01 মল্লার কী? [ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ · 2026]
উত্তর মল্লার হচ্ছে সংগীতের একটি রাগ, যা রাতের দ্বিতীয় প্রহরে গাওয়া হয়।
02 “রৌদ্র ত্রাসে রহে ছায়া চরণে সরণ” বলতে কী বোঝানো হয়েছে? [ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ · 2026]
উত্তর “রৌদ্র ত্রাসে রহে ছায়া চরণে সরণ” বলতে রৌদ্রের খরতাপে পায়ের নিচে ছায়ার লুকিয়ে থাকাকে বোঝানো হয়েছে।
‘ঋতু বর্ণন’ কবিতায় কবি ষড়ঋতুর বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতে গিয়ে গ্রীষ্মকালের নানা দিক তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, গ্রীষ্মকালে সূর্য প্রচন্ডভাবে তাপ দেয়। রৌদ্রের তাপে যেন কোথাও ছায়া পাওয়া যায় না। ছায়া যেন পায়ের নিচে আশ্রয় গ্রহণ করেছে। ফলে ছায়ার খুব প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। ছায়ার এমন অবস্থা বোঝানোর জন্যই কবি প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন।
03 কখন প্রচণ্ড তপন দেখা দেয়? [ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, চট্টগ্রাম · 2026]
উত্তর নিদাঘ সময়ে বা গ্রীষ্মকালে প্রচণ্ড তপন দেখা যায়।
04 ‘পুষ্প শয্যা ভেদ ভুলি বিচিত্র বসন’- উদ্ধৃতাংশের তাৎপর্য বুঝিয়ে লেখো। [ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, চট্টগ্রাম · 2026]
উত্তর ‘পুষ্প শয্যা ভেদ ভুলি বিচিত্র বসন’ বলতে শীতকালে ফুল ঝরে গিয়ে যে বিচিত্র রূপের সৃষ্টি হয়, তা বোঝানো হয়েছে। ‘ঋতু বর্ণন’ কবিতায় বাংলার প্রকৃতির রূপবৈচিত্র্য উঠে এসেছে। শীতের আগমনে প্রকৃতিতে রুক্ষতা চলে আসে। বিভিন্ন ধরনের ফুলে সজ্জিত বন যেন হঠাৎ এক বৈচিত্র্যময় বসন পরিধান করে। শীত ঋতুতে প্রকৃতিতে সৃষ্ট এ রূপটিকেই আলোচ্য উক্তির মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে।
05 ‘কস্তুরী’ শব্দের অর্থ কী? [সরকারি মাইকেল মধুসূদন (এম.এম) কলেজ, যশোর · 2026]
উত্তর ‘কস্তরী’ শব্দের অর্থ মৃগনাভি।
06 “অতি দীর্ঘ সুখ নিশি পলকে পোহাএ”- বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন? [সরকারি মাইকেল মধুসূদন (এম.এম) কলেজ, যশোর · 2026]
উত্তর প্রশ্নোক্ত কথাটি শীতকালীন রাত সম্পর্কে বলা হয়েছে।
‘ঋতু বর্ণন’ কবিতায় কবি ছয়টি ঋতুর বর্ণনা এবং বিভিন্ন ঋতুর সঙ্গে মানবমনের অনুভূতি বর্ণনা করেছেন। শীতকালীন বর্ণনায় কবি বলেছেন, শীতের সময় সূর্য দ্রুত অস্ত যায়। শীতকালে রাতের দৈর্ঘ্য বড়ো হয়। তারপরও অতি শীতে কাতর তন্দ্রালগ্ন শরীর বিছানা ছেড়ে উঠতে চায় না। মনে হয় রাত যেন খুবই দ্রুত শেষ হয়ে গেল। এজন্যই কবি বলেছেন, রাত অতি দীর্ঘ হলেও যেন পলকের মধ্যেই শেষ হয়ে যায়।
07 মল্লার কী?
উত্তর মল্লার হচ্ছে সংগীতের একটি রাগ, যা রাতের দ্বিতীয় প্রহরে গাওয়া হয়।
08 “রৌদ্র ত্রাসে রহে ছায়া চরণে সরণ” বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর ➤ “রৌদ্র ত্রাসে রহে ছায়া চরণে সরণ” বলতে রৌদ্রের খরতাপে পায়ের নিচে ছায়ার লুকিয়ে থাকাকে বোঝানো হয়েছে।
➤ ‘ঋতু বর্ণন’ কবিতায় কবি ষড়ঋতুর বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতে গিয়ে গ্রীষ্মকালের নানা দিক তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, গ্রীষ্মকালে সূর্য প্রচন্ডভাবে তাপ দেয়। রৌদ্রের তাপে যেন কোথাও ছায়া পাওয়া যায় না। ছায়া যেন পায়ের নিচে আশ্রয় গ্রহণ করেছে। ফলে ছায়ার খুব প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। ছায়ার এমন অবস্থা বোঝানোর জন্যই কবি প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন। সারকথা: গ্রীষ্মকালে সূর্যের তাপে সব জায়গায় আলো ছড়িয়ে পড়ে। ফলে ছায়া যেন পায়ের তলায় লুকিয়ে পড়ে।
09 ‘কিংশুক’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর ‘কিংশুক’ শব্দের অর্থ পলাশ ফুল বা বৃক্ষ।
10 ‘ঋতু বর্ণন’ কবিতায় কবি বর্ষাকাল কীভাবে আসার কথা বলেছেন? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর ➤ গ্রীষ্মের শেষ দিকে গরমের সময় ঘন ঘন গর্জন করে বর্ষাকালে আসে।
➤ ‘ঋতু বর্ণন’ কবিতায় কবি বর্ষাকালের নানা রকম বৈশিষ্ট্য ও গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেছেন। পাশাপাশি এর সঙ্গে মানবমনের সম্পর্কও ফুটিয়ে তুলেছেন। তিনি বলেছেন, গরম আবহাওয়ার সময়ই ঘন ঘন গর্জন শোনা যায়। এর ফলে চারদিকে অবিরাম বৃষ্টিধারা বয়ে যায়। মেঘের ভয়ংকর শব্দকে কবি কৈলাসের মল্লার রাগের সঙ্গে তুলনা করেছেন। কবি বলেন, এ সময় মাদি ব্যাঙ ও ময়ূরীর যে রব শোনা যায় সেটি মনে অনেক ভালোলাগা জাগায়। আবার কীটকুলের পুনঃপুন ঝংকার যেন মানবমনে আনন্দ ও ভীতির সঞ্চার করে। ফলে যুবকচিত্ত একদিকে যেমন আনন্দিত হয় অন্যদিকে আবার ভীতও হয়। সারকথা: প্রকৃতিতে বর্ষা ঋতুর আগমনের ফলে গ্রীষ্মের প্রচন্ড উত্তাপ কমে যায়।
11 ‘ঋতু বর্ণন’ কবিতায় গ্রীষ্মকালকে কোন নামে অভিহিত করা হয়েছে?
উত্তর ‘ঋতু বর্ণন’ কবিতায় গ্রীষ্মকালকে ‘নিদাঘ’ নামে অভিহিত করা হয়েছে।
12 নির্ভয়ে বরিষে জল চৌদিকে পূরিত’- এখানে কোন ঋতুর কথা বলা হয়েছে? সংক্ষেপে লেখ।
উত্তর ➤ ‘নির্ভয়ে বরিষে জল চৌদিকে পূরিত’- এখানে বর্ষা ঋতুর কথা বলা হয়েছে।
➤ ‘ঋতু বর্ণন’ কবিতায় কবি ষড়ঋতুর নানা বৈশিষ্ট্য ও বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেছেন। এগুলোর মধ্যে বর্ষা ঋতু অন্যতম। কবি গ্রীষ্মের পরপরই বর্ষার বর্ণনা দিয়েছেন। গ্রীষ্মের শেষ দিকে অতি গরমের সময়ে ঘন ঘন মেঘের গর্জন শোনা যায়। তখন চারদিকে অজস্র ধারায় বৃষ্টি নামে। এ বৃষ্টির জলধারায় চারদিক পরিপূর্ণ হয়। এ বৃষ্টির যেন কোনো ভয় নেই, আকাশ থেকে নির্ভয়ে নেমে এসে চারদিক ভরিয়ে তোলে। বর্ষা ঋতুর এমন অবস্থা বোঝাতেই কবি প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন। সারকথা: প্রশ্নোক্ত চরণটির মাধ্যমে কবি বর্ষা ঋতুকে বুঝিয়েছেন। কারণ বর্ষা । ঋতুতে বৃষ্টির জলধারা চারদিক পূর্ণ করে তোলে।
13 কৈলাস কী?
উত্তর কৈলাস হচ্ছে হিমালয়ে অবস্থিত শিবের বাসস্থান।
14 দাদুরী শিখীনি রব’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর ➤ ‘দাদুরী শিখীনি রব’ বলতে মাদি ব্যাঙ ও ময়ূরীর ডাককে বোঝানো হয়েছে।
➤ ‘ঋতু বর্ণন’ কবিতায় কবি ষড়ঋতুর নানা দিক তুলে ধরেছেন। এগুলো উপস্থাপন করার ক্ষেত্রে কবি ঋতুগুলোর নিজস্ব বৈশিষ্ট্যগুলো বর্ণনা করেছেন। এক্ষেত্রে তিনি বর্ষা ঋতু সম্পর্কে বলতে গিয়ে বলেন, এ সময় মেঘ গর্জন করে। ফলে মেঘ থেকে বৃষ্টি হয় আর তাতে চারদিক বৃষ্টির জলে ভরে যায়। তখন মাদি ব্যাঙ ও ময়ূরী ডাকে। সেগুলোর ডাক মানুষের মনে অনেক ভাব জাগায়। সারকথা: ‘দাদুরী শিখীনি রব’ বলতে কবি বর্ষাকালে মাদি ব্যাঙ ও ময়ূরী ডাকার বিষয়টিকে বুঝিয়েছেন।
15 দাদুরী অর্থ কী?
উত্তর দাদুরী অর্থ মাদি ব্যাঙ।
16 ‘কুসুমিত কিংশুক সঘন বন লাল’ বলতে কবি কোন ঋতুকে বুঝিয়েছেন? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর ➤ ‘কুসুমিত কিংশুক সঘন বন লাল’ বলতে কবি বসন্ত ঋতুকে বুঝিয়েছেন।
➤ ‘ঋতু বর্ণন’ কবিতায় কবি ষড়ঋতুর অসাধারণ বর্ণনা দিয়েছেন। এগুলোর মধ্যে কবি বসন্ত ঋতুর সৌন্দর্যকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে সর্বপ্রথম এই ঋতুর বর্ণনা দিয়েছেন। কবি বলেছেন বসন্ত ঋতুতে গাছপালায় নতুন পাতা আসে, ফল-ফুলে ভরে ওঠে বৃক্ষ- বনস্পতি। ফলে পলাশ গাছও ফুলে সমৃদ্ধ হয়। এ সময় পলাশ বনে লাল লাল পলাশ ফুলের সমারোহ দেখা যায়। বসন্ত ঋতুতে ঘন পলাশ বনে পলাশ ফুলের এমন রূপ বোঝাতেই কবি আলোচ্য পক্তিটি ব্যবহার করেছেন। সারকথা: উদ্দীপকের কবিতাংশে ‘ঋতু বর্ণন’ কবিতার বসন্ত ঋতুর বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে।
17 ‘ঋতু বর্ণন’ কবিতায় ‘সরণ’ শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
উত্তর ঋতু বর্ণন’ কবিতায় ‘সরণ’ শব্দটি ‘শরণ’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
18 গ্রীষ্মের রৌদ্র সবার মনে ত্রাসের সৃষ্টি করে কেন? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর ➤ গ্রীষ্মের রৌদ্র তার প্রচণ্ড তাপপ্রবাহের কারণে সবার মনে ত্রাসের সৃষ্টি করে।
➤ গ্রীষ্মকালে সূর্য পৃথিবীর খুব কাছাকাছি অবস্থান করায় এ সময়ে তাপমাত্রা বেশি থাকে। গ্রীষ্মের রোদ বেশ প্রখর হয়। এ সময়ে তাপের প্রচন্ডতা জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তোলে। কখনো কখনো সবাই স্বস্তি খোঁজে, ছায়ার আশ্রয় চায়। কেননা প্রচন্ড তাপে মানুষের অনেক কষ্ট হয়, দুর্ভোগ বাড়ে। গ্রীষ্মকালীন রৌদ্রতাপে অসহনীয় অবস্থার সৃষ্টি হয়। আর এ কারণেই এটি সবার মধ্যে ত্রাসের সৃষ্টি করে। সারকথা: প্রচন্ড তাপপ্রবাহের কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হওয়ায় গ্রীষ্মের রৌদ্র ত্রাসের সৃষ্টি করে।
19 তাম্বুল’ কী?
উত্তর ‘তাম্বুল’ হলো পান।
20 ‘মলয়া সমীর হৈলা কামের পদাতি’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর ➤ ‘মলয়া সমীর হৈলা কামের পদাতি’ বলতে বসন্তের আগমনে মানবমনে প্রেমানুভূতি জাগরণের বিষয়টিকে বোঝানো হয়েছে।
➤ প্রকৃতিতে যখন বসন্ত আসে, তখন মানবমনেও জাগরণ অনুভূত হয়। বসন্তের বাতাস এসে হৃদয়ে দোলা দিয়ে যায়। প্রেমানুভূতির সৃষ্টি হয় মনে। বসন্তের আগমনে মানুষের মধ্যে এমন অনুভব সৃষ্টি হওয়ার বিষয়টিকে কবি অন্যভাবে দেখেছেন। কবি বসন্তের বাতাসকে সংবাদবাহক হিসেবে কল্পনা করেছেন। সে যেন প্রেমের দেবতার কাছ থেকে সংবাদ বহন করে নিয়ে এসেছে। তাই তো মানুষের মধ্যে এমন অনুভবের সৃষ্টি হয়েছে। বসন্তের দখিনা স্নিগ্ধ বাতাস কবির কল্পনায় এভাবে প্রেমদেবতার সংবাদবাহক হিসেবেই ধরা দিয়েছে। সারকথা : বসন্তের দখিনা স্নিদ্ধ বাতাস কবির কল্পনায় প্রেমদেবতার সংবাদবাহক হিসেবেই ধরা দিয়েছে।
21 চামর কী?
উত্তর চামর হচ্ছে পাখাবিশেষ।
22 চামর কী?
উত্তর চামর হচ্ছে পাখাবিশেষ, গরুর লেজ দিয়ে তৈরি।
23 “বিচিত্র বসন অঙ্গে চন্দন চর্চিত।”- ব্যাখ্যা কর। উত্তর
➤ “বিচিত্র বসন অঙ্গে চন্দন চর্চিত।”- এ কথাটি বসন্ত ঋতু প্রসঙ্গে বলা হয়েছে। ➤ ‘ঋতু বর্ণন’ কবিতায় ছয়টি ঋতু বর্ণনা করতে গিয়ে কবি বসন্ত ঋতুকে সর্বাধিক গুরুত্বসহকারে বর্ণনা করেছেন। কবি বলেছেন বসন্ত ঋতুতে প্রকৃতি নতুন রূপে সজ্জিত হয়। নতুন পাতা আর ফল-ফুলে ভরে যায় গাছপালা ও বনভূমি। গাছে গাছে পাখির কলকাকলিতে মুখরিত হয় চারদিকের পরিবেশ। সবকিছু মিলিয়ে মনে হয় যেন বসন্ত নানা রকম ফুলের মালা গলায় দিয়ে সজ্জিত হয়ে আনন্দচিত্তে রয়েছে। বিচিত্র বস্ত্র গায়ে দিয়েছে, আর তার অঙ্গে যেন সুগন্ধি চন্দন দিয়ে লেপন করা হয়েছে। কারণ বসন্তকালে নানা রকম ফুলের ঘ্রাণে চারদিক সুবাসিত হয়। তাই কবি প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন।
সারকথা: ‘ঋতু বর্ণন’ কবিতায় ছয়টি ঋতু বর্ণনা করতে গিয়ে কবি বসন্ত ঋতুকে সর্বাধিক গুরুত্বসহকারে বর্ণনা করেছেন।
24 ‘শিখিনী’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর ‘শিখিনী’ শব্দের অর্থ ময়ূরী।
25 ‘শীতের তরাসে রবি তুরিতে লুকাএ’- কথাটি বুঝিয়ে লেখ। উত্তর
➤ “শীতের তরাসে রবি তুরিতে লুকাএ”- কথাটির মাধ্যমে কবি শীতকালে দিন ছোট হওয়া এবং সূর্য দেখা না যাওয়ার কথা- বলেছেন। ➤ ‘ঋতু বর্ণন’ কবিতায় কবি ষড়ঋতুর ধারাবাহিক বর্ণনায় প্রতিটি ঋতুর বিভিন্ন তাৎপর্যপূর্ণ বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন। এক্ষেত্রে তিনি শীতকালের বিভিন্ন দিক উপস্থাপন করেছেন। শীত ঋতুতে অনেক কুয়াশা পড়ে। এ কুয়াশার প্রভাব এত বেশি থাকে যে, এর চাদর ভেদ করে সূর্যে আলো পৃথিবীতে পৌছাতে পারে না। শীতের এই ত্রাসে সূর্য যেন খুব তাড়াতাড়ি লুকিয়ে পড়ে, সারা দিন তার আর দেখা পাওয়া যায় না। শীতকালে দিন ছোট হয়। এ বিষয়টি বোঝাতেই কবি প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন।
সারকথা: শীতের ত্রাসে সূর্য যেন খুব তাড়াতাড়ি লুকিয়ে পড়ে, সারা দিন তার আর দেখা পাওয়া যায় না।
26 ‘কস্তুরী’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর ‘কস্তুরী’ শব্দের অর্থ মৃগনাভি।
27 ‘নিদাঘ সময়ে অতি প্রচন্ড তপন।’- বুঝিয়ে লেখ। উত্তর
➤ “নিদাঘ সময়ে অতি প্রচন্ড তপন।”- চরণটির মাধ্যমে কবি গ্রীষ্মকালের সূর্যের প্রচন্ড তাপের কথা বুঝিয়েছেন। ➤ বসন্তের নির্মল সৌন্দর্যের পরই প্রকৃতিতে গ্রীষ্ম ঋতু আসে। এ ঋতুতে প্রচন্ড গরম অনুভূত হয়। কেননা এ সময় সূর্য প্রচন্ড শক্তি নিয়ে তাপ বিকিরণ করে। এর তাপ এতটাই প্রখর যে আশপাশে ছায়ার তেমন দেখাই পাওয়া যায় না। মনে হয় যেন সূর্যের খরতাপে ছায়া পায়ের নিচে লুকিয়ে থাকে। তাই আলোচ্য কথাটির মাধ্যমে কবি গ্রীষ্মকালের প্রচন্ড খরতাপকেই বুঝিয়েছেন।
সারকথা: প্রশ্নোক্ত চরণটির মাধ্যমে কবি গ্রীষ্মকালের সূর্যের প্রচন্ড তাপের কথা বুঝিয়েছেন।
28 ‘যাবক’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর ‘যাবক’ শব্দের অর্থ হলো আলতা।
29 “দাদুরী শিখীনি রব অতি মন ভাএ।”- ব্যাখ্যা কর। উত্তর
➤ “দাদুরী শিখীনি রব অতি মন ভাএ”- কথাটি দ্বারা বর্ষাকালে ব্যাঙ ও ময়ূরীর ডাককে বোঝানো হয়েছে। ➤ কবি ‘ঋতু বর্ণন’ কবিতায় বর্ষাকালে প্রকৃতির রূপ বর্ণনার প্রয়াস পেয়েছেন। প্রসঙ্গত তিনি এ সময় প্রাণিকুলের আনন্দিত হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেছেন। গ্রীষ্মের প্রচন্ড তাপ মুছে দিতে বর্ষা আসে। বর্ষাকালে গ্রামে ব্যাঙের ডাক শোনা যায়। বনে ময়ূরী ডেকে ওঠে মনের আনন্দে। এ সময় প্রকৃতিতে এক নতুন আবহ সৃষ্টি করে। মূলত মাদি ব্যাঙ ও ময়ূরীর ডাকে প্রকৃতি মুখর হওয়ার বিষয়টি বোঝাতে কবি প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন।
