01 সাংবাদিকতা ছেড়ে কবি আল মাহমুদ কোথায় যোগদান করেন? [রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ · 2026]
উত্তর সাংবাদিকতা ছেড়ে কবি আল মাহমুদ বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে যোগদান করেন।
02 ‘এক অখ্যাত স্টেশনে কুয়াশায় কাঁপছি।’ কথাটি বুঝিয়ে দাও। [রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ · 2026]
উত্তর কবি শহরে যাওয়ার শেষ ট্রেনটিতে উঠতে না পেরে শীতের রাতে স্টেশনে বসে থাকা প্রসঙ্গে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন।
‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতায় কবি শহরে যাওয়ার শেষ ট্রেনটিতে উঠতে পারেননি। ট্রেনে যাদের সঙ্গে তাঁর শহরে যাওয়ার কথা ছিল তারা তাঁকে হাত নেড়ে সান্ত্বনা জানায়। কবির ট্রেন ধরতে না পারাটা তাঁর কাছে পরাজয়ের মতো মনে হয়। যে গ্রামটিতে রেলস্টেশন সেই গ্রামটি বেশি খ্যাত নয়। তাই সেই স্টেশনকেও কবি অখ্যাত বলেছেন। আর শীতের সকালে সেখানে বসে শহরে যেতে না পারার গ্লানি অনুভব করা প্রসঙ্গে কবি প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেন।
03 কে মালপত্র তুলে দিয়ে চাকরকে টিকিট কিনতে পাঠায়? [মাইলস্টোন কলেজ, ঢাকা · 2026]
উত্তর লাইলী মালপত্র তুলে দিয়ে চাকরকে টিকিট কিনতে পাঠায়।
04 ‘ছড়ানো ছিটানো ঘরবাড়ি, গ্রাম’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?-ব্যাখ্যা করো। [মাইলস্টোন কলেজ, ঢাকা · 2026]
উত্তর ‘ছড়ানো ছিটানো ঘরবাড়ি, গ্রাম’ বলতে কবি তাঁর হতাশা প্রকৃতির বিক্ষিপ্ত উপাদানের সাথে মিশিয়ে উপস্থাপনাকে বোঝাতে চেয়েছেন।
কবি সাত মাইল হেঁটে গিয়ে রাতের শেষ ট্রেনটি ধরতে ব্যর্থ হয়েছেন। পরাজয়ের গ্লানি নিয়ে স্বগৃহে প্রত্যাবর্তন কবির জন্য ভীষণ লজ্জাকর ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। কবি তাঁর পরাজয়ের হতাশা প্রকৃতির নানা অনুষঙ্গের মধ্যে মিশিয়ে দিয়েছেন। এজন্য চিরপরিচিত প্রকৃতি ও প্রতিবেশ- ঘরবাড়ি, গ্রাম তার কাছে বিক্ষিপ্ত মনে হচ্ছে। আলোচ্য পঙক্তিতে কবির পরাজয়ের গ্লানিকে তিনি প্রকৃতির অনুষঙ্গের মাঝে দেখতে পেয়েছেন।
05 কবির চোখের পাতায় কী জমবে? [সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ, চট্টগ্রাম · 2026]
উত্তর কবির চোখের পাতায় শীতের বিন্দু জমবে।
06 “দারুণ ভয়ের মতো ভেসে উঠবে আমাদের আটচালা।”-কবির এ অনুভূতির কারণ কী? [সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ, চট্টগ্রাম · 2026]
উত্তর “দারুণ ভয়ের মতো ভেসে উঠবে আমাদের আটচালা”- বাড়ি ফিরে যাওয়া কবির কাছে একই সাথে লজ্জা ও ভয়ের বোঝাতে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলা হয়েছে।
‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতায় কবি রেলস্টেশনে পৌছাতে পৌঁছাতেই ট্রেন ছেড়ে দেয়। এতে তিনি হতাশ হয়ে তাঁর বাবা-মায়ের কথা মনে করেন। বাবা তাঁকে স্টেশনে আসার সময় তাড়া দিচ্ছিলেন। তিনি তাঁর প্রস্তুতি দেখেই অনুমান করেছিলেন যে শেষ ট্রেন ধরতে পারবেন না। আর মাও চেয়েছিলেন কবি যেন বই নিয়ে রাত কাটিয়ে দেন যাতে সময়মতো গিয়ে রেলগাড়ি ধরতে পারেন। কিন্তু তিনি ট্রেন ধরতে না পেরে বাড়িতে ফিরে আসেন। কবি তাঁর এ বাড়ি ফেরাকে লজ্জা হিসেবে দেখেছেন। ফলে বাড়ির কাছাকাছি গিয়ে তাঁদের আটচালা ঘরটি দেখে কবির মধ্যে ভয় কাজ করে।
07 কে মালপত্র তুলে দিয়ে চাকরকে টিকিট কিনতে পাঠায়? [জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, সিলেট · 2026]
উত্তর লাইলী মালপত্র তুলে দিয়ে চাকরকে টিকিট কিনতে পাঠায়।
08 “এক অখ্যাত স্টেশনে কুয়াশায় কাঁপছি।”- ব্যাখ্যা করো।[জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, সিলেট · 2026]
উত্তর
কবি শহরে যাওয়ার শেষ ট্রেনটিতে উঠতে না পেরে শীতের রাতে স্টেশনে বসে থাকা প্রসঙ্গে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন।
‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতায় কবি শহরে যাওয়ার শেষ ট্রেনটিতে উঠতে পারেননি। ট্রেনে যাদের সঙ্গে তাঁর শহরে যাওয়ার কথা ছিল তারা তাঁকে হাত নেড়ে সান্ত্বনা জানায়। কবির ট্রেন ধরতে না পারাটা তাঁর কাছে পরাজয়ের মতো মনে হয়। যে গ্রামটিতে রেলস্টেশন সেই গ্রামটি বেশি খ্যাত নয়। তাই সেই স্টেশনকেও কবি অখ্যাত বলেছেন। আর শীতের সকালে সেখানে বসে শহরে যেতে না পারার গ্লানি অনুভব করা প্রসঙ্গে কবি প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেন।
09 প্রত্যাবর্তিত কবিকে দেখে তার বাবা কী পড়বেন?
উত্তর প্রত্যাবর্তিত কবিকে দেখে তাঁর বাবা পড়বেন- ফাবি আইয়ে আলা ই-রাব্বিকুমা তুকাজ্বিবান…।
10 ‘আর আমি মাকে জড়িয়ে ধরে আমার প্রত্যাবর্তনের লজ্জাকে ঘষে ঘষে তুলে ফেলবো।’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে? উত্তর
➤ ‘আর আমি মাকে জড়িয়ে ধরে আমার প্রত্যাবর্তনের লজ্জাকে ঘষে ঘষে তুলে ফেলবো।’- এ কথা বলতে কবি শহরে যেতে না পেরে ফিরে আসার ব্যর্থতা ও লজ্জা মায়ের আশ্রয়ে মুছে ফেলার দিকটি বুঝিয়েছেন। ➤ ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতায় কবি শহরে যাওয়ার জন্য রেলস্টেশনে পৌঁছাতে পৌঁছাতেই ট্রেন ছেড়ে দেয়। ফলে একরকম পরাজয়ের গ্লানি নিয়ে তাঁকে ভোররাতেই বাড়ির দিকে যাত্রা করতে হয়েছে। এমন প্রত্যাবর্তন কবির কাছে লজ্জার। তাই এ লজ্জাকে দূর করার জন্য মায়ের পরশকে কাজে লাগাবেন বলে কবি প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন।
সারকথা: কবি শহবে যেতে না পারার ব্যর্থতাকে মুছে ফেলতে চান মায়ের আশ্রয়ে।
11 আল মাহমুদ দীর্ঘদিন কোন পেশার সঙ্গে জড়িত ছিলেন?
উত্তর আল মাহমুদ দীর্ঘদিন সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।’
12 ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতায় কে কবিকে তাড়া দিচ্ছিলেন? ব্যাখ্যা কর। উত্তর
➤ কবির বাবা কবিকে তাড়া দিচ্ছিলেন। ➤ ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতায় শহরে যাওয়ার শেষ ট্রেনে উঠতে না পেরে কবি হতাশ হয়ে পড়েন। ট্রেন ধরতে না পারার হতাশায় কবির তখন মনে পড়ে বাবা-মায়ের কথাগুলো। শীতের কুয়াশায় স্টেশনে বসে কাঁপতে কাঁপতে কবির স্মৃতিপটে ভেসে ওঠে বাড়ি থেকে আসার সময় তাঁর বাবা তাঁকে তাড়া দিচ্ছিলেন। কারণ কবির প্রস্তুতি দেখে তিনি চিন্তিত ছিলেন যে কবি গাড়ি পাবেন কি না। তাই কবির বাবা তাঁকে এ ব্যাপারে তাড়া দিচ্ছিলেন।
সারকথা: শহরে যাওয়ার প্রস্তুতি দেখে কবির বাবার মনে সংশয় স্টেশনে গিয়ে তিনি গাড়ি পাবেন কি। তাই তিনি তাঁকে তাড়া দিচ্ছিলেন।
13 নীলবর্ণ আলোর সংকেত কী?
উত্তর নীলবর্ণ আলোর সংকেত হলো ট্রেন ছেড়ে দেওয়ার সংকেত।
14 অথচ জাহানারা কোনদিন ট্রেন ফেল করে না।”- ব্যাখ্যা কর।
উত্তর
➤ “অথচ জাহানারা কোনদিন ট্রেন ফেল করে না।”- এ পক্তিটির মাধ্যমে কবি কোথাও যাওয়ার ক্ষেত্রে নিজের বেখেয়ালের দিকটির তুলনা করেছেন। ➤ ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতায় কবি সময়মতো স্টেশনে পৌঁছাতে না পারায় শহরে যাওয়ার শেষ ট্রেনে উঠতে পারেননি। ফলে হতাশায় তিনি বাবা-মায়ের কথা স্মরণ করতে থাকেন। বাড়ি থেকে আসার সময় বাবা তাঁকে তাড়া দিচ্ছিলেন। কেননা তাঁর সংশয় ছিল আদৌ কবি ট্রেন ধরতে পারবেন কি না। কবির বাবার এমন সংশয়ই অবশেষে ফলে যায়। কারণ তিনি সত্যি সত্যি ট্রেন ফেল করলেন। অথচ বোন জাহানারা কখনো তাঁর মতো ট্রেন ফেল করে না। অথচ তার ভাই হয়েও কবি ট্রেন ফেল করেছেন।
রকসাথা: ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতায় কবি সময়মতো স্টেশনে পৌছাতে না পারায় ট্রেনে উঠতে পারেননি। অথচ তাঁরই বোন জাহানারা কোনোদিন ট্রেন ফেল করে না।
15 ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতাটি কোন ঢংয়ে রচিত?
উত্তর ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতাটি সংলাপ এবং গল্প বলার ঢংয়ে রচিত।
16 “কুয়াশার শাদা পর্দা দোলাতে দোলাতে আবার আমি ঘরে ফিরবো।”- ব্যাখ্যা কর। উত্তর
➤ কবি শীতের কুয়াশার মধ্য দিয়ে পুনরায় ঘরে ফিরবেন বোঝাতে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন। ➤ ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতায় কবি শহরে যাওয়ার শেষ গাড়ি ফেল করেন। শীতের সকালে তখন তার মনে হয় তিনি পুনরায় ফিরে যাবেন। শীতের সকালের কুয়াশাকে তিনি সাদা পর্দা বলে ভাবেন। আর এই কুয়াশার মধ্য দিয়ে পার হয়ে যাওয়াকে তিনি বলেছেন- “কুয়াশার শাদা পর্দা দোলাতে দোলাতে আবার আমি ঘরে ফিরবো।”
সারকথা: কবি কুয়াশাকে সাদা পর্দার সঙ্গে তুলনা করেছেন। আর তিনি সেই সাদা পর্দা দোলাতে দোলাতে পুনরায় গ্রামে যাবেন।
17 কে মালপত্র তুলে দিয়ে চাকরকে টিকিট কিনতে পাঠায়?
উত্তর লাইলী মালপত্র তুলে দিয়ে চাকরকে টিকিট কিনতে পাঠায়।
18 “এক অখ্যাত স্টেশনে কুয়াশায় কাঁপছি।” ব্যাখ্যা কর। উত্তর
➤ কবি শহরে যাওয়ার শেষ ট্রেনটিতে উঠতে না পেরে শীতের রাতে স্টেশনে বসে থাকা প্রসঙ্গে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন। ➤ ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতায় কবি শহরে যাওয়ার শেষ ট্রেনটিতে উঠতে পারেননি। ট্রেনে যাদের সঙ্গে তাঁর শহরে যাওয়ার কথা ছিল তারা তাঁকে হাত নেড়ে সান্ত্বনা জানায়। কবির ট্রেন ধরতে না পারাটা তাঁর কাছে পরাজয়ের মতো মনে হয়। যে গ্রামটিতে রেলস্টেশন সেই গ্রামটি বেশি খ্যাত নয়। তাই সেই স্টেশনকেও কবি অখ্যাত বলেছেন। আর শীতের সকালে সেখানে বসে গ্লানি অনুভব করা প্রসঙ্গে কবি প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেন।
সারকথা: শহরে যাওয়ার শেষ ট্রেন ধরতে ও না পারায় শীতের রাতে স্টেশনে বসে কবি প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন।
19 ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?
উত্তর ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতাটি ‘সোনালী কাবিন’ কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে।
20 প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতায় কারা কবিকে হাত নেড়ে সান্তনা দিচ্ছিল? ব্যাখ্যা কর। উত্তর
➤ যাদের সঙ্গে একত্রে শহরে যাওয়ার কথা ছিল তারা কবিকে হাত নেড়ে সান্ত্বনা দিচ্ছিল। ➤ ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতায় কবি গ্রাম ছেড়ে শহরে যেতে চেয়েছেন। তিনি স্টেশনে পৌঁছাতে পৌঁছাতেই শহরে যাওয়ার শেষ ট্রেনটি ছেড়ে দেয়। যাদের সঙ্গে কবির শহরে যাওয়ার কথা ছিল তারা ট্রেনের জানালা দিয়ে তাকিয়ে তাঁকে সান্ত্বনা দেয়। কারণ কবি ট্রেনে উঠতে না পারায় তারাও উৎকণ্ঠিত হয়। কবির মনের হতাশার কথা চিন্তা করেই তারা যেন হাত নেড়ে তাঁকে সান্ত্বনা দেয়।
সারকথা: কবি শহরে যাওয়ার শেষ ট্রেনে উঠতে না পেরে হতাশ হন। তাই যাদের সঙ্গে তাঁর শহরে যাওয়ার কথা ছিল তারা কবিকে হাত নেড়ে সান্ত্বনা দেয়।
21 ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতাটি কে লিখেছেন?
উত্তর প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতাটি কবি আল মাহমুদ লিখেছেন।
22 “প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতার মা কীভাবে একই সঙ্গে প্রকৃতিরও প্রতিমূর্তি হয়ে উঠেছেন”- ব্যাখ্যা কর। উত্তর
➤ ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতার মা একই সঙ্গে প্রকৃতিরও প্রতিমূর্তি হয়ে উঠেছেন স্বদেশের প্রতি কবির গভীর অনুরাগের মাধ্যমে। ➤ ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতায় কবি শহর বা নাগরিক জীবনের প্রতি অনাগ্রহ দেখিয়েছেন। স্টেশনে গিয়ে শহরে যাওয়ার শেষ ট্রেনে উঠতে পারেননি। তখন তিনি কল্পনায় বাড়ি ফিরে গিয়ে মায়ের হাসি-মাখা মুখ দেখতে পেয়েছেন। শেষ ট্রেন ধরতে না পারার ব্যর্থতা তিনি মাকে জড়িয়ে ধরে মুছে ফেলতে চেয়েছেন। কবির এই যা একই সঙ্গে তাঁর জন্মভূমির প্রকৃতি হয়ে উঠেছেন। প্রকৃতি যেন ভাঁকে সাদরে গ্রহণ করেছে; আর এ প্রকৃতিকে জড়িয়েই যেন কবি নিজের প্রত্যাবর্তনের লজ্জা ভুলে যাবেন।
সারকথা: ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতায় কবি শহরের জীবনে খাপ খাওয়াতে একই সঙ্গে তাঁর জন্মভূমির গ্রামীণ প্রকৃতির অন্যরূপ। ত না পেরে তাঁর মায়ের কাছে ফিরে যেতে চেয়েছেন। তাঁর এই মা
23 ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতায় ‘শীতের বিন্দু’ কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
উত্তর প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতায় ‘শীতের বিন্দু’ শীতের শিশির অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
24 পরাজয়ের গ্লানি নিয়ে ভোর রাতে কবির বাড়ি ফেরার বিষয়টি ব্যাখ্যা কর। উত্তর
➤ শহরে যাওয়ার ট্রেন ফেল করে কবি পরাজয়ের গ্লানি নিয়ে ভোর রাতে বাড়ি ফিরতে চান। ➤ ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতায় কবি শহরে যাওয়ার শেষ ট্রেনটি ফেল করেন। ট্রেন ধরতে না পারার হতাশায় কবি পরাজয়ের গ্লানি বোধ করতে থাকেন। কবির আসলে ট্রেন ফেল করার চেয়ে মূল গ্লানি হলো নগর জীবনের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে না পারা। তাঁর কাছে গ্রামীণ সহজ-সরল জীবনই পরম স্বস্তির। মূলত নগর জীবন থেকে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার বিষয়টি হলো পরাজয়ের গ্লানি।
সারকথা: নগর জীবনের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে না পারার গ্লানি নিয়ে কবি ভোর রাতে বাড়ি ফেরেন। এ বিষয়টিই বোঝানো হয়েছে প্রগোস্ত চরণে।
25 কে না থাকলে ঘরবাড়ি শূন্য হয়ে যায়?
উত্তর কবি না থাকলে ঘরবাড়ি শূন্য হয়ে যায়।
26 ‘আর আমি এদের ভাই’- এ কথাটি কবি কেন উল্লেখ করেছেন? বুঝিয়ে লেখ। উত্তর
➤ ‘আর আমি এদের ভাই’- এ কথাটি কবি তাঁর ভাই-বোনদের সঙ্গে নিজের তুলনা করতে উল্লেখ করেছেন। ➤ ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতায় কবি শহরে যাওয়ার শেষ ট্রেনটি ধরার জন্য রেলস্টেশনে পৌছাতে পৌঁছাতেই ট্রেন ছেড়ে দেয়। 17 ট্রেন ধরতে না পারার হতাশায় কবির মনে পড়ে বাবা-মায়ের কথাগুলো। নিজের ভাই-বোনদের সতর্ক ও সচেতন প্রস্তুতির স্মৃতিও তাঁর মনে জাগ্রত হয়। তাঁর বোন জাহানারা কোনোদিন ট্রেন ফেল করে না, ফরহাদ আধা ঘন্টা আগেই স্টেশনে পৌঁছে যায়। লাইলীও এ ব্যাপারে খুব সচেতন। আর নাহার কোথাও যাওয়ার কথা থাকলে আনন্দে ভাত পর্যন্ত খেতে পারে না। অথচ তাদের ভাই হয়ে কবি ট্রেন ফেল করে বসে আছেন।
সারকথা: কবির ভাই-বোনদের মতো কবি সতর্ক নন, ফলে তিনি ঠিক সময়ে ট্রেনে উঠতে পারেননি।
27 স্টেশনে আসার সময় কে কবিকে তাড়া দিয়েছিলেন?
উত্তর স্টেশনে আসার সময় কবির বাবা কবিকে তাড়া দিয়েছিলেন।
28 এক নিঃস্বপ্ন নিদ্রায় আমি নিহত হয়ে থাকলাম।”- ব্যাখ্যা কর।
উত্তর
➤ “এক নিঃস্বপ্ন নিদ্রায় আমি নিহত হয়ে থাকলাম”- বলতে কবির স্বপ্নহীন ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে থাকার দিকটি বোঝানো হয়েছে।
➤ ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতায় কবি নাগরিক জীবন অপেক্ষা গ্রামীণ জীবনকেই পরম স্বস্তির জায়গা বলে বেছে নিয়েছেন। ফলে তিনি গ্রাম ছেড়ে শহরে যেতে রাজি ছিলেন না। আর এজন্যই শহরমুখী যাত্রায় তাঁর তেমন কোনো আগ্রহ ছিল না। শহরে যাওয়ার বিষয়কে তিনি স্বপ্নহীন মনে করেছিলেন, কারণ শহর নিয়ে তাঁর কোনো স্বপ্নটা ছিল না, আশা ছিল না। তাঁর সব স্বপ্ন ছিল গ্রামীণ নিসর্গকে নিয়ে, মাতৃভূমির নির্মল প্রকৃতিকে নিয়ে। তাই তিনি শহর যাত্রার আগে স্বপ্নহীন ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলেন।
সারকথা: কবির স্বপ্ন ছিল গ্রামীণ নিসর্গকে নিয়ে, মাতৃভূমির নির্মল প্রকৃতিকে নিয়ে।
29 কবি কয় মাইল হেঁটেছিলেন?
উত্তর কবি সাত মাইল হেঁটেছিলেন।
30 “আর আমি এদের ভাই।”- একথা কবি কোন প্রসঙ্গে কেন বলেছিলেন? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর
➤ “আর আমি এদের ভাই।”- এ কথটি কবি তাঁর ভাইবোনদের সঙ্গে নিজের তুলনা করতে বলেছিলেন।
➤ প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতায় কবি স্টেশনে পৌঁছাতে পৌছাতে ট্রেন ছেড়ে দেয়। তখন হতাশায় কবির বাবা-মায়ের কথাগুলো ‘ মনে পড়ে। নিজের ভাইবোনদের সতর্ক ও সচেতন প্রস্তুতির স্মৃতিও কবির মনে জাগ্রত হয়। তাঁর বোন জাহানারা কোনোদিন ট্রেন ফেল করে না, ফরহাদ আধা ঘণ্টা আগেই স্টেশনে পৌঁছে যায়। লাইলীও এ ব্যাপারে খুব সচেতন। আর নাহার কোথাও যাওয়ার কথা থাকলে আনন্দে ভাত পর্যন্ত খেতে পারে না। অথচ তাদের ভাই হয়ে কবি ট্রেন ফেল করে বসে আছেন।
সারকথা: কবির ভাইবোনদের মতো কবি সচেতন ও সতর্ক নন, এ বিষয়টি বোঝাতেই কবি প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছিলেন।
