BNG – AB S – Podda

01 ‘জওয়ান’ কোন ভাষার শব্দ? [ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ · 2026]

উত্তর ‘জওয়ান’ ফারসি ভাষার শব্দ।

02 “কেঁপেছে তোমাকে দেখে দুরন্ত হার্মাদ।” উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।। [ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ · 2026]

উত্তর আলোচ্য পঙক্তিতে পদ্মার ভয়ংকর রূপটি প্রকাশ পেয়েছে।
‘পদ্মা’ কবিতায় কবি পদ্মা নদীর ভয়ংকর ও প্রমত্ত রূপ তুলে ধরেছেন। এর স্রোতে সাজানো বাগান ভেসে যায়। বর্ষাকালে এর স্রোত দুই পাড়ের জনজীবনকে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। পদ্মার প্রমত্ত ঢেউ দেখে বহু সমুদ্রে ভ্রমণকারী হার্মাদ জলদস্যুদের প্রাণও শুকিয়ে যেত। আলোচ্য পঙ্ক্তিতে পদ্মার সেই প্রমত্ত রূপের বর্ণনা ফুটে উঠেছে।

03 মুসলিম রেনেসাঁর কবি বলা হয় কাকে? [জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, সিলেট · 2026]

উত্তর মুসলিম রেনেসাঁর কবি বলা হয় ফররুখ আহমদকে।

04 ‘মুক্তির স্বর্ণদ্বার’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো। [জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, সিলেট · 2026]

উত্তর ‘মুক্তির স্বর্ণদ্বার’ বলতে পদ্মার পলিবাহিত মাটিতে এর তীরবাসীর ভাগ্যের উন্নয়নে ইঙ্গিতকে বোঝানো হয়েছে।
পদ্মা একটি প্রলয়ংকরী নদী। বর্ষায় এর তীব্র স্রোত তীরের সবকিছুকে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। তবে পদ্মার এই রূপের বিপরীত চিত্র অর্থাৎ কল্যাণময়ী রূপও বিদ্যমান। এর স্রোতে বাহিত পলি ফসলি জমিকে উর্বর করে। সোনার ফসলে ভরিয়ে দেয় তীরবাসীকে। মুক্তির স্বর্ণদ্বার বলতে পদ্মার সেই কল্যাণময়ী রূপটিকেই নির্দেশ করা হয়েছে।

05 জীবন-মৃত্যুর দ্বন্দ্বে নিঃসংশয় কারা?

উত্তর পদ্মা তীরবর্তী নির্ভীক জওয়ান জীবন-মৃত্যুর দ্বন্দ্বে নিঃসংশয়।

06 মৃত জড়তার বুকে খুলেছে মুক্তির স্বর্ণদ্বার” বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর ➤ আলোচ্য পঙক্তিটির মাধ্যমে মানুষের জীবনের স্পন্দন ফিরে আসার কথা বলা হয়েছে।

➤ বর্ষায় পদ্মা অত্যন্ত ভয়ংকর রূপ ধারণ করে। তার স্রোতের গতি বেড়ে যায় কয়েক গুণ। বর্ষাকালে পদ্মার স্রোত স্ফীত হয়ে ভাসিয়ে নেয় মানুষের সাজানো বাগান, ঘরবাড়ি। এমনকি পদ্মার স্রোত মানুষের জীবন পর্যন্ত কেড়ে নেয়। সেই ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে আবারও প্রাণের স্পন্দন জেগে ওঠে পদ্মাকে কেন্দ্র করে। পদ্মার তীব্র গতি মানুষের জীবনপ্রবাহের গতিহীন স্তব্ধতার বুকে এনে দেয় মুক্তির স্পন্দন। সারকথা: প্রশ্নোক্ত পক্তিটির মাধ্যমে মানুষের জীবনের স্পন্দন ফিরে আসায় কথা বলা হয়েছে।

07 ‘পদ্মা’ কবিতায় প্রতিটি পঙ্ক্তিতে কত মাত্রা রয়েছে?

উত্তর ‘পদ্মা’ কবিতায় প্রতিটি পঙ্ক্তিতে রয়েছে ১৮ মাত্রা।

08 “জেগেছে তবু পরিপূর্ণ আহ্বান”- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ➤ ধ্বংসযজ্ঞের ভেতর দিয়েও পদ্মা নদীর কল্যাণময়ী রূপ ও কর্মচঞ্চলময় প্রাণের স্পন্দন জেগে ওঠার বিষয়টি উক্তিটির মধ্যে ফুটে উঠেছে।

➤ প্রমত্ত পদ্মার ভয়ংকর রূপ দেখে দুরন্ত জলদস্যুও ভীত হয়ে ওঠে। বর্ষাকালে স্ফীত জলস্রোত ভাসিয়ে নিয়ে যায় ঘরবাড়ি, সাজানো সংসার এমনকি জীবন পর্যন্ত। আবার পলিতে প্লাবিত উর্বর দুই পাড় ভরে ওঠে ফসলের সমারোহে। জেগে ওঠে প্রাণের স্পন্দন, কর্মচাঞ্চল্যে ভরে ওঠে জনজীবন। এমন কল্যাণময়ী রূপের মধ্য দিয়ে পদ্মার পরিপূর্ণ আহ্বান জেগে ওঠে। সারকথা: প্রবল স্ফীত স্রোতে পদ্মা নদী যেমন সবকিছু ভাসিয়ে নিয়ে যায় তেমন পর্যাপ্ত ফসল ও করে তোলে। জীবনদায়িনী সবুজের সমারোহে জীবন পূর্ণ

09 ‘সমুদ্রের স্বাদ’ কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে? উত্তর

‘সমুদ্রের স্বাদ’ কথাটি দ্বারা সমুদ্র ভ্রমণের অভিজ্ঞতাকে বোঝানো হয়েছে।

10 মানুষের জীবনে পদ্মার প্রভাব ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ➤ নদীমাতৃক বাংলাদেশের মানুষের জীবনে পদ্মা নদীর প্রভাব ব্যাপক ও সুদূরপ্রসারী।

➤ ‘পদ্মা’ কবিতায় প্রমত্তা পদ্মা নদীর ভয়ংকর ও কল্যাণময়ী রূপের পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে। কবি এখানে একদিকে পদ্মাকে মানুষের জীবনের অভিশাপ এবং অন্যদিকে আশীর্বাদ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। মানুষের জীবনে নদী একদিকে যেমন উপকার করে, অন্যদিকে তেমনই ক্ষতি করে। নদী উপকার করে মানুষের আবাদি জমির জন্য পলি বয়ে এনে, যাতে জমির উর্বরাশক্তি বৃদ্ধি পায়। ফলে মানুষ সবুজের সমারোহ গড়ে তোলে, ফসল ফলায়। অন্যদিকে নদী বর্ষা-বন্যায় দুকূল ভাসায়। এক্ষেত্রে পদ্মা নদী মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে ঘর-বাড়ি ভাসিয়ে নিয়ে, ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে। তাই বলা যায়, পদ্মা একদিকে প্রাণের স্পন্দন জাগায়, অন্যদিকে তেমনই ধ্বংস ডেকে আনে। সারকথা: নদীমাতৃক এ দেশে শ মানুষের মধ্যে প্রাণের জাগরণ ঘটাতে এবং প্রাণের সংকট সৃষ্টিতে পদ্মা নদী ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে।

11 ‘পদ্মা’ কবিতায় কীসের স্বাদ পাওয়ার কথা বলা হয়েছে?

উত্তর ‘পদ্মা’ কবিতায় সমুদ্রের স্বাদ পাওয়ার কথা বলা হয়েছে।

12 জলদস্যু- দুরন্ত হার্মাদ কাকে দেখে কেঁপেছে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ➤ জলদস্যু- দুরন্ত হার্মাদ পদ্মাকে দেখে কেঁপেছে।

➤ ‘পদ্মা’ কবিতায় পদ্মার দুটি রূপ প্রকাশিত হয়েছে। এগুলোর একটি হলো তার ভয়ংকর প্রমত্ত রূপ। পদ্মার এই ভয়ংকর ও প্রমত্ত রূপ দেখে পদ্মাতীরবর্তী মানুষের মনে ভয়ের সঞ্চার হয়। সেই ভয়কে জয় করে এখানকার মানুষ বেঁচে থাকে। ঠিক এরকমই অভিজ্ঞতাসম্পন্ন বহু ঘূর্ণিতে ঘোরা, প্রচুর সমুদ্রের স্বাদ পাওয়া জলদুস্য- দুরন্ত হার্মাদও পদ্মার ভয়ংকর রূপ দেখে ভয়ে কেঁপে ওঠে। অর্থাৎ তারা জলপথে ঘুরে ঘুরে জলপথের নানা অভিজ্ঞতা অর্জন করলেও পদ্মার ভয়ংকর ও উন্মত্ত রূপ দেখে ভয়ে কেঁপেছে। সারকথা: জলদস্যু দুরন্ত হার্মাদও পদ্মার ভয়ংকর ও প্রমত্ত রূপ দেখে ভয়ে কেঁপেছে।

13 তরঙ্গভঙ্গ হয় কার?

উত্তর পদ্মার তরঙ্গভঙ্গ হয়।

14 নির্ভীক জওয়ান কাদের বলা হয়েছে? কেন?

উত্তর ➤ সর্বগ্রাসী পদ্মার ভয়াবহতা উপেক্ষা করে কঠিন শ্রমের মাধ্যমে পদ্মার চরে সংগ্রামী মানুষ ফসল ফলায় বলে তাদের নির্ভীক জওয়ান বলা হয়েছে।

➤ পদ্মার দুই পাড়ের মানুষ সংগ্রামী জীবন যাপন করে। তারা পদ্মার উর্বর চরে কঠিন পরিশ্রমে শস্য রোপণ করে, ফসল ফলায়। কিন্তু তাদের জীবন নিরুদ্বিগ্ন নয়। বিশেষ করে পদ্মা বর্ষায় ধ্বংসাত্মক রূপ নেয়, পদ্মাতীরবর্তী মানুষ তখন জীবন ও মৃত্যুর দ্বন্দ্বে থাকে সংকটাপন্ন। কারণ বুকে প্রচুর সাহস জমিয়ে তাদের পদ্মার বৈরী প্রকৃতির বিরুদ্ধে সংগ্রাম করতে হয়। তাই পদ্মাপাড়ের সংগ্রামী মানুষকে নির্ভীক জওয়ান বলা হয়েছে। সারকথা: পদ্মার দুপাড়ের সংগ্রামী মানুষ কঠিন শ্রম ও দুরন্ত সাহসের সাথে ফসল ফলায় বলে তাদের নির্ভীক জওয়ান বলা হয়েছে।

15 জীবনের পথে পথে কী কুড়ানোর কথা বলা হয়েছে?

উত্তর জীবনের পথে পথে অভিজ্ঞতা কুড়ানোর কথা বলা হয়েছে।

16 পদ্মা’ কবিতায় কবি পদ্মার কয়টি রূপের কথা তুলে ধরেছেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ➤ ‘পদ্মা’ কবিতায় কবি পদ্মার দুটি রূপের কথা বলেছেন।

➤ বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। এদেশে ছড়িয়ে আছে অসংখ্য নদী। এসব নদীর মধ্যে পদ্মা সর্ববৃহৎ। সর্ববৃহৎ এই নদীর দুটি রূপের কথা কবি ফররুখ আহমদ উল্লেখ করেছেন। একদিকে কবি পদ্মার ভয়ংকর প্রমত্ত রূপের কথা বলেছেন, অন্যদিকে তিনি উল্লেখ করেছেন পদ্মার কল্যাণী রূপের বিষয়টি। পলি বাহিত পদ্মা জমির উর্বরাশক্তি বৃদ্ধির মাধ্যমে সবুজের সমারোহ গড়ে, ফসল ফলায়। অন্যদিকে বর্ষায় সর্বগ্রাসী হয়ে চালায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ। এই দুটি রূপ ধারণ করে পদ্মা আপন মহিমায় এগিয়ে চলেছে। সারকথা: ‘পদ্মা’ কবিতায় কবি পদ্মার ভয়ংকর প্রমত্ত এবং কল্যাণী রূপের কথা বলেছেন।

17 কঠিন শ্রমের ফল কী?

উত্তর কঠিন শ্রমের ফল হলো শস্যদানা।

18 ‘পদ্মা’ কবিতায় কবির কোন চেতনা প্রকাশ পেয়েছে?

উত্তর ➤ ‘পদ্মা’ কবিতায় কবির কল্যাণ চেতনা প্রকাশ পেয়েছে।

➤ ‘পদ্মা’ কবিতায় পদ্মার ভয়ংকর ও প্রমত্ত রূপের কথা বলা হয়েছে। বর্ষায় সময় পদ্মার জলস্রোত ভয়ংকর রূপ ধারণ করে। ধ্বংসযজ্ঞ চালায় মানুষের সাজানো বাগান, অসংখ্য জীবনে। তাছাড়া বর্ষাকালে পদ্মার স্রোত ভাসিয়ে নিয়ে যায় জীবনের অজস্র সম্ভার। এত কিছুর পরও পদ্মার রয়েছে কল্যাণময়ী রূপ। পদ্মার পলিতে প্লাবিত এর দুই পাড়ের উর্বর ভূমি মানুষকে দেয় পর্যাপ্ত ফসল। এছাড়াও দেয় জীবনদায়িনী সবুজের সমারোহ। পদ্মা কেবল ধ্বংসই করে না, পদ্মাকে ঘিরে জেগে ওঠে প্রাণের স্পন্দন। পদ্মার এই কল্যাণময়ী রূপ ফুটিয়ে তুলতেই কবি পদ্মার অন্যান্য বৈশিষ্ট্য সামনে নিয়ে এসেছেন। সারকথা: ‘পদ্মা’ কবিতায় কবির কল্যাণ চেতনা প্রকাশ পেয়েছে।

19 কবি ফররুখ আহমদের প্রথম কাব্য কোনটি?

উত্তর কবি ফররুখ আহমদের প্রথম কাব্য হলো ‘সাত সাগরের মাঝি’।

20 অনেক ঘূর্ণিতে ঘুরে কে পেয়েছে সমুদ্রের স্বাদ? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ➤ অনেক ঘূর্ণিতে ঘুরে জলদস্যু দুরন্ত হার্মাদ পেয়েছে সমুদ্রের স্বাদ।

➤ জলদস্যুরা নদী বা সমুদ্রে ঘুরে বেড়ায় আর সময়-সুযোগ মতো ডাকাতি করে। মূলত ডাকাতি করেই তারা জীবিকা নির্বাহ করে। জীবিকার তাগিদে তারা প্রতিনিয়ত নদী বা সমুদ্রের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়ায়। তাদের নানা সময়ে সমুদ্রের ঘূর্ণির মুখোমুখি হতে হয়। ঘূর্ণিতে ঘুরতে ঘুরতে জীবনের পথে অনেক চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে তারা পায় সমুদ্রের স্বাদ। সারকথা: জলদস্যু দুরন্ত হার্মাদ সমুদ্রের। বহু ঘূর্ণিতে পড়ে সমুদ্রের স্বাদ লাভ করে।

21 কত সালে ‘সাত সাগরের মাঝি’ প্রকাশিত হয়?

উত্তর ১৯৪৪ সালে ‘সাত সাগরের মাঝি’ প্রকাশিত হয়।

22 ‘কেঁপেছে তোমাকে দেখে জলদস্যু- দুরন্ত হার্মাদ’ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ➤ আলোচ্য চরণ দ্বারা পদ্মা নদীর উন্মত্ত ও ভয়াল রূপকে বোঝানো হয়েছে।

➤ পদ্মার চলার গতি উদ্ধত ও উদ্দাম। হিংস্র অজগরের মতো তীব্র তার প্রবাহ। সে অন্ধ রোষে ধাবমান। তার স্রোত বিক্ষুব্দ। তার চলার গতিতে উপড়ে যায় বৃক্ষ, ভেঙে যায় দুকূল। ভয়ংকর ঘূর্ণিকে সঙ্গে নিয়ে সে বয়ে চলে সমুদ্রের দিকে। সমুদ্রের স্বাদে তৃপ্ত করে নিজেকে। এমন অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ পদ্মার বুকে ভেসে চলতে চলতে দুরন্ত হার্মাদের (পর্তুগিজ জলদস্যু) বুকও কেঁপে উঠেছে। যারা বাংলায় অবাধে লুণ্ঠন, অপহরণ ও নির্বিচারে নারীদের ওপর অত্যাচার চালাত তারাও পদ্মার উন্মত্ত ও ভয়াল রূপের কাছে কুণ্ঠিত হয়েছে। সারকথা: পদ্মার প্রকৃত রূপ এমনই ভয়ংকর, যা দেখে জলদস্যুরাও ভয় পেয়ে যেত।

23 কার গতি সুতীব্র?

উত্তর পদ্মার গতি সুতীব্র।

24 সংগ্রামী মানুষ কীভাবে প্রচুর শস্যদানা পেয়েছে?

উত্তর ➤ সংগ্রামী মানুষ পদ্মার দুই তীরে লাঙল চালিয়ে প্রচুর শস্যদানা পেয়েছে।

➤ পদ্মার প্রকৃত রূপ ভয়ংকর ও প্রমত্ত। পদ্মার প্রচন্ড ঢেউয়ে দুই পাড় প্লাবিত হওয়ার ফলে পলি পড়ে পান্ডুর হয়ে যায়। তবুও পদ্মাপাড়ের সংগ্রামী মানুষ পদ্মার দুই পাড়ের ভরসায়ই বেঁচে থাকে। তারা পদ্মার সঙ্গে সংগ্রাম করে দুই পাড়ে ফসল ফলিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে। পদ্মার দুই পাড়ের ফসলই তাদের বেঁচে থাকার অন্যতম অবলম্বন। তাই তারা পদ্মাপাড়ে লাঙল চালিয়ে কঠিন শ্রমের বিনিময়ে প্রচুর শস্যদানা পায়। সারকথা: জীবনের তাগিদে সংগ্রামী মানুষ পদ্মার । দুই পাড়ে লাঙল চালিয়ে প্রচুর শস্যদানা ফলায়।

25 ঘূর্ণি’ অর্থ কী?

উত্তর ‘ঘূর্ণি’ অর্থ- জল বা বায়ুর প্রচন্ড আবর্তন।

26 ‘পদ্মা’ কবিতায় পদ্মার কী কী বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে?

উত্তর ➤ ‘পদ্মা’ কবিতায় পদ্মার প্রমত্ত ও কল্যাণময়ী বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে।

➤ ‘পদ্মা’ কবিতায় কবি পদ্মার দুটি বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কথা উল্লেখ করেছেন। একটি ভয়ংকর, অন্যটি কল্যাণময়। এই ভয়ংকর ও প্রমত্ত রূপ পদ্মা নদীর হিংস্রতাকে নির্দেশ করে। তীব্র স্রোতে ধ্বংস করে দুই কূলের সাজানো বাগান, অসংখ্য জীবন আর জীবনের অজস্র সম্ভার। অন্যদিকে পদ্মার গতিময়তা পদ্মার কল্যাণময় রূপের প্রকাশ ঘটায়। পদ্মা যখন দুকূল ছাপিয়ে বয়ে চলে তখন পদ্মার দুই পাড় জুড়ে পড়ে পলিমাটির আন্তর। যা থেকে আবার প্রাণের স্পন্দন জেগে ওঠে পদ্মাকে কেন্দ্র করে। সারকথা: ‘পদ্মা’ কবিতায় পদ্মার দুটি বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে।