01 ফিরিঙ্গি কী? [সরকারি আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া · 2026]
উত্তর ফিরিঙ্গি হলো ফরাসি বা ইউরোপিয়ান।
02 সর্দারজিকে লেখকের ভালো লাগার কারণ কী?- ব্যাখ্যা করো। [সরকারি আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া · 2026]
উত্তর স্পষ্টভাষী ও সতর্কতামূলক উপদেশ দেওয়ার কারণেই সর্দারজিকে লেখকের ভালো লাগে।
লেখকের দৃষ্টিতে সর্দারাজি একজন সহজ-সরল মানুষ কিন্তু বিচক্ষণ। তিনি তার কর্মজীবনে বিচিত্র অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। তিনি লেখককে তার জীবনে অর্জিত কিছু অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করেন। লেখক সর্দারজির কাছে অপরিচিত ব্যক্তি হলেও তিনি সাবলীল ভাষায় কথা বলেন। তার ভাবগম্ভীর ব্যবহার, দৃষ্টিভঙ্গি ও বিচক্ষণতা লেখকের মনে গভীর অনুরাগের সৃষ্টি করে। তাই সর্দারজিকে লেখকের ভালো লাগে।
03 ফিরিঙ্গি কী?
উত্তর ফিরিঙ্গি অর্থ ফরাসি বা ইউরোপিয়ান। তবে ব্রিটিশশাসিত ভারতবর্ষে সাদা চামড়ার বিদেশি মাত্রই ফিরিঙ্গি বলে অভিহিত হতেন
04 সর্দারজিকে লেখকের ভালো লাগার কারণ কী?
উত্তর ➤ লেখকের একাকী যাত্রায় সঙ্গ দেওয়া সর্দারজি ছিলেন লেখকের ঠাকুরদার বয়সি। তাই সর্দারজিকে লেখকের ভালো লাগে।
➤ ‘গন্তব্য কাবুল’ রচনায় লেখক হাওড়া স্টেশন থেকে যাত্রা শুরু করলে গাড়িতে থাকা এক সর্দারজি তার সঙ্গে কথা আরম্ভ করেন। সর্দারজি ছিলেন লেখকের ঠাকুরদার বয়সি আর তার দাড়ি-গোঁফের ভেতর ছিল অতি মিস্ট মোলায়েম হাসি। একাকী ওই যাত্রায় সর্দারজির মতো একজন আলাপী মানুষ পেয়ে লেখক মনে সাহস পান, আর এর ফলেই সর্দারজিকে লেখকের ভালো লাগে।
সারকথা: একাকী কাবুল যাত্রায় ঠাকুরদার বয়সি সর্দারজির সঙ্গে আলাপ করতে পেরে তাকে লেখকের ভালো লাগে।
05 কার ভ্রমণের আগ্রহ ক্রমেই চুপসে আসছিল?
উত্তর লেখকের ভ্রমণের আগ্রহ ক্রমেই চুপসে আসছিল।
06 ‘গাঁক গাঁক করে ইংরেজি বলা’ বলতে লেখক কী বুঝিয়েছেন? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর ➤ ‘গাঁক গাঁক করে ইংরেজি বলা’ বলতে লেখক বাক্যের শুরুতে অপেক্ষাকৃত বেশি জোর দিয়ে ইংরেজি বলাকে বুঝিয়েছেন।
➤ ‘গন্তব্য কাবুল’ রচনায় হাওড়া স্টেশনে এক ফিরিঙ্গি লেখককে হেঁকে বলেছিলেন যে স্টেশনের গাড়িটি ইউরোপিয়ানদের জন্য। তখন লেখক গাঁক গাঁক করে তাকে বলেছিলেন যে ইউরোপিয়ান তো কেউ নেই। লেখকের জানা মতে- বাংলা শব্দের অন্ত্যদেশে অনুম্বার যোগ করলে সংস্কৃত হয়, আর ইংরেজি শব্দের শুরুতে জোর দিয়ে কথা বললে সাহেবি ইংরেজি হয়। এক্ষেত্রে প্রথম সিলেবলে অ্যাকসেন্ট দেওয়ায় পরের উচ্চারণের ত্রুটি ঘুচে যায়। এই বিষয়টিকেই লেখক সোজা বাংলায় ‘গাঁক গাঁক করে ইংরেজি বলা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
সারকথা: ইংরেজি শব্দের শুরুতে জোর দিয়ে ইংরেজিতে কথা বলাকে লেখক গাঁক গাঁক করে ইংরেজি বলা হিসেবে অভিহিত করেছেন।
07 জলন্ধরে শিলওয়ার বানাতে কত গজ কাপড় লাগে?
উত্তর জলন্ধরে শিলওয়ার বানাতে সাড়ে চার গজ কাপড় লাগে।
08 “ব্রাদারলি ডিভিশন করে আলাকার্ত ভোজন” বলতে লেখক কী বুঝিয়েছেন? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর ➤ “ব্রাদারলি ডিভিশন করে আলাকার্ত ভোজন” বলতে লেখক খাদ্য তালিকা অনুযায়ী সবকিছু মিলিয়ে যার যা খুশি খাওয়া বুঝিয়েছেন।
➤ ‘গন্তব্য কাবুল’ রচনায় হাওড়া স্টেশন থেকে কাবুলের উদ্দেশে যাত্রাকালে সেখানে এক ফিরিঙ্গির সঙ্গে লেখকের দেখা হয়। ওই স্টেশনে থাকা গাড়িতে উঠতে গেলে ফিরিঙ্গি লেখককে হাঁক দিয়ে জানায় “এটা ইয়োরোপিয়ানদের জন্য।” আলাপচারিতার একপর্যায়ে সে তার ফিয়াসের দেওয়া উৎকৃষ্ট ডিনার লেখককে খাওয়ানোর জন্য জোর করে। খানিকক্ষণ তর্কাতর্কির পর স্থির হয় যে তারা সবকিছু মিলিয়ে দিয়ে যার যা খুশি খাবে। এই বিষয়টি বোঝাতেই প্রশ্নোক্ত কথাটি বলা হয়েছে।
সারকথা: একে অন্যের খাবার মিলিয়ে খাদ্য তালিকা অনুযায়ী যার যা । খুশি খাওয়াকে লেখক ‘ব্রাদারলি ডিভিশন করে ভোজন’ বলেছেন।
09 “ইয়োম ইস সফর, নিসৃফ উস্ সফর” মানে কী?
উত্তর “ইয়োম ইস সফর, নিসফ উস্ স” মানে যাত্রার দিনই অর্ধেক ভ্রমণ।
10 ‘আমি একা’, এখন মনে হলো ‘আমি ভয়ংকর একা’। ব্যাখ্যা কর।
উত্তর ➤ ‘আমি একা’, এখন মনে হলো ‘আমি ভয়ংকর একা’। এ কথাটি লেখক তখন বলেছিলেন, যখন শেখ আহমদ আলী তাঁকে বাসে উঠিয়ে দিয়ে চলে যান।
➤ ‘গন্তব্য কাবুল’ রচনায় লেখক হাওড়া স্টেশনে গাড়ি, ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই নিজেকে একা মনে করেন। কারণ কাবুল যাত্রায় তাঁর সফরসঙ্গী কেউ ছিল না। তবে পেশাওয়ার স্টেশনে পাঠান শেখ আহমদ আলীর আন্তরিক ব্যবহার ও আতিথেয়তায় লেখক মুগ্ধ ‘হন। লেখককে বাসে উঠিয়ে দিয়ে আহমদ আলী বিদায় নিলে লেখক নিজেকে ভয়ংকর একা মনে করলেন।
সারকথা: লেখককে আফগানিস্তানে যাওয়ার বাসে উঠিয়ে দিয়ে পাঠান বিদায় নিলে লেখক নিজেকে ভয়ংকর একা মনে করলেন।
11 লেখক কোন স্ট্রিট থেকে খাবার নিয়ে এসেছিলেন?
উত্তর লেখক জাকারিয়া স্ট্রিট থেকে খাবার নিয়ে এসেছিলেন।
12 “সর্দারজিকে হারাবার উপায় নেই।”- ব্যাখ্যা কর।
উত্তর ➤ “সর্দারজিকে হারাবার উপায় নেই।”- এ কথাটি লেখক সর্দারজির বাচাতুর্যের কাছে হেরে গিয়ে বলেন।
➤ ‘গন্তব্য কাবুল’ রচনায় গাড়িতে লেখকের সঙ্গে এক শিখ সর্দারজির পরিচয় হয়। তখন সর্দারজি লেখককে পেশাওয়ারে পরিচিত কেউ আছে কিনা জানতে চান। লেখক বলেন সেখানে তার এক বন্ধুর বন্ধু তাকে নিতে আসবেন, তবে তিনি তার পরিচিত নন। তাই তিনি চিন্তিত। সর্দারজি তাকে জানান যে সেখানে বাঙালি বেশি নামবে না। লেখক মনে করেন তিনি বরং ধুতি- পাঞ্জাবি পরলে বন্ধু তাকে বাঙালি বলে বলে চিনতে পারতেন। তখন আবার সর্দারজি প্রশ্ন তোলেন- পাঞ্জাবি পরলেই বাঙালি চেনা যায় কি না, এটা নিয়ে তিনি সন্দিহান। সর্দারজির বাকচাতুর্যের এসব দিক বিবেচনা করে লেখক প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন।
সারকথা: কাবুল যাত্রায় গাড়িতে সর্দারজির সঙ্গে লেখকের আলাপ হলে তার বাকচাতুর্যে পরাজিত হয়ে লেখক আলোচ্য কথাটি বলেন।
13 লেখক কাদের দাড়ির হরেক রকম বাহারের কথা বলেছেন?
উত্তর লেখক শিখ সর্দারজিদের দাড়ির হরেক রকম বাহারের কথা বলেছেন।
14 “এও তো তাজ্জবকি বাত- পাঞ্জাবি পরলে বাঙালিকে চেনা যায়?” ব্যাখ্যা কর।
উত্তর ➤ “এও তো তাজ্জবকি বাত- পাঞ্জাবি পরলে বাঙালিকে চেনা যায়?”- কথাটি লেখককে উদ্দেশ করে সর্দারজি বলেছেন।
➤ ‘গন্তব্য কাবুল’ রচনায় গাড়ির মধ্যে লেখকের সঙ্গে এক শিখ সর্দারজির পরিচয় হয়। লেখক কোথায় নামবেন তা জানতে চাইলে লেখক তাকে পেশাওয়ার স্টেশনে নামার কথা জানান এবং সেখানে তিনি কাউকে চেনেন না বলেও জানান। সর্দারজি তাকে জানান যে সেখানে বাঙালি বেশি নামে না। লেখক বলেন যে তিনি শার্ট পরে এসেছেন, তাই হয়তো তাকে বাঙালি হিসেবে তাঁর বন্ধুর বন্ধু চিনবেন না। তাই ধুতি-পাঞ্জাবি পরলে হয়তো ভালো হতো। লেখকের এমন কথায় সর্দারজি প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেন।
সারকথা: লেখক নিজেকে বাঙালি হিসেবে চেনানোর জন্য ধুতি-পাঞ্জাবি পরার কথা বললে সর্দারজি আলোচ্য কথাটি বলেন।
15 লান্ডিকোটাল থেকে দক্কার দূরত্ব কয় মাইল?
উত্তর লান্ডিকোটাল থেকে দক্কার দূরত্ব দশ মাইল।
16 “ডান দিকে এক ফালি সবুজ আঁচল লুটিয়ে পড়েছে।”- ব্যাখ্যা কর।
উত্তর ➤ “ডান দিকে এক ফালি সবুজ আঁচল লুটিয়ে পড়েছে।”- লেখক এ কথাটি দক্কা দূর্গের ডান পাশের সৌন্দর্য সম্পর্কে বলেছেন।
➤ লেখক তাঁর ভ্রমণপথে খাইবার পাস অতিক্রম করে দক্কা দুর্গে পৌছান। সেখানে যাওয়ার পর লেখকের দক্কা দুর্গকে বড় অবান্তর মনে হয়। কিন্তু ঘিনঘিনে হলুদ বর্ণের দুর্গের বাম পাশে ছিল নয়নাভিরাম নদী। সেই নদী বাম দিক থেকে বাঁক নিয়ে এক পাশ দিয়ে চলে গেছে। সেখানে ডান পাশের সৌন্দর্য ছিল আরও চমৎকার। ডান পাশের সৌন্দর্যের মুগ্ধতা বোঝানোর জন্যই লেখক প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন।
সারকথা: দক্কা দুর্গের দুই পাশের সৌন্দর্য বর্ণনা করতে গিয়ে ডান পাশের সৌন্দর্যের অপরূপ দৃশ্য বোঝাতে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলা হয়েছে।
17 ভোরবেলায় কী শুনে লেখকের ঘুম ভাঙল?
উত্তর ভোরবেলায় আজান শুনে লেখকের ঘুম ভাঙল।
18 “আমি তার কী জানি? সবাই খেয়েদেয়ে ফিরে আসবে যখন তখন।”- বুঝিয়ে লেখ।
উত্তর ➤ “আমি তার কী জানি? সবাই খেয়েদেয়ে ফিরে আসবে যখন তখন।”- কথাটি সর্দারজি লেখককে বলেছেন।
➤ ‘গন্তব্য কাবুল’ রচনায় কাবুল যাওয়ার পথে যাদের সঙ্গে লেখকের আলাপ-পরিচয় হয় তাদের মধ্যে অন্যতম একজন সর্দারজি। গাড়ি সদর রাস্তা ছেড়ে জালালাবাদ শহরে প্রবেশের পর যাত্রীরা সবাই নেমে যায়। সেই বাস আবার কখন ছাড়বে তা কেউ জানতে না চাইলেও লেখক প্রথমবার কাবুল যাচ্ছেন বিধায় সর্দারজির কাছে জানতে চান। সর্দারজি তাঁকে জানান যে, আবার যখন সবাই জড়ো হবে তখন বাসটি ছাড়বে। এ কথা শুনে লেখক তখন সবার জড়ো হওয়ার সময় জানতে চান। তার উত্তরে একটু বিরক্ত হয়ে সর্দারজি লেখককে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেন।
সারকথা: জালালাবাদ শহরে বাস থেকে যাত্রীরা আবার কখন গাড়িতে উঠবে তা জানতে চাওয়ায় সর্দারজি লেখককে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেন।
19 পেশাওয়ার থেকে জালালাবাদের দূরত্ব কয় মাইল?
উত্তর পেশাওয়ার থেকে জালালাবাদের দূরত্ব একশ মাইল।
20 “বেলাবেলি কাবুল পৌঁছবার আর কোনো ভরসাই রইল না।” ব্যাখ্যা কর।
উত্তর ➤ বেলা করে মোটর ছাড়ায় সন্ধ্যার আগে আর কাবুলে পৌঁছানোর কোনো ভরসা নেই বলে লেখক প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন।
➤ লেখক হাওড়া থেকে কাবুল যাত্রা শুরু করেন। যাত্রাপথে জালালাবাদে বাস বিরতি দেয়। সেখানে সবাই যার যার মতো চলে যায়। কারণ অধিকাংশ লোকেরই জালালাবাদে আত্মীয়স্বজন ছিল। তারা সবাই যখন ফিরে আসে ততক্ষণে অনেক বেলা হয়ে যায়। আর বেলা করে গাড়ি ছাড়ায় সন্ধ্যার আগে আর কাবুল পৌছানোর সম্ভাবনা থাকে না। তাই লেখক প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন।
সারকথা: সন্ধ্যার আগে কাবুলে পৌঁছার কোনো সম্ভাবনা না দেখে লেখক প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেন।
21 পাকিস্তানের খাইবার পাখতুন প্রদেশের সবচেয়ে বড় শহরের নাম কী?
উত্তর পাকিস্তানের খাইবার পাখতুন প্রদেশের সবচেয়ে বড় শহরের নাম পেশাওয়ার।
22 ‘গন্তব্য কাবুল’ রচনায় উল্লিখিত খাইবার পাস কী? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর ➤ ‘গন্তব্য কাবুল’ রচনায় উল্লিখিত খাইবার পাস হচ্ছে পাকিস্তানে অবস্থিত একটি গিরিপথ।
➤ ‘গন্তব্য কাবুল’ রচনায়, লেখক কাবুলে যাওয়ার পথে খাইবার পাস তথা খাইবার গিরিপথ পার হয়ে যান। সেই গিরিপথের মাধ্যমে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সংযোগ সাধিত হয়েছে। পৃথিবীর প্রাচীনতম সেই রাস্তায় জগতের বিখ্যাত বহু মানুষ যাতায়াত করেছেন। আলেকজান্ডার দি গ্রেট, চেঙ্গিস খান থেকে শুরু করে মুসলিম শাসকগণ তাদের বিশ্ব বিজয়ে খাইবার পাস ব্যবহার করেছেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় যুদ্ধকৌশলের অংশ হিসেবে ব্রিটিশরা খাইবার পাস দিয়ে একটি ভারি রেলওয়ে নির্মাণ করে। বর্তমানে এই পথ দিয়ে আমেরিকা তাদের সেনাদের জন্য আফগানিস্তানে রসদ নিয়ে যায়।
সারকথা: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সংযোগ সাধনকারী গিরিপথের নাম খাইবার পাস। এটি পৃথিবীর প্রাচীনতম রাস্তার অন্যতম।
23 জালালাবাদ থেকে কাবুলের দূরত্ব কত মাইল?
উত্তর জালালাবাদ থেকে কাবুলের দূরত্ব একশ মাইল।
24 “আপনি তো ওদের মালজানের জিম্মাদার নন।”- কে, কাকে, কেন বলেছে? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর ➤ “আপনি তো ওদের মালজানের জিম্মাদার নন।”- বেতার কর্মচারী এই কথাটি লেখককে বলেছিলেন।
➤ ‘গন্তব্য কাবুল’ রচনায় কাবুল যাত্রায় লেখকদের বহন করা গাড়ি একসময় জালালাবাদ শহরে ঢোকে। তখন কাবুলিরা এক মিনিটের ভেতর যে যার মতো তড়িঘড়ি করে নেমে পড়ে। কেউ একবার জিজ্ঞেসও করে না বাস ফের কখন ছাড়বে। তারা ফিরে না এলে গাড়িও ছাড়বে না। তাই লেখক চিন্তিত হয়ে পড়েন। তাঁর এমন অবস্থা দেখে বেতার কর্মচারী তার সঙ্গে যেতে বলেন। আবার লেখক তাকে জিজ্ঞেস করেন, সবাই কোথায় গেল, আর ফিরবেই বা কখন? তখন লেখকের উদবিগ্নতা দেখে বেতার কর্মচারী আলোচ্য কথাটি বলেন।
সারকথা: জালালাবাদ থেকে পুনরায় বাস ছাড়া নিয়ে। লেখকের উদবিগ্নতায় বেভার কর্মচারী প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেন।
