BNG – AB S – 18 Bosor Boyosh

01 ‘আঠারো বছর বয়স’ বিপদের মুখে কী? [ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2026]

উত্তর ‘আঠারো বছর বয়স’ বিপদের মুখে অগ্রণী।

02 “এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।”- কবির এ প্রত্যাশার কারণ ব্যাখ্যা করো। [ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2026]

উত্তর “এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।”- কথাটির মাধ্যমে কবি তারুণ্যশক্তির জাগরণের মাধ্যমে দেশের মুক্তি ও উন্নতি নিশ্চিত করার দিকটিকে বুঝিয়েছেন।
‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় কবি এ দেশের বুকে আঠারো বছর বয়সের তরুণদের আবির্ভাব প্রত্যাশা করেছেন। তারুণ্যশক্তির কাছে কবির প্রত্যাশা অনেক। আঠারো বছর বয়সের তরুণরা এ দেশটাকে সত্য, সুন্দর ও কল্যাণময় করে গড়ে তুলবে। তারা অত্যাচার, উৎপীড়ন প্রতিহত করবে; মহৎ সৃষ্টির আনন্দে উদ্বেলিত হবে। করির প্রার্থনা, এসব বৈশিষ্ট্য নিয়ে যেন দেশের কল্যাণে, মানবতার সেবায়, জাতীয় জীবনের চালিকাশক্তিরূপে এ দেশের বুকে আঠারো বছরের তারুণ্যের আবির্ভাব ঘটে।

03 ‘ছাড়পত্র’ কোন ধরনের গ্রন্থ? [মাইলস্টোন কলেজ, ঢাকা · 2026]

উত্তর ‘ছাড়পত্র’ একটি কাব্যগ্রন্থ।

04 “এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য”- ব্যাখ্যা করো। [মাইলস্টোন কলেজ, ঢাকা · 2026]

উত্তর “এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য।”- উক্তিটির মাধ্যমে দেশ, জাতি ও মানবতার সুন্দর ও কল্যাণে তরুণদের রক্তমূল্য দেওয়ার সাহসী চেতনাকে বোঝানো হয়েছে।
‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় কবি মানবজীবনের আঠারো বছর বয়সের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন। অদম্য দুঃসাহসে সব বাধাবিপত্তি পেরিয়ে যাওয়া এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর তারুণ্যশক্তিই প্রগতি ও পরিবর্তনের ধারক। তারুণ্যশক্তিই জরাগ্রস্ত সমাজ ভেঙে নতুন সমাজ গড়ে তুলতে পারে। দেশ, জাতি ও মানবতার জন্য তরুণরাই যুগে যুগে এগিয়ে গেছে সবচেয়ে বেশি। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দাঁড়িয়েছে সমস্ত বিপদ মোকাবিলায়। প্রাণ দিয়েছে অজানাকে জানার জন্য, দেশ ও জনগণের মুক্তি ও কল্যাণের সংগ্রামে। তরুণরাই সুন্দর, শুভ ও কল্যাণের জন্য রক্তমূল্য দিতে জানে।

05 সুকান্ত ভট্টাচার্য ‘দৈনিক স্বাধীনতা’ পত্রিকার কোন অংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন? [শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজ · 2026]

উত্তর সুকান্ত ভট্টাচার্য ‘দৈনিক স্বাধীনতা’ পত্রিকার ‘কিশোরসভা’ অংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।

06 “দুর্যোগে হাল ঠিকমতো রাখা ভার” পঙ্ক্তিটি দ্বারা কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন? [শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজ · 2026]

উত্তর ‘দুর্যোগে হাল হাল। ঠিকমতো রাখা ভার’ বলতে আঠারো বছর বয়সে যথাযথ পরিচর্যার অভাবে তরুণদের জীবন সমস্যা-সংকটময় হয়ে ওঠার আশংকাকে বোঝানো হয়েছে।
‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় কবি তারুণ্যের জয়গান করেছেন। কবি এ বয়সের নেতিবাচক দিকের কথাও বলেছেন। কৈশোর ও যৌবনের সন্ধিক্ষণে শারীরিক, মানসিক পরিবর্তনের সঙ্গে তরুণদের পারিপার্শ্বিক নানা জটিলতাও অতিক্রম করতে হয়। এ সময় নিজেকে সঠিক পথে, সঠিকভাবে পরিচালনা করতে না পারলে পদস্খলন হতে পারে। তাতে জীবনে বিপর্যয় নেমে আসতে পারে। এ কারণেই আঠারো বছর বয়স সম্পর্কে বলা হয়েছে, এ সময় দুর্যোগে হাল ঠিকমতো রাখা ভার।

07 ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত? [ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রংপুর · 2026]

উত্তর ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।

08 ‘এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য’- এ কথার তাৎপর্য কী? ব্যাখ্যা করো। [ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রংপুর · 2026]

উত্তর “এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য।”- উক্তিটির মাধ্যমে দেশ, জাতি ও মানবতার সুন্দর ও কল্যাণে তরুণদের রক্তমূল্য দেওয়ার সাহসী চেতনাকে বোঝানো হয়েছে।
‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় কবি মানবজীবনের আঠারো বছর বয়সের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন। অদম্য দুঃসাহসে সব বাধাবিপত্তি পেরিয়ে যাওয়া এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর তারুণ্যশক্তিই প্রগতি ও পরিবর্তনের ধারক। তারুণ্যশক্তিই জরাগ্রস্ত সমাজ ভেঙে নতুন সমাজ গড়ে তুলতে পারে। দেশ, জাতি ও মানবতার জন্য তরুণরাই যুগে যুগে এগিয়ে গেছে সবচেয়ে বেশি। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দাঁড়িয়েছে সমস্ত বিপদ মোকাবিলায়। প্রাণ দিয়েছে অজানাকে জানার জন্য, দেশ ও জনগণের মুক্তি ও কল্যাণের সংগ্রামে। তরুণরাই সুন্দর, শুভ ও কল্যাণের জন্য রক্তমূল্য দিতে জানে।

09 সুকান্ত ভট্টাচার্য কত সালে মৃত্যুবরণ করেন? [হলিক্রস কলেজ · 2025]

উত্তর • কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য ১৯৪৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

10 “স্পর্ধায় নেয় মাথা তোলবার ঝুঁকি”- বলতে কী বোঝানো হয়েছে? [হলিক্রস কলেজ · 2025]

উত্তর • ‘স্পর্ধায় নেয় মাথা তোলবার ঝুঁকি’- বলতে কবি আত্মনির্ভরশীল হয়ে স্বাধীনভাবে চলার ঝুঁকি নেওয়ার কথা বুঝিয়েছেন।

• ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় কবি নিজের জীবন অভিজ্ঞতার আলোকে বয়ঃসন্ধিকালের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন। কৈশোর থেকে যৌবনে পদার্পণের এ বয়সটি প্রবল উত্তেজনার। এ বয়সের তরুণদের মধ্যে আত্মনির্ভরশীলতার অনুভূতি জাগে। অন্যের ওপর পরনির্ভরশীলতা পরিহার করে মাথা উঁচু করে স্বাধীনভাবে চলার ঝুঁকি এ বয়সেই মানুষ নিয়ে থাকে। তরুণদের এই বৈশিষ্ট্যকে আলোচ্য পঙ্ক্তি দ্বারা কবি বোঝাতে চেয়েছেন।

11 পথে-প্রান্তরে কী ছোটায়? [সরকারি আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া · 2025]

উত্তর পথে-প্রান্তরে বহু তুফান ছোটায়।

12 “এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে”- উক্তিটির অভিপ্রায় কী? [সরকারি আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া · 2025]

উত্তর “এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।”- কথাটির মাধ্যমে
কবি তারুণ্যশক্তির জাগরণের মাধ্যমে দেশের মুক্তি ও উন্নতি নিশ্চিত করার দিকটিকে বুঝিয়েছেন।
• ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় কবি এ দেশের বুকে আঠারো বছর বয়সের তরুণদের আবির্ভাব প্রত্যাশা করেছেন। তারুণ্যশক্তির কাছে কবির প্রত্যাশা অনেক। আঠারো বছর বয়সের তরুণরা এ দেশটাকে সত্য, সুন্দর ও কল্যাণময় করে গড়ে তুলবে। তারা অত্যাচার, উৎপীড়ন প্রতিহত করবে; মহৎ সৃষ্টির আনন্দে উদ্বেলিত হবে। কবির প্রার্থনা, এসব বৈশিষ্ট্য নিয়ে যেন দেশের কল্যাণে, মানবতার সেবায়, জাতীয় জীবনের চালিকাশক্তিরূপে এ দেশের বুকে আঠারো বছরের তারুণ্যের আবির্ভাব ঘটে।

13 দুর্যোগে কী ঠিকমতো রাখা ভার? [চট্টগ্রাম কলেজ · 2025]

উত্তর দুর্যোগে হাল ঠিকমতো রাখা ভার।

14 “এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে”- ব্যাখ্যা কর। [চট্টগ্রাম কলেজ · 2025]

উত্তর • “এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।”- কথাটির মাধ্যমে কবি তারুণ্যশক্তির জাগরণের মাধ্যমে দেশের মুক্তি ও উন্নতি নিশ্চিত করার দিকটিকে বুঝিয়েছেন।
• ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় কবি এ দেশের বুকে আঠারো বছর বয়সের তরুণদের আবির্ভাব প্রত্যাশা করেছেন। তারুণ্যশক্তির কাছে কবির প্রত্যাশা অনেক। আঠারো বছর বয়সের তরুণরা এ দেশটাকে সত্য, সুন্দর ও কল্যাণময় করে গড়ে তুলবে। তারা অত্যাচার, উৎপীড়ন প্রতিহত করবে; মহৎ সৃষ্টির আনন্দে উদ্বেলিত হবে। কবির প্রার্থনা, এসব বৈশিষ্ট্য নিয়ে যেন দেশের কল্যাণে, মানবতার সেবায়, জাতীয় জীবনের চালিকাশক্তিরূপে এ দেশের বুকে আঠারো বছরের তারুণ্যের আবির্ভাব ঘটে।

15 আঠারো বছর বয়স কী জানে? [আনন্দ মোহন কলেজ, ময়মনসিংহ · 2025]

উত্তর আঠারো বছর বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য।

16 “এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।”- কবির এ প্রত্যাশা কেন? [আনন্দ মোহন কলেজ, ময়মনসিংহ · 2025]

উত্তর • “এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।”- কথাটির মাধ্যমে কবি তারুণ্যশক্তির জাগরণের মাধ্যমে দেশের মুক্তি ও উন্নতি নিশ্চিত করার দিকটিকে বুঝিয়েছেন।
• ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় কবি এ দেশের বুকে আঠারো বছর বয়সের তরুণদের আবির্ভাব প্রত্যাশা করেছেন। তারুণ্যশক্তির কাছে কবির প্রত্যাশা অনেক। আঠারো বছর বয়সের তরুণরা এ দেশটাকে সত্য, সুন্দর ও কল্যাণময় করে গড়ে তুলবে। তারা অত্যাচার, উৎপীড়ন প্রতিহত করবে; মহৎ সৃষ্টির আনন্দে উদ্বেলিত হবে। কবির প্রার্থনা, এসব বৈশিষ্ট্য নিয়ে যেন দেশের কল্যাণে, মানবতার সেবায়, জাতীয় জীবনের চালিকাশক্তিরূপে এ দেশের বুকে আঠারো বছরের তারুণ্যের আবির্ভাব ঘটে।

17 কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কোন পত্রিকার আজীবন সম্পাদক ছিলেন? [ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2025]

উত্তর • কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য ‘দৈনিক স্বাধীনতা’ পত্রিকার আজীবন সম্পাদক ছিলেন।

18 এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে- চরণটি ব্যাখ্যা কর। [ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2025]

উত্তর • “এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।”- কথাটির মাধ্যমে কবি তারুণ্যশক্তির জাগরণের মাধ্যমে দেশের মুক্তি ও উন্নতি নিশ্চিত করার দিকটিকে বুঝিয়েছেন।
• ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় কবি এ দেশের বুকে আঠারো বছর বয়সের তরুণদের আবির্ভাব প্রত্যাশা করেছেন। তারুণ্যশক্তির কাছে কবির প্রত্যাশা অনেক। আঠারো বছর বয়সের তরুণরা এ দেশটাকে সত্য, সুন্দর ও কল্যাণময় করে গড়ে তুলবে। তারা অত্যাচার, উৎপীড়ন প্রতিহত করবে; মহৎ সৃষ্টির আনন্দে উদ্বেলিত হবে। কবির প্রার্থনা, এসব বৈশিষ্ট্য নিয়ে যেন দেশের কল্যাণে, মানবতার সেবায়, জাতীয় জীবনের চালিকাশক্তিরূপে এ দেশের বুকে আঠারো বছরের তারুণ্যের আবির্ভাব ঘটে।

19 আঠারো বছর বয়স আত্মাকে কোথায় সঁপে? [রাজশাহী কলেজ · 2025]

উত্তর আঠারো বছর বয়স’ আত্মাকে শপথের কোলাহলে সঁপে।

20 ‘রক্তদানের পুণ্য’ কথাটি দ্বারা কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন? [রাজশাহী কলেজ · 2025]

উত্তর • ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় ‘রক্তদানের পূণ্য’ বলতে আত্মত্যাগের মাহাত্ম্যকেই বোঝানো হয়েছে।
• দেশ, জাতি ও মানবতার প্রয়োজনে যুগে যুগে আঠারো বছর বয়সি তরুণরাই অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়েও তারা সকল বিপদের সামনে দাঁড়িয়েছে। অজানাকে জানার জন্য, দেশ ও মানুষের মুক্তির জন্য তারা বার বার রক্তমূল্য দিয়েছে। আলোচ্য অংশে রক্তদানের পুণ্য বলতে তাদের এই আত্মত্যাগের মাহাত্ম্যকেই বোঝানো হয়েছে।

21 সুকান্ত ভট্টাচার্য কত বছর বেঁচে ছিলেন? [বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ · 2025]

উত্তর • সুকান্ত ভট্টাচার্য একুশ বছর বেঁচে ছিলেন।

22 কবি কেন তারুণ্য ও যৌবনশক্তির জয়গান করেছেন? [বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ · 2025]

উত্তর • কবি তারুণ্যের কল্যাণধর্মী কর্মকান্ডের দিকে আকৃষ্ট হওয়ার কারণে যৌবনশক্তির জয়গান করেছেন।
• ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় কবি তারুণ্যের ধর্ম ও বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন। এই বয়সি তরুণরা সবচেয়ে বেশি দুঃসাহসী হয়। তারা সবচেয়ে বেশি আঘাত সহ্য করতে পারে এবং তা প্রতিহত করতেও জানে। যৌবনে তরুণদের হৃদয়ে আবেগ আসে। সেই আবেগে ভর করে তারা মানব-কল্যাণে অগ্রসর হয়। তাই তারা শত্রুর মুখোমুখি দাঁড়াতেও ভয় পায় না। যৌবনকাল মানুষের জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়। কবি তাই যৌবনশক্তির জয়গান করেছেন।

23 আঠারো বছর বয়স পদাঘাতে কী ভাঙতে চায়? [আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল · 2025]

উত্তর • আঠারো বছর বয়স পদাঘাতে পাথর সমান বাধা ভাঙতে চায়।

24 আঠারো বছর বয়সে সহস্র প্রাণ ক্ষত-বিক্ষত হয় কেন? [আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল · 2025]

উত্তর • আঠারো বছর বয়সে পদস্খলন ও জীবনের বিপর্যয়ে সহস্র প্রাণ ক্ষত-বিক্ষত হয়।
• ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় কবি মানবজীবনের উত্তরণকালীন’ বিপর্যয়ের কথা বলেছেন। জীবনের এই সন্ধিক্ষণে শারীরিক, মানসিক, সামাজিক, রাজনৈতিক নানা জটিলতাকে অতিক্রম করতে হয়। এ সময় সচেতন ও সচেষ্টভাবে নিজেকে পরিচালনা না করতে পারলে পদস্খলন হতে পারে। এতে জীবনে বিপর্যয় নেমে আসে; ফলে এমন অদম্য তরুণপ্রাণ ক্ষতবিক্ষত হয়ে যায় বলে কবি উক্ত পঙক্তিতে উল্লেখ করেছেন।

25 আঠারো বছর বয়স কী জানে? [সরকারি সিটি কলেজ, চট্টগ্রাম · 2025]

উত্তর আঠারো বছর বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য।

26 ‘তবু আঠারোর শুনেছি জয়ধ্বনি’- চরণটি ব্যাখ্যা কর। [সরকারি সিটি কলেজ, চট্টগ্রাম · 2025]

উত্তর • ‘তবু আঠারোর শুনেছি জয়ধ্বনি।’- চরণটি দ্বারা তারুণ্যদীপ্ত চেতনার অনিবার্য জয়কে বোঝানো হয়েছে। • আঠারো বছর বয়সের তরুণরা চারপাশের অন্যায়-অত্যাচার, শোষণ-পীড়ন, সামাজিক বৈষম্য ও ভেদাভেদ দেখে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। উত্তেজনায় প্রবল, আবেগে ঝুঁকিপূর্ণ, সাধনায় অটল, অবিরাম গতিতে জীবনসংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে। তারা অদম্য দুঃসাহসে অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে দাঁড়ায়। প্রশ্নোক্ত পঙ্ক্তির মাধ্যমে কবি তরুণদের এই জয়গাথা উপস্থাপন করেছেন।

27 ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত? [Rajshahi · 2025]

উত্তর ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।

28 “আঠারো বছর বয়স কী দুঃসহ”- কেন? [Rajshahi · 2025]

উত্তর “আঠারো বছর বয়স কী দুঃসহ” দ্বারা কবি আঠারো বছর বয়স তথা কৈশোর থেকে যৌবনে পদাপর্ণের কঠিন ও দুঃসহ অবস্থাকে নির্দেশ করেছেন।
‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় কবি তারুণ্যের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন। আঠারো বছর বয়স মানবজীবনের এক উত্তরণকালীন পর্যায়। এ বয়সে মানুষ কৈশোর থেকে যৌবনে পদার্পণ করে। তাকে অন্যদের ওপর নির্ভরশীলতা পরিহার করে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর প্রস্তুতি নিতে হয়। এই সময় থেকে তাকে এক কঠিন ও দুঃসহ অবস্থার মুখোমুখি হতে হয়। তাই কবি আঠারো বছর বয়সকে দুঃসহ বলে উল্লেখ করেছেন।

29 আঠারো বছর বয়সের কী নেই? [Jessore · 2025]

উত্তর আঠারো বছর বয়সের ‘ভয়’ নেই।

30 “এ বয়স জেনো ভীরু, কাপুরুষ নয়।”- বুঝিয়ে লেখ। [Jessore · 2025]

উত্তর “এ বয়স জেনো ভীরু, কাপুরুষ নয়” বলতে আঠারো বছর বয়সের তরুণদের ভয়শূন্য সাহসী চেতনাকে বোঝানো হয়েছে।
‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় কবি তারুণ্যের জয়গান করেছেন। তিনি দেশের মুক্তি ও উন্নতির জন্য এদেশের বুকে আঠারো বছর বয়সি তরুণদের নেমে আসার প্রত্যাশা করেছেন। কারণ এ বয়স বাধা-বন্ধনহীন, দুর্বার, গতিশীল। প্রচণ্ড সাহস ও শক্তি নিয়ে তারা ছুটে চলে। তাদের এ চলায় ভীরুতা, কাপুরুষতার কোনো স্থান নেই। তারা এ বয়সে মনের স্থবিরতা, নিশ্চলতা, জরা-জীর্ণতা অতিক্রম করে সামনে এগিয়ে যায়। মানুষের অকল্যাণ ও দুঃখ-দুর্দশায়, দুর্যোগে শক্ত হাতে হাল ধরার বয়স আঠারো। মূলত এই বয়সেই মানুষ নতুন কিছু করে। তাই এই বয়সের বৈশিষ্ট্যের পরিচয় দিতে গিয়ে কবি প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন।

31 ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি কবির কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে? [Chittagong · 2025]

উত্তর ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি কবির ‘ছাড়পত্র’ কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে।

32 “তাজা তাজা প্রাণে অসহ্য যন্ত্রণা” বলতে কী বোঝানো হয়েছে? [Chittagong · 2025]

উত্তর “তাজা তাজা প্রাণে অসহ্য যন্ত্রণা” বলতে প্রাণবন্ত তরুণদের অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠার বিষয়টি বোঝানো হয়েছে।
‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় তরুণরা দেশ ও মানবতার কল্যাণে বিপদ মোকাবেলায় এগিয়ে আসে। চারপাশের নানা অন্যায়-অত্যাচার, শোষণ-বঞ্চনা, উৎপীড়ন-নিপীড়ন, সামাজিক অনাচার-বৈষম্য ইত্যাদি দেখে প্রাণবন্ত তরুণেরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। চারপাশের সকল নেতিবাচকতার বিরুদ্ধে বয়ঃসন্ধিকালে মানুষের মাঝে যে বিক্ষুব্ধ মনোভাব পরিলক্ষিত হয় সেটিকেই প্রশ্নোক্ত পঙ্ক্তিতে তুলে ধরা হয়েছে।

33 সুকান্ত ভট্টাচার্য সম্পাদিত কাব্যগ্রন্থের নাম কী? [Sylhet · 2025]

উত্তর সুকান্ত ভট্টাচার্য সম্পাদিত কাব্যগ্রন্থের নাম হলো ‘আকাল’।

34 “এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য”- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর। [Sylhet · 2025]

উত্তর “এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য।”- উক্তিটির মাধ্যমে দেশ, জাতি ও মানবতার সুন্দর ও কল্যাণে তরুণদের রক্তমূল্য দেওয়ার সাহসী চেতনাকে বোঝানো হয়েছে। আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় কবি মানবজীবনের আঠারো বছর বয়সের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন। অদম্য দুঃসাহসে সব বাধাবিপত্তি পেরিয়ে যাওয়া এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর তারুণ্যশক্তিই প্রগতি ও পরিবর্তনের ধারক। তারুণ্যশক্তিই জরাগ্রস্ত সমাজ ভেঙে নতুন সমাজ গড়ে তুলতে পারে। দেশ, জাতি ও মানবতার জন্য তরুণরাই যুগে যুগে এগিয়ে গেছে সবচেয়ে বেশি। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দাঁড়িয়েছে সমস্ত বিপদ মোকাবিলায়। প্রাণ দিয়েছে অজানাকে জানার জন্য, দেশ ও জনগণের মুক্তি ও কল্যাণের সংগ্রামে। তরুণরাই সুন্দর, শুভ ও কল্যাণের জন্য রক্তমূল্য দিতে জানে।

35 ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত? [Barisal · 2025]

উত্তর ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।

36 “আঠারো বছর বয়স জানে না কাঁদা”- সপ্রসঙ্গ পঙ্ক্তিটি ব্যাখ্যা কর। [Barisal · 2025]

উত্তর ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় কবি অদম্য দুঃসাহসে সকল বাধা-বিপত্তিকে পেরিয়ে যাওয়া তারুণ্যশক্তির জয়গান গেয়েছেন। জড় নিশ্চল প্রথাবদ্ধ জীবকে পেছনে ফেলে নতুন জীবন রচনার স্বপ্ন, কল্যাণ ও সেবাব্রত, উদ্দীপনা, সহযোগিতা, চলার দুর্বার গতি এসবই আঠারো বছর বয়সের বৈশিষ্ট্য। উদ্দীপকের মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝেও অপরাজেয় মানসিকতা ফুটে উঠেছে। তাই কবি এদেশের সকল সমস্যা উত্তরণের জন্য অপরাজেয় মানসিকতার তারুণ্যকে কামনা করেন।

37 ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত? [কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ · 2024]

উত্তর ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।

38 ‘এ বয়স বাঁচে দুর্যোগে আর ঝড়ে,’-কীভাবে? [কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ · 2024]

উত্তর এ বয়স বাঁচে দুর্যোগে আর ঝরে কারণ ১৮ বছর বয়সটি খুবই দুর্বিষহ। এরা মাথা তুলবার ঝুঁকিতে থাকে। এদের মনের ভিতর উঁকি মারে । এরা কখনো কাঁদতে জানে না। এরা অন্যের বিপদে তীব্র আর প্রখর অগ্রণী। যৌবনে পদার্পণ করে এ বয়সে মানুষ আত্মপ্রত্যয় হয়। জীবনের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে স্বাধীনভাবে শৈশব কৈশোরের পরনির্ভরতা দিনগুলোতে যে কান্না ছিল এ বয়সের স্বভাব বৈশিষ্ট্য তাকে সচেতনভাবে মুছে ফেলতে সাহায্য করে। এজন্য বয়সটি বাঁচে দুর্যোগ আর ঝরে।

39 ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি কবির কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত? [ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রংপুর · 2024]

উত্তর ছাড়পত্র

40 ‘এ বয়সে আসে কত মন্ত্রণা’- ব্যাখ্যা কর। [ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রংপুর · 2024]

উত্তর এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা’ বলতে কবি বুঝিয়েছেন যে, এই বয়সের তরুণরা ভালো মন্দ, ইতিবাচক নেতিবাচক নানা তত্ত¡, মতবাদ, ভাবধারার সাথে পরিচিত হতে শুরু করে। আঠারো বছর বয়সটা ভয়ংকর। এ বয়সের প্রাণবন্ত তরুণরা চারপাশের অন্যায়, অত্যাচার, শোষণ-নিপীড়নের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়। এ বয়সে মানুষ জীবনে অনুভূতির তীব্রতা ও সুগভীর সংবেদনশীলতা অনুভব করে। চারপাশের নানা কিছুর সাথে এই বয়সেই তারা পরিচিত হতে থাকে। সেগুলোর মধ্যে ভালো যেমন আছে তেমনি আছে মন্দও। এ বিষয়টিই কবি আলোচ্য রচনাটিতে প্রকাশ করেছেন।

41 আঠারো বছর বয়সে অহরহ কী উকি দেয়? [রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024]

উত্তর দুঃসাহসেরা।

42 ‘এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে’ ব্যাখ্যা কর। [রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024]

উত্তর এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে” বলতে কবি বোঝাতে চেয়েছেন দুর্বার তারুণ্যের বয়স আঠারোর বৈশিষ্ট্যগুলোকে। যেগুলো আমাদের জীবন চলার পথে চালিকাশক্তিরূপে কাজ করে। আঠারো বছর বয়স বহু ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যে সমৃদ্ধ। এ বয়সের মানুষ নিথর-নিশ্চল জীবনকে পেছনে ফেলে নতুন জীবন রচনার স্বপ্নে অগ্রগামী হয়। সাহসিকতা, উদ্দীপনা, কল্যাণ ও সেবাব্রতে ঝাঁপিয়ে পড়া এ বয়সের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। চারপাশের অন্যায়, অত্যাচার, শোষণ, পীড়ন, বৈষম্য ও ভেদাভেদের বিরুদ্ধে সোচ্চার এ বয়স। দেশ ও জনগণের মুক্তি সাধিত হতে পারে তারুণ্যদীপ্ত এ প্রজন্মের।

43 সুকান্ত ভট্টাচার্যের বাবার নাম কী? [নটরডেম কলেজ · 2024]

উত্তর সুকান্ত ভট্টাচার্যের পিতার নাম নিবারণচন্দ্র ভট্টাচার্য ।

44 ‘দুর্যোগে হাল ঠিকমতো রাখা ভার’— বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো [নটরডেম কলেজ · 2024]

উত্তর জীবনের সন্ধিক্ষণে নানা জটিলতা অতিক্রম করতে হয় বলে আঠারো বছর বয়স দুর্যোগে হাল ঠিক রাখতে পারে না ।

আঠারো বছর বয়সে তরুণদের নানাবিধ সমস্যা মোকাবিলা করতে হয়। নানা ধরনের পরিবর্তনের মুখোমুখি হয়ে অপেক্ষাকৃত কম অভিজ্ঞ তরুণেরা ভুলপথে চালিত হতে পারে। নতুন নতুন পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে গিয়ে তারা দিকভ্রষ্ট হতে পারে। মূলত আঠারো বছর বয়সে তরুণদের মানসিক ও শারীরিক শক্তির যে স্ফুরণ ঘটে তা অভিজ্ঞতার অভাবে ভুল পথে চালিত হলে তাদের জীবনে দুর্যোগ নেমে আসতে পারে, আর এই দুর্যোগ মোকাবিলায় সচেতনভাবে হাল ধরা কঠিন ।

45 ভারত সরকার কাজী নজরুল ইসলামকে কী উপাধি দিয়েছিল? [নটরডেম কলেজ · 2024]

উত্তর ভারত সরকার কাজী নজরুল ইাসলামকে পদ্মভূষণ উপাধি দিয়েছিল

46 আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কুর্ণিশ।’— ব্যাখ্যা করো । [নটরডেম কলেজ · 2024]

উত্তর ‘আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কুর্ণিশ কথার দ্বারা আত্মজাগরণে উন্মুখ কবির সদম্ভ আত্মপ্রকাশ ঘোষিত হয়েছে। ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় কবি বিদ্রোহী হিসেবে নিজের আত্মপরিচয়ের স্বরূপ উন্মোচন করেছেন । মানবপ্রেমের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে তিনি বিদ্রোহ করেছেন অত্যাচার ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে। আপন আদর্শে স্থিত কবির এই বিদ্রোহী সত্তা স্বাধীনচেতা, আত্মপ্রত্যয়ী ও নির্ভীক। সংগত কারণেই কারও কাছে মাথা নত করেন না তিনি । প্রশ্নোক্ত উক্তিটির মধ্য দিয়ে এ বিষয়টিই প্রকাশিত হয়েছে ।

47 আঠারো বছর বয়স পদঘাতে কী ভাঙতে চায়? [ঢাকা কলেজ · 2024]

উত্তর আঠারো বছর বয়স পদাঘাতে পাথর বাধা ভাঙতে চায় ।

48 ‘এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।’— চরণটি ব্যাখ্যা করো। [ঢাকা কলেজ · 2024]

উত্তর আঠারো বছর বয়সের ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যগুলো যেন জাতীয় জীবনের চালিকাশক্তি হয়ে ওঠে; সেই প্রত্যাশায় কবি এদেশের বুকে আঠারো বছর বয়সিদের নামিয়ে আনতে চান ।

আঠারো বছর বয়স বহু ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যে সমৃদ্ধ। এ বয়সের তরুণরা জড়-নিশ্চল প্রথাবদ্ধ জীবনকে পেছনে ফেলে সবসময় নতুন জীবন রচনার স্বপ্ন দেখে। কল্যাণচিন্তা, সেবাব্রত, উদ্দীপনা, সাহসিকতা, চলার দুর্বার গতি— এ সবই আঠারো বছর বয়সি তারুণ্যের বৈশিষ্ট্য। কবির কামনা এসব বৈশিষ্ট্য দিয়েই যেন তরুণরা জাতীয় জীবনের ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটায়।

49 ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?[ঢাকা সিটি কলেজ · 2024]

উত্তর ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি ‘ছাড়পত্র’ কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে।

50 ‘প্রাণ দেওয়া-নেওয়া ঝুলিটা থাকে না শূন্য’— ব্যাখ্যা করো। [ঢাকা সিটি কলেজ · 2024]

উত্তর দেশ, জাতি ও মানবতার কল্যাণে এই বয়সেই মানুষ যেমন নিজের প্রাণ উৎসর্গ করতে পারে। তেমনি অন্যের প্রাণ হনন করতেও পিছপা হয় নাঠ । দেশ, জাতি ও মানবতার জন্য যুগে যুগে এ বয়সের মানুষই এগিয়ে এসেছে সব চেয়ে বেশি। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দাঁড়িয়েছে সমস্ত বিপদ মোকাবেলায়। প্রাণ দিয়েছে অজানাকে জানবার জন্য, দেশ ও জনগণের মুক্তি ও কল্যাণের সংগ্রামে। তেমনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রাণনাশক হয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। মূলত প্রশ্নোক্ত পক্তিটিতে কবি তারুণ্যের মহিমান্বিত আত্মত্যাগের কথা তুলে ধরেছেন যে সত্য, সুন্দর ও কল্যাণের পথে প্রাণ উৎসর্গও করতে পারে আবার প্রাণ হরণও করতে পারে ।

51 ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত? [সরকারি আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া · 2024]

উত্তর আঠারো বছর বয়স কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।

52 “এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য”-ব্যাখ্যা করো। [সরকারি আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া · 2024]

উত্তর এ বয়স জানে রক্তদানের পূণ্য – কথাটি  দ্বারা তারুণ্যের অগ্রগতি, বিপদ মোকাবেলার ঝুঁকি, মুক্তি ও কল্যাণের সংগ্রাম,স্বাধীনভাবে চলার ঝুঁকি বোঝানো হয়েছে। 

স্বাধীনতার জন্য রক্তদান একটি মহৎ কাজ। আঠারো বছর বয়সের কোনো ভয় নেই। এরা রক্তদানে ভয় পায় না কারণ রক্তদানের সুফল এদের জানা আছে। দেশের জন্য রক্তদানের বিষয়টি অত্যন্ত গৌরবের কাজ। রক্তের বিনিময়ে দেশ যদি স্বাধীনতা ফিরে পায়, তাহলে রক্তদানে ভয় কিসের। দেশের বুকে যদি আঠারো নেমে আসে তাহলে দেশ তার তারুণ্য ফিরে পাবে ।

53 ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত? [Dhaka · 2024]

উত্তর ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।

54 “তাজা তাজা প্রাণে অসহ্য যন্ত্রণা।”- বলতে কী বোঝানো হয়েছে? [Dhaka · 2024]

উত্তর “তাজা তাজা প্রাণে অসহ্য যন্ত্রণা।”- চরণটিতে বোঝানো হয়েছে যে, পৃথিবীব্যাপী অন্যায়, অত্যাচার, শোষণ, নিপীড়ন, বৈষম্য, ভেদাভেদ দেখে তরুণরা যন্ত্রণায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।
আঠারো বছর বয়সে তারুণ্যের সঞ্জীবনীশক্তিতে তরুণরা যৌবনপ্রাপ্ত হয়। এ বয়সে যৌবনের জোয়ারে উজ্জীবিত হয়ে তরুণরা অসীম শক্তি লাভ করে। মন থেকে ভয়-শঙ্কা দূর করে অফুরন্ত সাহসে অগ্রসর হয়। অজানাকে জানা ও অচেনাকে চেনার অদম্য আকাঙ্ক্ষা এই, বয়সেই প্রকাশিত হয়। তাই যখন চারপাশে অন্যায়, অত্যাচার, নির্যাতন, নিপীড়ন, শোষণ, সামাজিক বৈষম্য ও ভেদাভেদ প্রত্যক্ষ করে তখন প্রাণবন্ত তাজা তরুণরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে এবং অসহ্য যন্ত্রণায় ছটফট করে।

55 সুকান্ত ভট্টাচার্য কত বছর বয়সে মারা যান? [Rajshahi · 2024]

উত্তর সুকান্ত ভট্টাচার্য একুশ বছর বয়সে মারা যান।

56 “এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।”- ব্যাখ্যা কর। [Rajshahi · 2024]

উত্তর “এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।”- কথাটির মাধ্যমে কবি তারুণ্যশক্তির জাগরণের মাধ্যমে দেশের মুক্তি ও উন্নতি নিশ্চিত করার দিকটিকে বুঝিয়েছেন।
‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় কবি এ দেশের বুকে আঠারো বছর বয়সের তরুণদের আবির্ভাব প্রত্যাশা করেছেন। তারুণ্যশক্তির কাছে কবির প্রত্যাশা অনেক। আঠারো বছর বয়সের তরুণরা এ দেশটাকে সত্য, ‘সুন্দর ও কল্যাণময় করে গড়ে তুলবে। তারা অত্যাচার, উৎপীড়ন প্রতিহত করবে; মহৎ সৃষ্টির আনন্দে উদ্বেলিত হবে। কবির প্রার্থনা, এসব বৈশিষ্ট্য নিয়ে যেন দেশের কল্যাণে, মানবতার সেবায়, জাতীয় জীবনের চালিকাশক্তিরূপে এ দেশের বুকে আঠারো বছরের তারুণ্যের আবির্ভাব ঘটে।

57 কোন বয়স দুঃসহ? [Jessore · 2024]

উত্তর আঠারো বছর বয়স দুঃসহ।

58 “এ বয়স কালো লক্ষ দীর্ঘশ্বাসে”- এ অংশে কবি কোন দিকের প্রতি ইঙ্গিত করেছেন? [Jessore · 2024]

উত্তর “এ বয়স কালো লক্ষ দীর্ঘশ্বাসে”- এ অংশে কবি আঠারো বছর বয়সের নেতিবাচক দিকের প্রতি ইঙ্গিত করেছেন।
‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় কবি আঠারো বছর বয়সের বিভিন্ন ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিকের কথা বলেছেন। তরুণরা যদি যথাযথভাবে পরিচালিত না হয়, তাহলে তাদের জীবনে নেতিবাচক দিকের প্রভাব পড়তে পারে। আঠারো বছর বয়স মানবজীবনের এক উত্তরণকালীন পর্যায়। এই বয়সে মানুষ কৈশোর থেকে যৌবনে পদার্পণ করে। মানবজীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই বয়স বহু ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যে ভরপুর। তবে সচেতন ও সচেষ্ট হয়ে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে জীবন পরিচালনা করতে না পারলে অজস্র ব্যর্থতার দীর্ঘশ্বাসে এই বয়স নেতিবাচক কালো অধ্যায়ে পর্যবসিত হতে পারে। আলোচ্য অংশে কবি এই দিকটিরই ইঙ্গিত করেছেন।

59 ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত? [Comilla · 2024]

উত্তর ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।

60 দুর্যোগে হাল ঠিকমতো রাখা ভার’- পঙক্তিটি দ্বারা কবি কী বুঝিয়েছেন? [Comilla · 2024]

উত্তর দুর্যোগে হাল হাল। ঠিকমতো রাখা ভার’ বলতে আঠারো বছর বয়সে যথাযথ পরিচর্যার অভাবে তরুণদের জীবন সমস্যা-সংকটময় হয়ে ওঠার আশংকাকে বোঝানো হয়েছে।
‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় কবি তারুণ্যের জয়গান করেছেন। কবি এ বয়সের নেতিবাচক দিকের কথাও বলেছেন। কৈশোর ও যৌবনের সন্ধিক্ষণে শারীরিক, মানসিক পরিবর্তনের সঙ্গে তরুণদের পারিপার্শ্বিক নানা জটিলতাও অতিক্রম করতে হয়। এ সময় নিজেকে সঠিক পথে, সঠিকভাবে পরিচালনা করতে না পারলে পদস্খলন হতে পারে। তাতে জীবনে বিপর্যয় নেমে আসতে পারে। এ কারণেই আঠারো বছর বয়স সম্পর্কে বলা হয়েছে, এ সময় দুর্যোগে হাল ঠিকমতো রাখা ভার।

61 বিরাট দুঃসাহসেরা কখন উঁকি দেয়? [Chittagong · 2024]

উত্তর বিরাট দুঃসাহসেরা আঠারো বছর বয়সে উঁকি দেয়।

62 ‘সঁপে আত্মাকে শপথের কোলাহলে।’- এখানে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন? ব্যাখ্যা কর। [Chittagong · 2024]

উত্তর বিপদ মোকাবিলায় তরুণ প্রাণের এগিয়ে আসার বিষয়টি এখানে মূর্ত হয়ে উঠেছে।
আঠারো বছর বয়স স্বপ্ন দেখে নতুন জীবনের, নব নব অগ্রগতি সাধনের। তাই সেসব স্বপ্ন বাস্তবায়নে, নিত্যনতুন করণীয় সম্পাদনের জন্য নব নব শপথে বলীয়ান হয়ে তরুণ প্রাণ এগিয়ে যায় দৃঢ় পদক্ষেপে। তারা দেশ ও জনগণের মুক্তিসংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে। তরুণরা শুভ, সুন্দর ও কল্যাণের জন্য প্রাণ দিতে সদা প্রস্তুত থাকে। সমস্ত বিপদ মোকাবেলায় তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দাঁড়ায়। যেকোনো অন্যায়-অবিচারের প্রতিবাদ করতে এ বয়সের তরুণরা পিছপা হয় না। প্রবল প্রাণশক্তিতে উজ্জীবিত হয়ে সমস্ত বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যেতে পারে অভীষ্ট লক্ষ্যে।

63 আঠারো বছর বয়সে কী উঁকি দেয়? [Barisal · 2024]

উত্তর আঠারো বছর বয়সে বিরাট দুঃসাহসেরা উঁকি দেয়।

64 “এ বয়স জেনো ভীরু, কাপুরুষ নয়”- ব্যাখ্যা কর। [Barisal · 2024]

উত্তর “এ বয়স জেনো ভীরু, কাপুরুষ নয়।”- এই কথাটির মাধ্যমে কবি আঠারো বছর বয়সের তরুণদের সাহসিকতার দিকটি নির্দেশ করেছেন। ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় কবি তারুণ্যের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে। এর জয়াগান গেয়েছেন। কবির মতে এই বয়সের ধর্ম হচ্ছে আত্মত্যাগের মহান মন্ত্রে উজ্জীবিত হওয়া, রক্তশপথ নিয়ে দেশের দুর্যোগে ঝাঁপিয়ে পড়া। তিনি বলেন, এই বয়সের তরুণরা সকল বাধাকে পিছনে ফেলে দুর্বার গতিতে সামনে এগিয়ে যায়। তারা অসীম সাহস দিয়ে দেহ ও মনের স্থবিরতা, নিশ্চলতা ও জরাজীর্ণতাকে অতিক্রম করে। কোনো প্রকার ভয় তাদের কাবু করতে পারে না। প্রশ্নোক্ত কথাটির মাধ্যমে কবি এ বিষয়টিইকেই বুঝিয়েছেন।

65 ‘আঠারো বছর বয়স’ থরোথরো কাঁপে কীসে? [Mymensingh · 2024]

উত্তর ‘আঠারো বছর বয়স’ থরোথরো কাঁপে বেদনায়।

66 “এ বয়স তবু নতুন কিছু তো করে”- ব্যাখ্যা কর। [Mymensingh · 2024]

উত্তর “এ বয়স তবু নতুন কিছু তো করে” বলতে কবি আঠারো বছর বয়স তারুণ্যের দীপ্তিতে মানবকল্যাণ সাধনে চিরভাস্বর হওয়াকে বুঝিয়েছেন।
‘আঠারো বছর বয়স’ করিতায় কবি আঠারো বছর বয়সে উত্তেজনার প্রবল আবেগে ঝুঁকিপূর্ণ সাধনায় অবিরাম গতিতে জীবন-সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে তরুণ প্রাণ। অদম্য দুঃসাহসে কঠিন বাধা-বিপত্তি উপপক্ষা করে অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সময় এই বয়স। নতুন সমাজ ও জাতি গঠনে তরুণদের অবদানই সবচেয়ে বেশি। যেকোনো বিপদ-আপদে এই বয়সিরা সবার আগে এগিয়ে যায়। এই বয়সের তরুণরাই নতুন কিছু করে। কবি তাদের নতুন কাজকে, নব আবিষ্কারকে ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করেছেন প্রশ্নোক্ত কথাটির মাধ্যমে।

67 “আঠারো বছর বয়স” কবিতাটি কবির কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে? [Dhaka · 2023]

উত্তর “আঠারো বছর বয়স” কবিতাটি সুকান্ত ভট্টাচার্যের “ছাড়পত্র” কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে।

68 “আঠারো বছর বয়স” দুর্যোগে হাল ঠিক রাখতে পারে না কেন? [Dhaka · 2023]

উত্তর আঠারো বছর বয়সে বাধা-বন্ধনহীন দুর্বার, গতিশীল। পথে প্রান্তরে সে ছুটে বেড়ায়, ঝড়ো হাওয়ার বেগে সব অন্যায় অবিচার উড়িয়ে নিয়ে যায়। প্রচণ্ড সাহস ও শক্তি নিয়ে ছুটে চলে। মানুষের অকল্যাণ ও দু:খ-দুর্দশায়, দুর্যোগে শক্ত হাতে হাল ধরার বয়স আঠারো। তবে এ বয়স যেমন জীবনকে পরিপূূর্ণভাবে গড়ে তোলার, তেমনি জীবন থেকে চিরতরে হারিয়ে যাওয়ার বয়সও এটি। এ বয়সের হাল যদি কেউ ঠিকমতো ধরতে না পারে তাহলে তার জীবনে বিপর্যয় নেমে আসে। শত শত প্রাণ সেই ফাঁদে পড়ে হারিয়ে যায়।

69 সুকান্ত ভট্টাচার্যের ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত? [Barisal · 2023]

উত্তর সুকান্ত ভট্টাচার্যের ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।

70 “দুর্যোগে হাল ঠিকমতো রাখা ভার”—উক্তিটি ব্যাখ্যা কর। [Barisal · 2023]

উত্তর ‘দুর্যোগে হাল ঠিকমতো রাখা ভার’ বলতে আঠারো বছর বয়সে যথাযথ পরিচর্যার অভাবে তরুণদের জীবন সমস্যা-সংকটময় হয়ে ওঠাকে বোঝানো হয়েছে।

কৈশোর ও যৌবনের সন্ধিক্ষণে শারীরিক, মানসিক, সামাজিক, রাজনৈতিক ও নানা জটিলতা অতিক্রম করতে হয়। এই সময় সচেতন ও সচেষ্টভাবে নিজেকে পরিচালনা করতে না পারলে পদস্থলন হতে পারে। আর তাতে জীবনে বিপর্যয় নেমে আসতে পারে। এ কারণেই আঠারো বছর বয়স সম্পর্কে বলা হয়েছে, এ সময় দুর্যোগে হাল ঠিকমতো রাখা ভার।

71 ‘আঠারো বছর বয়স’ বিপদের মুখে কী? [Sylhet · 2023]

উত্তর ‘আঠারো বছর বয়স’ বিপদের মুখে অগ্রণী।

72 “এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।” –কবির এ প্রত্যাশার কারণ ব্যাখ্যা কর । [Sylhet · 2023]

উত্তর তারুণ্যশক্তি কোনো বাধা মানে না। তরুণরা দেহ ও মনের জরাজীর্ণতা পেছনে ফেলে দুর্বার গতিতে সামনে এগিয়ে যায়। তারা দুর্লঙ্ঘ পর্বত, বিপদসংকুল পথ পার হয়ে অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছতে চায় । ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য এদেশের বুকে আঠারো নেমে আসার প্রত্যাশা করেছেন। কবি আশা করেন, এই বয়সের তরুণরা এই দেশটাকে সত্য, সুন্দর ও কল্যাণময় করে গড়ে তুলবে। অত্যাচার, উৎপীড়ন প্রতিহত করবে। তরুণরা মহৎ সৃষ্টির আনন্দে উদ্বেলিত হবে।

73 আঠারো বছর বয়স কী জানে? [Dinajpur · 2023]

উত্তর আঠারো বছর বয়স জানে রক্তদানের পূণ্য।

74 “তবু আঠারোর শুনেছি জয়ধ্বনি।” চরণটি ব্যাখ্যা কর। [Dinajpur · 2023]

উত্তর আঠারোর জয়ধ্বনি কবি বেশি শুনেছেন। জীবনটা আসলে কতটা কঠিন আর এই জীবন সংগ্রামের পথে কিভাবে চলতে হবে সেটা মানুষ এই বয়সেই বুঝতে পারে অর্থাৎ জীবনকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে শিখে। বিপদের মুখে এ বয়স বেশি অগ্রণী অর্থাৎ কোন বিপদ- আপদ দেখলে সবার আগে এই বয়সের যুবকরা আগে ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাদের অনেক নেতিবাচক দিক থাকলেও এই বয়সের ছেলেমেয়েরা অন্ততপক্ষে নতুন কিছু তো করে। এ কথাই কবি বোঝাতে চেয়েছেন।

75 সুকান্ত ভট্টাচার্যের কাব্যগ্রন্থ ‘ছাড়পত্র’ কত সালে প্রকাশিত? [Chittagong · 2023]

উত্তর সুকান্ত ভট্টাচার্যের কাব্যগ্রন্থ ‘ছাড়পত্র’ ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত।

76 কবি কেন এ দেশের বুকে আঠারো বছর বয়সিদের নামিয়ে আনতে চান? [Chittagong · 2023]

উত্তর আঠারো বছর বয়সের ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যগুলো যেন জাতীয় জীবনের চালিকাশক্তি হয়ে ওঠে, সেই প্রত্যাশায় কবি এদেশের বুকে আঠারো বছর বয়সিদের নামিয়ে আনতে চান। আঠারো বছর বয়স বহু ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যে সমৃদ্ধ। এ বয়সের তরুণরা জড়-নিশ্চল প্রথাবদ্ধ জীবনকে পেছনে ফেলে সবসময় নতুন জীবন রচনার স্বপ্ন দেখে। কল্যাণচিন্তা, সেবাব্রত, উদ্দীপনা, সাহসিকতা, চলার দুর্বার গতি- এ সবই আঠারো বছর বয়সি তারুণ্যের বৈশিষ্ট্য। কবির কামনা এসব বৈশিষ্ট্য দিয়েই যেন তরুণরা জাতীয় জীবনের ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটায়।

77 আঠারো বছর বয়স পদাঘাতে কী ভাঙতে চায়? [Rajshahi · 2022]

উত্তর আঠারো বছর বয়স পদাঘাতে পাথর বাধা ভাঙতে চায় ।

78 আঠারো বছর বয়সকে কবি ‘দুঃসহ’ বলেছেন কেন? [Rajshahi · 2022]

উত্তর এ বয়সে নানা দুঃসাহসী স্বপ্ন, কল্পনা ও উদ্যোগ মনকে ঘিরে রাখে বলে কবি আঠারো বছর বয়সকে দুঃসহ বলেছেন । আঠারো বছর বয়স মানবজীবনের এক উত্তরণকালীন পর্যায়। এ বয়সে মানুষ কৈশোর থেকে যৌবনে পদার্পণ করে। আত্মনির্ভরশীলতার তাড়না এ সময় মনকে অস্থির করে তোলে। এ বয়সেই স্বাধীনভাবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার ঝুঁকি নেয় মানুষ। ফলে তাকে এক দুঃসহ অবস্থায় পড়তে হয়। তাই আলোচ্য কবিতায় আঠারো বছর বয়সকে দুঃসহ বলে অভিহিত করা হয়েছে।

79 সুকান্ত ভট্টাচার্য সম্পাদিত কাব্যগ্রন্থটির নাম কী? [Dinajpur · 2022]

উত্তর সুকান্ত ভট্টাচার্য সম্পাদিত কাব্যগ্রন্থটির নাম ‘আকাল’ ।

80 “এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা!”- লাইনটিতে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন? [Dinajpur · 2022]

উত্তর ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় কবি ‘এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা’— চরণটির মাধ্যমে এ বয়সে নতুন নতুন তত্ত্বের সঙ্গে পরিচিত হওয়াকে বুঝিয়েছেন ।

আঠারো বছর বয়সে মানুষ আত্মপ্রত্যয়ে প্রথমবারের মতো স্বনির্ভর জীবনযাপনের প্রয়াস চালায়। এ জন্য তাকে বাস্তব রুক্ষ মাটির পৃথিবীর ওপর দাঁড়াতে হয়। এ সময় তারা ভালো-মন্দ, ইতিবাচক-নেতিবাচক নানা তত্ত্ব, মতবাদ ও ভাবধারার সঙ্গে পরিচিত হতে শুরু করে ।

81 সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়? [Comilla · 2022]

উত্তর সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈতৃক নিবাস গোপালগঞ্জ জেলায় ।

82 ‘এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা’- ব্যাখ্যা কর। [Comilla · 2022]

উত্তর আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় কবি ‘এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা’— চরণটির মাধ্যমে এ বয়সে নতুন নতুন তত্ত্বের সঙ্গে পরিচিত হওয়াকে বুঝিয়েছেন । আঠারো বছর বয়সে মানুষ আত্মপ্রত্যয়ে প্রথমবারের মতো স্বনির্ভর জীবনযাপনের প্রয়াস চালায়। এ জন্য তাকে বাস্তব রুক্ষ মাটির পৃথিবীর ওপর দাঁড়াতে হয়। এ সময় তারা ভালো-মন্দ, ইতিবাচক-নেতিবাচক নানা তত্ত্ব, মতবাদ ও ভাবধারার সঙ্গে পরিচিত হতে শুরু করে ।

83 আঠারো বছর বয়স পদাঘাতে কী ভাঙতে চায়? [Jessore · 2022]

উত্তর আঠারো বছর বয়স পদাঘাতে পাথর বাধা ভাঙতে চায়।

84 “এদেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।”- কবির এ প্রত্যাশা কেন? [Jessore · 2022]

উত্তর কবি উক্ত পঙক্তিটির মাধ্যমে প্রত্যাশা করেছেন,আঠারো বছর বয়সের ইতিবাচক বৈশিষ্ট্য গুলো যেন জাতীয় জীবনের চালিকাশক্তি হয়ে ওঠে।আঠারো বছর বয়স বহু ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যে সমৃদ্ধ। তরুণরা জড়-নিশ্চল প্রথাবদ্ধ জীবনকে পিছনে ফেলে সবসময় নতুন জীবন রচনার স্বপ্ন দেখে।কল্যাণচিন্তা, সেবাব্রত, উদ্দীপনা,সাহসিকতা, চলার দুর্বার গতি এসবই আঠারো বছর বয়সে তারুণ্যের বৈশিষ্ট্য। কবির কামনা এসব বৈশিষ্ট্য দিয়ে যেন তরুণরা জাতীয় জীবনের ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটায়।

85 আঠারো বছর বয়স পদাঘাতে কী ভাঙতে হায়? [Barisal · 2022]

উত্তর আঠারো বছর বয়স পদাঘাতে পাথর বাধা ভাঙতে চায়।

86 সঁপে আত্মাকে শপথের কোলাহলে- এখানে তরুণদের কোন বিশেষ দিকটির প্রতি ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে? বুঝিয়ে বল [Barisal · 2022]

উত্তর ‘সঁপে আত্মাকে শপথের কোলাহলে’— বলতে তরুণদের নব নব শপথে বলীয়ান হয়ে দৃঢ় পদক্ষেপে এগিয়ে যাওয়ার দিকটির ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

আঠারো বছর বয়সি তারুণ্য নানা ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যে সমুজ্জল । এ বয়সি তরুণেরা স্বপ্ন দেখে নতুন জীবনের, নব নব অগ্রগতি সাধনের। সেসব স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নিত্যনতুন করণীয় সম্পাদনের জন্য তারুণ্যশক্তি নানামুখী শপথ গ্রহণ করে । প্রশ্নোক্ত ‘সঁপে আত্মাকে শপথের কোলাহলে’ কথাটির মাধ্যমে এ বিষয়টিই ফুটে উঠেছে।

87 ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে? [Chittagong · 2022]

উত্তর ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি ‘ছাড়পত্র’ কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া ।

88 ‘এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।’- উক্তিটির অর্থ কী? ব্যাখ্যা কর। [Chittagong · 2022]

উত্তর কবি উক্ত পক্তিটির মাধ্যমে প্রত্যাশা করেছেন, আঠারো বছর বয়সের ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যগুলো যেন জাতীয় জীবনের চালিকাশক্তি হয়ে ওঠে । আঠারো বছর বয়স বহু ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যে সমৃদ্ধ। এ বয়সের তরুণরা জড়-নিশ্চল প্রথাবদ্ধ জীবনকে পেছনে ফেলে সবসময় নতুন জীবন রচনার স্বপ্ন দেখে। কল্যাণচিন্তা, সেবাব্রত, উদ্দীপনা, সাহসিকতা, চলার দুর্বার গতি— এসবই আঠারো বছর বয়সি তারুণ্যের বৈশিষ্ট্য। কবির কামনা এসব বৈশিষ্ট্য দিয়েই যেন তরুণরা জাতীয় জীবনের ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটায় ।

89 ‘আকাল’ সুকান্ত ভট্টাচার্যের কী ধরনের রচনা ? [Jessore · 2019]

উত্তর আকাল’ সুকান্ত ভট্টাচার্য রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ ।

90তবু আঠারোর শুনেছি জয়ধ্বনি’– সপ্রসঙ্গ পক্তিটি ব্যাখ্যা করো। [Jessore · 2019]

উত্তর আঠারো বছর বয়সি তরুণদের দুর্জয় মনোভাব এবং অপার সম্ভাবনার দিক বিবেচনায় কবি প্রশ্নোক্ত পক্তিটির অবতারণা করেছেন । মানুষের জীবনে আঠারো বছর বয়স খুবই তাৎপর্যপূর্ণ একটি সময়। কৈশোর থেকে যৌবনে পদার্পণের এ সময়টিতে তরুণদের অনেক ঘাত- প্রতিঘাত সহ্য করে এগিয়ে যেতে হয়। আর প্রবল প্রাণশক্তির অধিকারী তরুণেরা শত দুর্যোগ মোকাবিলা করে অদম্য মনোভাব নিয়ে সামনে এগিয়ে চলে । তারুণ্যের শক্তিতে দুর্জয়কে জয় করে দেশ ও জাতির জন্য অমিত সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেয় তারা। তারুণ্যের এ অমিত শক্তি এবং ইতিবাচক বৈশিষ্ট্য লক্ষ করেই কবি প্রশ্নোক্ত উক্তিটি করেছেন ।

91 আঠারো বছর বয়স পদাঘাতে কী ভাঙতে চায়? [Dhaka · 2018]

উত্তর আঠারো বছর বয়স পদাঘাতে পাথর বাধা ভাঙতে চায়।

92 ‘এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য’- এ কথার তাৎপর্য কী? [Dhaka · 2018]

উত্তর যেকোনো মহৎ কাজে আঠারো বছর বয়সি তরুণদের আত্মত্যাগী মানসিকতা বোঝাতে কবি আলোচ্য উক্তিটি করেছেন।

দেশ, জাতি ও মানবতার জন্য যুগে যুগে তরুণেরাই এগিয়ে এসেছে সবচেয়ে বেশি। সমস্ত বিপদ মোকাবিলায় তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রাণ দিয়েছে দেশ ও জনগণের মুক্তির সংগ্রামে। যেকোনো অন্যায়-অবিচারের প্রতিবাদ করতে এ বয়সের তরুণেরা পিছপা হয় না। তাই কবি বলেছেন, ‘এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য।’

93 কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কোন দৈনিক পত্রিকার সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন? [Dinajpur · 2017]

উত্তর কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য ‘দৈনিক স্বাধীনতা’ পত্রিকার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।

94 ’আঠারো বছর বয়স মাথা নোয়াবার নয়’- কেন? [Dinajpur · 2017]

উত্তর আঠারো বছর বয়সে মানুষ যৌবনে পদার্পণ করে আত্মপ্রত্যয়ী ও সাহসী হয়ে ওঠে বলে কারো কাছে মাথা নোয়ায় না। শৈশব-কৈশোরের পরনির্ভরতার দিনগুলো সচেতনভাবে মুছে ফেলতে উদ্যোগী হয় আঠারো বছর বয়সের তরুণেরা। এ বয়স অদম্য দুঃসাহসে সকল বাধা-বিপদকে পেরিয়ে যেতে প্রস্তুত থাকে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে উদ্যমী এ বয়সের তরুণেরা। কোনো অন্যায় ও প্রতিবন্ধকতার কাছে মাথা নত করে না এ বয়সের তরুণপ্রাণ। কবি তাই এ বয়সটিকে দুঃসাহসী হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

95 সুকান্ত ভট্টাচার্য মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত কোন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন? [Comilla · 2017]

উত্তর সুকান্ত ভট্টাচার্য মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত ‘দৈনিক স্বাধীনতা’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।

96 ‘এদেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে’- পঙক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো। [Comilla · 2017]

উত্তর কবি উক্ত পঙক্তিটির মাধ্যমে প্রত্যাশা করেছেন, আঠারো বছর বয়সের ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যগুলো যেন জাতীয় জীবনের চালিকাশক্তি হয়ে ওঠে।

আঠারো বছর বয়স বহু ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যে সমৃদ্ধ। এ বয়সের তরুণরা জড়-নিশ্চল প্রথাবদ্ধ জীবনকে পেছনে ফেলে সবসময় নতুন জীবন রচনার স্বপ্ন দেখে। কল্যাণচিন্তা, সেবাব্রত, উদ্দীপনা, সাহসিকতা, চলার দুর্বার গতি- এসবই তাদের বৈশিষ্ট্য। কবির কামনা এসব বৈশিষ্ট্য দিয়েই যেন তরুণরা জাতীয় জীবনের ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটায়।

97 “আকাল” সুকান্ত ভট্টাচার্যের কী ধরনের রচনা?

উত্তর “আকাল” সুকান্ত ভট্টাচার্যের সম্পাদিত কাব্যগ্রন্থ।

98 আঠারো বছর বয়স পদাঘাতে কী ভাঙতে চায়?

উত্তর আঠারো বছর বয়স পদাঘাতে পাথর সমান বাধা ভাঙতে চায়।

99 “ছাড়পত্র” কাব্যগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?

উত্তর “ছাড়পত্র” কাব্যগ্রন্থটি ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত হয়।

100 সুকান্ত ভট্টাচার্য মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত কোন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন?

উত্তর সুকান্ত ভট্টাচার্য মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত “দৈনিক স্বাধীনতা” পত্রিকার “কিশোরসভা” অংশের সম্পাদক ছিলেন।

101 কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কোন দৈনিক পত্রিকার সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন?

উত্তর কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য “দৈনিক স্বাধীনতা” পত্রিকার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।

102 সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?

উত্তর সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈতৃক নিবাস গোপালগঞ্জ জেলার কোটালিপাড়াযন?

103 কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কত বছর বয়সে মারা যান?

উত্তর কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য একুশ বছর বয়সে মারা যান।

104 আঠারো বছর বয়সে কীভাবে আঘাত আসে?

উত্তর আঠারো বছর বয়সে অবিশ্রান্তভাবে আঘাত আসে।

105 আঠারো বছর বয়সে অহরহ কী উকি দেয়?

উত্তর আঠারো বছর বয়সে অহরহ বিরাট দুঃসাহসেরা উঁকি দেয়।

106 সুকান্ত তাঁর কাব্যে কিসের আহ্বান জানিয়েছেন?

উত্তর সুকান্ত তাঁর কাব্যে অন্যায়-অবিচার, শোষণ-বর্ণনার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ, বিপ্লব ও মুক্তির আহ্বান জানিয়েছেন।

107 আঠারো বছর বয়স কিসে কালো?

উত্তর আঠারো বছর বয়স লক্ষ দীর্ঘশ্বাসে কালো।

108 সুকান্ত ভট্টাচার্যের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?

উত্তর ছাড়পত্র।

109 রবীন্দ্র-নজরুল উত্তর যুগের তরুণ কবি বলা হয় কাকে? উত্তর সুকান্ত ভট্টাচার্যকে।

110 কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য ১৩৩৩ বঙ্গাব্দের কত তারিখে জন্মগ্রহণ করেন?

উত্তর ৩০ শ্রাবণ

111 ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটির রচয়িতা কে? উত্তর

সুকান্ত ভট্টাচার্য।

112 কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের পিতার নাম কী?

উত্তর নিবারণচন্দ্র ভট্টাচার্য।

113 কবি সুকান্তের মায়ের নাম কী?

উত্তর সুনীতি দেবী।

114 ঘুম নেই’ কোন জাতীয় রচনা?

উত্তর কাব্যগ্রন্থ।

115 ‘ঘুম নেই’ কাব্যগ্রন্থটি কার লেখা?

উত্তর কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের।

116 দৈনিক পত্রিকা ‘স্বাধীনতা’র ‘কিশোর সভা’ অংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?

উত্তর সুকান্ত ভট্টাচার্য।

117 ‘পূর্বাভাস’ কী?

উত্তর কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ।

118 ‘মিঠেকড়া’ রচনাটি কার সৃষ্টি?

উত্তর কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের।

৬ মাত্রার মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।

119 ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার প্রতিটি চরণের মাত্রা বিন্যাস কেমন?

ans: ৬ মাত্রার মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।

120 ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতার প্রতিটি চরণের মাত্রা বিন্যাস কেমন?

উত্তর ৬ + ৬ + ২ মাত্রা।

121 আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় কী শূন্য থাকে না?

উত্তর প্রাণ দেওয়া নেওয়ার ঝুলি।

122 ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় কোন বয়স ভয়ংকর?

উত্তর আঠারো বছর বয়স।

123 আঠারো বছর বয়স পথে প্রান্তরে কী ছোটায়?

উত্তর বহু তুফান।

124 আঠারো বছর বয়সে সহস্র প্রাণ কী হয়? উত্তর ক্ষতবিক্ষত।

125 দুর্যোগে আর ঝড়ে আঠারো বছর বয়স কী করে?

উত্তর বাঁচে।

126 কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের অন্য রচনাগুলো কী কী?

উত্তর ‘মিঠেকড়া’, ‘অভিযান’, ‘হরতাল’ ইত্যাদি।

127 কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কিসের জয়ধ্বনি শুনতে পান?

উত্তর আঠারোর জয়ধ্বনি।

128 কখন হাল ঠিকমতো রাখা কঠিন হয়ে পড়ে?

উত্তর দুর্যোগের সময়।

129 আঠারো বছর বয়স লক্ষ দীর্ঘশ্বাসে কী হয়ে যায়?

উত্তর কালো হয়ে যায়।

130 আঠারো বছর বয়স’ কবিতায় কোন বয়সকে ‘দুঃসহ বলা হয়েছে?

উত্তর আঠারো বছর বয়সকে।

131 এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে- কে বলেছেন?

উত্তর সুকান্ত ভট্টাচার্য।