দক্ষতা ও নৈপুণ্য অর্জনের মধ্য দিয়েই প্রত্যেক শিল্পী, কবি- সাহিত্যিক স্ব-স্ব ক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেন। আর এর জন্য প্রয়োজন অধ্যবসায়। অধ্যবসায় দ্বারাই পৃথিবীতে অমরত্ব লাভের কর্মসাধন করা সম্ভব। উদাহরণস্বরূপ প্রাবন্ধিক বিশ্বখ্যাত ভাস্করশিল্পী ফ্যাঁসোয়া অগুস্ত রোদ্যার কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি শিল্পকর্মে এতটাই দক্ষ ছিলেন যে, যখন-তখন হাতে কাদা নিয়ে আঙুলে টিপে মাটির পুতুল তৈরি করতে পারতেন। পৃথিবীর বড় মাপের শিল্পীরাই এই কাজটা করতে পারতেন। তাই প্রাবন্ধিক বলেছেন, “যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।”
সারকথা: প্রশ্নোক্ত উক্তিটিতে বড় মাপের শিল্পীদের মাহাত্ম্য কীর্তিত হয়েছে। যারা বড় মাপের শিল্পী তারা খেলাচ্ছলে বড় বড় করতে পারেন। তাদের পক্ষে অসাধারণ কিছু যেমন তৈরি করা সম্ভব, তেমনই সাধারণ কিছু তৈরি করাও সম্ভব। ড় শিল্পকর্ম তৈরি
41 সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?
উত্তর সমাজের মনোরঞ্জন করতে গেলে সাহিত্য স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে।
42 প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।
উত্তর ➤ সাহিত্য ও শিক্ষার রীতি ভিন্ন বলে প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন।
➤ প্রমথ চৌধুরীর মতে, শিক্ষা মানুষ অনিচ্ছা সত্ত্বেও গলাধঃকরণ করে থাকে, কিন্তু সাহিত্যের রস মানুষ স্বেচ্ছায় পান করে। লেখকের মতে, সাহিত্যের উদ্দেশ্য অনাবিল আনন্দদান করা, শিক্ষা দেওয়া নয়। বিশ্বের খবরাখবর পরিবেশন করে মানুষের জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধির কাজটি শিক্ষার মাধ্যমে হয়ে থাকে। শিক্ষার সঙ্গে জ্ঞানচর্চার সম্পর্ক বিদ্যমান। পক্ষান্তরে সাহিত্যের উদ্দেশ্য মানুষের মনকে জাগানো। অন্যের মনের অভাব পূরণ করার উদ্দেশ্যেই শিক্ষার জন্ম, আর সাহিত্যের জন্ম মানবমনের পরিপূর্ণতা থেকে।
সারকথা: শিক্ষার সঙ্গে জ্ঞানচর্চার সম্পর্ক বিদ্যমান। পক্ষান্তরে সাহিত্যের উদ্দেশ্য মানুষের মনকে জাগানো।
