BNG – AB S – Raincoat

01 ‘রেইনকোট’ গল্পটি কত সালে প্রকাশিত হয়?[Rajshahi · 2025]

উত্তর ‘রেইনকোট’ গল্পটি ১৯৯৫ সালে প্রকাশিত হয়।

02 “প্রিন্সিপালের বাড়ির গেটে বোমা ফেলা মানে মিলিটারি ক্যাম্প অ্যাটাক করা।”- এ কথার তাৎপর্য লেখ।[Rajshahi · 2025]

উত্তর প্রিন্সিপালের বাড়ি আর মিলিটারি ক্যাম্প পাশাপাশি হওয়ার প্রিন্সিপালের বাড়ির গেটে বোমা ফেলা মানে মিলিটারির ক্যাম্প অ্যাটাক করা।

মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে পাকিস্তানি সেনারা কলেজে এসে ক্যাম্প স্থাপন করে। মুক্তিবাহিনীর আকস্মিক আক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য তারা ক্যাম্প নিরাপদ দূরত্বে রাখে। কলেজের দেয়াল ঘেঁষেই বাগান, টেনিস লন, তারপর কলেজ দালান এবং খেলার মাঠ; মাঠ পেরিয়ে একটু বাঁ দিকে প্রিন্সিপালের কোয়ার্টার এবং তার পাশে মিলিটারি ক্যাম্প। এভাবে প্রিন্সিপালের বাড়ি এবং মিলিটারি ক্যাম্প পাশাপাশি অবস্থিত। আর গেরিলা মুক্তিযোদ্ধারা গ্রেনেড ছুড়ে প্রিন্সিপালের বাড়ির গেট ভেঙ্গে দিয়েছে। এ জন্যই বলা হয়েছে- প্রিন্সিপালের বাড়ি আক্রমণ করা মানে মিলিটারি ক্যাম্প আক্রমণ করা।

03 ‘রেইনকোট’ গল্পের কথকের নাম কী?[Comilla · 2025]

উত্তর ‘রেইনকোট’ গল্পের কথকের নাম নুরুল হুদা।

04 “রাশিয়ায় ছিল জেনারেল উইনটার, আমাদের জেনারেল মনসুন।”- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।[Comilla · 2025]

উত্তর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় প্রচণ্ড শীত রুশ বাহিনীর পক্ষে যেমন অনুকূল হয়েছিল তেমনই আমাদের দেশে বর্ষা মৌসুমও মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য অনুকূল ছিল- এ বিষয়টি বোঝাতেই প্রশ্নোক্ত উক্তিটি করা হয়েছে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হিটলার বাহিনী প্রচণ্ড শীতের কারণে রুশ বাহিনীর হাতে পর্যুদস্ত হয়েছিল। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশে প্রবল বর্ষায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তেমনই বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে পড়েছিল। নদীমাতৃক বাংলাদেশের ছেলেরা বর্ষার সঙ্গে পরিচিত থাকলেও পাকিস্তানি বাহিনীর কাছে তা ছিল সম্পূর্ণ অজানা বিপদস্বরূপ। কুলির ছদ্মবেশে কলেজে আলমারি দিতে এসে এক গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা বলেছিলেন “বর্ষাকালেই তো জুৎ।” নুরুল হুদার কোনো এক কলিগও একদিন না দুদিন ফিসফিস করে বলেছিলেন, “বাংলার বর্ষা তো শালারা জানে না। রাশিয়ায় ছিল জেনারেল উইনটার, আমাদের জেনারেল মনসুন।” এ কথার মধ্য দিয়ে আসলে বোঝানো হয়েছে যে, মুক্তিযুদ্ধের সময় বর্ষা আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য উপকারী ভূমিকা রেখেছিল।

05 উর্দুর প্রফেসরের নাম কী?[Sylhet · 2025]

উত্তর উর্দুর প্রফেসরের নাম আকবর সাজিদ।

06 ‘রেইনকোট’ গল্পে ইসহাক মিয়ার দাপট বেড়ে যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।[Sylhet · 2025]

উত্তর ‘রেইনকোট’ গল্পে ইসহাক মিয়ার দাপট বেড়ে যাওয়ার কারণ পাকিস্তানের ঘোর সমর্থক হওয়ায় এবং উর্দু বলতে পারায়।

‘রেইনকোট’ গল্পে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়কার ভীতিকর পরিস্থিতি বর্ণিত হয়েছে। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সেনাদের অত্যাচার-নির্যাতনের ভয়ে এদেশের মানুষ সব সময় তটস্থ থাকত। সেই সময় পাকিস্তানিদের সহযোগীদের তারা ভীষণ ভয় করত। কারণ পাকিস্তানের সমর্থক হলেই সে যে শ্রেণি-পেশারই হোক না কেন, বাঙালির ওপর তার ক্ষমতার অপব্যবহার শুরু করেছে এবং তার সেই অপকর্মের সমর্থন করেছে পাকিস্তানি সেনারা। ‘রেইনকোট’ গল্পের প্রিন্সিপালের সামান্য পিয়ন ইসহাক উর্দু বলতে পারায় এবং পাকিস্তানের ঘোর সমর্থক হওয়ায় তার ভয়ে সবাই ভীত থাকত।

07 ‘রেইনকোট’ গল্পের উর্দুর প্রফেসরের নাম কী?[Dinajpur · 2025]

উত্তর ‘রেইনকোট’ গল্পের উর্দুর প্রফেসরের নাম আকবর সাজিদ।

08 “তারাও তাকে চেনে এবং তার ওপর তাদের আস্থাও কম নয়।”- কথাটি ব্যাখ্যা কর।[Dinajpur · 2025]

উত্তর “তারাও তাকে চেনে এবং তার ওপর তাদের আস্থাও কম নয়।”- উক্তিটি দ্বারা ছদ্মবেশী কুলিদের সঙ্গে নুরুল হুদার আঁতাঁতের অভিযোগকে বোঝানো হয়েছে।
‘রেইনকোট’ গল্পে নুরুল হুদার সঙ্গে গেরিলা আক্রমণে অংশ নেওয়া মুক্তিযোদ্ধাদের আঁতাঁত থাকার সন্দেহে তাকে ধরে নিয়ে গিয়ে অকথ্য নির্যাতন করা হয়। কলেজের আলমারি বয়ে আনার কাজে নিয়োজিত কুলিরা ছিল ছদ্মবেশী মুক্তিযোদ্ধা। তারা ধরা পড়ে নাকি নুরুল হুদার সঙ্গে তাদের সম্পর্ক থাকার কথা স্বীকার করেছে। আলোচ্য বাক্যটি দ্বারা এটিই বোঝানো হয়েছে।

09 ‘রেইনকোট’ গল্পে প্রিন্সিপালের পিওনের নাম কী?[Mymensingh · 2025]

উত্তর ‘রেইনকোট’ গল্পে প্রিন্সিপালের পিওনের নাম ইসহাক।

10 “এগুলো হলো পাকিস্তানের শরীরের কাঁটা।”- কোন প্রসঙ্গে এবং কেন বলা হয়েছে?[Mymensingh · 2025]

উত্তর “এগুলো হলো পাকিস্তানের শরীরের কাঁটা।”- কথাটি প্রিন্সিপাল সাহেব বলেছেন পাকিস্তানি সেনাদেরকে এ দেশের শহিদ মিনার ধ্বংস করার পরিকল্পনা প্রসঙ্গে।
. ‘রেইনকোট’ গল্পে প্রিন্সিপাল ডক্টর আফাজ আহমদ পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর দোসর হিসেবে কাজ করতেন। নানা বুদ্ধিপরামর্শ দিয়ে তিনি তাদের সাহায্য করতেন। তিনি জানতেন এ দেশের শহিদ মিনারগুলো বাঙালির জাতীয় চেতনার প্রতীক। তাই তিনি পাকিস্তানি সেনাদের কাছে বলেছিলেন, “পাকিস্তানকে যদি বাঁচাতে হয় তো সব স্কুল-কলেজ থেকে শহিদ মিনার হটাও। এগুলো হলো পাকিস্তানের শরীরের কাঁটা।” ওই কথার মাধ্যমে দেশ ও জাতির সঙ্গে কতিপয় স্বার্থান্বেষী ব্যক্তির বিশ্বাসঘাতকতার ঘৃণ্য দিকটি প্রকাশিত হয়েছে। এরা ছিল এদেশের স্বাধীনতাবিরোধী।

11 ‘রেইনকোট’ গল্পে আসমা কে?[Jessore · 2025]

উত্তর রেইনকোট’ গল্পে আসমা নুরুল হুদার স্ত্রী।

12 “রাশিয়ায় ছিল জেনারেল উইনটার, আমাদের জেনারেল মনসুন।”- উক্তিটির তাৎপর্য লেখ।[Jessore · 2025]

উত্তর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় প্রচণ্ড শীত রুশ বাহিনীর পক্ষে যেমন অনুকূল হয়েছিল তেমনই আমাদের দেশে বর্ষা মৌসুমও। মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য অনুকূল ছিল- এ বিষয়টি বোঝাতেই প্রশ্নোক্ত উক্তিটি করা হয়েছে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হিটলার বাহিনী প্রচণ্ড শীতের কারণে রুশ বাহিনীর হাতে পর্যুদস্ত হয়েছিল। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশে প্রবল বর্ষায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তেমনই বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে পড়েছিল। নদীমাতৃক বাংলাদেশের ছেলেরা বর্ষার সঙ্গে পরিচিত থাকলেও পাকিস্তানি বাহিনীর কাছে তা ছিল সম্পূর্ণ অজানা বিপদস্বরূপ। কুলির ছদ্মবেশে কলেজে আলমারি দিতে এসে এক গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা বলেছিলেন “বর্ষাকালেই তো জুৎ।” নুরুল হুদার কোনো এক কলিগও একদিন না দুদিন ফিসফিস করে বলেছিলেন, “বাংলার বর্ষা তো শালারা জানে না। রাশিয়ায় ছিল জেনারেল উইনটার, আমাদের জেনারেল মনসুন।” এ কথার মধ্য দিয়ে আসলে বোঝানো হয়েছে যে, মুক্তিযুদ্ধের সময় বর্ষা আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য উপকারী ভূমিকা রেখেছিল।

13 ‘রেইনকোট’ গল্পে উল্লিখিত প্রিন্সিপালের নাম কী?[Jessore · 2024]

উত্তর ‘রেইনকোট’ গল্পে উল্লিখিত প্রিন্সিপালের নাম ড. আফাজ আহমদ।

14 প্রিন্সিপাল মিসক্রিয়েন্টদের পতন কামনা করেন কেন?[Jessore · 2024]

উত্তর প্রিন্সিপাল নিজের স্বার্থসিদ্ধির অভিপ্রায়ে মিসক্রিয়েন্টদের পতন কামনা করেন।

‘রেইনকোট’ গল্পে প্রিন্সিপাল ড. আফাজ আহমদ একজন পাকিস্তানপন্থি শিক্ষক। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় নিজ দেশের শত্রু পাকিস্তানিদের পক্ষে কাজ করেন। তিনি ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের আশায় মূলত তাদের সঙ্গে হাত মেলান। তাই মিসক্রিয়েন্ট তথা মুক্তিযোদ্ধাদের পতন কামনা করেন। মুক্তিযুদ্ধকালে পাকিস্তান সরকার ও তার সেনাবাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদেরকেই মিসক্রিয়েন্ট হিসেবে অভিহিত করেছিল।

15 প্রিন্সিপালের মতে পাকিস্তানের শরীরের কাঁটা কী?[Barisal · 2024]

উত্তর প্রিন্সিপালের মতে পাকিস্তানের শরীরের কাঁটা হলো এ দেশের শহিদ মিনারগুলো।

16 রেইনকোটের ওপর চাবুকের বাড়ি নুরুল হুদার কাছে স্রেফ উৎপাত মনে হচ্ছিল কেন?[Barisal · 2024]

উত্তর রেইনকোটের ওপর চাবুকের বাড়ি নুরুল হুদার কাছে স্রেফ উৎপাত বলে মনে হচ্ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে তার যোগাযোগ আছে এ কথা শুনে অভিভূত হওয়ার কারণে।
‘রেইনকোট’ ‘গল্প কলেজ শিক্ষক নুরুল হুদাসহ অন্যান্য শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর এক কর্মকর্তা কলেজে তলব করে। সেখানে যাওয়ার পর নুরুল হুদার কাছে মুক্তিযোদ্ধাদের তথ্য জানতে চাওয়া হয়। তার সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের আঁতাঁত রয়েছে একথা তিনি অস্বীকার করলেও জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তাকে একটি ঘরে নিয়ে গিয়ে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় ছাদে লাগানো আংটার সঙ্গে। তার শরীরে পাকিস্তানি সেনার অবিরাম পড়তে থাকা চাবুকের বাড়ি তার কাছে স্রেফ উৎপাত বলে মনে হয়। কারণ মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়েছে এই খবর শুনে তিনি অভিভূত হন এবং ভেতরে ভেতরে যোদ্ধা হয়ে ওঠেন।

17 নুরুল হুদা কোন বিষয়ের শিক্ষক ছিলেন?[Dinajpur · 2024]

উত্তর নুরুল হুদা রসায়ন বিষয়ের শিক্ষক ছিলেন।

18 “এগুলো হলো পাকিস্তানের শরীরের কাঁটা।”- বুঝিয়ে লেখ। [Dinajpur · 2024]

উত্তর “এগুলো হলো পাকিস্তানের শরীরে কাঁটা।”- কথাটি প্রিন্সিপাল সাহেব বলেছেন পাকিস্তানি সেনাদেরকে এ দেশের শহিদ মিনার ধ্বংস করার পরিকল্পনা প্রসঙ্গে।
প্রিন্সিপাল ডক্টর আফাজ আহমদ পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর দোসর হিসেবে কাজ করতেন। নানা বুদ্ধি-পরামর্শ দিয়ে তিনি তাদের সাহায্য করতেন। তিনি জানতেন দেশের শহিদ মিনারগুলো বাঙালির জাতীয় চেতনার প্রতীক। তাই তিনি পাকিস্তানি সেনাদের কাছে বলেছিলেন, “পাকিস্তানকে যদি বাঁচাতে হয় তো সব স্কুল-কলেজ থেকে শহিদ মিনার হটাও। এগুলো হলো পাকিস্তানের শরীরের কাঁটা।” উক্ত কথার মাধ্যমে দেশ ও জাতির সঙ্গে কতিপয় স্বার্থান্বেষী ব্যক্তির ‘বিশ্বাসঘাতকতার ঘৃণ্য দিকটি প্রকাশিত হয়েছে।

19 পাকিস্তানের শরীরের কাঁটা কী?[Mymensingh · 2024]

উত্তর প্রিন্সিপালের মতে পাকিস্তানের শরীরের কাঁটা হলো শহিদ মিনারগুলো।

20 পাকিস্তানিরা সিচুয়েশন নরমাল বলে রেডিও-টিভিতে প্রচার চালাত কেন? [Mymensingh · 2024]

উত্তর পাকিস্তানিরা সিচুয়েশন নরমাল বলে রেডিও-টিভিতে প্রচার চালাত দেশের পরিস্থিতি সম্পর্কে মিথ্যা বিবৃতি দিয়ে মানুষকে আশ্বস্ত করার জন্য।

রেইনকোট’ গল্পে লেখক মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ঢাকা শহরের অবস্থা বর্ণনা করেছেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রেডিও-টেলিভিশনে পাকিস্তানি শাসকদের মিথ্যা বিবৃতি প্রচার করা হতো। তারা এর মাধ্যমে দেশ- বিদেশের মানুষকে বোঝাতে চায় যে, দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক। এদেশের মুক্তিকামী মানুষদের মিষ্ক্রিয়ান্ট হিসেবে অভিহিত করে তারা বলে- সব মিসক্রিয়ান্ট খতম অর্থাৎ গণমাধ্যমে মিথ্যা তথ্য দিয়ে মানুষকে আশ্বস্ত করে নিজেদের গদি টিকিয়ে রাখার জন্যই তারা রেডিও-টিভিতে এসব তথ্য প্রচার করে।

21 ‘রেইনকোর্ট’ গল্পে আসমা কে?[Dhaka · 2023]

উত্তর রেইনকোর্ট গল্পে আসমা হচ্ছে নুরুল হুদা এর স্ত্রী।

22 ‘ওই ঘরে আজকাল সহজে কেউ ঘেঁষে না।’—কেন?[Dhaka · 2023]

উত্তর “ওই ঘরে আজকাল সহজে কেউ ঘেঁষে না” – এখানে ঘর বলতে প্রিন্সিপাল ড. আফাজ আহমেদ এর কামরাকে বোঝানো হয়েছে। কারণ ড. আফাজ আহমেদ এর কামরায় মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী কথা উচ্চারিত হয়। প্রিন্সিপাল সর্বদা হিন্দুস্তান ও মিস ক্রিয়েটদের আশু ও অবশ্যম্ভাবী প্রথম সম্বন্ধে নিশ্চিত ভবিষ্যৎবাণী করেন। ফলে জনমনে চলমান মিলিটারীদের প্রতি রোষ তার কন্ঠে শোনা যায় না। মূলত তিনি পাকিস্তানি মিলিটারি বাহিনীর দালাল হিসেবে কাজ করতেন তাই তার ঘরে সহজে কেউ ঘেঁষতে চাইত না।

 23 অফিসের জন্য কয়টি আলমারি কেনা হয়েছিল? [Comilla · 2023]

উত্তর অফিসের জন্য তিনটি আলমারি কেনা হয়েছিল।

24 ঠান্ডা হাওয়ার ধাক্কা রেইনকোটের তাপে গরম হয়ে ওঠার কারণ কী? [Comilla · 2023]

উত্তর ঠান্ডা হওয়ার ধাক্কায় রেইনকোট গরম হয়ে যায় মুক্তিযোদ্ধার চেতনা জেগে ওঠার কারণে।

রেইনকোট গল্পে যখন ঠান্ডা হাওয়া বইছিল তখন নুরুলের ভিতরে একটু ভয় কাজ করছিল। কিন্তু তখনই তার মনে এক সাহসী মুক্তিযোদ্ধার চেতনা জেগে ওঠে যার উত্তপ্ত গরমে রেইনকোট গরম হয়ে যায়।

25 কার জন্য নুরুলহুদাকে এক্সট্রা তটস্থ থাকতে হয়?[Jessore · 2023]

উত্তর মিন্টুর জন্য নুরুলহুদাকে এক্সট্রা তটস্থ থাকতে হয়।

26 “মনে হচ্ছে যেন বৃষ্টি পড়ছে রেইনকোটের উপর” কোন প্রসঙ্গে বলা হয়েছে?[Jessore · 2023]

উত্তর মুক্তিসেনা মিন্টুর রেইনকোটটি পরে ভীতু প্রকৃতির নুরুল হুদার ভেতরে যে চেতনা সঞ্চারিত হয়েছিল, তার নিখুঁত পরিচয় আছে ‘রেইনকোট’ গল্পে।

মুক্তিযোদ্ধা শ্যালক মিন্টুর রেইনকোটটি পরার পর থেকেই ভীতু প্রকৃতির নুরুল হুদার মাঝে সখারিত হয় সাহস ও দেশপ্রেমের এক বিচিত্র অনুভতি। মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে নুরুল হুদার সংযোগ থাকায় তাকে চাবুক দিয়ে পিটিয়ে তথ্য বের করার চেষ্টা চালায় পাকিস্তানি সেনারা। কিন্তু রেইনকোটটির কারণে তার মাঝে যে প্রেরণার সৃষ্টি হয়েছিল, তা যেন তার চাবুকের আঘাতকে ভুলিয়ে দিয়েছিল। নুরুল হুদার কাছে চাবুকের আঘাতের ব্যাপারটি রেইনকোর্টের ওপর বৃষ্টি পড়ার মতোই স্বাভাবিক লাগছিল।

27 ‘রেইনকোট’ গল্পে পিয়নের নাম কী? [Barisal · 2023]

উত্তর ‘রেইনকোট’ গল্পে পিয়নের নাম ইসহাক মিয়া।

28 ‘ক্রাক-ডাউনের রাত’ বলতে কী বোঝায়? [Barisal · 2023]

উত্তর ক্র্যাক ডাউনের রাত বলতে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের ভয়াল কালরাতকে বোঝানো হয়েছে।

২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ঢাকা শহরসহ সারা দেশে অপারেশন সার্চলাইট নামে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। তারা এ দেশের মানুষের ওপর হায়েনার মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং ব্যাপক গণহত্যা চালায়। তারা ঘরে ঘরে ঢুকে মানুষকে ধরে নিয়ে গিয়ে লাইনে দাঁড় করিয়ে গণহারে হত্যা করতে থাকে। ২৫ মার্চের এই ভয়াল রাতকেই ক্র্যাক ডাউনের রাত বলা হয়েছে।

29 ‘রেইনকোট’ গল্পে উল্লিখিত ঢাকা কলেজের প্রিন্সিপালের নাম কী?[Sylhet · 2023]

উত্তর রেইনকোট’ গল্পে উল্লিখিত ঢাকা কলেজের প্রিন্সিপালের নাম ডক্টর আফাজ আহমেদ।

30 “যেন বৃষ্টি পড়ছে মিন্টুর রেইনকোটের ওপর।”—উক্তিটি বুঝিয়ে লেখ।[Sylhet · 2023]

উত্তর যেন বৃষ্টি পড়ছে মিন্টুর রেইনকোটের ওপর”- কথাটি নুরুল হুদা পাকিস্তানি সেনাদের নির্যাতনের সময় নিজের অনুভূতিহীনতার কথা বােঝাতে চেয়েছেন। কলেজ শিক্ষক নুরুল হুদাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কলেজের ক্যাম্পে ডেকে নিয়ে যায়। প্রচণ্ড বৃষ্টি থেকে রক্ষা পেতে নুরুল হুদা শ্যালক মুক্তিযােদ্ধা মিন্টুর রেইনকোটটি পরে সেখানে যায়। সেখানে যাওয়ার পর তার কাছে মুক্তিযােদ্ধাদের তথ্য জানতে চাওয়া হয়। তার সঙ্গে মুক্তিযােদ্ধাদের আঁতাত রয়েছে একথা সে অস্বীকার করলেও জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তাকে একটি ঘরে নিয়ে গিয়ে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় ছাদে লাগানাে একটি আংটার সঙ্গে। পাকিস্তানি সেনার অবিরাম পড়তে থাকা চাবুকের সপাৎ সপাৎ বাড়ি তার কাছে স্রেফ উৎপাত বলে মনে হয়। তার কাছে মনে হয় মিন্টুর রেইনকোটের ওপর যেন অবিরাম ধারায় বৃষ্টি পড়ছে। কারণ মুক্তিযােদ্ধাদের সঙ্গে তার যােগাযােগ রয়েছে এ খবর শুনে সে অভিভূত হয় এবং ভেতরে ভেতরে যােদ্ধা হয়ে ওঠে।

31 প্রিন্সিপাল কাকে তোয়াজ করতেন?[Dinajpur · 2023]

উত্তর প্রিন্সিপাল উর্দুর শিক্ষক আকবর সাজিদকে তোয়াজ করতেন।

32 ক্রাক ডাউনের রাত বলতে কী বোঝানো হয়েছে?[Dinajpur · 2023]

উত্তর “ক্রাক ডাউনের রাত” বলতে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের ভয়াল কালরাতকে বোঝানো হয়েছে।

২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ঢাকা শহরসহ সারা দেশে অপারেশন সার্চলাইট নামে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। তারা এ দেশের মানুষের ওপর হায়েনার মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং ব্যাপক গণহত্যা চালায়। তারা ঘরে ঘরে ঢুকে মানুষকে ধরে নিয়ে গিয়ে লাইনে দাঁড় করিয়ে গণহারে হত্যা করতে থাকে। ২৫ মার্চের এই ভয়াল রাতকেই ক্র্যাক ডাউনের রাত বলা হয়েছে।

33 ‘রেইনকোট’ গল্পে ইসহাক কে?[Chittagong · 2023]

উত্তর ‘রেইনকোট’ গল্পে ইসহাক একজন পিওন।

34 ‘রাশিয়ায় ছিল জেনারেল উইনটার, আমাদের জেনারেল মনসুন।’- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।[Chittagong · 2023]

উত্তর রেইনকোট’ গল্পে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বর্ষা ঋতুর সহায়ক ভূমিকার বিষয়টি বোঝাতে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলা হয়েছে।

ইতিহাস থেকে জানা যায়, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তীব্র শীতের কবলে পড়ে জার্মান বাহিনী রাশিয়ায় পর্যুদস্ত হয়েছিল। গল্পকার শীত ঋতুকে তাই জেনারেল উইনটার বলেছেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় বর্ষা ঋতুর কারণে পাকিস্তানি বাহিনী একইভাবে পর্যুদস্ত হয়েছিল। বাংলার প্রবল ঝড়-বৃষ্টির সাথে হানাদার বাহিনীর পরিচয় ছিল না। ফলে তাদের মুক্তিযোদ্ধাদের পাশাপাশি বর্ষা ঋতুর সাথেও লড়তে হয়েছিল। ‘রেইনকোট’ গল্পে বর্ষা ঋতুকে তাই রাশিয়ার জেনারেল উইনটারের সাথে তুলনা করে জেনারেল মনসুন বলা হয়েছে।

35 ‘রেইনকোট’ গল্পটি কত সালে প্রকাশিত হয়? [Dhaka · 2022]

উত্তর রেইনকোট’ গল্পটি ১৯৯৫ সালে প্রকাশিত হয়।

36 “রাশিয়ার ছিল জেনারেল উইনটার, আমাদের জেনারেল মনসুন।” ব্যাখ্যা কর।[Dhaka · 2022]

উত্তর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় প্রচণ্ড শীত রুশ বাহিনীর জন্য যেমন কল্যাণ বয়ে এনেছিল তেমনই বর্ষা মৌসুম মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সুফল বয়ে আনে— এ কথাটি বোঝাতেই প্রশ্নোক্ত উক্তিটি করা হয়েছে। 

• দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হিটলার বাহিনী প্রচণ্ড শীতের কারণে রুশ বাহিনীর হাতে পর্যুদস্ত হয়েছিল। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের প্রবল বর্ষায় তেমনই বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে পড়েছিল পাকিস্তানি বাহিনী। উক্তিটির মাধ্যমে সেই বিষয়টির কথাই বলা হয়েছে। কুলির ছদ্মবেশে কলেজে আলমারি দিতে এসে এক গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা বলেছিলেন, ‘বর্ষাকালেই তো জুৎ।’ কলেজ শিক্ষক নুরুল হুদার মনে হয়, এ কথার মধ্য দিয়ে ছেলেটি যেন আলোচ্য কথাটিই বলতে চেয়েছে।

37 ‘মিসক্রিয়ান্ট’ শব্দের অর্থ কী?[Mymensingh · 2022]

উত্তর মিসক্ৰিয়ান্ট শব্দের অর্থ দুষ্কৃতকারী ।

38 ‘টুপির তেজ কি পানিতেও লাগল নাকি?’ ব্যাখ্যা কর।[Mymensingh · 2022]

উত্তর মুক্তিযোদ্ধার অর্থাৎ নূরুল হুদার শালা মিন্টুর রেইনকোট পরিধান করে ভীতু নুরুল হুদার মাঝে যে সাহসের সঞ্চার ঘটেছে তারই প্রতিফলন বোঝাতে প্রশ্নোত্তর উক্তিটি করা হয়েছে।রেইনকোট গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র কলেজ শিক্ষক নুরু হুদা ভীতু প্রকৃতির মানুষ। শ্যালক মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেওয়ার পর ভয়েন সে চারবার বাসা বদল করেছে।পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ভয়ে সে ভিত ও সন্ত্রস্ত হয়ে থাকে। একদিন মিন্টুর রেইনকোটপরিধান করর সে সাহসী হয়ে ওঠে।একজন মুক্তিযোদ্ধার রেইনকোট কিভাবে মানুষের মাঝে সাহস উষ্ণতা ও দেশপ্রেমের সঞ্চার করে তার ওই ব্যঞ্জনাময় প্রকাশ ঘটেছে ও প্রশ্নোত্তর উক্তিটির মধ্য দিয়ে।

39 ‘রেইনকোট’ গল্পের উর্দুর প্রফেসরের নাম কী [Rajshahi · 2022]

উত্তর ‘রেইনকোট’ গল্পের উর্দুর প্রফেসরের নাম আকবর সাজিদ ।

40 “রাশিয়ায় ছিল জেনারেল উইন্টার, আমাদের জেনারেল মনসুন”-

বাক্যটির তাৎপর্য বুঝিয়ে লেখ।[Rajshahi · 2022]

উত্তর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় প্রচণ্ড শীত রুশ বাহিনীর জন্য যেমন কল্যাণ বয়ে এনেছিল তেমনই বর্ষা মৌসুম মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সুফল বয়ে আনে— এ কথাটি বোঝাতেই প্রশ্নোক্ত উক্তিটি করা হয়েছে। 

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হিটলার বাহিনী প্রচণ্ড শীতের কারণে রুশ বাহিনীর হাতে পর্যুদস্ত হয়েছিল। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের প্রবল বর্ষায় তেমনই বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে পড়েছিল পাকিস্তানি বাহিনী। উক্তিটির মাধ্যমে সেই বিষয়টির কথাই বলা হয়েছে। কুলির ছদ্মবেশে কলেজে আলমারি দিতে এসে এক গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা বলেছিলেন, ‘বর্ষাকালেই তো জুৎ।’ কলেজ শিক্ষক নুরুল হুদার মনে হয়, এ কথার মধ্য দিয়ে ছেলেটি যেন আলোচ্য কথাটিই বলতে চেয়েছে।

41 “রাশিয়ার ছিল জেনারেল উইনটার, আমাদের জেনারেল ।”- শূন্যস্থানে কী হবে?[Dinajpur · 2022]

উত্তর “রাশিয়ার ছিল জেনারেল উইনটার, আমাদের জেনারেল মনসুन”।

42 “সত্যি বলেছে? আমার নাম বলেছে?”-নুরুল হুদার এ উত্তেজনার কারণ ব্যাখ্যা কর।[Dinajpur · 2022]

উত্তর স্ব ছদ্মবেশী কুলিরা মিলিটারিদের কাছে ধরা পড়ার পর নুরুল হুদার নাম বলেছে শুনে অবাক হয়ে নুরুল হুদা প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন।

‘রেইনকোট; গল্পে নুরুল হুদা একজন ভীতু প্রকৃতির মানুষ। কলেজে মিলিটারির জিজ্ঞাসাবাদে যখন তিনি জানতে পারেন, ছদ্মবেশী মিসক্রিয়ান্টরা তাঁর নাম বলেছে তখন নুরুল হুদা আশ্চর্য হন। মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে তাঁর আঁতাত রয়েছে এটা ভেবে নুরুল হুদা উত্তেজনায় স্থির থাকতে পারেন না। মিসক্রিয়ান্টদের তাঁর প্রতি এত আস্থা তা ভেবেও নুরুল হুদ অবাক হন। এই পরিপ্রেক্ষিতে নুরুল হুদা মিলিটারির সন্দেহের জবাবে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছে।

43 ‘রেইনকোট’ গল্পের পিয়নের নাম কী? [Comilla · 2022]

উত্তর ‘রেইনকোট’ গল্পের পিয়নের নাম ইসহাক মিয়া ।

44 “এগুলো হলো পাকিস্তানের শরীরের কাঁটা।” কথাটি বুঝিয়ে বল।[Comilla · 2022]

উত্তর প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটিতে ভাষাশহিদদের স্মরণে নির্মিত শহিদ মিনার সম্পর্কে পাকিস্তানিদের দোসর প্রিনসিপ্যালের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পেয়েছে ।  

‘রেইনকোট’ গল্পে বর্ণিত প্রিনসিপ্যাল কট্টর পাকিস্তানপন্থি। শিক্ষিত বাঙালি হওয়া সত্ত্বেও তিনি বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিরোধিতা করেন। বাঙালির স্বাধীনতার পথ রুদ্ধ করতে তিনি পাকিস্তানি বাহিনীকে নানারকম পরামর্শ দেন। এরই অংশ হিসেবে, তিনি পাকিস্তানি বাহিনীকে দেশের সকল শহিদ মিনার ভেঙে ফেলার পরামর্শ দেন। তাঁর মতে, শহিদ মিনার মুক্তিযোদ্ধাদের পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে উজ্জীবিত করে তাই এগুলো পাকিস্তানের শরীরের কাঁটা।

45 ‘রেইনকোট’ গল্পে পিয়নের নাম কী? [Jessore · 2022]

উত্তর ‘রেইনকোট’ গল্পের পিয়নের নাম ইসহাক মিয়া।

46 “দেশে একটা কলেজে শহিদ মিনার আর অক্ষত নাই।”-কেন? আলোচনা কর।[Jessore · 2022]

উত্তর পাকিস্তানিদের হামলা ও ধ্বংসযজ্ঞের কারণে দেশে একটা কলেজেও শহিদ মিনার অক্ষত নেই ।

মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে বাংলাদেশের চিত্র ছিল অত্যন্ত ভয়াবহ ও লোমহর্ষক। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বাঙালি জাতিকে চিরতরে ধ্বংস করার জন্য ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চালায়। বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করা এবং এই জাতির ঐতিহ্য ধ্বংস করার জন্য পরিকল্পিতভাবে হামলা করে হানাদাররা। একপর্যায়ে তারা শহিদ মিনারে হামলা চালায়। তাই বলা হয়েছে, নরপশু পাকিস্তানি বাহিনীর ধ্বংসযজ্ঞের কারণে দেশে একটা কলেজেও শহিদ মিনার অক্ষত নেই।

47 নুরুল হুদা কোন বিষয়ের লেকচারার ছিলেন?[Chittagong · 2022]

উত্তর নুরুল হুদা রসায়ন বিষয়ের লেকচারার ছিলেন।

48 “ভালোই হলো। তোমার গোড়ালি পর্যন্ত ঢাকা পড়েছে। পায়েও বৃষ্টি লাগবে না।”- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর। [Chittagong · 2022]

উত্তর প্রশ্নোক্ত উক্তিটি নুরুল হুদার স্ত্রী আসমা নুরুল হুদাকে উদ্দেশ করে বলেছিল। 

নুরুল হুদা বেঁটেখাটো মানুষ। বৃষ্টি থেকে রক্ষা পেতে স্ত্রী আসমা তার ভাই মিন্টুর রেইনকোট নুরুল হুদাকে পরিয়ে দেয়। যেহেতু মিন্টুর উচ্চতা নুরুল হুদার চেয়ে বেশি তাই রেইনকোটে তার গোড়ালি পর্যন্ত ঢেকে যায়। তাই আসমা বলে যে, ভালোই হলো গোড়ালি পর্যন্ত ঢেকে গেছে পায়েও বৃষ্টি লাগবে না ।

49 ‘রেইনকোট’ গল্পের কলেজের পিওনের নাম কী?[Barisal · 2022]

উত্তর ‘রেইনকোট’ গল্পের কলেজের পিওনের নাম ইসহাক মিয়া ।

50 “ভোর রাত থেকে বৃষ্টি”- এই ‘বৃষ্টি’ সম্পর্কে নুরুল হুদার অভিব্যক্তি বর্ণনা কর।[Barisal · 2022]

উত্তর ভোর রাত থেকে হওয়া বৃষ্টি নিয়ে নুরুল হুদার নানা রকম অভিব্যক্তি প্রকাশ পেয়েছে। 

‘রেইনকোট’ গল্পে ভোর রাত থেকে বৃষ্টি নুরুল হুদার মনে নানা রকম অভিব্যক্তি সৃষ্টি করে।তার মনে হয় বৃষ্টির কারণে পরিস্থিতি কিছুটা হলেও শান্ত থাকবে। কেননা, অন্যান্য দিনের মতো গুলির আওয়াজবৃষ্টির কারণে আর হবে না। তাছাড়া বৃষ্টি নিয়ে তার মনে প্রবাদও ঘুরে ফিরে আসে। যেহেতু মঙ্গলবার বৃষ্টি শুরু হয়েছে সেহেতু তিন দিন এই বৃষ্টি থাকবেই বলে মনে করে নুরুল হুদা। ‘বৃষ্টি’ সম্পর্কে এরকম বিভিন্ন অভিব্যক্তি নুরুল হুদার মনে ঘুরেফিরে আসে।

51 “আব্বুকে ছোটো মামার মতো দেখাচ্ছে”- উক্তিটি কার?[Sylhet · 2022]

উত্তর ‘আব্বুকে ছোটো মামার মতো দেখাচ্ছে’- উক্তিটি নুরুল হুদার ছেলের।

52 উর্দুর প্রফেসর আকবর সাজিদকে প্রিন্সিপ্যাল আজকাল তোয়াজ করে কেন? ব্যাখ্যা কর।[Sylhet · 2022]

উত্তর পাকিস্তানি মিলিটারিরা উর্দুভাষী বলে উর্দুর প্রফেসর আকবর সাজিদকে প্রিনসিপ্যাল তোয়াজ করেন। 

প্রিনসিপ্যাল বুঝতে পেরেছেন, পাকিস্তানি মিলিটারিরা প্রফেসর আকবর | সাজিদকে উর্দু জানার কারণে সম্মান করবে। তাই তার সাথে সম্পর্ক ভালো থাকলে মিলিটারির রোষাণল থেকে রেহাই মিলতে পারে। ভেবে তিনি আকবর সাজিদকে আজকাল তোয়াজ করে চলেন।

53 ‘রেইনকোট’ গল্পে পিয়নের নাম কী?[Sylhet · 2019]

উত্তর ‘রেইনকোট’ গল্পে পিয়নের নাম ইসহাক মিয়া।

 54 ‘ক্রাক-ডাউনের রাত’ বলতে কী বোঝায়?[Sylhet · 2019]

উত্তর ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ দিবাগত রাতে পাকিস্তানি বাহিনী ঢাকায় যে ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ ও হত্যাকাণ্ড পরিচালনা করেছিল, ক্রাক-ডাউনের রাত বলতে তাকেই বোঝানো হয়েছে। ১৯৭১ সালে অপ্রত্যাশিতভাবে পাকিস্তানি সেনারা নিরীহ বাঙালির উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তারা ২৫শে মার্চের দিবাগত রাতে ঢাকায় ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ চালায় । এই ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের রাতটিকেই ‘ব্রাক-ডাউনের রাত’ বলা হয়েছে।

 55 ‘উও আপ হি কহ সকতা।’ উক্তিটি কার?[Chittagong · 2019]

উত্তর “উও আপ হি কহ সকতা”— উক্তিটি প্রিনসিপ্যালের পিওন ইসহাক মিয়ার।

56 ‘টুপির তেজ কি পানিতেও লাগল নাকি ?’— বিশ্লেষণ করো।[Chittagong · 2019]

উত্তর মুক্তিযোদ্ধার রেইনকোট পরিধান করে ভীতু নুরুল হুদার মাঝে যে সাহসের সঞ্চার ঘটেছে তারই প্রতিফলন বোঝাতে প্রশ্নোক্ত উক্তিটি করা হয়েছে।

‘রেইনকোট’ গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র কলেজ শিক্ষক নুরুল হুদা ভীতু প্রকৃতির মানুষ। শ্যালক মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেওয়ার পর ভয়ে সে চারবার বাড়ি বদল করেছে। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ভয়ে সর্বদা সে ভীত ও সন্ত্রস্ত হয়ে থাকে। একদিন শ্যালক মিন্টুর রেইনকোট পরিধান করে সে সাহসী হয়ে ওঠে। একজন মুক্তিযোদ্ধার রেইনকোট কীভাবে মানুষের মাঝে সাহস, উষ্ণতা ও দেশপ্রেমের সঞ্চার করে— তারই ব্যঞ্জনাময় প্রকাশ ঘটেছে প্রশ্নোক্ত উক্তিটির মধ্য দিয়ে।

57 মিলিটারি পান্ডা কোথায় বসে ছিল?[Barisal · 2019]

উত্তর মিলিটারি পান্ডা প্রিনসিপ্যালের চেয়ারে বসে ছিল।

 58 নুরুল হুদার কাছে কোন বিষয়টিকে ‘স্রেফ উৎপাত’ বলে মনে হয়? ব্যাখ্যা করো। [Barisal · 2019]

উত্তর পাকিস্তানি মিলিটারিদের নির্যাতন নুরুল হুদার কাছে ‘স্রেফ উৎপাত’ বলে মনে হয়।

‘রেইনকোট’ গল্পে দেখা যায়, মুক্তিযোদ্ধারা ঢাকা কলেজের সামনে বৈদ্যুতিক ট্রান্সফর্মার ধ্বংস করে দেয়। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কলেজের শিক্ষকদের তলব করে এবং তাদের মধ্যে নুরুল হুদা ও আবদুস সাত্তার মৃধাকে গ্রেপ্তার করে নির্যাতন চালিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্ধান পাওয়ার চেষ্টা করে। মুক্তিযোদ্ধা শ্যালকের রেইনকোট পরিধান করার ফলে নুরুল হুদার মাঝে সাহস ও দেশপ্রেমের সঞ্চার ঘটে। মিলিটারিরা তার সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ করলে নুরুল হুদা গর্ব অনুভব করে। মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে আঁতাত রাখার উত্তেজনায় পাকিস্তানি সেনাদের চাবুকের বাড়ি তার কাছে ‘স্রেফ উৎপাত’ বলে মনে হয়।

59 ‘সেই চোখ ভরা ভয়, কেবল ভয়।’— ‘রেইনকোট’ গল্পে কোন চোখের কথা বলা হয়েছে ?[Jessore · 2019]

উত্তর “সেই চোখ ভরা ভয়, কেবল ভয়”— উক্তিটিতে ‘রেইনকোট’ গল্পে বাসের তথাকথিত ক্রিমিনাল লোকদুটোর মধ্যে সর্দার টাইপের লোকের চোখের কথা বলা হয়েছে ।

60 ‘ড্রেসিং টবিলের সামনে দাঁড়িয়ে নিজের নতুনরূপে সে ভ্যাবাচ্যাকা খায়।’— কে, কেন ভ্যাবাচ্যাকা খায়? [Jessore · 2019]

উত্তর নুরুল হুদা একজন মুক্তিযোদ্ধার রেইনকোট পরিধান করায় পাকিস্তানি সেনারা তাঁকেও মুক্তিযোদ্ধা ভেবে আক্রমণ করতে পারে ভেবে তিনি আতঙ্কিত হয়েছেন ।

‘রেইনকোট’ গল্পের প্রধান চরিত্র কলেজ শিক্ষক নুরুল হুদা ভীতু প্রকৃতির মানুষ। কলেজের প্রিনসিপ্যালের নির্দেশে প্রবল বৃষ্টির মাঝেও কলেজে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হন তিনি। বৃষ্টির কারণে মুক্তিযোদ্ধা শ্যালকের রেইনকোট পরিধান করায় তাঁকেও মুক্তিযোদ্ধার মতোই লাগছিল। এ অবস্থায় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী তাঁকে মুক্তিযোদ্ধা ভেবে গ্রেপ্তার করতে পারে। তাই ড্রেসিং টেবিলের সামনে দাঁড়িয়ে নিজের নতুন রূপ দেখে তিনি ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যান ।

61 ‘বর্ষাকালেই তো জুৎ’— কথাটি কে বলেছিল?[Dhaka · 2019]

উত্তর ‘বর্ষাকালেই’ তো জুৎ’— কথাটি বলেছিল কুলির বেশধারী এক মুক্তিযোদ্ধা।

 62 ‘রাশিয়ায় ছিল জেনারেল উইন্টার, আমাদের জেনারেল মনসুন। – ব্যাখ্যা করো।[Dhaka · 2019]

উত্তর ‘রেইনকোট’ গল্পে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বর্ষা ঋতুর সহায়ক ভূমিকার বিষয়টি বোঝাতে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলা হয়েছে। ইতিহাস থেকে জানা যায়, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তীব্র শীতের কবলে পড়ে জার্মান বাহিনী রাশিয়ায় পর্যুদস্ত হয়েছিল। গল্পকার শীত ঋতুকে তাই জেনারেল উইনটার বলেছেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় বর্ষা ঋতুর কারণে পাকিস্তানি বাহিনী একইভাবে পর্যুদস্ত’ হয়েছিল। বাংলার প্রবল ঝড়-বৃষ্টির সাথে হানাদার বাহিনীর পরিচয় ছিল না। ফলে তাদের মুক্তিযোদ্ধাদের পাশাপাশি বর্ষা ঋতুর সাথেও লড়তে হয়েছিল। ‘রেইনকোট’ গল্পে বর্ষা ঋতুকে তাই রাশিয়ার জেনারেল উইনটারের সাথে তুলনা করে জেনারেল মনসুন বলা হয়েছে। 

63 ‘মিসক্রিয়ান্ট’ শব্দের অর্থ কী?[Barisal · 2017]

উত্তর ‘মিসক্রিয়ান্ট’ শব্দের অর্থ- দুষ্কৃতকারী।

64 ‘মনে হচ্ছে যেন বৃষ্টি পড়ছে রেইনকোটের ওপর’- উক্তিটি দ্বারা লেখক কী বোঝাতে চেয়েছেন?[Barisal · 2017]

উত্তর মুক্তিসেনা মিন্টুর রেইনকোটটি পরে ভীতু প্রকৃতির নুরুল হুদার ভেতরে যে চেতনা সঞ্চারিত হয়েছিল তার নিখুঁত পরিচয় আছে ‘রেইনকোট’ গল্পে।

মুক্তিযোদ্ধা শ্যালক মিন্টুর রেইনকোটটি পরার পর থেকেই ভীতু প্রকৃতির নুরুল হুদার মাঝে সঞ্চারিত হয় সাহস ও দেশপ্রেমের এক বিচিত্র অনুভূতি। মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে নুরুল হুদার সংযোগ থাকায় তাকে চাবুক দিয়ে পিটিয়ে তথ্য বের করার চেষ্টা চালায় পাকিস্তানি সেনারা। কিন্তু রেইনকোটটির কারণে তার মাঝে যে প্রেরণার সৃষ্টি হয়েছিল তা যেন তার চাবুকের আঘাতকে ভুলিয়ে দিয়েছিল। নুরুল হুদার কাছে চাবুকের আঘাতের ব্যাপারটি রেইনকোটের ওপর বৃষ্টি পড়ার মতোই স্বাভাবিক লাগছিল।

65 ‘রেইনকোট’ গল্পটি কত সালে প্রকাশিত হয়?[Jessore · 2017]

উত্তর ‘রেইনকোট’ গল্পটি ১৯৯৫ সালে প্রকাশিত হয়।

66 ‘যেন বৃষ্টি পড়ছে মিন্টুর রেইনকোটের ওপর’- বাক্যটি বুঝিয়ে লেখ।[Jessore · 2017]

উত্তর মুক্তিসেনা মিন্টুর রেইনকোটটি পরে ভীতু প্রকৃতির নুরুল হুদার ভেতরে যে চেতনা সঞ্চারিত হয়েছিল তার নিখুঁত পরিচয় আছে ‘রেইনকোট’ গল্পে।

মুক্তিযোদ্ধা শ্যালক মিন্টুর রেইনকোটটি পরার পর থেকেই ভীতু প্রকৃতির নুরুল হুদার মাঝে সঞ্চারিত হয় সাহস ও দেশপ্রেমের এক বিচিত্র অনুভূতি। মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে নুরুল হুদার সংযোগ থাকায় তাকে চাবুক দিয়ে পিটিয়ে তথ্য বের করার চেষ্টা চালায় পাকিস্তানি সেনারা। কিন্তু রেইনকোটটির কারণে তার মাঝে যে প্রেরণার সৃষ্টি হয়েছিল তা যেন তার চাবুকের আঘাতকে ভুলিয়ে দিয়েছিল। নুরুল হুদার কাছে চাবুকের আঘাতের ব্যাপারটি রেইনকোটের ওপর বৃষ্টি পড়ার মতোই স্বাভাবিক লাগছিল।

67 ‘রেইনকোট’ গল্পের কথকের নাম কী?[Comilla · 2017]

উত্তর ‘রেইনকোট’ গল্পের কথকের নাম নুরুল হুদা।

68 ‘রাশিয়ায় ছিল জেনারেল উইনটার, আমাদের জেনারেল মনসুন’- ব্যাখ্যা করো।[Comilla · 2017]

উত্তর ‘রেইনকোট’ গল্পে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযুদ্ধাদের জন্য বর্ষাঋতুর সহায়ক ভূমিকার বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে।

ইতিহাস থেকে জানা যায়, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় প্রচণ্ড শীতের কবলে পড়ে জার্মান বাহিনী রাশিয়ায় পর্যুদস্ত হয়েছিল। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় বর্ষাঋতুর কারণে পাকবাহিনী একইভাবে পর্যুদস্ত হয়েছিল। বাংলার প্রবল ঝড়-বৃষ্টির সাথে হানাদার বাহিনীর পরিচয় ছিল না। ফলে তাদেরকে মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে সাথে বর্ষাঋতুর সাথেও লড়তে হয়েছিল। ‘রেইনকোট’ গল্পে বর্ষাঋতুকে তাই জেনারেলের সাথে তুলনা করা হয়েছে।

69 ’রেইনকোট’ গল্পটি কার লেখা?[Rajshahi · 2017]

উত্তর ‘রেইনকোট’ গল্পটি লিখেছেন- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস।

70 ‘ক্রাক-ডাউনের’ রাতে কী ঘটেছিল?[Rajshahi · 2017]

উত্তর ক্রাক-ডাউনের রাতে নিরীহ বাঙালির ওপর ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল।

পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বাঙালি শোষণ-নির্যাতনের শিকার হতে থাকে। ১৯৭১ সালের ২৫ শে মার্চ দিবাগত রাতে তা চূড়ান্ত আকার ধারণ করে। এ সময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ঢাকার নিরস্ত্র মানুষের ওপর ভয়াবহ গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ পরিচালনা করে। সে রাতের ভয়াবহতা বোঝাতে ‘ক্লাক ডাউনের রাত’ কথাটি বলা হয়েছে।